দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে / নামে বে-নামে অভিযোগ দিয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে হয়রানি
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং এর অগ্রগতি ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও সরকার কার্যক্রম থামিয়ে দেয়নি। কারণ প্রতিটি শিশুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।এ কারণে এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় থাকা শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুদের কাছেও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এ কর্মসূচি সফল করা সম্ভব নয়। জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার ভবিষ্যতেও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
ওসি, এস আইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, জনমনে ক্ষোভ / ১২ বছরের শিশু অপহরণ ও ধর্ষনে জড়িত কথিত সাংবাদিকের নামে মামলা
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং এর অগ্রগতি ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও সরকার কার্যক্রম থামিয়ে দেয়নি। কারণ প্রতিটি শিশুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।এ কারণে এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় থাকা শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুদের কাছেও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এ কর্মসূচি সফল করা সম্ভব নয়। জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার ভবিষ্যতেও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও গেজেটে পিতার নামের অমিল, লিখিত স্বীকারোক্তির দাবিও ঘিরে প্রশ্ন / ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগ, বহাল তবিয়তে মাঈদুল!
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং এর অগ্রগতি ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও সরকার কার্যক্রম থামিয়ে দেয়নি। কারণ প্রতিটি শিশুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।এ কারণে এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় থাকা শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুদের কাছেও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এ কর্মসূচি সফল করা সম্ভব নয়। জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার ভবিষ্যতেও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
সরাইলে বসতবাড়িতে চুরি ও মালামাল লুটপাট
সরকারি ই-মেইল ও ভুয়া জিডি-মামলা ব্যবহার করে সিডিআর বিক্রি
মুগদা কবরস্থান এলাকায় হুমকি-হয়রানির অভিযোগ
নামে বে-নামে অভিযোগ দিয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে হয়রানি
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১২ বছরের শিশু অপহরণ ও ধর্ষনে জড়িত কথিত সাংবাদিকের নামে মামলা
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগ, বহাল তবিয়তে মাঈদুল!
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত
আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের এক পরিচিত ঠিকানা
পাঁচ দশকেও মেলেনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, কষ্টে দিন কাটছে বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘খোকা’র
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫৭ গাড়ি নিয়ে লংমার্চ হবে: পাটওয়ারী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫৭ গাড়ি নিয়ে লংমার্চ হবে: পাটওয়ারী
আমদিয়া ইউনিয়নকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার / রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ যুবনেতা ই এম মেহেদী হাছান
আমদিয়া ইউনিয়নকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার / রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ যুবনেতা ই এম মেহেদী হাছান
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত