রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ):
ঈদের ছুটিতেও কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জরুরী সেবা মিলেছে। ঈদের ছুটিকালীন সময়ে যখন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেবা পেতে বিড়ম্বনার শেষ নেই, তখন দেবিদ্বার উপজেলাধীন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে জরুরী মা ও শিশু সেবা পেয়েছেন নারীরা। ঈদের ছুটিতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক সংকট সহ নানা কারণে আশানুরুপ সেবা না মিললেও পরিবার পরিকল্পনার সেবা কেন্দ্র থেকে জরুরী সেবার আওতাধীন বিনামূল্যে গর্ভকালীন সেবা, প্রসব সেবা, প্রসব পরবর্তী সেবা, শিশু সেবা, কৈশোর কালীন কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সেবাসহ জরুরী স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে। গত ২৮ মার্চ থেকে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নারীদের এই জরুরী সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়েছে। সংকটকালে এমন জরুরী সেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সেবা গ্রহীতারা।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে,দেবিদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলাম ও সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গত ২৮ মার্চ থেকে চলাকালীন সরকারি ছুটিতেও দেবিদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিটি ইউনিয়নে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নারীদের জরুরী সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত উপজেলার ৩০ জনকে গর্ভকালীন সেবা, ০৩জনকে স্বাভাবিক প্রসব করানো, ০৩জনকে প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১৬জন শিশু, ০৫ জন কিশোর-কিশোরীসহ ১০ জন সাধারণ রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের এক প্রসূতি রোগীর স্বামী জানান, ঈদের পরের দিনই প্রসব সমস্যা নিয়ে আমার স্ত্রীকে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে যাই। সেখানকার সেবা পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। অন্যান্য ক্লিনিকের চেয়েও ভালো পরিবেশে সেবা পেয়েছি। শনিবার(৫ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায় ঈদের ছুটিতে দেবিদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে জরুরী সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
এবিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রবিউল ইসলাম জানান সেবার চেয়ে বড় ধর্ম আর কিছু নেই। চাকরি জীবনে কর্তব্যকে সবসময় প্রাধান্য দেওয়া উচিত। জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থাকার চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।