বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ ২ জন আটক, আদালতে প্রেরণ ছন্দময় ফুটবল উপহার দিয়ে দাপুটে জয় পেল ব্রাজিল আমিরাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত সান্তাহার জংশন ষ্টেশনের ওভার ব্রীজের নির্মাণ কাজ বন্ধ : যাত্রীদের চরম দুর্ভগ মির্জা আব্বাসের সুস্থতা নিয়ে আশাবাদ, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন ভিপি উজ্জ্বল বগুড়া সান্তাহারে প্রভাবশালীর তাণ্ডব, সরকারি পুকুরে মাটি উত্তোলনে মোটা জরিমানা মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : জ্বালানি বিভাগ
ফাস্টফুড শিশুদের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফাস্টফুড শিশুদের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সময়ে ফাস্টফুড খাওয়া ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে, যা শিশুদের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন মেটার্নাল অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট নিউট্রিশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা বাচ্চাদের যেসব ফাস্টফুড খাওয়াই, সেগুলোর প্রভাবে বাচ্চারা মোটা হয়ে যাচ্ছে, ওজন বেড়ে যাচ্ছে। মোটা হয়ে যাওয়ার কারণে ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস হয়, শিশুরা যেহেতু আমাদের ভবিষ্যৎ, তাদের ফাস্টফুডের বিপরীতে ব্যালেন্স ফুড দেওয়া দরকার। তাদের ব্যালেন্স ফুডে অভ্যস্ত করা দরকার। সবকিছু মিলিয়ে একটা বড় সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একটা সময় আমাদের ৪০-৫০ শতাংশের মতো ম্যালনিউট্রিশন ছিল, যা বর্তমানে ২০ শতাংশে কমে এসেছে। চিকিৎসার পাশাপাশি খাদ্যটাও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সব ধরনের খাবারই খেতে হবে, বিশেষ করে খাবারটা পুষ্টিকর হতে হবে। নিউট্রিশনের অভাব হলে স্টান্টিং (খর্বকায়) বেড়ে যায়, যা আমাদের দেশে এখনও ২০ শতাংশের বেশি। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা কমে যায়। পাশাপাশি ইমিউনিটির ওপর প্রভাব পড়ে। খাদ্যটা যদি সুষম না হয়, তাহলে কিন্তু অসুখ-বিসুখ বাড়ে। যার ফলে আমাদের হেলথ সেক্টরে প্রভাব পড়ে।

তিনি বলেন, আমাদের মাতৃ-শিশু মৃত্যুর হার কমে এসেছে। একটা সময়ে গড়ে ৬০০ জনের মতো মৃত্যু হতো, বর্তমানে তা ১৬০ জনে চলে এসেছে। দেশের স্বাস্থ্যসেবা ভালো হয়েছে বলেই মৃত্যু কমে এসেছে। তবে আমাদের আরও ভালো করার সুযোগ আছে। এসডিজি অর্জন করতে হলে মাতৃমৃত্যু ৭০ জনে নামিয়ে আনতে হবে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমাদের দেশে ফল, শাকসবজি, মাছসহ সব ধরনের খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে। সুতরাং সুষম খাবারের বিষয়ে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম প্রমুখ।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2026 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com