রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট ভোট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোট গ্রহণ: জেলা প্রশাসক সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি একটি মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে: তারেক রহমান রাজনৈতিক দলগুলো যথেষ্ট ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে: প্রেস সচিব সিংড়ায় বিয়াশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়ায় ফোর্স প্রদর্শন বাংলাদেশি সাংবাদিকদের মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন পুনর্বিবেচনা করছে আইসিসি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ কিশোরগঞ্জে লাঙ্গলের গণজোয়ার, গণসংযোগে জনসমর্থনের স্পষ্ট প্রতিফলন

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনায় প্রধানমন্ত্রী

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ জুন, ২০১৯
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনায় প্রধানমন্ত্রী
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি)-এর সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১২ দিনের সরকারি সফরের বিষয়ে দেশবাসীকে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি একথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষ সংগঠন অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) ১৪তম মক্কা শীর্ষ সম্মেলনে রোহিঙ্গা বাস্তুহারাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনাসহ মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠীটির অধিকার রক্ষায় করা মামলায় কারিগরি ও আর্থিক সমর্থন চেয়েছেন।

তিনি বলেন, ওআইসির নিজস্ব সমস্যাগুলো মোকাবেলা করার সক্ষমতা থাকা উচিত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজেদের সমস্যা নিজেরা মোকাবেলা করার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তায় উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, মুসলিম দেশগুলোর হাতে বেশির ভাগ প্রাকৃতিক সম্পদ ও বিস্তৃত এলাকার নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের যেকোনো সমস্যা মোকাবেলায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। এমনকি রোহিঙ্গার মতো একটি মুসলিম জাতি নিপীড়ন ও নিশ্চিহ্নের মুখে পড়ার পরও তেমন কিছু করতে পারেনি ওআইসি। নিজেদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে। এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি পূরণে মিয়ানমার গড়িমসি করছে। কিন্তু মুসলিম দেশগুলো এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না। এটি লজ্জারও বটে।

জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাপক গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের বিষয়টি উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে। জাতিসংঘের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং মিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সে দেশে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ ও বিতাড়নে সেনাবাহিনীর সরাসরি সংশ্লিষ্টতা এবং দায়দায়িত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব প্রদান, আন্তর্জাতিক ত্রাণকর্মীদের মিয়ানমারে প্রবেশ ও কাজ করার সুযোগ, সর্বোপরি রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা প্রদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে সর্বসম্মত প্রস্তাব পাস হয়েছে জাতিসংঘে। আন্তর্জাতিক আদালতে তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়েরের জন্য ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। যত দ্রুত তা বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গারা সে দেশে পুনর্বাসিত হয় ততই মঙ্গল। ইসলামিক ঐক্য সংস্থা ওআইসির এক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্তটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক অগ্রগতি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com