রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মা হারা, এতিম অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থী মতিউরের স্বপ্ন– ডাক্তার হতে চাই দেবিদ্বারে ঈদের ছুটিতে ও থেমে নেই পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম হিন্দু-মুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তারাবাড়িয়া ও বিলমহিষা গ্রামবাসীর উদ্যোগে আধুনিক সভ্যতার আড়ালে হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে লাঠি বাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত অটো থেকে নামিয়ে জিম্মি, ৫০ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনতাই—জলঢাকায় শামীম ইসলামের অভিযোগে চাঞ্চল্য কেরানীগঞ্জে ‘আল্লাহ দান’ রিক্সার গ্যারেজে অবাধ জুয়া, এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাগমারায় গোবিন্দপাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের ঈদ উপহার বিতরণ নতুন উচ্চতায় প্রবেশ করছে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক : ড. ইউনূস গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উদ্দিপ্ত তরুন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ
ছেলের সঙ্গেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছেন ৪৪ বছরের নারী!

ছেলের সঙ্গেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছেন ৪৪ বছরের নারী!

৪৪ বছর বয়সী নারী রজনি বালা দেবী। শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে বয়স যে সমস্যা নয়, প্রমাণ দিলেন তিনি। রজনি বালা চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছেন তার ছেলের সঙ্গে। ভারতের লুধিয়ানার বাসিন্দা তিনি।

জানা গেছে, দারিদ্রতার কারণে ১৯৮৯ সালে লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হয়েছিল রাজনি বালাকে। সে বছরে তিনি নবম শ্রেণী পাস করে দশম শ্রেণীতে উঠেছিলেন। কিন্তু পারিবারিক চাপের কারণে ১৯৮৯ সালেই বিয়ে হয়ে যায় রজনি বালার।

এখন তিনি তিন সন্তানের জননী। কিন্তু মনের মধ্যে রয়ে গেছে লেখাপড়া শেষ করার অদম্য ইচ্ছা, অন্তত মাধ্যমিক পরীক্ষাটুকু পাস করতেই হবে। সে কারণে প্রায় তিন দশক পরে ফের পরীক্ষা দিতে বসেছেন রজনি।

তিনি বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই আমার স্বামী আমাকে লেখাপড়া শেষ করার কথা বলছিলেন। আমার তিন ছেলেমেয়ে লেখাপড়া করেছে। আমি একটা হাসপাতালের কর্মী। এই অবস্থায় আমার মনে হয়েছিল, মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়াটা জরুরি। তারপর আমার ছেলের সঙ্গেই লেখাপড়া শুরু করি।

রজনি বালা জানান, ছেলের সঙ্গেই নিয়মিত স্কুলে গেছেন তিনি। এখনও একই সঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাচ্ছেন। স্বামী-শাশুড়ি এবং সন্তানদের সাহায্য ছাড়া তার লেখাপড়ার স্বপ্ন সফল হতো না।

তিনি বলেন, ‘আমার শাশুড়ি নিজে লেখাপড়া না জানলেও আমায় সবসময় উৎসাহ জুগিয়েছেন। ভোরে ঘুম থেকে উঠে আমাকে আর ছেলেকে পড়িয়েছেন আমার স্বামী। স্নাতক স্তরের পাঠ শেষ করার ইচ্ছে রয়েছে।’

এদিক, রজনির স্বামী রাজ কুমার জানান, বর্তমান সময়ে লেখাপড়া করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য পূরণে বয়স কোনো বাধা নয়। আমি ১৭ বছরের ব্যবধানে স্নাতকের পড়া শেষ করেছিলাম। আমি পারলে আমার স্ত্রী কেন পারবে না?’

সূত্র: জি-নিউজ

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com