পুলিশ বাহিনীকে আগে পরিষ্কার করতে চাইলেন আইজিপি
পুলিশ বাহিনীর ভেতরে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত দুই মাসে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে জেলে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী করতে হলে আগে নিজেদের ঘর পরিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে পুলিশের যানবাহনের সংকট দূর করতে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ গাড়ি কেনার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। জনবলের ঘাটতি পূরণে প্রতি বছর ন্যূনতম ১৫ হাজার নতুন পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে।রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট জেলা পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ ও এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।পুলিশের এই মহাপরিদর্শক বলেন, গত দুই মাসে আমি ২৭ জন পুলিশ অফিসারকে, পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠিয়েছি এই মাদকের কারণে, আপনারা আর কী চান? আগে ঘর পরিষ্কার হোক, তারপরে আপনারা পরিষ্কার হবেন।বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মিসেস পারভীন আক্তার, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, মাদক নির্মূল, জনবল ও যানবাহনের সংকট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আইজিপি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল। যারা বাহিনীকে দুর্বল করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে কাউকে কক্সবাজারে পাঠানো হলে তিনি নিজেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন না। ভালো কাজ করলে চাকরি হারানোর ভয় থাকার কথা নয়। এ বিষয়ে দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানান তিনি। পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী করতে নতুন প্রকল্প দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে মানবিক ও বন্ধুসুলভ পুলিশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইজিপি। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং জনগণের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। পুলিশের যানবাহনের চাহিদার তুলনায় প্রায় আড়াই হাজার গাড়ির ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া আট থেকে ২০ বছর বয়সী পুরোনো গাড়ির সংখ্যাও কম নয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ গাড়ি কেনার জন্য নতুন একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়েছে বলে জানান তিনি।পুলিশ বাহিনীর বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করে আইজিপি বলেন, জনবলের ঘাটতি একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রতি বছর ন্যূনতম ১৫ হাজার নতুন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে জনবলের সংকট কাটিয়ে পুলিশের লজিস্টিক সহায়তা আরও শক্তিশালী করা হবে। মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে মাদক, কিশোর গ্যাং, দুর্নীতি ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আইজিপি।তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে বেকারত্ব একটি বড় সমস্যা। প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ শিক্ষিত বেকার এই জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। বেকারত্ব মোকাবিলা, তরুণদের পুনর্বাসন এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সবাইকে কাজ করতে হবে।আইজিপি বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ দমন, সামাজিক সমস্যা সমাধান এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক, কিশোর গ্যাং, দুর্নীতি ও সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা হবে। কিশোর গ্যাং নির্মূলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রম ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে।স্থানীয় মানুষের কাছে অপরাধের তথ্য অনেক সময় পুলিশের চেয়েও বেশি থাকে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ইউনিয়নের কোন পাড়ায় কে মাদক সেবন করে, কারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত কিংবা কোথায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হচ্ছে এসব তথ্য স্থানীয় মানুষ অনেক সময় পুলিশের চেয়েও ভালো জানেন। তাই আপনারা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন। গুজব ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন আইজিপি।তিনি বলেন, প্রতিটা জায়গায় ষড়যন্ত্র। আমি বুঝি, আমার বাংলাদেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী এসেই বলেছে, প্ল্যান। এটার ভিতরে আপনারা ষড়যন্ত্র খুঁজেন কেন, সে কোন কাজটা খারাপ করছে।আইজিপি আরও বলেন, ব্যাংক শূন্য, সবকিছু শূন্য। তারপরে আবার বলেন, ওনারাই ফেরেশতা। আর এখন যারা আমরা আছি, আমরা সব খারাপ লোক। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করতে চায়, তাদের সঙ্গে আঁতাতকারীরা দেশপ্রেমিক হতে পারে না।সবশেষে জনগণের সহযোগিতা কামনা করে আইজিপি বলেন, পুলিশকে শক্তিশালী করতে না পারলে কেউই দিন-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারবেন না। জনগণের সার্বিক সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশ পুলিশ একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ উপহার দিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সোনারগাঁয়ের মালীপাড়া পাক দরবার শরিফে বার্ষিক ওরশ মোবারক / আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের মিলনমেলা
নিজ নিজ কর্ম ও উদ্যোগে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিন অনুপ্রেরণা প্রদানকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তারা হলেন-বুয়েট থেকে পাস করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন।আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে। সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।’বুয়েট ছেড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক নায়লাসাক্ষাৎকালে নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচনের বিষয়টি উঠে আসে।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। এমনকি ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন তিনি। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন নায়লা। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজেই তৈরি করেন নানা শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট। পা দিয়েই স্কুল চালান হাতহীন আলতাফপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আরেক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। পা দিয়ে লেখালেখি শিখে তিনি ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল’। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী ও ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন। পা দিয়েই তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তার জীবনসংগ্রামের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।৩০ বছর ধরে গাছ লাগাচ্ছেন রেজাউলভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে এলাকায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলার পর সেখান থেকে উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অনেক গাছ এখন বড় হয়ে পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকের এমন ব্যতিক্রমী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি এসব কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তাদের উৎসাহ দেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী
নিজ নিজ কর্ম ও উদ্যোগে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিন অনুপ্রেরণা প্রদানকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তারা হলেন-বুয়েট থেকে পাস করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন।আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে। সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।’বুয়েট ছেড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক নায়লাসাক্ষাৎকালে নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচনের বিষয়টি উঠে আসে।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। এমনকি ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন তিনি। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন নায়লা। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজেই তৈরি করেন নানা শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট। পা দিয়েই স্কুল চালান হাতহীন আলতাফপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আরেক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। পা দিয়ে লেখালেখি শিখে তিনি ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল’। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী ও ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন। পা দিয়েই তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তার জীবনসংগ্রামের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।৩০ বছর ধরে গাছ লাগাচ্ছেন রেজাউলভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে এলাকায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলার পর সেখান থেকে উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অনেক গাছ এখন বড় হয়ে পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকের এমন ব্যতিক্রমী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি এসব কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তাদের উৎসাহ দেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা / ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
নিজ নিজ কর্ম ও উদ্যোগে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিন অনুপ্রেরণা প্রদানকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তারা হলেন-বুয়েট থেকে পাস করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন।আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে। সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।’বুয়েট ছেড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক নায়লাসাক্ষাৎকালে নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচনের বিষয়টি উঠে আসে।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। এমনকি ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন তিনি। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন নায়লা। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজেই তৈরি করেন নানা শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট। পা দিয়েই স্কুল চালান হাতহীন আলতাফপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আরেক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। পা দিয়ে লেখালেখি শিখে তিনি ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল’। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী ও ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন। পা দিয়েই তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তার জীবনসংগ্রামের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।৩০ বছর ধরে গাছ লাগাচ্ছেন রেজাউলভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে এলাকায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলার পর সেখান থেকে উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অনেক গাছ এখন বড় হয়ে পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকের এমন ব্যতিক্রমী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি এসব কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তাদের উৎসাহ দেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
টেকনাফে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট
মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা
আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের মিলনমেলা
পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী
ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
নাদিয়া পাঠান পাপন এমপির শুভেচ্ছা বিনিময়
পুলিশ বাহিনীকে আগে পরিষ্কার করতে চাইলেন আইজিপি
কুমিল্লায় বিজিবি-এসআরবির যৌথ অভিযানে বিয়ারসহ একজন আটক
তিতাসে অসহায় বৃদ্ধা মজিদা খাতুনকে মারধর করে ঘরছাড়া করলেন আপন ছেলে-বউ
জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট
সাংবাদিক ও পাঠকদের বিভিন্ন সমস্যা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণকে সামনে রেখে গঠিত সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্টকে একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সেক্টরের জ্ঞানী-গুণী, অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা ও মতবিনিময় কার্যক্রম চলছে। সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রমের পরিধি নিয়ে এসব আলোচনায় সংশ্লিষ্টদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ট্রাস্টের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন পত্রিকা ও অন্যান্য গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও পাঠকদের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার ও গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম সম্পর্কে পাঠকদের সচেতন করা এবং পাঠকদের বিভিন্ন মতামত, অভিযোগ ও অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও ট্রাস্টের কার্যক্রমের অন্যতম অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।সাংবাদিক-পাঠকদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেও কাজ করতে চায় সংগঠনটি। জনকল্যাণমূলক ও অলাভজনক কার্যক্রমে সাংবাদিক ও পাঠকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের ইতিবাচক বিকাশে ভূমিকা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও রয়েছে।সাংবাদিক ও পাঠকদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিও ট্রাস্টের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি কল্যাণমূলক তহবিল গঠন করে বিপদগ্রস্ত, অসুস্থ, দুর্ঘটনাকবলিত কিংবা অসচ্ছল সাংবাদিক ও পাঠকদের প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা, মহামারি কিংবা মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিশু-কিশোরদের নিয়েও কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে ট্রাস্টের। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, শিক্ষা উপকরণসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া এবং তাদের উৎসাহিত করতে ক্রেস্ট, সনদ ও আর্থিক পুরস্কারের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন অনিয়ম ও অসঙ্গতি নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও সংগঠনের পরিকল্পনায় রয়েছে।বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের গুরুত্ব বিবেচনায় সাংবাদিকদের আধুনিক সাংবাদিকতা, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা, গণমাধ্যমের নৈতিকতা এবং পাঠকের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।ট্রাস্টের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাংবাদিক ও পাঠককে একই প্ল্যাটফর্মে এনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার পরিবেশ তৈরি করা গেলে গণমাধ্যমের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্যেই সংগঠনের সার্বিক কাঠামো, কর্মপরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন পেশা ও সেক্টরের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে। তাদের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্টকে একটি স্বচ্ছ, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা