পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: এফএও সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রকে সমন্বিতভাবে বিবেচনায় নিয়ে সব কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।সোমবার ইতালির রাজধানী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সদর দপ্তরে শুরু হওয়া ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ বিষয়ক বৈশ্বিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, কৃষিখাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা মানুষ, প্রাণী, পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের পারস্পরিক সংযুক্ত সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল।আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ ও নিম্নভূমির গঙ্গা বদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। একই ভূদৃশ্যে মানুষ, বাস্তুতন্ত্র এবং কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকায় একটি খাতে চাপ সৃষ্টি হলে তার প্রভাব দ্রুত অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করে কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়।মন্ত্রী জানান, প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশ ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে শুধু একটি নীতিগত ধারণা হিসেবে নয়, বরং বাস্তব শাসনব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাঠামো গড়ে তুলছে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার আলোকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রকে কেন্দ্রীয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং জেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমন্বয় গড়ে তুলতে পরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জাতীয় ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ খাতকে মূল অংশীজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। যৌথ পরিকল্পনা ও সম্পদের মাধ্যমে এ অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে হবে।প্রস্তাবিত ওয়ান হেলথ তথ্যকেন্দ্র বিভিন্ন দেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশগুলোর পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ওয়ান হেলথ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী করা সম্ভব।আগামী নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-এর আগে রোমের এ সম্মেলনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, রোমের আলোচনার অভিজ্ঞতা কপ৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে জলবায়ু ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সমন্বিত বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কাজ করবে।তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জের অভিজ্ঞতা অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শেখার প্রস্তুতির কথাও জানান। সম্মেলনে গৃহীত আলোচনা ও সিদ্ধান্তগুলোকে বাস্তব কর্মসূচি, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।উদ্বোধনী অধিবেশনে এফএওর মহাপরিচালক Dongyu QU, সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট Guy Parmelin, তানজানিয়ার প্রধানমন্ত্রী Dr Mwigulu Nchemba, সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী Duro Macut, মোজাম্বিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী Ussene Hilario, কেপ ভার্দের কৃষিমন্ত্রী Eveline Nair Monteiro Ramos, ফ্রান্সের কৃষিমন্ত্রী Geneverd Annie এবং আয়ারল্যান্ডের কৃষিমন্ত্রী T.D. Martin Heydonসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা প্রেসক্লাবকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদানের চেক হস্তান্তর
হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, হয় হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে, না হয় আমি মন্ত্রী থাকব। গতকাল শুক্রবার রোগী হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধে রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ডেঙ্গু ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের পরিবর্তে বাইরে থেকে করানোর অভিযোগ পান মন্ত্রী।তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সব সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো হচ্ছে, ফলে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গুর সব পরীক্ষা হাসপাতালে থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মুগদা হাসপাতালকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সম্প্রতি হাসপাতালের সেবার মান ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সেবা প্রত্যাশীদের ক্ষোভের বিষয়টি নজরে আসার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে এ আকস্মিক পরিদর্শনে যান।মন্ত্রী বলেন, আমি ১৫-২০ জন রোগীর কাগজ দেখেছি, সব ফটোকপি নিয়েছি। এসব ইনভেস্টিগেশন বাইরে থেকে করানো হয়েছে। একটা ভিডিও বের হয়েছে, কারা কারা এসেছে ওই নামগুলোও আমার কাছে আছে। ওইটাই দেখে গেলাম।দেশের স্বাস্থ্যসেবার অনিয়ম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একদিনে সব পারব- এটা বলি না, বাট যখন যেখানে অনিয়ম পাব শক্ত হাতে দমন করব। একটা শূন্য ভাণ্ডার নিয়ে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ফ্যাসিস্টদের পরে। এরপরও আমরা কষ্ট করে টাকা দিচ্ছি, জনগণের টাকাই জনগণের জন্য দিচ্ছি। সেই টাকার সুবিধা জনগণ এখানে পাচ্ছে না। এখানে ডেঙ্গু রোগীদের ব্লাড বাইরে থেকে এসে ফেরিওয়ালার মতো কালেক্ট করে নিয়ে যায় টেস্ট করানোর জন্য। এটা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এর দায় এড়াতে পারে না।
একই রোগীর প্লাটিলেটে দফায় দফায় ভিন্ন রিপোর্ট / ধোলাইপারে মেডি বাংলা হাসপাতালের ল্যাব নিয়ে তীব্র প্রশ্ন
হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, হয় হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে, না হয় আমি মন্ত্রী থাকব। গতকাল শুক্রবার রোগী হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধে রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ডেঙ্গু ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের পরিবর্তে বাইরে থেকে করানোর অভিযোগ পান মন্ত্রী।তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সব সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো হচ্ছে, ফলে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গুর সব পরীক্ষা হাসপাতালে থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মুগদা হাসপাতালকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সম্প্রতি হাসপাতালের সেবার মান ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সেবা প্রত্যাশীদের ক্ষোভের বিষয়টি নজরে আসার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে এ আকস্মিক পরিদর্শনে যান।মন্ত্রী বলেন, আমি ১৫-২০ জন রোগীর কাগজ দেখেছি, সব ফটোকপি নিয়েছি। এসব ইনভেস্টিগেশন বাইরে থেকে করানো হয়েছে। একটা ভিডিও বের হয়েছে, কারা কারা এসেছে ওই নামগুলোও আমার কাছে আছে। ওইটাই দেখে গেলাম।দেশের স্বাস্থ্যসেবার অনিয়ম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একদিনে সব পারব- এটা বলি না, বাট যখন যেখানে অনিয়ম পাব শক্ত হাতে দমন করব। একটা শূন্য ভাণ্ডার নিয়ে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ফ্যাসিস্টদের পরে। এরপরও আমরা কষ্ট করে টাকা দিচ্ছি, জনগণের টাকাই জনগণের জন্য দিচ্ছি। সেই টাকার সুবিধা জনগণ এখানে পাচ্ছে না। এখানে ডেঙ্গু রোগীদের ব্লাড বাইরে থেকে এসে ফেরিওয়ালার মতো কালেক্ট করে নিয়ে যায় টেস্ট করানোর জন্য। এটা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এর দায় এড়াতে পারে না।
আগৈলঝাড়ায় বিআরডিবির অনুষ্ঠানে ওসি মাসুদ খানের গণসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, হয় হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে, না হয় আমি মন্ত্রী থাকব। গতকাল শুক্রবার রোগী হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধে রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ডেঙ্গু ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের পরিবর্তে বাইরে থেকে করানোর অভিযোগ পান মন্ত্রী।তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সব সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো হচ্ছে, ফলে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গুর সব পরীক্ষা হাসপাতালে থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মুগদা হাসপাতালকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সম্প্রতি হাসপাতালের সেবার মান ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সেবা প্রত্যাশীদের ক্ষোভের বিষয়টি নজরে আসার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে এ আকস্মিক পরিদর্শনে যান।মন্ত্রী বলেন, আমি ১৫-২০ জন রোগীর কাগজ দেখেছি, সব ফটোকপি নিয়েছি। এসব ইনভেস্টিগেশন বাইরে থেকে করানো হয়েছে। একটা ভিডিও বের হয়েছে, কারা কারা এসেছে ওই নামগুলোও আমার কাছে আছে। ওইটাই দেখে গেলাম।দেশের স্বাস্থ্যসেবার অনিয়ম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একদিনে সব পারব- এটা বলি না, বাট যখন যেখানে অনিয়ম পাব শক্ত হাতে দমন করব। একটা শূন্য ভাণ্ডার নিয়ে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ফ্যাসিস্টদের পরে। এরপরও আমরা কষ্ট করে টাকা দিচ্ছি, জনগণের টাকাই জনগণের জন্য দিচ্ছি। সেই টাকার সুবিধা জনগণ এখানে পাচ্ছে না। এখানে ডেঙ্গু রোগীদের ব্লাড বাইরে থেকে এসে ফেরিওয়ালার মতো কালেক্ট করে নিয়ে যায় টেস্ট করানোর জন্য। এটা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এর দায় এড়াতে পারে না।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: এফএও সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অব্যবস্থাপনা নিরসন ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি
আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
সায়েদাবাদে প্রকাশ্যে মাদকের কারবার, নীরব প্রশাসন
৯ মাসে খেলাপি ঋণ কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির পাহাড়
ঢাকা প্রেসক্লাবকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদানের চেক হস্তান্তর
ধোলাইপারে মেডি বাংলা হাসপাতালের ল্যাব নিয়ে তীব্র প্রশ্ন
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আসছে নতুন সুবিধা, পাবেন আজীবন
আগৈলঝাড়ায় বিআরডিবির অনুষ্ঠানে ওসি মাসুদ খানের গণসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: এফএও সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রকে সমন্বিতভাবে বিবেচনায় নিয়ে সব কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।সোমবার ইতালির রাজধানী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সদর দপ্তরে শুরু হওয়া ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ বিষয়ক বৈশ্বিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, কৃষিখাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা মানুষ, প্রাণী, পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের পারস্পরিক সংযুক্ত সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল।আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ ও নিম্নভূমির গঙ্গা বদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। একই ভূদৃশ্যে মানুষ, বাস্তুতন্ত্র এবং কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকায় একটি খাতে চাপ সৃষ্টি হলে তার প্রভাব দ্রুত অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করে কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়।মন্ত্রী জানান, প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশ ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে শুধু একটি নীতিগত ধারণা হিসেবে নয়, বরং বাস্তব শাসনব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাঠামো গড়ে তুলছে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার আলোকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রকে কেন্দ্রীয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং জেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমন্বয় গড়ে তুলতে পরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জাতীয় ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ খাতকে মূল অংশীজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। যৌথ পরিকল্পনা ও সম্পদের মাধ্যমে এ অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে হবে।প্রস্তাবিত ওয়ান হেলথ তথ্যকেন্দ্র বিভিন্ন দেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশগুলোর পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ওয়ান হেলথ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী করা সম্ভব।আগামী নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-এর আগে রোমের এ সম্মেলনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, রোমের আলোচনার অভিজ্ঞতা কপ৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে জলবায়ু ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সমন্বিত বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কাজ করবে।তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জের অভিজ্ঞতা অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শেখার প্রস্তুতির কথাও জানান। সম্মেলনে গৃহীত আলোচনা ও সিদ্ধান্তগুলোকে বাস্তব কর্মসূচি, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।উদ্বোধনী অধিবেশনে এফএওর মহাপরিচালক Dongyu QU, সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট Guy Parmelin, তানজানিয়ার প্রধানমন্ত্রী Dr Mwigulu Nchemba, সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী Duro Macut, মোজাম্বিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী Ussene Hilario, কেপ ভার্দের কৃষিমন্ত্রী Eveline Nair Monteiro Ramos, ফ্রান্সের কৃষিমন্ত্রী Geneverd Annie এবং আয়ারল্যান্ডের কৃষিমন্ত্রী T.D. Martin Heydonসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা