ক্ষতিগ্রস্ত ২১৯৩৩ যাত্রী / ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৪১ ফ্লাইট বাতিল
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামের ১৪১ টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৩ জন।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে শুক্রবার ২৩ অক্টোবর রাত পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬৬ টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৫ টি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল।সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭ টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯ টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৯ টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯ টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব যাত্রীদের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রানজিট নিয়ে রিয়াদ ও দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল। তবে স্ব স্ব দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করেনি তারা।এর আগে সাম্প্রতি হুথিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হামলা হয় দাম্মামেও। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামে ফ্লাইট বন্ধ রাখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদের ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
সরাইলে ধ'র্ষণের মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার
আইন-শৃঙ্খলাসহ সব বিষয়ে সরকারের দায়িত্ব আছে, চ্যালেঞ্জ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই।আজ বুধবার চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, এই ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব সিআইডির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। তবে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা সব সময়ই রয়েছে, যেহেতু সব বিভাগ একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ অপরাধ দমন করতে গেলে মাঝে মাঝে আক্রমণের শিকার হয়।এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। আমরা অপরাধীদের দমনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিচ্ছি। আর পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ যদি আসামিকে সহায়তা দিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রেও আমরা যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেব, যদি আপনারা তথ্য দেন। আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’অপারেশন ক্লিন হার্টের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অপারেশন ক্লিন হার্ট করার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই।’বাংলাদেশের আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে খুব দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চেয়েছি। কোরীয় সরকারের কাছে আজ আমরা এসব ফরেনসিক ল্যাব, বিশেষ করে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের জন্য সহযোগিতা চেয়েছি।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন পাল্টাচ্ছে।ডিজিটাল দুনিয়ায় সাইবার স্পেস ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, প্রতারণা হচ্ছে। এমনকি শেয়ারবাজারে কারসাজিও সাইবার স্পেসের মাধ্যমে হচ্ছে। এসব অপরাধ উদ্ঘাটন ও দমনের জন্য ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সাইবার পুলিশ ইউনিটের নেতৃত্বে কেন্দ্র, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডিজিটাল বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা পরিকল্পনা করেছি, সাইবার পুলিশ ইউনিটের ল্যাবরেটরি সুবিধা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করব।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিআইডি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি পরিচালনা করে আসছে, যা ভিসেরা রিপোর্ট তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। এর সম্প্রসারণও জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ বিচারিক ব্যবস্থায় মানুষের বিচারপ্রাপ্তি ত্বরান্বিত করতে এসব বিশ্লেষণ, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সেগুলোর প্রত্যয়ন প্রয়োজন হয়। যুগের প্রয়োজনে এবং অপরাধের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এসব প্রয়োজন মেটাতে হবে। সেই প্রয়োজন মাথায় রেখেই আধুনিক ডিজিটাল জগতে সংঘটিত অপরাধ বন্ধ, প্রতিরোধ ও দমনের জন্য উন্নত সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধাসহ সুসজ্জিত ল্যাবরেটরি স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এবং বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির। অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি সরদার নুরুল আমিন।কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কেওআইসিএ) সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
চট্টলা এক্সপ্রেসে টিকিটবিহীন অর্থ আদায়ের অভিযোগ, ভাগাভাগি নিয়ে টিটিইদের বিরুদ্ধেও প্রশ্ন
আইন-শৃঙ্খলাসহ সব বিষয়ে সরকারের দায়িত্ব আছে, চ্যালেঞ্জ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই।আজ বুধবার চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, এই ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব সিআইডির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। তবে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা সব সময়ই রয়েছে, যেহেতু সব বিভাগ একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ অপরাধ দমন করতে গেলে মাঝে মাঝে আক্রমণের শিকার হয়।এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। আমরা অপরাধীদের দমনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিচ্ছি। আর পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ যদি আসামিকে সহায়তা দিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রেও আমরা যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেব, যদি আপনারা তথ্য দেন। আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’অপারেশন ক্লিন হার্টের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অপারেশন ক্লিন হার্ট করার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই।’বাংলাদেশের আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে খুব দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চেয়েছি। কোরীয় সরকারের কাছে আজ আমরা এসব ফরেনসিক ল্যাব, বিশেষ করে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের জন্য সহযোগিতা চেয়েছি।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন পাল্টাচ্ছে।ডিজিটাল দুনিয়ায় সাইবার স্পেস ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, প্রতারণা হচ্ছে। এমনকি শেয়ারবাজারে কারসাজিও সাইবার স্পেসের মাধ্যমে হচ্ছে। এসব অপরাধ উদ্ঘাটন ও দমনের জন্য ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সাইবার পুলিশ ইউনিটের নেতৃত্বে কেন্দ্র, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডিজিটাল বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা পরিকল্পনা করেছি, সাইবার পুলিশ ইউনিটের ল্যাবরেটরি সুবিধা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করব।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিআইডি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি পরিচালনা করে আসছে, যা ভিসেরা রিপোর্ট তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। এর সম্প্রসারণও জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ বিচারিক ব্যবস্থায় মানুষের বিচারপ্রাপ্তি ত্বরান্বিত করতে এসব বিশ্লেষণ, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সেগুলোর প্রত্যয়ন প্রয়োজন হয়। যুগের প্রয়োজনে এবং অপরাধের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এসব প্রয়োজন মেটাতে হবে। সেই প্রয়োজন মাথায় রেখেই আধুনিক ডিজিটাল জগতে সংঘটিত অপরাধ বন্ধ, প্রতিরোধ ও দমনের জন্য উন্নত সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধাসহ সুসজ্জিত ল্যাবরেটরি স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এবং বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির। অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি সরদার নুরুল আমিন।কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কেওআইসিএ) সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
আইন-শৃঙ্খলাসহ সব বিষয়ে সরকারের দায়িত্ব আছে, চ্যালেঞ্জ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই।আজ বুধবার চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, এই ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব সিআইডির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। তবে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা সব সময়ই রয়েছে, যেহেতু সব বিভাগ একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ অপরাধ দমন করতে গেলে মাঝে মাঝে আক্রমণের শিকার হয়।এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। আমরা অপরাধীদের দমনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিচ্ছি। আর পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ যদি আসামিকে সহায়তা দিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রেও আমরা যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেব, যদি আপনারা তথ্য দেন। আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’অপারেশন ক্লিন হার্টের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অপারেশন ক্লিন হার্ট করার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই।’বাংলাদেশের আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে খুব দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চেয়েছি। কোরীয় সরকারের কাছে আজ আমরা এসব ফরেনসিক ল্যাব, বিশেষ করে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের জন্য সহযোগিতা চেয়েছি।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন পাল্টাচ্ছে।ডিজিটাল দুনিয়ায় সাইবার স্পেস ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, প্রতারণা হচ্ছে। এমনকি শেয়ারবাজারে কারসাজিও সাইবার স্পেসের মাধ্যমে হচ্ছে। এসব অপরাধ উদ্ঘাটন ও দমনের জন্য ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সাইবার পুলিশ ইউনিটের নেতৃত্বে কেন্দ্র, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডিজিটাল বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা পরিকল্পনা করেছি, সাইবার পুলিশ ইউনিটের ল্যাবরেটরি সুবিধা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করব।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিআইডি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি পরিচালনা করে আসছে, যা ভিসেরা রিপোর্ট তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। এর সম্প্রসারণও জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ বিচারিক ব্যবস্থায় মানুষের বিচারপ্রাপ্তি ত্বরান্বিত করতে এসব বিশ্লেষণ, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সেগুলোর প্রত্যয়ন প্রয়োজন হয়। যুগের প্রয়োজনে এবং অপরাধের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এসব প্রয়োজন মেটাতে হবে। সেই প্রয়োজন মাথায় রেখেই আধুনিক ডিজিটাল জগতে সংঘটিত অপরাধ বন্ধ, প্রতিরোধ ও দমনের জন্য উন্নত সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধাসহ সুসজ্জিত ল্যাবরেটরি স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এবং বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির। অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি সরদার নুরুল আমিন।কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কেওআইসিএ) সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
তিতাসে অসহায় বৃদ্ধা মজিদা খাতুনকে মারধর করে ঘরছাড়া করলেন আপন ছেলে-বউ
দ্রুত সরকারি আদেশ (জিও) জারির আকুল আহ্বান
ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৪১ ফ্লাইট বাতিল
কুমিল্লায় ২৫ কেজি ধানশীষে ছয়মাস যাবত তৈরি প্রতিমা
সরাইলে ধ'র্ষণের মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার
সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, প্রজ্ঞাপন জারি
চট্টলা এক্সপ্রেসে টিকিটবিহীন অর্থ আদায়ের অভিযোগ, ভাগাভাগি নিয়ে টিটিইদের বিরুদ্ধেও প্রশ্ন
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে চায়না দুয়ারী রিং জালে আটকা পড়ল ১৩ ফুটের অজগর
শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকদের পদোন্নতি / দ্রুত সরকারি আদেশ (জিও) জারির আকুল আহ্বান
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অন্যতম প্রাতিষ্ঠানিক আলোকবর্তিকা হলো বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার। ১৯৮০ সালে ক্যাডার কম্পোজিশন রুলস বলবৎ হওয়ার পর থেকে অদ্যবধি প্রশাসনিক সংস্কার, মেধাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ এবং জাতিগঠনের প্রতিটি বাঁকে এই ক্যাডারের সদস্যগণ অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। একটি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিই হলো মানসম্মত শিক্ষা, আর সেই মানসম্মত শিক্ষার প্রাণপুরুষ হলেন উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় নিবেদিত এই শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাবৃন্দ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি কলেজসমূহে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মানসম্মত পাঠদান, গবেষণা এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে বিভাগীয় ও জেলা শহরের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত ক্যাডারের কর্মকর্তাগণ অত্যন্ত দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে আলোক প্রজ্জ্বলন করে যাচ্ছেন।বর্তমানে মাঠে ৪৯তম বিসিএস ব্যাচ পর্যন্ত কর্মকর্তাবৃন্দ নিষ্ঠার সাথে কার্যরত আছেন। ৪৯তম বিসিএস বিশেষ বিসিএস হওয়ায় ৪৫, ৪৬ ও ৪৭তম বিসিএসের নতুন মুখগুলো এখনো সরাসরি শিক্ষাঙ্গনে যুক্ত হতে পারেননি, তবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে ৪৫তম বিসিএসের গেজেট প্রকাশিত হওয়ায় অচিরেই তাঁরা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবেন। এর ফলে দেখা যাচ্ছে, মাঠে কর্মরত সর্বনিম্ন ব্যাচ (৪৯তম)-এর সাথে ৩৬তম বিসিএসের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৩ ব্যাচ এবং নবাগত ৪৫তম ব্যাচের সঙ্গে ব্যবধান ৯ ব্যাচ। অথচ এক চরম ও অভূতপূর্ব প্রশাসনিক বৈষম্যের চিত্র ফুটে ওঠে যখন দেখা যায়—৩৬ থেকে ৪৫তম ও ৪৯তম ব্যাচের সকল যোগ্য কর্মকর্তা ব্যাচভিত্তিক এতো বিস্তর ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও একই পদমর্যাদায়, সমান্তরালভাবে ‘প্রভাষক’ পদের শৃঙ্খলে বন্দি রয়েছেন।এমন স্থবিরতা কাটিয়ে শিক্ষা প্রশাসনে গতিশীলতা আনয়ন এবং প্রভাষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া সুগম করতে গত ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদোন্নতি সংক্রান্ত কমিটির (ডিপিসি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পর ডিপিসি সম্পন্ন হলেও অদ্যাবধি কাঙ্ক্ষিত সরকারি আদেশ (জিও) জারি না হওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত সকল শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও ৩৬ থেকে ৩৮তম বিসিএসের প্রায় দেড় সহস্রাধিক মেধাবী কর্মকর্তা আজ চাতক পাখির ন্যায় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের পানে চেয়ে আছেন। ৩৬তম বিসিএস আজ কর্মজীবনের নবম বর্ষে, ৩৭তম বিসিএস অষ্টম বর্ষে এবং ৩৮তম বিসিএস ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করেছে। পক্ষান্তরে, সমসাময়িক অন্যান্য ক্যাডারের ৩৮তম ব্যাচ পর্যন্ত প্রায় সকল কর্মকর্তা পদোন্নতি লাভ করে উচ্চতর প্রশাসনিক দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। কেবল শিক্ষা ক্যাডারের ভাগ্যে জমেছে এই অনাকাঙ্ক্ষিত বৈষম্য ও দীর্ঘসূত্রতার মেঘ।পদোন্নতি কেবল অর্থনৈতিক প্রাপ্তি নয়; এটি মেধার স্বীকৃতি, কর্মপ্রেরণার উৎস এবং পেশাগত আত্মমর্যাদার প্রধান নিয়ামক। টানা তিন কার্যদিবস ডিপিসির দীর্ঘ পর্যালোচনার পর জিও জারিতে এমন অহেতুক বিলম্ব ইতিপূর্বে কখনোই দৃষ্ট হয়নি, যা যোগ্য কর্মকর্তাদের মনে গভীর হতাশা ও পুঞ্জীভূত ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে।বর্তমান সরকার তাঁদের জনবান্ধব অঙ্গীকার ও রাষ্ট্র পরিচালনায় শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক সমাজের মর্যাদারক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ এবং একটি গতিশীল শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সরকারের রূপকল্পেরই অংশ। তবে জুনিয়র পর্যায়ের শিক্ষকদের অধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে কিংবা পদোন্নতির পথ রুদ্ধ রেখে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বপ্নাবেশ বাস্তবে রূপ নেওয়া অসম্ভব।দীর্ঘদিন পদোন্নতিবঞ্চিত এই কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিদিন এক নীরব মনস্তাত্ত্বিক যাতনা বহন করছেন। সমসাময়িক অন্য ক্যাডারের সহকর্মীরা যখন নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অবদান রাখছেন, তখন শিক্ষা ক্যাডারের পদোন্নতিবঞ্চিত সদস্যগণ সামাজিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে আত্মমর্যাদার সংকটে ভুগছেন। এই গ্লানিকর অবস্থার অবসান ঘটিয়ে তাঁদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া বর্তমান সরকারের শিক্ষাবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির সাথেই গভীর সামঞ্জস্যপূর্ণ।অতএব, আমাদের বিনীত ও আকুল নিবেদন— সদ্য সমাপ্ত ডিপিসির সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনার আলোকে পদোন্নতির সরকারি আদেশ (জিও) অনতিবিলম্বে জারির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে এই যোগ্য কর্মকর্তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিলে তাঁদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং সমগ্র শিক্ষা প্রশাসনে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে।শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকগণ মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করে দ্রুত জিও জারি নিশ্চিত করবেন—এটাই আমাদের একান্ত প্রত্যাশা। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদের মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা সম্ভব। মেধা ও শিক্ষার অবমূল্যায়ন করে কোনো জাতি স্বমহিমায় ভাস্বর হতে পারে না; শিক্ষা ক্যাডারকে গতিশীল ও বৈষম্যহীন করার মধ্য দিয়েই একটি সমৃদ্ধ ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে।মো. মেহেদী হাসান প্রভাষক, রসায়ন বিভাগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা