বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীর ৫টি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ বিমা খাতে সেরার স্বীকৃতি পেল ১৩ কোম্পানি নরসিংদীতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত যৌনকর্মীদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ৫০ কোটি টাকার বেশি ব্যাংক ঋণের প্রায় অর্ধেকই খেলাপি বন্দরে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারবিরোধী অভিযান: তিন স্পটে এক লাখ টাকা করে জরিমানা ছাত্র বা সন্তানের বয়সি কর্মকর্তারাও ‘স্যার’ সম্বোধন শুনতে চান নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঙ্গু হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার নামে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মোড়ক উন্মোচন ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ শেষে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করল এনসিপি

চোখের দিকে তাকিয়ে ঘুষ নির্ধারণ করতেন জি কে শামীম

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯

‘সুবিধা প্রত্যাশী নতুন কেউ আমার অফিসে এলে প্রথমেই তার চোখের দিকে তাকাতাম। তাকিয়ে বুঝার চেষ্টা করতাম তার রেঞ্জ কতো। সেই অনুযায়ী তাকে টাকা দিতাম। সন্তুষ্ট মনে ফিরে যেতেন অফিস থেকে। চোখ দেখেই আমি বুঝতে পারতাম কাকে কিভাবে ম্যানেজ করতে হবে।’

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত জিকে শামীম এমন তথ্যই দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন এক কর্মকর্তার কাছ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় যুবলীগ নেতা পরিচয় দেওয়া ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে। এরপর তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জি কে বিল্ডার্সের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র, মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতির মামলা হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর শামীমকে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে মানি লন্ডারিং আইনে তাঁকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে শামীমের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ দুর্নীতির মামলায় সাত দিন করে রিমান্ডে শেষে গত ৭ নভেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত ২১ অক্টোবর শামীম ও তাঁর মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই দিন খালেদের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুদক। এ মামলায় তাঁকে ২৭ অক্টোবর রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে জিকে শামীম কারাগারে রয়েছেন।

জিকে শামীম বলেছেন, ‘আমার কাছে কেউ এলে প্রথমেই চোখের দিকে তাকাই। চোখ দেখেই আমি বুঝতে পারি কে কি চায়। কাকে কত টাকা ঘুষ দিলে খুশি হবেন সেটাও চোখের দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করতে পারি।’

শামীম জানান, ‘আন্দাজ করে যাদেরকে টাকা দিয়েছেন তাদের সাবই খুশি মনেই অফিস থেকে বিদায় নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এক কথায় ঘুষ বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছিলেন জিকে শামীম।’

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com