এমপির আহ্বান / ‘এসআইবিএলকে একীভূত নয়, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিন’
‘সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) মারাত্মক ক্ষতি করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর’-এমন অভিযোগ ঢাকা-৪ আসনের সংসদ-সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের। তার মতে, প্রায় দেড় বছর ধরে অনভিজ্ঞ পর্ষদ দিয়ে এসআইবিএল পরিচালনা করা হয়। এতে গ্রাহক অনাস্থায় প্রায় অর্থশূন্য হয়ে পড়ে ব্যাংকটি। সে কারণে এসআইবিএলকে একীভূত না করে দখলের আগে যাদের হাতে ছিল সেই মূল মালিকদের হাতে ছেড়ে দেওয়া আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি এই আহ্বান জানান। চিঠির একটি অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছেও পাঠানো হয়েছে।সংসদ-সদস্য চিঠিতে দাবি করেন, ২০১৭ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি সরকারি গোয়েন্দা বাহিনীর সহায়তায় অস্ত্রের মুখে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সাইফুল আলম (এস আলম)। এর আগে ধারাবাহিকভাবে ভালো আর্থিক পারফরম্যান্স ছিল এবং শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি বছর ২০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দেওয়া হতো। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এস আলম নিয়ন্ত্রিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি প্রকৃত মালিকদের হাতে ব্যাংক ফেরত না দিয়ে কোনো রকম আলোচনা ছাড়াই চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক এবং মাত্র একজন উদ্যোক্তা পরিচালকের সমন্বয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়। যা ছিল ব্যাংকটিতে আর্থিক দুরবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য একটি অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত।চিঠিতে আরও বলা হয়, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের অনেক উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারের পরিচালক হওয়ার যাবতীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পরিচালনা পর্ষদে তাদের যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বারবার অনুরোধ করা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বিষয়টি আমলে নেননি। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করলেও প্রকৃত উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারদের অন্তর্ভুক্ত না করায় গ্রাহকদের আস্থা কমে যায়।তিনি অভিযোগ করেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত উদ্যোক্তাদের ব্যাংক পরিচালনার দায়িত্ব না দেওয়ায় আরও অনাস্থা সৃষ্টি হয়। এতে জমানো টাকা তুলতে শুরু করেন আমানতকারীরা। ফলে গভীর সংকটে পড়ে ব্যাংকটি। বাংলাদেশ ব্যাংক যথেষ্ট অর্থের জোগান দিলেও ব্যাংকটি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।চিঠিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যাদেরকে পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা কেউ এর আগে কোনো ব্যাংক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। প্রায় দেড় বছরে ধরে অনভিজ্ঞ পর্ষদ দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ব্যাংকটি পরিচালনা করেছেন। এতে ব্যাংকটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সংসদ-সদস্য অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্যাংকটিকে অকার্যকর ঘোষণা করে ব্যাংক রেজ্যুলেশন স্কিমের আওতায় নেওয়া হয়। যার ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।এ বিষয়ে ইতোমধ্যে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। আদালত রুল জারি করলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষ তার জবাব না দিয়েই একতরফাভাবে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন বলে চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ব্যাংকটির প্রকৃত উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারদের হাতে ব্যবস্থাপনা ফিরিয়ে দিলে এবং নতুন বিনিয়োগকারী যুক্ত করা হলে এসআইবিএল দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং আবারও একটি লাভজনক ব্যাংকে পরিণত হবে। এসআইবিএলকে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত না করে আলোচনার মাধ্যমে পুনর্গঠনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘১৯৯৫ সালের ২২ নভেম্বর শরিয়াহভিত্তিক দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে এসআইবিএল কার্যক্রম শুরু করে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস ব্যাংকটি উদ্বোধন করেন। যা দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। ব্যাংকটি মূলত যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে অন্যতম হলেন-সৌদি আরবের কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান; নাইজারের সাবেক অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং ওআইসির সাবেক মহাসচিব ড. হামিদ আল গাবিদ; সৌদি পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার এবং ওয়ার্ল্ড মুসলিম লীগের মহাসচিব ড. আব্দুল্লাহ ওমর নাসিফ। আরও যুক্ত ছিলেন সৌদি আরবের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আহমেদ এম সালাহ জামজুম। যুক্ত ছিল সৌদি আরবের রিলিফ ফান্ড- ইসলামিক সলিডারিটি ফান্ড, ইসলামিক চ্যারিটেবল সোসাইটি এবং হামদর্দ ল্যাবরেটেরিজ বাংলাদেশসহ দেশি-বিদেশি নামি দামি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ব্যাংকটি। বর্তমানে এই ব্যাংকের ১৮১টি শাখা, ২৪০টি উপশাখা এবং ৩৭০টি এজেন্ট আউটলেট রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং দক্ষ পরিচালনা নিশ্চিত না হলে এমন সংকট আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
জব্দ ৮ লাখ টাকার নোট ও সরঞ্জাম / কেরানীগঞ্জে জাল টাকার ‘বড় মহাজন’ কাউছার গ্রেফতার
আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই হলো দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। শিল্প, কৃষি, নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক এবং শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উন্নত শ্রমিকবান্ধব সমাজ এবং মানবিক ও ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বাংলাদেশ- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।এদিকে, ঢাকায় মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময়সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন দাবি আদায়ের জন্য পথে নেমে এসেছিলেন।কিন্তু বিক্ষোভ দমনে সেদিন বর্বর কায়দা অবলম্বন করা হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায় শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ক্ষুদ্র আমানত সংগ্রহ ক্যাম্পেইন শুরু
আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই হলো দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। শিল্প, কৃষি, নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক এবং শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উন্নত শ্রমিকবান্ধব সমাজ এবং মানবিক ও ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বাংলাদেশ- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।এদিকে, ঢাকায় মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময়সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন দাবি আদায়ের জন্য পথে নেমে এসেছিলেন।কিন্তু বিক্ষোভ দমনে সেদিন বর্বর কায়দা অবলম্বন করা হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায় শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই।
নরসিংদীতে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার — ডিবির জালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য
আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই হলো দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। শিল্প, কৃষি, নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক এবং শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উন্নত শ্রমিকবান্ধব সমাজ এবং মানবিক ও ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বাংলাদেশ- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।এদিকে, ঢাকায় মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময়সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন দাবি আদায়ের জন্য পথে নেমে এসেছিলেন।কিন্তু বিক্ষোভ দমনে সেদিন বর্বর কায়দা অবলম্বন করা হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায় শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
অবৈধ বালু বাণিজ্যে থামেনি চক্র: প্রশাসনের জালে ১১, জব্দ ২ ড্রেজার
পুলিশের পোশাকে আসছে ফের পরিবর্তন
আবারো বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান
লৌহজংয়ে ওমর ফারুক অবাককে ঘিরে বিতর্ক
‘এসআইবিএলকে একীভূত নয়, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিন’
মনোহরদীতে সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করার অঙ্গীকার
ত্রিশাল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার কমিটির মাসিক সভায় যোগদান ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন ডা. লিটন এমপি
বেলাবোতে মসজিদে তালা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন
কুরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি জলিল
কেরানীগঞ্জে জাল টাকার ‘বড় মহাজন’ কাউছার গ্রেফতার
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ক্ষুদ্র আমানত সংগ্রহ ক্যাম্পেইন শুরু
নরসিংদীতে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার — ডিবির জালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য
কুরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী
আসন্ন কুরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলি পশুর হাট পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, পশু পরিবহন ও হাট ব্যবস্থাপনায় চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “কুরবানির পশু আনা-নেয়ার সময় সড়কে চাঁদাবাজি রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।”তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগেভাগেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রেললাইন ও সড়কের পাশে পশুর হাট বসানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাটগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে থাকবে।হাট ব্যবস্থাপনায় ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল থাকবে বলেও জানান তিনি। এসব ভলেন্টিয়ার হাটে শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসাধারণের সহযোগিতায় কাজ করবে।মীর শাহে আলম বলেন, বিভিন্ন পক্ষের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে হাট এলাকায় ওয়াচটাওয়ার স্থাপন এবং নকল টাকা প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নরসিংদীর রোমান মিয়া
জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নরসিংদীর রোমান মিয়া
শিলমান্দী ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে সেলিনা আক্তার সেলি
শিলমান্দী ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে সেলিনা আক্তার সেলি