শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মারা গেছেন বগুড়ার এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা লাল কার্ডে সর্বনাশ, আতলেতিকোর কাছে হেরে চাপে বার্সা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেলা প্রশাসনের অভিযান: ৩ লাখ টাকা জরিমানা লিঙ্গ পরিবর্তন করে এসে দেখে অন্য নারীর সাথে প্রেমিক: বরিশালে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আবারো বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ধেয়ে আসছে ভয়ংকর কালবৈশাখী, তাণ্ডব চালাতে পারে যেসব অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলকে নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের নরসিংদী হাজীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা বাড়ী নির্মাণ করে জমি দখল বগুড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নরসিংদীতে অপারেশন থিয়েটারে গর্ভবতী নারীর সঙ্গে চিকিৎসকের অশালীন আচরণ: প্রতিবাদে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম
খালেদা অসুস্থ, জিয়া চ্যারিটেবল মামলার জামিন ২২ মে পর্যন্ত

খালেদা অসুস্থ, জিয়া চ্যারিটেবল মামলার জামিন ২২ মে পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ২২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। অসুস্থতাকে বিবেচনায় নিয়ে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন বাড়িয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। মামলায় দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে আদালতে কারা কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো কাস্টডিতে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগছেন। এ কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে, গত ২৮ মার্চ খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিনও অসুস্থতার কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। পরে বিচারক ৫ এপ্রিল আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া। এ কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। দুদকের এই আইনজীবী আরও বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তবে তিনি ওই মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শে ওষুধ সেবন করছেন না। তাকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটিতে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানও আসামি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2026 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com