অভিযানের প্রথম স্পট ছিল একতা মার্কেট, মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার হামজা মিষ্টি ও বেকারী। সেখানে অবৈধভাবে ব্যবহৃত এমএস পাইপ ৩/৪ ইঞ্চি ব্যাসের প্রায় ৩০ ফুট পাইপলাইন অপসারণ করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, হামজা মিষ্টির দোকানে দুটি স্টার বার্নার ও একটি সিঙ্গেল চুলার মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ১০২ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে হামজা বেকারীতে একটি ওভেনের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ৩০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া মো. সুরুজ মিয়া নামে এক গ্রাহক আবাসিক সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক কাজে গ্যাস ব্যবহার করছিলেন। তার স্থাপনায় তিনটি স্টার বার্নার, একটি মডিফাইড বার্নার ও চারটি ডাবল চুলা পাওয়া যায়, যার মোট সংযুক্ত লোড ছিল প্রতি ঘণ্টায় ২০৪ ঘনফুট। এসব অনিয়মের দায়ে প্রথম স্পটে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো মামলা বা এফআইআর করা হয়নি।
দ্বিতীয় স্পটে একতা মার্কেটের মায়ের দোয়া ভান্ডারী রেস্টুরেন্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে অবৈধভাবে স্থাপিত এমএস পাইপ ৩/৪ ইঞ্চি ব্যাসের প্রায় ২০ ফুট পাইপলাইন অপসারণ করা হয়। রেস্টুরেন্টটিতে বিভিন্ন ক্ষমতার মোট সাতটি স্টার বার্নার ও দুটি পাইপ বার্নার (গ্রিল) ব্যবহার করা হচ্ছিল, যার সম্মিলিত সংযুক্ত লোড ছিল প্রতি ঘণ্টায় ৩৪৯ ঘনফুট। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এখানেও কোনো মামলা বা এফআইআর করা হয়নি।

তৃতীয় স্পটে কেওডালা, মদনপুর এলাকার পাশা ইলেকট্রিক কারখানার গলিতে অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের উদ্দেশ্যে স্থাপিত ১.৫ ইঞ্চি ব্যাসের প্রায় ৬০ ফুট এমএস পাইপ অপসারণ করা হয়। তবে পরিদর্শনে পাইপটিতে কোনো গ্যাস সংযোগ পাওয়া যায়নি এবং এটি কোনো গ্যাস বিতরণ লাইনের সঙ্গেও যুক্ত ছিল না বলে নিশ্চিত করা হয়।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায় বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অপব্যবহার জননিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের জন্য বড় ঝুঁকি। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।



