জাপান সফর শেষে ফেরার পথে বিপত্তি, প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
জাপানের টোকিও থেকে ঢাকায় ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এ কারণে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটির উড্ডয়ন বিলম্বিত হয়।স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি টার্মিনাল ছেড়ে রানওয়ের দিকে যায়। তবে উড্ডয়নের আগেই রানওয়েতে থেমে যায় সেটি।প্রায় ১৫ মিনিট পর পাইলট ইমামুল ঘোষণা করেন, কারিগরি সমস্যার কারণে উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করতে পারছে না। ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামতের জন্য দুই প্রকৌশলী কাজ করছেন বলেও তিনি জানান। সমস্যা সমাধান হলে ফ্লাইটটি আবার যাত্রা শুরু করবে বলে জানানো হয়। পরে উড়োজাহাজটি ফিরিয়ে টারমাকে নেওয়া হয়।উড়োজাহাজটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী দলের অন্য সদস্যরা রয়েছেন।জাপানে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় টোকিও থেকে ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রওনা হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ফ্লাইটটির বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।তবে উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির কারণে যাত্রার সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। ত্রুটি মেরামত ও পুনরায় উড্ডয়নের বিষয়ে পরবর্তী কোনো সময়সূচি সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি।
টেকনাফে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করাই শারদীয় দুর্গাপূজার মূল দর্শন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রবিবার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটেছিল। দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে। তবে প্রতিবারই বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেছে।রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালে এটি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। তাঁর অভিযোগ, যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলতেন, তাঁদের হাতেই এ ঘটনা ঘটেছিল।তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় রমনা কালীমন্দির পুনঃস্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকেই মন্দিরটিকে তার হারানো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি।দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বিভিন্ন সময় অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার চালানো হয়।তিনি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি—বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।’রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।এ ছাড়া রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাসসহ পূজা উদ্যাপন কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট
অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করাই শারদীয় দুর্গাপূজার মূল দর্শন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রবিবার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটেছিল। দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে। তবে প্রতিবারই বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেছে।রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালে এটি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। তাঁর অভিযোগ, যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলতেন, তাঁদের হাতেই এ ঘটনা ঘটেছিল।তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় রমনা কালীমন্দির পুনঃস্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকেই মন্দিরটিকে তার হারানো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি।দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বিভিন্ন সময় অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার চালানো হয়।তিনি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি—বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।’রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।এ ছাড়া রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাসসহ পূজা উদ্যাপন কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা
অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করাই শারদীয় দুর্গাপূজার মূল দর্শন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রবিবার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটেছিল। দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে। তবে প্রতিবারই বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেছে।রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালে এটি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। তাঁর অভিযোগ, যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলতেন, তাঁদের হাতেই এ ঘটনা ঘটেছিল।তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় রমনা কালীমন্দির পুনঃস্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকেই মন্দিরটিকে তার হারানো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি।দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বিভিন্ন সময় অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার চালানো হয়।তিনি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি—বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।’রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।এ ছাড়া রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাসসহ পূজা উদ্যাপন কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
জাপান সফর শেষে ফেরার পথে বিপত্তি, প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ক্লোন করে ভুয়া নিয়োগ,প্রধান আসামি গ্রেফতার
কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু
কুমিল্লায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে বিদেশি পিস্তল ও দুই ম্যাগাজিন উদ্ধার
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
টেকনাফে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট
মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা
আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের মিলনমেলা
পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী
জাপান সফর শেষে ফেরার পথে বিপত্তি, প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
জাপানের টোকিও থেকে ঢাকায় ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এ কারণে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটির উড্ডয়ন বিলম্বিত হয়।স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি টার্মিনাল ছেড়ে রানওয়ের দিকে যায়। তবে উড্ডয়নের আগেই রানওয়েতে থেমে যায় সেটি।প্রায় ১৫ মিনিট পর পাইলট ইমামুল ঘোষণা করেন, কারিগরি সমস্যার কারণে উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করতে পারছে না। ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামতের জন্য দুই প্রকৌশলী কাজ করছেন বলেও তিনি জানান। সমস্যা সমাধান হলে ফ্লাইটটি আবার যাত্রা শুরু করবে বলে জানানো হয়। পরে উড়োজাহাজটি ফিরিয়ে টারমাকে নেওয়া হয়।উড়োজাহাজটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী দলের অন্য সদস্যরা রয়েছেন।জাপানে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় টোকিও থেকে ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রওনা হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ফ্লাইটটির বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।তবে উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির কারণে যাত্রার সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। ত্রুটি মেরামত ও পুনরায় উড্ডয়নের বিষয়ে পরবর্তী কোনো সময়সূচি সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি।
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা