শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বরিশালের মাটিতে ভাস্কর সাহা: জীবন ও কবিতায় নিঃসঙ্গতার নির্মোহ ভাষ্য নরসিংদীতে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি: তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান সাবেক মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে প্রশ্নের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া: বহু হতাহত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রুবেল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম অবৈধ বালু বাণিজ্যে থামেনি চক্র: প্রশাসনের জালে ১১, জব্দ ২ ড্রেজার জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড তিন রাস্তার মোড়ে নিত্য যানজট ভোগান্তিতে জনজীবন ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
নোয়াখালীতে দলবেঁধে বিধবাকে ধর্ষণ অতঃপর সালিশে মীমাংসা, আটক ৩

নোয়াখালীতে দলবেঁধে বিধবাকে ধর্ষণ অতঃপর সালিশে মীমাংসা, আটক ৩

আজ সোমবার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় দলবেঁধে এক বিধবাকে ধর্ষণের ঘটনায় সালিশে জরিমানা ও কান ধরে উঠবস করিয়ে মীমাংসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন মো. রুবেল (২০), নূর নবী (২৪) ও আবুল কাশেম ওরফে মাছ কাশেম (৫০)।

 বিধবা জানান, তিন মাস আগে স্বামী মারা গেলে তিনি চট্টগ্রামে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন।তাদের দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে (১২) চট্টগ্রামে তার সঙ্গে আর দেড় বছর বয়সী ছোট ছেলে বাড়িতে তার মায়ের সঙ্গে থাকে।“গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকালে বড় ছেলেকে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হই। রাত ১০টার দিকে ছাতারপাইয়া বাজারে থেকে বাড়ি যাওয়ার জন্য সেলিম নামে একজনের রিকশা ভাড়া নিই।”

তিনি অভিযোগ করেন, কিছুদূর যাওয়ার পর চালক রিকশা থামিয়ে বেশ কিছুক্ষণ মোবাইল ফোনে কথা বলেন। এ সময় নূর নবী ও রুবেল সেখানে হাজির হয়ে তাকে টেনে-হিঁছড়ে সড়ক থেকে একটু দূরে খাল পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন।এ সময় তার ছেলে কান্নাকাটি করলে তাকে ছোরার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে রাখে বলে জানান ওই নারী।

বিধবা আরও বলেন, এরপর স্থানীয় আবুল কাশেম ও মো. হানিফ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সালিশ বৈঠক করেন। সালিশে ধর্ষণের ঘটনায় নূর নবী ও রুবেল উপস্থিত থাকলেও সেলিম হাজির হননি।

“পরে মো. হানিফ, রুবেল ও নবীর ১০ হাজার টাকা করে ২০ হাজার এবং সেলিমের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আবুল কাশেম নামে স্থানীয় মাতবর। সেই সঙ্গে সালিশে উপস্থিত রুবেল ও নূর নবীকে ১০ বার কান ধরে উঠবস করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।”

ওসি হারুন বলেন, দুপুরে পুলিশের একটি দল বিধবাকে মামলার জন্য থানায় নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নূর নবী, রুবেল ও আবুল কাশেমকে আটক করে। রুবেল ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

ধর্ষণ ও সালিশে ঘটনায় জড়িত বাকিরা পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।এ ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2026 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com