ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

কোটা প্রথা সংস্কারে রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল



কোটা প্রথা সংস্কারে রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল
নিজস্ব প্রতিবেদক:  সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা প্রথার সংস্কার চাওয়া রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে। কোটা প্রথার সংস্কার চাওয়া রিট সরাসরি খারিজ করে গত ৫ মার্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন জমা দেয়া হয়। ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া ওই রিট দায়ের করেছিলেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইনসচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসনসচিব, পিএসসির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মীর, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্য সচিব দিদারুল আলম ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র সাব এডিটর আব্দুল ওদুদ রিট আবেদন করেন। আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া জানান, ১৯৭২ সালে এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, বেসরকারি, প্রতিরক্ষা, আধা সরকারি এবং জাতীয়করণ করা প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ত্রিশ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও দশ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য কোটা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে কোটায় সংস্কার ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি নিয়োগে কোটা যেমন- প্রতিবন্ধী এক শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নাতি নাতনি ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পাঁচ শতাংশ কোটা। সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান। এই কোটা প্রথা সংবিধানের ১৯, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভিশন বাংলা ২৪

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


কোটা প্রথা সংস্কারে রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০১৮

featured Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:  সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা প্রথার সংস্কার চাওয়া রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে। কোটা প্রথার সংস্কার চাওয়া রিট সরাসরি খারিজ করে গত ৫ মার্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন জমা দেয়া হয়। ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া ওই রিট দায়ের করেছিলেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইনসচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসনসচিব, পিএসসির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মীর, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্য সচিব দিদারুল আলম ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র সাব এডিটর আব্দুল ওদুদ রিট আবেদন করেন। আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া জানান, ১৯৭২ সালে এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, বেসরকারি, প্রতিরক্ষা, আধা সরকারি এবং জাতীয়করণ করা প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ত্রিশ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও দশ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য কোটা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে কোটায় সংস্কার ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি নিয়োগে কোটা যেমন- প্রতিবন্ধী এক শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নাতি নাতনি ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পাঁচ শতাংশ কোটা। সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান। এই কোটা প্রথা সংবিধানের ১৯, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত