ডিপফেকের ফাঁদে ঝুঁকিতে বীমা খাত
বীমা খাতে প্রতারণার নতুন ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিয়েছে ডিপফেক প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও ও নথি এতটাই বাস্তবসম্মত হতে পারে যে আসল ও নকলের পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে গ্রাহকের দেওয়া তথ্য ও ক্ষতিপূরণ দাবির সত্যতা যাচাইয়ে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।ডিপফেক এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বাস্তবের মতো দেখতে ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও বা তথ্য তৈরি করা যায়। একইভাবে আসল ছবি, ভিডিও কিংবা নথিতেও পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বীমা প্রতারণার নতুন পথ তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।বীমা খাতে ডিপফেকের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি দেখা দিতে পারে ক্ষতিপূরণ দাবির ক্ষেত্রে। প্রতারকরা দুর্ঘটনার ভুয়া ছবি, সাজানো ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ, পরিবর্তিত পরিচয়পত্র, নকল চিকিৎসা প্রতিবেদন কিংবা কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিও ব্যবহার করে বীমার অর্থ আদায়ের চেষ্টা করতে পারে। বিশেষ করে গাড়ির বীমায় এ ধরনের প্রতারণার আশঙ্কা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সতর্কতা বাড়ছে।বর্তমানে গ্রাহকের তথ্য বিশ্লেষণ, পলিসি অনুমোদন, ঝুঁকি মূল্যায়ন, ক্ষতিপূরণ দাবি যাচাই, গ্রাহকসেবা ও প্রতারণা শনাক্তকরণসহ বীমা খাতের বিভিন্ন কাজে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। ইউরোপীয় বীমা ও পেনশন কর্তৃপক্ষের (EIOPA) ২০২৫ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, ইউরোপের ৬৫ শতাংশ বীমা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। আরও ২৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আগামী তিন বছরের মধ্যে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিচালন ব্যয় কমানো এবং গ্রাহকদের দ্রুত ও উন্নত সেবা দিতে এআইয়ের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। তবে প্রযুক্তিটির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এআই সব সময় কোনো তথ্য, ছবি বা নথি আসল নাকি কৃত্রিম—তা নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করতে পারে না।কারণ এআই সাধারণত পূর্ববর্তী তথ্য ও নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিল খুঁজে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু কোনো ছবি সত্যিই দুর্ঘটনার সময় তোলা হয়েছে কি না, কোনো নথি আসল কি না কিংবা কোনো ভিডিওতে পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না—এসব বিষয় নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন।এ কারণে অনেক বীমা প্রতিষ্ঠান এআইয়ের পাশাপাশি মানবিক যাচাই ব্যবস্থাও ব্যবহার করছে। সাধারণ ক্ষতিপূরণ দাবির ক্ষেত্রে এআই দ্রুত প্রাথমিক যাচাই করতে পারলেও বড় অঙ্কের দাবি, সন্দেহজনক নথি কিংবা জটিল মামলার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে চূড়ান্ত যাচাইয়ের গুরুত্ব এখনো রয়েছে।বিশ্বজুড়ে বীমা প্রতারণার কারণে প্রতিবছর বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বীমা প্রতারণা প্রতিরোধে কাজ করা সংস্থা কোয়ালিশন এগেইনস্ট ইন্স্যুরেন্স ফ্রডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বীমা প্রতারণার কারণে প্রতিবছর প্রায় ৩০৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়। এর সঙ্গে এআই ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও ও নথির অপব্যবহার যুক্ত হওয়ায় প্রতারণার ধরন আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ডিপফেক ব্যবহার করে বীমা প্রতারণার সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন। কারণ এ ধরনের অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না। তবে বিভিন্ন গবেষণা ও শিল্প বিশ্লেষণে এআই ব্যবহার করে ভুয়া দুর্ঘটনার ছবি, পরিবর্তিত নথি ও কৃত্রিম পরিচয় তৈরির মাধ্যমে প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ার বিষয়টি উঠে আসছে।ডিপফেক শনাক্ত করতে তথ্যের উৎস যাচাই, পরিবর্তিত ছবি ও নথি শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং এআইভিত্তিক বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো ছবি বা ভিডিওর উৎস, সেটিতে পরবর্তীতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না এবং উপস্থাপিত তথ্যের সঙ্গে মূল তথ্যের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা যাচাইয়ের চেষ্টা করা হয়।ডিপফেকের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এআই ব্যবহারে নতুন নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এআই আইনে ঝুঁকিপূর্ণ এআই ব্যবস্থার জন্য বাড়তি নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর ও জাপানও এআই ব্যবহারে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও গ্রাহক সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।বাংলাদেশের বীমা খাতেও ধীরে ধীরে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। অনলাইন পলিসি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল গ্রাহকসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর দাবি যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু হলেও এআই ব্যবহার করে ডিপফেক শনাক্ত করার সক্ষমতা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।দেশের অধিকাংশ বীমা প্রতিষ্ঠানে উন্নত এআইভিত্তিক তথ্য যাচাই ব্যবস্থা এখনো ব্যাপকভাবে চালু হয়নি। তবে ভবিষ্যতে বীমা খাত আরও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিপফেকভিত্তিক প্রতারণার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।এ পরিস্থিতিতে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নত তথ্য যাচাই প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং মানবিক যাচাই ও তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণ দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রমাণের উৎস ও সত্যতা যাচাইয়ের ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে।আগামী দিনের বীমা খাতে শুধু দ্রুত ক্ষতিপূরণ দাবি নিষ্পত্তি করাই যথেষ্ট হবে না; বরং আসল ও কৃত্রিম তথ্যের পার্থক্য নির্ভুলভাবে শনাক্ত করাই হয়ে উঠবে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতারণা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা না গেলে ডিপফেক বীমা খাতে নতুন ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
আলফা ইসলামী লাইফের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সভা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী (H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari)।আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রধান প্রাধান্য পায়।বৈঠকে মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিপুল প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এই কঠিন সময়ে নেপালের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন পরিবেশের হলেও দুই দেশের প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয়ের বরফ গলা, নদী অববাহিকার ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ুজনিত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।" আসন্ন কপ-৩১ (COP-31) সম্মেলনকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সহযোগিতা, যৌথ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি জোর দেন।সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সংকটকালে নেপালের পাশে দাঁড়ানো এবং সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।পরিবেশগত আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনা নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সবুজ অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ার টেকসই উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
আইপিএলের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে জানুয়ারিতে হতে পারে পিএসএল
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী (H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari)।আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রধান প্রাধান্য পায়।বৈঠকে মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিপুল প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এই কঠিন সময়ে নেপালের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন পরিবেশের হলেও দুই দেশের প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয়ের বরফ গলা, নদী অববাহিকার ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ুজনিত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।" আসন্ন কপ-৩১ (COP-31) সম্মেলনকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সহযোগিতা, যৌথ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি জোর দেন।সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সংকটকালে নেপালের পাশে দাঁড়ানো এবং সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।পরিবেশগত আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনা নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সবুজ অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ার টেকসই উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
আমদিয়া ইউনিয়নকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার / রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ যুবনেতা ই এম মেহেদী হাছান
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী (H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari)।আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রধান প্রাধান্য পায়।বৈঠকে মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিপুল প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এই কঠিন সময়ে নেপালের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন পরিবেশের হলেও দুই দেশের প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয়ের বরফ গলা, নদী অববাহিকার ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ুজনিত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।" আসন্ন কপ-৩১ (COP-31) সম্মেলনকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সহযোগিতা, যৌথ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি জোর দেন।সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সংকটকালে নেপালের পাশে দাঁড়ানো এবং সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।পরিবেশগত আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনা নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সবুজ অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ার টেকসই উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
ডিপফেকের ফাঁদে ঝুঁকিতে বীমা খাত
ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও গ্রাহকসেবা নিয়ে পপুলার লাইফের সভা
অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আইডিআরএর নতুন চেয়ারম্যান
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী বৃদ্ধির লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জে উদ্বুদ্ধকরণ সভা
মনিপুর বিটে আব্দুল মান্নানের ‘রামরাজত্ব’!
উপজেলা নির্বাচনে নিষিদ্ধ পোস্টার ও মিছিল, আরও কিছু কঠোর বিধিমালা
আলফা ইসলামী লাইফের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সভা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
বৃক্ষরোপণকে টেকসই সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫৭ গাড়ি নিয়ে লংমার্চ হবে: পাটওয়ারী
ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সতর্কবার্তা
উপজেলা নির্বাচনে নিষিদ্ধ পোস্টার ও মিছিল, আরও কিছু কঠোর বিধিমালা
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে উৎসবমুখর, অবাধ ও সুষ্ঠু করতে নতুন নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত নতুন এই বিধিমালার গেজেট গত ৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়।এবারের আচরণবিধিতে প্রচার-প্রচারণার সনাতন কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আনা হয়েছে।নতুন এই আচরণবিধির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো পোস্টার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা। প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কোনো ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা বা সেতু-কালভার্টে কোনো ধরনের প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করা যাবে না।পাশাপাশি তফসিল ঘোষণা থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল বা নৌযান নিয়ে কোনো মিছিল বা শোডাউন করা যাবে না। আকাশপথে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান দিয়ে প্রচারণা চালানোও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।তবে সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণার সুযোগ থাকছে। এ ক্ষেত্রে কোন কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হবে, তা আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে এবং অনলাইনের খরচ নির্বাচনী ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে এআই ব্যবহার করে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট বা ভুয়া ছবি-ভিডিও বানিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা চরিত্রহনন রোধে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।এ ছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে উপহার প্রদান, উপাসনালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচারণা, সরকারি গাড়ি-সম্পদ ব্যবহার এবং ভোটের দিন কেন্দ্র দর্শনে যানবাহন ভাড়া করা নিষিদ্ধ থাকবে।বিধিমালা লঙ্ঘনে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। মূলত অর্থ ও পেশিশক্তির ব্যবহার কমিয়ে প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই ইসির এই নতুন বিধি কাঠামোর মূল উদ্দেশ্য।
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা