বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঈদে আসছে কাজী বাহাদুর হিমুর ‘বায়ান্ন পাতার প্রেম’ চালকের অবহেলায় ৯টি বগি লাইনচ্যুত, মাস্টার বরখাস্ত রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঈদের দিন সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কুড়িগ্রামে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ‘অপসংস্কৃতি রোধে আগৈলঝাড়ায় ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কেরানীগঞ্জের সেই কালা মাগুর এবার নিষিদ্ধ পলিথিনের দালাল নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরালের পর পালিয়েছেন ইউএনও ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় আত্মসমর্পণ স্ত্রীর!
কর্মী মারা গেলে পাবেন ১০ লাখ, ঘোষণা চেয়ারম্যানের

কর্মী মারা গেলে পাবেন ১০ লাখ, ঘোষণা চেয়ারম্যানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সহিংসতায় জড়িয়ে কোনো সমর্থক যদি মারা যান তবে তাঁর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। রীতিমতো ইনস্যুরেন্স কম্পানির মতো করে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালে গেলে চিকিত্সা ও সংসার খরচের দায়িত্ব নেবেন ওই প্রার্থী।

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম যুবরাজ। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ড শুরুর আগেই তিনি গত ২৫ ও ২৬ অক্টোবর নিজ বাড়িতে কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ঘোষণা করেন, যদি নির্বাচনে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সহিংসতায় জড়িয়ে কোনো সমর্থক মারা যান তাহলে তাঁর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে গেলে চিকিত্সা ও সংসার খরচের দায়িত্ব নেবেন ওই প্রার্থী। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর এ বক্তব্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার নির্বাচন করতে গিয়ে যদি কোনো কর্মী মারা যান, তাঁর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। আর যদি খুনাখুনি-বাইড়াবাইড়ি করে হাসপাতালে ভর্তি থাকেন, তাহলে আমি সম্পূর্ণ খরচ বহন করব, তাঁর সংসারের খরচও আমি চালাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন পারপাসে লোক মারা যেতে পারে। আমার কর্মী যাঁরা তাঁদের একটা লিস্ট (তালিকা) আছে। এই লিস্টটা করতাছি, এই লিস্টটা আমার কাছে আছে।’

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, এ রকম কোনো কথা বলে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি, করলে ব্যবস্থা নেব।’

উল্লেখ্য, আগামী ২৩ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপের সিরাজদিখানের ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ২৫ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২৯ নভেম্বর, প্রত্যাহারের শেষ সময় ৬ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৭ ডিসেম্বর। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com