৯২% ইসরায়েলি মনে করেন যুদ্ধে 'বিজয়ী ইরান
ইসরায়েলে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা ঘিরে জনমতের চিত্রে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ ইসরায়েলি মনে করেন, ইরানই এই সংঘাতের কৌশলগত বিজয়ী।হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আগাম ইনস্টিটিউট পরিচালিত ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, ৯২.১ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, যুদ্ধ ও পরবর্তী চুক্তির ফলে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।একইসঙ্গে, ৮২.৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এই সামরিক অভিযান ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তাকে দুর্বল করেছে এবং ৮৬ শতাংশ উত্তরদাতা যুদ্ধের সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।জরিপে আরও উঠে এসেছে, ৭২.৫ শতাংশ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সেই দাবির প্রতি আস্থা রাখেন না, যেখানে তিনি বলেছিলেন—ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করেছে এবং একটি অস্তিত্বগত হুমকি দূর করেছে।পাশাপাশি ৮৭.৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ইসরায়েল হয় তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, নয়তো 'আংশিকভাবে সফল' হয়েছে।নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব নিয়েও জনমত বিভক্ত ও সমালোচনামুখর। জরিপ অনুযায়ী, ৫৬.৪ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই সামরিক অভিযানের ব্যবস্থাপনায় তার ভূমিকা ছিল দুর্বল বা ব্যর্থ।অন্যদিকে, দেশটির সার্বিক নিরাপত্তা নীতির ভবিষ্যৎ দিক নিয়েও ভিন্ন মত রয়েছে। জরিপে দেখা যায়, ৪৮.২ শতাংশ ইসরায়েলি, হিজবুল্লাহ'র বিরুদ্ধে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান সমর্থন করেন, এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক টানাপোড়েনের ঝুঁকি থাকলেও।
ফুটপাত গিলে খাচ্ছেন শিল্পপতি কাদির মোল্লা, নীরব পৌর প্রশাসন!
ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, তাকে সেখানে আটক রাখা হয়নি। বরং একটি স্থানে বসতে দেওয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে আন্তরিকভাবে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।মঙ্গলবার (১৬ জুন) তথ্য অধিদফতরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।দিল্লিতে হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাকে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাকে শুধু একটি জায়গায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল, কোনো রুমে আটকে রাখা হয়েছে—এ ধরনের দাবি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।ভারতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করা উচিত কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সমাধান হবে।তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না, তবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে যে প্রটোকল পাওয়ার কথা ছিল, তা তিনি পাননি। পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং পুরো প্রতিনিধি দল প্রত্যাহার না করার কথাও উল্লেখ করেন।ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ভবিষ্যতে যথাযথ আমন্ত্রণ পেলে তিনি আবারও ভারতে যেতে আগ্রহী।এর আগে তিনি ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ হাইকমিশন ১২ জুন দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানায়। তবে ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে এবং দেশে প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানায়নি।এ অবস্থায় তিনি নিজেই পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পরিস্থিতি অনুকূল না দেখে তিনি কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দেন এবং সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন।
‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ / সালমান ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ
ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, তাকে সেখানে আটক রাখা হয়নি। বরং একটি স্থানে বসতে দেওয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে আন্তরিকভাবে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।মঙ্গলবার (১৬ জুন) তথ্য অধিদফতরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।দিল্লিতে হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাকে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাকে শুধু একটি জায়গায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল, কোনো রুমে আটকে রাখা হয়েছে—এ ধরনের দাবি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।ভারতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করা উচিত কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সমাধান হবে।তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না, তবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে যে প্রটোকল পাওয়ার কথা ছিল, তা তিনি পাননি। পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং পুরো প্রতিনিধি দল প্রত্যাহার না করার কথাও উল্লেখ করেন।ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ভবিষ্যতে যথাযথ আমন্ত্রণ পেলে তিনি আবারও ভারতে যেতে আগ্রহী।এর আগে তিনি ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ হাইকমিশন ১২ জুন দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানায়। তবে ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে এবং দেশে প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানায়নি।এ অবস্থায় তিনি নিজেই পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পরিস্থিতি অনুকূল না দেখে তিনি কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দেন এবং সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন।
বাধা দেওয়ায় নারীকে শ্লীলতাহানি ও সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, আদালতে মামলা / মনোহরদীতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা
ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, তাকে সেখানে আটক রাখা হয়নি। বরং একটি স্থানে বসতে দেওয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে আন্তরিকভাবে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।মঙ্গলবার (১৬ জুন) তথ্য অধিদফতরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।দিল্লিতে হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাকে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাকে শুধু একটি জায়গায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল, কোনো রুমে আটকে রাখা হয়েছে—এ ধরনের দাবি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।ভারতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করা উচিত কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সমাধান হবে।তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না, তবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে যে প্রটোকল পাওয়ার কথা ছিল, তা তিনি পাননি। পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং পুরো প্রতিনিধি দল প্রত্যাহার না করার কথাও উল্লেখ করেন।ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ভবিষ্যতে যথাযথ আমন্ত্রণ পেলে তিনি আবারও ভারতে যেতে আগ্রহী।এর আগে তিনি ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ হাইকমিশন ১২ জুন দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানায়। তবে ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে এবং দেশে প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানায়নি।এ অবস্থায় তিনি নিজেই পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পরিস্থিতি অনুকূল না দেখে তিনি কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দেন এবং সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ
মুন্সিগঞ্জে চালু হলো দেশের প্রথম ক্যাশলেস কারাগার
নেইমারকে কটাক্ষ ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের
চরমান্দালীয়া ইউনিয়নকে সারা দেশে ‘রোল মডেল’ করতে চান রফিকুল ইসলাম বিপুল
৯২% ইসরায়েলি মনে করেন যুদ্ধে 'বিজয়ী ইরান
যেভাবে গুম করা হয়েছিল বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে
ফুটপাত গিলে খাচ্ছেন শিল্পপতি কাদির মোল্লা, নীরব পৌর প্রশাসন!
সালমান ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ
আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল
মনোহরদীতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা
সুন্দরবনে দস্যুতা, মাদক ও মানব পাচার রোধে কোস্ট গার্ড দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে: কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক
গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী
দেশের ইতিহাসে এই প্রথম গণমাধ্যমের সব ধারার অংশীজনকে এক মঞ্চে সমবেত করেছে সরকার।এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত ও দেশে একটি স্বাধীন জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।তিনি বলেন, ‘এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কেবল একজন ‘সহায়ক’ ও সহযোগী অংশীদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।’আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এ জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় সভা প্রধানের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি দেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের জন্য এক অনন্য মাইলফলক। বাংলাদেশে এই প্রথম গণমাধ্যমের মূল ধারার সকল অংশীজনকে আমরা একই মঞ্চে জড়ো করতে পেরেছি।’ছবি : বাসসতিনি বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন মূলত একটি উন্মুক্ত সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। আমরা সবাই যদি আলোচনার মধ্য দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে আমাদের পথ চলার মূল বিন্দুটি খুঁজে বের করতে পারি, তবেই এই আয়োজন সার্থক হবে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের মহান ও স্বাধীন উদ্দেশ্যকে সফলভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কেবল একজন ‘সহায়ক’ এবং ‘সমন্বয়কারী’র দায়িত্ব পালন করবে।’বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বাচনে যাওয়ার আগেই দেশের জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল- রাষ্ট্রকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার। এজন্য রাষ্ট্রের কাঠামোগত যেসব জায়গায় মেরামত বা সংস্কার করা দরকার, সকলকে সাথে নিয়ে সেসব জায়গায় সরকার মেরামত করবে।’তিনি বলেন, ‘সংস্কারের এইতালিকাভুক্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গণমাধ্যম। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।স্বাগত বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ও সংগ্রামের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই গণতন্ত্রকে কীভাবে সমুন্নত রাখা যায় এবং সরকারের এই উন্নয়ন যাত্রায় গণমাধ্যম কীভাবে সহযাত্রী ও সহযোগী হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ প্রয়োজন। গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় সরকার ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এমন একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে চাই যা অত্যন্ত শক্তিশালী হবে এবং যেখানে জবাবদিহিতা থাকবে। এই কমিশনকে কীভাবে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিতামূলক করা যায়, সে বিষয়ে আপনাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি।‘মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানার সঞ্চালনায় কর্মশালায় ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল, সম্পাদক পরিষদ, জাতীয় নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব), টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো), ন্যাশনাল মিডিয়া ওয়াচ কাউন্সিল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি), ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টসহ বিভিন্ন টেলিভিশন মালিক, সম্পাদকবৃন্দ, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।তথ্যমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের পর কর্মশালার মূল অধিবেশনে উপদেষ্টার উপস্থাপিত রূপরেখার ওপর ভিত্তি করে উপস্থিত গণমাধ্যম নেতৃবৃন্দ, সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে স্ব-স্ব মতামত, ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের খসড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন।
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
অপরাধীর কোনো ধর্ম নেই, আইনের চোখে সবাই সমান: থালাপতি
অপরাধীর কোনো ধর্ম নেই, আইনের চোখে সবাই সমান: থালাপতি