ঢাকা    মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

গাইবান্ধায় কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী নারী আয়শা বেগম



গাইবান্ধায় কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী নারী আয়শা বেগম
গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার জামালপুর গ্রামের আতাউর রহমানের দরিদ্র পরিবারের  হার না মানা এক নারী আয়শা বেগম। অভাব অনটন  যখন সংসারে জেঁকে বসে ঠিক তখন ২০২০ সালে উপজেলা কৃষি অফিসের  আওতায় কেঁচো দিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।এরপর নিজ উদ্যোক্তে শুরুতে ১০টি রিং ব্যবহার করে সার  উৎপাদন করেন।তার পর থেকেই ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করে।বর্তমানে তার নিজস্ব খামারে ১০০ টি রিং থেকে প্রায় ১৫ থেকে ২০ টণ সার উৎপাদিত হচ্ছে। যা থেকে মায়ে আয় লক্ষাধিক টাকা। তার এমন সাফল্যের জন্য অনেকের মাঝে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনেরও আগ্রহ বাড়ছে।
সফল এই নারী উদ্যোক্তা আয়শা বেগম বলেন,শুরুতে কেঁচো দিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে গ্রামের মানুষের  নানা কথার প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়েছে তবে সেই সব প্রতিবন্ধকতা দূর করে বর্তমানে তিনি আর্থিকভাবে সফলতা লাভ করেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো খোরশেদ আলম বলেন,আশায় বেগম ব্যক্তিগতভাবে সফল হয়েছেন। তার উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট সারের মাধ্যমে ঐ এলাকার কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।কৃষি বিভাগ সার্বিকভাবে তার খোঁজ খবরের পাশাপাশি সহযোগিতার ও আশ্বাস দেন।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


গাইবান্ধায় কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী নারী আয়শা বেগম

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৫

featured Image
গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার জামালপুর গ্রামের আতাউর রহমানের দরিদ্র পরিবারের  হার না মানা এক নারী আয়শা বেগম। অভাব অনটন  যখন সংসারে জেঁকে বসে ঠিক তখন ২০২০ সালে উপজেলা কৃষি অফিসের  আওতায় কেঁচো দিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।এরপর নিজ উদ্যোক্তে শুরুতে ১০টি রিং ব্যবহার করে সার  উৎপাদন করেন।তার পর থেকেই ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করে।বর্তমানে তার নিজস্ব খামারে ১০০ টি রিং থেকে প্রায় ১৫ থেকে ২০ টণ সার উৎপাদিত হচ্ছে। যা থেকে মায়ে আয় লক্ষাধিক টাকা। তার এমন সাফল্যের জন্য অনেকের মাঝে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনেরও আগ্রহ বাড়ছে।
সফল এই নারী উদ্যোক্তা আয়শা বেগম বলেন,শুরুতে কেঁচো দিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে গ্রামের মানুষের  নানা কথার প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়েছে তবে সেই সব প্রতিবন্ধকতা দূর করে বর্তমানে তিনি আর্থিকভাবে সফলতা লাভ করেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো খোরশেদ আলম বলেন,আশায় বেগম ব্যক্তিগতভাবে সফল হয়েছেন। তার উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট সারের মাধ্যমে ঐ এলাকার কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।কৃষি বিভাগ সার্বিকভাবে তার খোঁজ খবরের পাশাপাশি সহযোগিতার ও আশ্বাস দেন।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত