বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ কিশোরগঞ্জে লাঙ্গলের গণজোয়ার, গণসংযোগে জনসমর্থনের স্পষ্ট প্রতিফলন নরসিংদী জেলার ব্যাপক সাফল্য: ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সম্পন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ল ৫ হাজার টাকা কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ‘বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রচারণা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে শিশুদের ব্যবহার বন্ধের দাবি ১৪ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ জামায়াত চাঁদাবাজি করবে না, কাউকে করতেও দেবে না: জামায়াত আমির স্বামীকে খুন করে সারারাত অশ্লীল ভিডিও দেখলেন স্ত্রী আমাদের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে : নাহিদ ইসলাম

আরও ১০০ হাসপাতালে চালু হচ্ছে বৈকালিক রোগী দেখা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী সপ্তাহের মধ্যে ১০০টি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ মঙ্গলবার (২ মে) সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সার্বজনীন স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস ২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

 

 

ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস পুরোদমে চলছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এতে চিকিৎসক ও রোগী-সবাই সন্তুষ্ট। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ১০০টি প্রতিষ্ঠানে এ বৈকালিক চিকিৎসা সেবা শুরু হবে। আগামী অল্পদিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করে দেওয়া হবে। ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ নামের একটি সেবা নিয়ে শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আগামী ১১ মে বাংলাদেশে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হতে যাচ্ছে। যেখানে নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডান থাকার কথা রয়েছে। প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ইউনির্ভার্সাল হেলথ কাভারেজ আরও গতিশীল করতে যাচ্ছি। সরকারিভাবে দেশে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। ইউনির্ভার্সাল হেলথ কভারেজের ভিত্তি হলো জনগণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। সরকারিভাবে বিনামূল্যে দিয়ে আসছি, এখন বেসরকারিভাবে কীভাবে রোগীদের খরচ কমিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই ইউনির্ভার্সাল হেলথ কাভারেজ আমরা অনেকাংশে বাস্তবায়ন করতে পারব।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন ডা. টি হোসেন। ছোট আকারে অল্পকিছু ডাক্তার ও কর্মকর্তাদের নিয়ে এ অধিদপ্তরের কাজ শুরু হয়। তারা মুক্তিযুদ্ধে আহতদের চিকিৎসা সেবা দেন। আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কলেবর অনেক বেড়েছে। যেখানে তখন একটি শয্যাও ছিল না, সেখানে এখন ৬০ হাজার শয্যা রয়েছে। ৩৩ হাজার চিকিৎসক রয়েছে। ৪৫ হাজার নার্স রয়েছে।

আর জেলা-উপজেলা, মেডিকেল কলেজ ও ইনস্টিটিউট মিলিয়ে সাড়ে ৭০০ হাসপাতাল রয়েছে আমাদের। ১৮ হাজার ক্লিনিক হয়েছে। তার মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক ১৪ হাজার। একটি ওষুধও তৈরি হতো না। এখন সব ওষুধ বাংলাদেশে তৈরি হয়। বাইপাস সার্জারি, ট্রান্সপ্ল্যান্ট হচ্ছে বাাংলাদেশে। চিকিৎসাসেবার পরিধি অনেক বেড়েছে।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com