মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খাল খননে জলাবদ্ধতা কমবে, বাড়বে কৃষি উৎপাদন: সোহেল মঞ্জুর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ, নরসিংদীতে ৫০ লাখ ঈদের ছুটিতে ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা র‍্যাব-সিআইডি-এসবি প্রধান পরিবর্তন জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরব থেকে ২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি কিনছে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ হবে এবার রোগমুক্ত: আমান উল্লাহ আমান দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশ ছাড়া চলবে না : আইজিপি আগৈলঝাড়ায় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ১৪ বস্তা চাল চাল জব্দ ভোটের কালি মোছার আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান ডা. জাফরুল্লাহর

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান ডা. জাফরুল্লাহর

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারকে ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

আজ বুধবার বিকেল ৫টায় জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলানায়তনে অনুষ্ঠিত ড. আহমদ শরীফ স্মারক বক্তৃতা ও স্মারক পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

এ সময় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা করেন কলকাতার বিশিষ্ট চিন্তাবিদ গবেষক অধ্যাপক ড. প্রথমা রায় মন্ডল। আহমেদ শরীফকে উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার নিপুণ চিন্তার দর্শন আলোচনার জন্য অল্প সময় যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন বৃহৎ পরিসর।

তাকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ড. আহমদ শরীফ জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, আহমদ শরীফ প্রচলিত ধ্যান ধারণাকে ভেঙে বিজ্ঞানসম্মতভাবে এবং যুক্তি ও প্রমাণ সাপেক্ষে সব কিছু বিচার করতে চেয়েছেন।

এরপর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাতে ড. আহমদ শরীফ স্মারক পুরষ্কার তুলে দেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, এটি আমার জীবণের প্রথম পুরষ্কার নয় তবে অবশ্যই বিশেষ কিছু। এই পুরষ্কার আমাকে স্মরণ করে দিয়েছে আমার অনেক কিছু দেবার বাকি আছে।

জনগণের জন্য তাঁর অসীম দরদ ছিল উল্লেখ করে আহমদ শরীফকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ক্ষুদ্র অংশই অর্জিত হয়েছে। কথা বলার ও মুক্তচিন্তার অধিকার এখনো অর্জিত হয় নি। এ ছাড়া তিনি সরকারকে ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেবার আহবান জানান।

তিনি বলেন, আহমদ শরীফ বেঁচে থাকলে নিশ্চই ছাত্রদের দাবির সাথে একত্মতা প্রকাশ করতেন। আহমদ শরীফ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কোনো আয়োজন না থাকায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে। পাশাপাশি সরকারকে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি সহনশীল আচরণ করার পরামর্শ দেন।

আনু মুহম্মদ আহমদ শরীফ সম্পর্কে তার বক্তব্যে বলেন, লেখক, গবেষক বা শিক্ষক তাঁর পূর্ণ পরিচয় বহন করে না। তিনি এর থেকেও বেশি কিছু। আহমদ শরীফের লেখা নিয়ে গবেষণার জন্য ড. প্রথমা রায় মন্ডলকে তিনি ধন্যবাদ দেন। তিনি আরো বলেন, আহমদ শরীফকে ইসলাম বিরোধী বলা হলেও বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের অবদান জানতে হলে আহমদ শরীফের বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ও ড. নেহাল করিম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও অহমদ শরীফের স্মরণে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন হাসান ফকরী।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com