টোল-ফ্রি কাস্টমার সার্ভিসের অভাব / সাধারণ গ্রাহকদের পকেট কাটছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো
দেশে সাধারণ গ্রাহক সেবা বা কাস্টমার সার্ভিসের নামে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এক অভিনব উৎসব চলছে। কোনো জরুরি প্রয়োজনে বা অভিযোগ জানাতে গ্রাহকরা যখন বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করেন, তখন টোল-ফ্রি নম্বর না থাকায় তাদের মোবাইল ব্যালেন্স থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে।অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিকাংশ টেলিকম ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ফোন প্ল্যানে টোল-ফ্রি নম্বরের কোনো সুবিধা নেই। ফলে গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে স্ট্যান্ডার্ড মোবাইল ব্যালেন্স খরচ করে ল্যান্ডলাইন বা সাধারণ নম্বরে ডায়াল করছেন, যা সরাসরি তাদের ওপর বড় আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।বিদেশী কোম্পানির মুনাফা ও সরকারের উদাসীনতাঅভিযোগ উঠেছে, এই হরিলুটের প্রক্রিয়াটি বাজারে প্রকাশ্যে চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা সরকার এ ব্যাপারে রহস্যজনকভাবে নীরব। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার এসব খাত থেকে বড় অঙ্কের রাজস্ব পায় বলেই এই জনবিদ্বেষী প্রক্রিয়ার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে না। এর ফলে মূলত বিদেশী কোম্পানিগুলোই মাত্রাতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছে এবং দেশের সাধারণ জনগণের অর্থ লুটে নিচ্ছে।বিকল্পের খোঁজে গ্রাহকেরা টাকা কাটার এই ভোগান্তি এড়াতে অনেক সচেতন গ্রাহক এখন লাইভ চ্যাট বা ইমেলের মতো ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছেন। তবে এগুলো সময়সাপেক্ষ হওয়ায় তাৎক্ষণিক বা জরুরি সমস্যার সমাধানে সাধারণ মানুষ এখনো চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।সমতার দাবি ও আইনি ব্যবস্থার আহ্বানভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে চুক্তিভিত্তিক সমতা থাকা জরুরি। চুক্তির সামান্য শর্ত ভঙ্গের জন্য যেভাবে সাধারণ গ্রাহকদের জরিমানা করা হয়, ঠিক একইভাবে সেবা দিতে ব্যর্থ হলে বা গ্রাহককে হয়রানি করলে এসব বড় প্রতিষ্ঠানকেও সমপরিমাণ জরিমানা বা অনুরূপ দণ্ড ভোগ করতে হবে।অবিলম্বে এই শোষণমূলক প্রক্রিয়া বিলুপ্ত করে বিদেশের মতো দেশের সকল নাগরিক পরিষেবা টোল-ফ্রি নম্বরে রূপান্তর করার জোর দাবি জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ এবং আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।
১ ঘণ্টার ট্রেন ৩ ঘণ্টায়! / রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস’
দেশের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন রাজধানীর কমলাপুর। প্রতিদিন এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন লাখো মানুষ। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী এই স্টেশনটি এখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই স্টেশনের প্রবেশপথ ও আশপাশে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা, আর ভেতরে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত ও বিনামূল্যে ব্যবহারের উপযোগী ওয়াশরুম।বৃষ্টি আসলেই চরম জলাবদ্ধতাসরেজমিনে দেখা গেছে, একটু মাঝারি কিংবা ভারী বৃষ্টি হলেই কমলাপুর স্টেশন এলাকার নিচু অংশগুলোতে পানি জমে যায়। ট্রেন ধরতে আসা সাধারণ যাত্রীদের ব্যাগ-লাগেজ মাথায় নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই পানি জমে থাকে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।টাকা ছাড়া মেলে না ওয়াশরুম সেবাযাত্রীদের ক্ষোভের অন্যতম বড় কারণ স্টেশনের ওয়াশরুম বা টয়লেট ব্যবস্থা। এত বিশাল একটি স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের মতো উন্নত কোনো ওয়াশরুমের সুব্যবস্থা নেই। প্ল্যাটফর্মে যে দু-একটি ওয়াশরুম সচল আছে, সেখানে প্রবেশ করলেই গুণতে হচ্ছে টাকা।ক্ষুব্ধ এক যাত্রী বলেন: "আমরা টিকিটের পেছনে টাকা দিচ্ছি, সরকারের ট্যাক্স দিচ্ছি। অথচ স্টেশনে এসে প্রক্ষালন কক্ষ ব্যবহার করতেও আলাদা করে টাকা গুণতে হবে? টাকা না দিলে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। সাধারণ নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত যাত্রীদের জন্য এটা রীতিমতো জুলুম।"কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা যাত্রীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা চলে আসলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো স্থায়ী নজরদারি নেই। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে পর্যাপ্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুমের দাবি এখন সর্বস্তরের মানুষের। মেগা প্রজেক্টের এই যুগে দেশের প্রধান রেলস্টেশনের এমন জরাজীর্ণ ও বাণিজ্যিক রূপ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নাগরিকরা।
জীবনের অর্থ নিয়ে ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বার্তা
দেশের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন রাজধানীর কমলাপুর। প্রতিদিন এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন লাখো মানুষ। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী এই স্টেশনটি এখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই স্টেশনের প্রবেশপথ ও আশপাশে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা, আর ভেতরে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত ও বিনামূল্যে ব্যবহারের উপযোগী ওয়াশরুম।বৃষ্টি আসলেই চরম জলাবদ্ধতাসরেজমিনে দেখা গেছে, একটু মাঝারি কিংবা ভারী বৃষ্টি হলেই কমলাপুর স্টেশন এলাকার নিচু অংশগুলোতে পানি জমে যায়। ট্রেন ধরতে আসা সাধারণ যাত্রীদের ব্যাগ-লাগেজ মাথায় নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই পানি জমে থাকে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।টাকা ছাড়া মেলে না ওয়াশরুম সেবাযাত্রীদের ক্ষোভের অন্যতম বড় কারণ স্টেশনের ওয়াশরুম বা টয়লেট ব্যবস্থা। এত বিশাল একটি স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের মতো উন্নত কোনো ওয়াশরুমের সুব্যবস্থা নেই। প্ল্যাটফর্মে যে দু-একটি ওয়াশরুম সচল আছে, সেখানে প্রবেশ করলেই গুণতে হচ্ছে টাকা।ক্ষুব্ধ এক যাত্রী বলেন: "আমরা টিকিটের পেছনে টাকা দিচ্ছি, সরকারের ট্যাক্স দিচ্ছি। অথচ স্টেশনে এসে প্রক্ষালন কক্ষ ব্যবহার করতেও আলাদা করে টাকা গুণতে হবে? টাকা না দিলে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। সাধারণ নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত যাত্রীদের জন্য এটা রীতিমতো জুলুম।"কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা যাত্রীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা চলে আসলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো স্থায়ী নজরদারি নেই। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে পর্যাপ্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুমের দাবি এখন সর্বস্তরের মানুষের। মেগা প্রজেক্টের এই যুগে দেশের প্রধান রেলস্টেশনের এমন জরাজীর্ণ ও বাণিজ্যিক রূপ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নাগরিকরা।
সিলেটে কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
দেশের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন রাজধানীর কমলাপুর। প্রতিদিন এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন লাখো মানুষ। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী এই স্টেশনটি এখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই স্টেশনের প্রবেশপথ ও আশপাশে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা, আর ভেতরে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত ও বিনামূল্যে ব্যবহারের উপযোগী ওয়াশরুম।বৃষ্টি আসলেই চরম জলাবদ্ধতাসরেজমিনে দেখা গেছে, একটু মাঝারি কিংবা ভারী বৃষ্টি হলেই কমলাপুর স্টেশন এলাকার নিচু অংশগুলোতে পানি জমে যায়। ট্রেন ধরতে আসা সাধারণ যাত্রীদের ব্যাগ-লাগেজ মাথায় নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই পানি জমে থাকে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।টাকা ছাড়া মেলে না ওয়াশরুম সেবাযাত্রীদের ক্ষোভের অন্যতম বড় কারণ স্টেশনের ওয়াশরুম বা টয়লেট ব্যবস্থা। এত বিশাল একটি স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের মতো উন্নত কোনো ওয়াশরুমের সুব্যবস্থা নেই। প্ল্যাটফর্মে যে দু-একটি ওয়াশরুম সচল আছে, সেখানে প্রবেশ করলেই গুণতে হচ্ছে টাকা।ক্ষুব্ধ এক যাত্রী বলেন: "আমরা টিকিটের পেছনে টাকা দিচ্ছি, সরকারের ট্যাক্স দিচ্ছি। অথচ স্টেশনে এসে প্রক্ষালন কক্ষ ব্যবহার করতেও আলাদা করে টাকা গুণতে হবে? টাকা না দিলে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। সাধারণ নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত যাত্রীদের জন্য এটা রীতিমতো জুলুম।"কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা যাত্রীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা চলে আসলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো স্থায়ী নজরদারি নেই। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে পর্যাপ্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুমের দাবি এখন সর্বস্তরের মানুষের। মেগা প্রজেক্টের এই যুগে দেশের প্রধান রেলস্টেশনের এমন জরাজীর্ণ ও বাণিজ্যিক রূপ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নাগরিকরা।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ
সাধারণ গ্রাহকদের পকেট কাটছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো
ভাইস চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সমর্থন চান সাইফুল ইসলাম রুদ্র
আগৈলঝাড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
নরসিংদীতে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগ
ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫, আহত ১২৯ জন
রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস’
রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন, ১৯৬টি অপহরণ: টিআইবি
জীবনের অর্থ নিয়ে ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বার্তা
আগৈলঝাড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বনিকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ আহমেদ, আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ খান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিকদার হাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মোঃ বখতিয়ার,উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোঃ আক্তারুজ্জামান,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহানাজ পারভীন, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার, আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, শফিকুল ইসলাম টিটু, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ শামীমুল ইসলাম শামীম, আগৈলঝাড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, পলাশ হালদার প্রমুখ।সভায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ মাদক, বাল্যবিবাহ ও আত্মহত্যা প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তরা। এছাড়াও সভায় সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
অপরাধীর কোনো ধর্ম নেই, আইনের চোখে সবাই সমান: থালাপতি
অপরাধীর কোনো ধর্ম নেই, আইনের চোখে সবাই সমান: থালাপতি
প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও সিলেটে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও সিলেটে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর