মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৫০ কোটি টাকার বেশি ব্যাংক ঋণের প্রায় অর্ধেকই খেলাপি বন্দরে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারবিরোধী অভিযান: তিন স্পটে এক লাখ টাকা করে জরিমানা ছাত্র বা সন্তানের বয়সি কর্মকর্তারাও ‘স্যার’ সম্বোধন শুনতে চান নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঙ্গু হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার নামে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মোড়ক উন্মোচন ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ শেষে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করল এনসিপি বৈষম্য ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশের পথে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: প্রধান উপদেষ্টা নরসিংদীর বেলাবোতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, ভাঙচুর-আগুন জুয়ার আসরে অভিযান, ১২ জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বাবা–মায়ের সঙ্গে অভিমানে সিংড়ায় যুবকের মর্মান্তিক আত্মহত্যা

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন নিরপরাধ সেই মিনু

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১

আদালত প্রতিবেদক: প্রায় তিন বছর বিনা অপরাধে সাজা ভোগের পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন মিনু। আজ বুধবার (১৬ জুন) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হয়েছেন মিনু। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাধ্যক্ষ দেওয়ান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই করে মিনুকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত মিনুকে মুক্তির আদেশ দেন। আদালতের পেশকার মো. ওমর ফুয়াদ বলেন, আদালত মিনুর মুক্তির আদেশ দিয়েছেন। আদেশের কপি কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, হাইকোর্ট মিনুর বিষয়ে যাচাই-বাছাই করতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিলে তার ভিত্তিতে মিনুকে মুক্তির জন্য আদালতে মিনুর আইনজীবীকে বন্ড দিতে বলা হয়।

নামের মিল না থাকার পরও কুলসুম আক্তার কুলসুমী নামে এক নারীর পরিবর্তে মিনু কারাভোগ করছিলেন। কোনো কিছুর মিল থাকায় একজনের স্থলে আরেকজন জেল খাটার বিষয়টি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান আদালতের নজরে আনেন।

২০০৬ সালের জুলাই মাসে নগরের কোতোয়ালি থানার রহমতগঞ্জের একটি বাসায় মোবাইলে কথা বলা নিয়ে গার্মেন্টসকর্মী কহিনূর আক্তারকে গলা টিপে হত্যার ঘটনা ঘটে। এরপর মরদেহটি একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। কিন্তু কহিনূর আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেন অপরাধী কুলসুম আক্তার কুলসুমী। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়।

পুলিশ দুই বছর তদন্ত শেষে কহিনূরকে হত্যা করা হয় বলে প্রতিবেদন দেন। এতে আসামি করা হয় কুলসুম আক্তার কুলসুমীকে। ২০১৭ সালের নভেম্বরে আদালত কহিনূর আক্তার হত্যা মামলায় আসামি কুলসুম আক্তার কুলসুমীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তবে সাজার পরোয়ানামূলে কুলসুম আক্তার কুলসুমীর বদলি মিনু ২০১৮ সালের ১২ জুন কারাগারে যান।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com