প্রজ্ঞাপন জারি / ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন মন্ত্রী-হুইপরা
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের দিয়েছে সরকার।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ বিষয়ে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিগত সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন বরাদ্দ থাকলেও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। লুটপাটের অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।সরকার উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যক্রমের জন্য জাতীয় সংসদ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে টেকসই উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর, ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়, আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর এবং নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পেয়েছেন হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরী মৌলভীবাজার, মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি চট্টগ্রাম এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার দায়িত্ব পেয়েছেন।আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর, মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট, জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী এবং সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সাচিং প্রু পেয়েছেন কক্সবাজার, মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদী, শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুর, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ এবং আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়িত্ব পেয়েছেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি; হাবিবুর রশিদ গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব পেয়েছেন।ফারজানা শারমিনকে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা, শেখ ফরিদুল ইসলামকে যশোর, মাগুরা ও নড়াইল, ইয়াসের খান চৌধুরীকে জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ, আহম্মদ সোহেল মনজুরকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সারকে জয়পুরহাট ও নওগাঁর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ পেয়েছেন সিলেট ও সুনামগঞ্জের দায়িত্ব। মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। বিশেষ করে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং গুরুতর অপরাধ দমনে তারা তদারকি করবেন।একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বও তাদের ওপর থাকবে।প্রয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে পরামর্শ দিতে পারবেন। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব কৃষক পরিবারের পাশে সিংড়া উপজেলা প্রশাসন
নিরাময়কেন্দ্রের আড়ালে যেন গড়ে উঠেছিল একেকটি বন্দিশালা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হক গ্রুপের কর্ণধার আদম তমিজী হককে গ্রেফতারের পর কারাগারে না পাঠিয়ে রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, শুধু আটকে রাখাই নয়, তাকে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণের চেষ্টাও করা হয়েছিল। এ ঘটনায় নিরাময়কেন্দ্রটির ভূমিকা, অর্থ আদায় এবং তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কীভাবে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর। ওই দিন হক গ্রুপের কর্ণধার ব্যবসায়ী আদম তমিজী হক ফেসবুক লাইভে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দেন। এর পরই তার ওপর নজরদারি শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। একপর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হলেও কারাগারে পাঠানো হয়নি। বরং রাজধানীর বীকন পয়েন্ট নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে তাকে রাখা হয়।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সেখানে আটকে রাখার পাশাপাশি তমিজীর পরিবারের কাছ থেকেও কয়েক দফায় মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়। এ কাজে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ও তার সহযোগীদের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে তমিজীকে অবৈধভাবে আটকে রাখার বিনিময়ে বীকন পয়েন্টও কয়েক লাখ টাকা ‘সার্ভিস চার্জ’ নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।একপর্যায়ে তমিজী হককে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণ করতে বাইরে থেকে কয়েকজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে সেখানে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের কেউ তাকে মানসিক রোগী হিসেবে সনদ দিতে রাজি হননি। বরং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মধ্যে মানসিক রোগের লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকদের একজনের দাবি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিকিৎসক দলের এক সদস্য সম্প্রতি গণমাধ্যমে জানান, বীকন পয়েন্টে গিয়ে তমিজীকে পরীক্ষা করার পর তাকে মানসিক রোগী বলে মনে হয়নি। এরপরও তাকে সেখানে আটকে রাখার চেষ্টা চলতে থাকে। চিকিৎসকরা নিয়ম অনুযায়ী এ বিষয়ে আদালতের আদেশ দেখাতে বললে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ক্ষুব্ধ হন। এ সময় বীকন পয়েন্টের কয়েকজন কর্মকর্তাও চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।সূত্রের দাবি, শেষ পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা সনদ ছাড়াই তমিজীকে সেখানে বেশ কিছুদিন আটকে রাখা হয়। বিষয়টি গোপন রাখতে নিরাময়কেন্দ্রটির একটি ফ্লোরও ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ ব্যবস্থায় সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তার জন্য আলাদা খাবার, পানীয় এবং বিনোদনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারকোটিক্সের এক উপপরিচালক বলেন, বীকন পয়েন্টে তমিজী হককে অবৈধভাবে আটকে রাখার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানা থাকলেও সে সময় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ডিবি হারুনের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি ছিল অনেকেরই জানা। ফলে হারুনের কর্মকাণ্ডের পেছনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন রয়েছে—এমন ধারণাই তৈরি হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মহলে।তবে তমিজী হকের ঘটনাই একমাত্র উদাহরণ নয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। রাজধানীর বিভিন্ন মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বিরোধ মেটানো, প্রতিপক্ষকে আটকে রাখা কিংবা কাউকে জোর করে ‘মাদকাসক্ত’ সাজানোর অভিযোগও রয়েছে।সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকের সহযোগিতায় এক নারী তার স্বামীকে মাদকাসক্ত সাজিয়ে দীর্ঘদিন একটি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখেন। অন্য ঘটনায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ভাই আরেক ভাইকে নিরাময়কেন্দ্রে বন্দি করে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এমনকি এসব প্রতিষ্ঠানের ভেতর গুরুতর অপরাধের অভিযোগও উঠেছে। একটি নিরাময়কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক মর্যাদাহানির আশঙ্কায় তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর পর দীর্ঘসময় তার লাশ গোপন রাখার অভিযোগও রয়েছে।অভিযোগের পর অভিযোগ থাকলেও এসব ঘটনার অধিকাংশই থেকে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। কেন এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, কারা এর পেছনে ছিল এবং কীভাবে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় নিরাময়কেন্দ্রগুলোকে অবৈধভাবে মানুষ আটকে রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর আজও অনেকটাই অজানা। ফলে অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধীরা থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
হোসেন শিকদারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ
নিরাময়কেন্দ্রের আড়ালে যেন গড়ে উঠেছিল একেকটি বন্দিশালা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হক গ্রুপের কর্ণধার আদম তমিজী হককে গ্রেফতারের পর কারাগারে না পাঠিয়ে রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, শুধু আটকে রাখাই নয়, তাকে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণের চেষ্টাও করা হয়েছিল। এ ঘটনায় নিরাময়কেন্দ্রটির ভূমিকা, অর্থ আদায় এবং তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কীভাবে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর। ওই দিন হক গ্রুপের কর্ণধার ব্যবসায়ী আদম তমিজী হক ফেসবুক লাইভে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দেন। এর পরই তার ওপর নজরদারি শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। একপর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হলেও কারাগারে পাঠানো হয়নি। বরং রাজধানীর বীকন পয়েন্ট নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে তাকে রাখা হয়।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সেখানে আটকে রাখার পাশাপাশি তমিজীর পরিবারের কাছ থেকেও কয়েক দফায় মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়। এ কাজে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ও তার সহযোগীদের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে তমিজীকে অবৈধভাবে আটকে রাখার বিনিময়ে বীকন পয়েন্টও কয়েক লাখ টাকা ‘সার্ভিস চার্জ’ নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।একপর্যায়ে তমিজী হককে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণ করতে বাইরে থেকে কয়েকজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে সেখানে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের কেউ তাকে মানসিক রোগী হিসেবে সনদ দিতে রাজি হননি। বরং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মধ্যে মানসিক রোগের লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকদের একজনের দাবি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিকিৎসক দলের এক সদস্য সম্প্রতি গণমাধ্যমে জানান, বীকন পয়েন্টে গিয়ে তমিজীকে পরীক্ষা করার পর তাকে মানসিক রোগী বলে মনে হয়নি। এরপরও তাকে সেখানে আটকে রাখার চেষ্টা চলতে থাকে। চিকিৎসকরা নিয়ম অনুযায়ী এ বিষয়ে আদালতের আদেশ দেখাতে বললে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ক্ষুব্ধ হন। এ সময় বীকন পয়েন্টের কয়েকজন কর্মকর্তাও চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।সূত্রের দাবি, শেষ পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা সনদ ছাড়াই তমিজীকে সেখানে বেশ কিছুদিন আটকে রাখা হয়। বিষয়টি গোপন রাখতে নিরাময়কেন্দ্রটির একটি ফ্লোরও ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ ব্যবস্থায় সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তার জন্য আলাদা খাবার, পানীয় এবং বিনোদনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারকোটিক্সের এক উপপরিচালক বলেন, বীকন পয়েন্টে তমিজী হককে অবৈধভাবে আটকে রাখার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানা থাকলেও সে সময় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ডিবি হারুনের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি ছিল অনেকেরই জানা। ফলে হারুনের কর্মকাণ্ডের পেছনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন রয়েছে—এমন ধারণাই তৈরি হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মহলে।তবে তমিজী হকের ঘটনাই একমাত্র উদাহরণ নয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। রাজধানীর বিভিন্ন মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বিরোধ মেটানো, প্রতিপক্ষকে আটকে রাখা কিংবা কাউকে জোর করে ‘মাদকাসক্ত’ সাজানোর অভিযোগও রয়েছে।সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকের সহযোগিতায় এক নারী তার স্বামীকে মাদকাসক্ত সাজিয়ে দীর্ঘদিন একটি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখেন। অন্য ঘটনায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ভাই আরেক ভাইকে নিরাময়কেন্দ্রে বন্দি করে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এমনকি এসব প্রতিষ্ঠানের ভেতর গুরুতর অপরাধের অভিযোগও উঠেছে। একটি নিরাময়কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক মর্যাদাহানির আশঙ্কায় তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর পর দীর্ঘসময় তার লাশ গোপন রাখার অভিযোগও রয়েছে।অভিযোগের পর অভিযোগ থাকলেও এসব ঘটনার অধিকাংশই থেকে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। কেন এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, কারা এর পেছনে ছিল এবং কীভাবে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় নিরাময়কেন্দ্রগুলোকে অবৈধভাবে মানুষ আটকে রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর আজও অনেকটাই অজানা। ফলে অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধীরা থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
মধুপুরে মনসাপূজা ও বেহুলা গান উৎসব অনুষ্ঠিত
নিরাময়কেন্দ্রের আড়ালে যেন গড়ে উঠেছিল একেকটি বন্দিশালা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হক গ্রুপের কর্ণধার আদম তমিজী হককে গ্রেফতারের পর কারাগারে না পাঠিয়ে রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, শুধু আটকে রাখাই নয়, তাকে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণের চেষ্টাও করা হয়েছিল। এ ঘটনায় নিরাময়কেন্দ্রটির ভূমিকা, অর্থ আদায় এবং তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কীভাবে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর। ওই দিন হক গ্রুপের কর্ণধার ব্যবসায়ী আদম তমিজী হক ফেসবুক লাইভে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দেন। এর পরই তার ওপর নজরদারি শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। একপর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হলেও কারাগারে পাঠানো হয়নি। বরং রাজধানীর বীকন পয়েন্ট নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে তাকে রাখা হয়।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সেখানে আটকে রাখার পাশাপাশি তমিজীর পরিবারের কাছ থেকেও কয়েক দফায় মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়। এ কাজে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ও তার সহযোগীদের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে তমিজীকে অবৈধভাবে আটকে রাখার বিনিময়ে বীকন পয়েন্টও কয়েক লাখ টাকা ‘সার্ভিস চার্জ’ নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।একপর্যায়ে তমিজী হককে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণ করতে বাইরে থেকে কয়েকজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে সেখানে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের কেউ তাকে মানসিক রোগী হিসেবে সনদ দিতে রাজি হননি। বরং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মধ্যে মানসিক রোগের লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকদের একজনের দাবি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিকিৎসক দলের এক সদস্য সম্প্রতি গণমাধ্যমে জানান, বীকন পয়েন্টে গিয়ে তমিজীকে পরীক্ষা করার পর তাকে মানসিক রোগী বলে মনে হয়নি। এরপরও তাকে সেখানে আটকে রাখার চেষ্টা চলতে থাকে। চিকিৎসকরা নিয়ম অনুযায়ী এ বিষয়ে আদালতের আদেশ দেখাতে বললে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ক্ষুব্ধ হন। এ সময় বীকন পয়েন্টের কয়েকজন কর্মকর্তাও চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।সূত্রের দাবি, শেষ পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা সনদ ছাড়াই তমিজীকে সেখানে বেশ কিছুদিন আটকে রাখা হয়। বিষয়টি গোপন রাখতে নিরাময়কেন্দ্রটির একটি ফ্লোরও ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ ব্যবস্থায় সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তার জন্য আলাদা খাবার, পানীয় এবং বিনোদনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারকোটিক্সের এক উপপরিচালক বলেন, বীকন পয়েন্টে তমিজী হককে অবৈধভাবে আটকে রাখার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানা থাকলেও সে সময় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ডিবি হারুনের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি ছিল অনেকেরই জানা। ফলে হারুনের কর্মকাণ্ডের পেছনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন রয়েছে—এমন ধারণাই তৈরি হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মহলে।তবে তমিজী হকের ঘটনাই একমাত্র উদাহরণ নয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। রাজধানীর বিভিন্ন মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বিরোধ মেটানো, প্রতিপক্ষকে আটকে রাখা কিংবা কাউকে জোর করে ‘মাদকাসক্ত’ সাজানোর অভিযোগও রয়েছে।সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকের সহযোগিতায় এক নারী তার স্বামীকে মাদকাসক্ত সাজিয়ে দীর্ঘদিন একটি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখেন। অন্য ঘটনায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ভাই আরেক ভাইকে নিরাময়কেন্দ্রে বন্দি করে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এমনকি এসব প্রতিষ্ঠানের ভেতর গুরুতর অপরাধের অভিযোগও উঠেছে। একটি নিরাময়কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক মর্যাদাহানির আশঙ্কায় তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর পর দীর্ঘসময় তার লাশ গোপন রাখার অভিযোগও রয়েছে।অভিযোগের পর অভিযোগ থাকলেও এসব ঘটনার অধিকাংশই থেকে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। কেন এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, কারা এর পেছনে ছিল এবং কীভাবে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় নিরাময়কেন্দ্রগুলোকে অবৈধভাবে মানুষ আটকে রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর আজও অনেকটাই অজানা। ফলে অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধীরা থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন মন্ত্রী-হুইপরা
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
৫৪ বছর বয়সে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী
এবার দেশজুড়ে বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর
নেপালে হঠাৎ ভয়াবহ বন্যা, ২৯১ জন বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব কৃষক পরিবারের পাশে সিংড়া উপজেলা প্রশাসন
হোসেন শিকদারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ
প্রজ্ঞাপন জারি / ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন মন্ত্রী-হুইপরা
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের দিয়েছে সরকার।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ বিষয়ে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিগত সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন বরাদ্দ থাকলেও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। লুটপাটের অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।সরকার উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যক্রমের জন্য জাতীয় সংসদ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে টেকসই উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর, ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়, আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর এবং নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পেয়েছেন হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরী মৌলভীবাজার, মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি চট্টগ্রাম এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার দায়িত্ব পেয়েছেন।আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর, মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট, জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী এবং সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সাচিং প্রু পেয়েছেন কক্সবাজার, মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদী, শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুর, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ এবং আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়িত্ব পেয়েছেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি; হাবিবুর রশিদ গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব পেয়েছেন।ফারজানা শারমিনকে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা, শেখ ফরিদুল ইসলামকে যশোর, মাগুরা ও নড়াইল, ইয়াসের খান চৌধুরীকে জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ, আহম্মদ সোহেল মনজুরকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সারকে জয়পুরহাট ও নওগাঁর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ পেয়েছেন সিলেট ও সুনামগঞ্জের দায়িত্ব। মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। বিশেষ করে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং গুরুতর অপরাধ দমনে তারা তদারকি করবেন।একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বও তাদের ওপর থাকবে।প্রয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে পরামর্শ দিতে পারবেন। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি / জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ
ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি / জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ