দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রবাস জীবন শেষে দেশে নাগরিক হিসেবে এনআইডি নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিক ধাপ সম্পন্ন করেছেন তিনি।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া একটার দিকে রাজধানীর নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তারেক রহমান আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান প্রদান করেন। এর মধ্য দিয়ে তার ডিজিটাল ভোটার নিবন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলো।
জানা গেছে, তিনি ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান এলাকার ডিএনসিসি ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হিসেবে অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। একই ঠিকানায় ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার মেয়ে জাইমা রহমানও।
এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, তারেক রহমান এর আগেই অনলাইনে নিবন্ধনের প্রাথমিক ফরম পূরণ করেন। শনিবার সরাসরি উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান সম্পন্ন করেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর তৈরি হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, তারেক রহমানের দেওয়া তথ্যগুলো কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে যাচাই করা হবে। কোনো অসঙ্গতি না পাওয়া গেলে দ্রুতই তার মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস পাঠানো হবে। সেই লিংকের মাধ্যমে তিনি নিজেই অনলাইনে এনআইডি ডাউনলোড করতে পারবেন। চাইলে পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন থেকে স্মার্ট কার্ডও সংগ্রহ করা যাবে।
উল্লেখ্য, তারেক রহমানের জন্মস্থান বগুড়া হলেও ভোটার হিসেবে কোন এলাকায় নিবন্ধিত হবেন এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’র ঠিকানায় ভোটার হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।