বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সংসদ হবে সব সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু : প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে র‍্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, কার্তুজ ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ৪ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে পুলিশের অভিযানে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হারিয়ে যাওয়া ছয়টি পারমাণবিক বোমা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসে রোহিতদের জন্য ১৭০ কোটি টাকা ঘোষণা আবাসিক হোটেল ও স্পার আড়ালে দেহ ও মাদকের গোপন সাম্রাজ্য সাধারণরা না পেলেও ঈদে কর্মকর্তারা পাবেন নতুন নোট ‘দানবীয় স্যার’ সাবেক মন্ত্রী তাজুলের উত্থান ও সাম্রাজ্যের নেপথ্যে হাইপারসনিক ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান একই সেশনে অনার্স-মাস্টার্স: প্রশ্নবিদ্ধ সনদে বীমা কোম্পানির সিইও
সংসদ হবে সব সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু : প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী

সংসদ হবে সব সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু : প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ দেড় দশক পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাষণ দিয়েছেন তারেক রহমান।

ভাষণে তিনি জাতীয় সংসদকে যুক্তি, তর্ক এবং জনগণের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানসহ দীর্ঘ সংগ্রামের সকল শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, “হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ এবং অসংখ্য মানুষের কান্নার বিনিময়ে আজ জবাবদিহিমূলক একটি সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে।”

তারেক রহমান আবেগঘন কণ্ঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত স্বৈরাচারের সাথে আপস করেননি। জনগণের সাফল্যের এই মুহূর্তটি তিনি দেখে যেতে পারলেন না।” তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জনগণের স্বার্থকেই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হবে।

প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সংসদে দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পুরো দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার সংসদকে অকার্যকর ও হাস্যরসের খোরাকে পরিণত করেছিল। সেই কলঙ্ক মুছে সংসদকে জাতীয় কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র করা হবে।

অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনরোষের মুখে পতিত সরকারের প্রতিনিধিরা আজ পলাতক বা কারাগারে। এটি এক বিশেষ পরিস্থিতি।” এই সংকট নিরসনে তিনি সংবিধান ও কার্যপ্রণালি বিধির আলোকে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম অস্থায়ী সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করেন। তিনি ১৯৭৩ সালের উদাহরণ টেনে জানান যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নাম এভাবে প্রস্তাব করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণের শেষে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত ও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংসদের সকল সদস্য এবং দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com