কলকাতায় বাংলাদেশিদের মৃত্যু / ৫ জনের পরিচয় মিলেছে, একই পরিবারের চারজন
ভারতের কলকাতায় একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের। এতে জানানো হয়, ঘটনার পরপরই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। নিহত ও আহতদের তথ্য সংগ্রহ করেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, এখন পর্যন্ত এ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন মারা গিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে। আরো পড়ুননাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযাননাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযান ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, উপ-হাইকমিশন থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। এছাড়া আহত ছয়জন বাংলাদেশিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওেয়া হয়েছে। বাংলাদেশিদের বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। ইতোমধ্যেই উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্প লাইন চালু করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। আরো পড়ুননড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ডনড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।এর আগে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ২ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।ওই হোটেলটিতে ২৫ জন বাংলাদেশি ছিলেন বলে জানা গেছে। একাধিক গণমাধ্যম নিহত কভারতের কলকাতায় একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের। এতে জানানো হয়, ঘটনার পরপরই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। নিহত ও আহতদের তথ্য সংগ্রহ করেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, এখন পর্যন্ত এ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন মারা গিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে। আরো পড়ুননাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযাননাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযান ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, উপ-হাইকমিশন থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। এছাড়া আহত ছয়জন বাংলাদেশিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওেয়া হয়েছে। বাংলাদেশিদের বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। ইতোমধ্যেই উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্প লাইন চালু করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। আরো পড়ুননড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ডনড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।এর আগে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ২ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।ওই হোটেলটিতে ২৫ জন বাংলাদেশি ছিলেন বলে জানা গেছে। একাধিক গণমাধ্যম নিহত কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেছে। তারা হলেন— শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত, আকরাম আলী, আহামেদ বাবু ও সন্দীপ পাসওয়ান। তাদের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী সন্দীপ পাসওয়ান ভারতের ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলায়। বাকি পাঁচজনের বাড়ি বাংলাদেশে। কজনের নাম প্রকাশ করেছে। তারা হলেন— শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত, আকরাম আলী, আহামেদ বাবু ও সন্দীপ পাসওয়ান। তাদের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী সন্দীপ পাসওয়ান ভারতের ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলায়। বাকি পাঁচজনের বাড়ি বাংলাদেশে।
কুড়িগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ
নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের প্রকৃত ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাই নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। নারী এগিয়ে গেলে পরিবার, সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে।ঢাকা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত SPRE প্রকল্পের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি ফরিদা এসব কথা বলেন।ঢাকা জেলা প্রশাসক বলেন, উন্নয়ন কোনো একক বা স্বল্পমেয়াদি প্রক্রিয়া নয়। মানুষের জীবনে প্রকৃত ও টেকসই পরিবর্তন আনতে হলে দীর্ঘমেয়াদি, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন প্রয়োজন। আর এ ধরনের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা।ফরিদা খানম আরও বলেন, নারীদের শুধু সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না রেখে তাদের এমনভাবে সক্ষম করে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারেন। এজন্য প্রান্তিক নারীদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), কারিগরি শিক্ষা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে।প্রান্তিক নারীদের সরকারি ও বেসরকারি সেবা পাওয়ার সুযোগ সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, আইনি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবাগুলো যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই নারীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফরিদা খানম বলেন, আয়মূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে। সহজ শর্তে ঋণ ও তহবিল, উদ্যোক্তা সহায়তা এবং স্থানীয় ও অনলাইন বাজারে নারীদের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের সুযোগ তৈরি করা গেলে তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা আরও দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব।সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা জেলার ডিসি বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের মতামত ও নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শুধু সরকারের একক প্রচেষ্টায় নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইইডির মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।জেলা প্রশাসন, ঢাকা প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং নারী ক্ষমতায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ডিসি বলেন, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে তিনি সমাজের প্রতিটি নারীকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
নরসিংদী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে তোলপাড় / বন্ধ মিলের নামে ১০০ টন গম বরাদ্দ
নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের প্রকৃত ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাই নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। নারী এগিয়ে গেলে পরিবার, সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে।ঢাকা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত SPRE প্রকল্পের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি ফরিদা এসব কথা বলেন।ঢাকা জেলা প্রশাসক বলেন, উন্নয়ন কোনো একক বা স্বল্পমেয়াদি প্রক্রিয়া নয়। মানুষের জীবনে প্রকৃত ও টেকসই পরিবর্তন আনতে হলে দীর্ঘমেয়াদি, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন প্রয়োজন। আর এ ধরনের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা।ফরিদা খানম আরও বলেন, নারীদের শুধু সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না রেখে তাদের এমনভাবে সক্ষম করে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারেন। এজন্য প্রান্তিক নারীদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), কারিগরি শিক্ষা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে।প্রান্তিক নারীদের সরকারি ও বেসরকারি সেবা পাওয়ার সুযোগ সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, আইনি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবাগুলো যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই নারীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফরিদা খানম বলেন, আয়মূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে। সহজ শর্তে ঋণ ও তহবিল, উদ্যোক্তা সহায়তা এবং স্থানীয় ও অনলাইন বাজারে নারীদের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের সুযোগ তৈরি করা গেলে তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা আরও দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব।সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা জেলার ডিসি বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের মতামত ও নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শুধু সরকারের একক প্রচেষ্টায় নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইইডির মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।জেলা প্রশাসন, ঢাকা প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং নারী ক্ষমতায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ডিসি বলেন, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে তিনি সমাজের প্রতিটি নারীকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের প্রকৃত ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাই নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। নারী এগিয়ে গেলে পরিবার, সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে।ঢাকা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত SPRE প্রকল্পের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি ফরিদা এসব কথা বলেন।ঢাকা জেলা প্রশাসক বলেন, উন্নয়ন কোনো একক বা স্বল্পমেয়াদি প্রক্রিয়া নয়। মানুষের জীবনে প্রকৃত ও টেকসই পরিবর্তন আনতে হলে দীর্ঘমেয়াদি, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন প্রয়োজন। আর এ ধরনের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা।ফরিদা খানম আরও বলেন, নারীদের শুধু সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না রেখে তাদের এমনভাবে সক্ষম করে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারেন। এজন্য প্রান্তিক নারীদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), কারিগরি শিক্ষা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে।প্রান্তিক নারীদের সরকারি ও বেসরকারি সেবা পাওয়ার সুযোগ সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, আইনি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবাগুলো যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই নারীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফরিদা খানম বলেন, আয়মূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে। সহজ শর্তে ঋণ ও তহবিল, উদ্যোক্তা সহায়তা এবং স্থানীয় ও অনলাইন বাজারে নারীদের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের সুযোগ তৈরি করা গেলে তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা আরও দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব।সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা জেলার ডিসি বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের মতামত ও নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শুধু সরকারের একক প্রচেষ্টায় নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইইডির মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।জেলা প্রশাসন, ঢাকা প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং নারী ক্ষমতায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ডিসি বলেন, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে তিনি সমাজের প্রতিটি নারীকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
বীরগঞ্জে ৪৬৪০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী গ্রেফতার
মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার
৫ জনের পরিচয় মিলেছে, একই পরিবারের চারজন
আগৈলঝাড়ায় বাৎসরিক মনসা পুজা উপলক্ষে বেহুলা সংকলন স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন
কুড়িগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ
নারীদের নিরাপদ যাতায়াতে তিন শহরে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালু অনলাইন ডেস্ক
৭৫ হাজার পর্যন্ত কৃষিঋণ পুরো মওকুফের ঘোষণা দিলেন বিজয়
নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
বন্ধ মিলের নামে ১০০ টন গম বরাদ্দ
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
নারীদের নিরাপদ যাতায়াতে তিন শহরে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালু অনলাইন ডেস্ক
নগরীর কর্মজীবী নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে পৃথক পিংক কালারের ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস চালু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। গোলাপি রঙের এ বাসে চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নারীরা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে মহিলা বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মহিলা চালক ও মহিলা কন্ডাক্টর দ্বারা পরিচালিত এই পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করার পাশাপাশি গণপরিবহনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আব্দুল লতিফ মোল্লা। বিআরটিসি সূত্রে জানা গেছে, কর্মজীবী নারী ও নারী যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের কথা বিবেচনায় নিয়ে পিংক বাস সার্ভিস পরিচালনা করা হবে। বাসগুলোর চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে রাজধানীতে নারীদের জন্য পৃথক বাস সার্ভিস চালু হলেও বিভিন্ন কারণে তা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়নি। নতুন করে পিংক বাস চালুর মধ্য দিয়ে নগরীর নারী যাত্রীদের নিরাপদ গণপরিবহন সুবিধা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি / জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ
ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি / জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর আগৈলঝাড়া সফর / বিএনপির নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, পরে আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর আগৈলঝাড়া সফর / বিএনপির নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, পরে আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ