রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট ভোট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোট গ্রহণ: জেলা প্রশাসক সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি একটি মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে: তারেক রহমান রাজনৈতিক দলগুলো যথেষ্ট ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে: প্রেস সচিব সিংড়ায় বিয়াশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়ায় ফোর্স প্রদর্শন বাংলাদেশি সাংবাদিকদের মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন পুনর্বিবেচনা করছে আইসিসি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ কিশোরগঞ্জে লাঙ্গলের গণজোয়ার, গণসংযোগে জনসমর্থনের স্পষ্ট প্রতিফলন

স্বামী হত্যাকাণ্ডে মিন্নি গ্রেপ্তার

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যায় স্ত্রী মিন্নিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৬ জুলাই মঙ্গলবার দিনে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতে গ্রেফতার করা হয়।

সকালে বরগুনার বাসা থেকে মিন্নি ও তার বাবাকে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে রাতে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এর আগে, বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার বাদি নিহত রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ ও মামলার প্রধান সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি পরস্পর দোষারোপ করে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

একই সময়ে বন্দুকযদ্ধে নিহত নয়ন বন্ডের মা শাহিদা বেগমও মিন্নিকে জড়িয়ে বিবৃতি দেওয়ায় রিফাত হত্যার ঘটনা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য এ মামলার ১ নম্বর সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে (২০) মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০ টায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ লাইনসে আনা হয়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং সুদীর্ঘ সময় ধরে তথ্যাদি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিন্নির সংশ্লিষ্টতা প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। আর তাই মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাত ৯ টায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকরি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া সন্দেহভাজন অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামি সহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলা দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজীসহ বাকি তিন আসামি এখনও রিমান্ডে আছেন।

এর আগে গত শনিবার রাত আটটার দিকে রিফাতের বাবা বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মিন্নির গ্রেপ্তার দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ হত্যার সঙ্গে মিন্নি জড়িত। রিফাতের বাবার এই অভিযোগের ফলে ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়। মিন্নির গ্রেপ্তারের দাবিতে পরদিন রোববার ১১টায় বরগুনা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, রিফাত হত্যায় তাঁর স্ত্রী মিন্নি জড়িত।

‘বরগুনার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ। মানববন্ধনে রিফাতের বাবা ছাড়াও বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ও স্থানীয় সাংসদের ছেলে সুনাম দেবনাথ বক্তৃতা করেন।

রবিবার সকালেই ‘বরগুনার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে মানববন্ধনের পর দুপুরে মিন্নি তাঁর বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, যাঁরা বরগুনায় ‘বন্ড ০০৭’ নামে সন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি করিয়েছিলেন, তাঁরা খুবই ক্ষমতাবান এবং অর্থবিত্তশালী। নেপথ্যের এই ক্ষমতাবানেরা বিচারের আওতা থেকে দূরে থাকা ও এই হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য তাঁর শ্বশুরকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছেন।

এরপর মঙ্গলবার সকালে মিন্নিকে পুলিশ লাইনসে নেওয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com