সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ, নরসিংদীতে ৫০ লাখ ঈদের ছুটিতে ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা র‍্যাব-সিআইডি-এসবি প্রধান পরিবর্তন জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরব থেকে ২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি কিনছে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ হবে এবার রোগমুক্ত: আমান উল্লাহ আমান দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশ ছাড়া চলবে না : আইজিপি আগৈলঝাড়ায় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ১৪ বস্তা চাল চাল জব্দ ভোটের কালি মোছার আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী এবার যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানিতে পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের
পদ্মা সেতুর ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার দৃশ্যমান

পদ্মা সেতুর ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার দৃশ্যমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মাসেতুর ৭ ও ৮ নম্বর পিলারের ওপর বসল ৩৪তম ‘টু-এ’ স্প্যান। এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৫ হাজার ১শ মিটার বা ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার। ৩৩তম স্প্যান বসানোর ষষ্ঠ দিনের মাথায় বসানো হলো এ স্প্যানটি। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৭ মিনিটের দিকে স্প্যান বসানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আবদুল কাদের।

এর আগে শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থিত কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে স্প্যানটি বহন করে পৃথিবীর সবচয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওয়ানা দেয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর কাঙ্ক্ষিত পিলারের কাছে পৌঁছে ৩ হাজার ৬শ টন সক্ষমতার ক্রেনটি। সেখানে সারারাত অবস্থান করে। রবিবার সকালে ভাসমান ক্রেনটি নোঙর ও পজিশনিং শেষে পিলারের ওপর রাখা হয় স্প্যানটিকে।প্রকৌশলীরা জানান, স্প্যান বসানোর জন্য দুদিন সময় নেওয়া হয়। প্রথমদিন বৈরী আবহাওয়ার জন্য পিলারের ওপর বসানো যায়নি। কিন্তু পরদিন অনুকূল আবহাওয়া থাকায় দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সফলভাবে বসানো সম্ভব হয়।২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত এই প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮১ দশমিক ৫০ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮৭ দশমিক ৫৫ ভাগ। নদী শাসন কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৭৪ দশমিক ৫০ ভাগ। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ২৩ হাজার ৭৯৬ দশমিক ২৪ কোটি টাকা।মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) এবং নদী শাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com