নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল
জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে কি না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় ডোপ টেস্টের বিধান যুক্ত না করার বিষয়টি কেন আইনগতভাবে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আইনজীবী ইসরাত জাহান অনির করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।রিট আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য নির্বাচনি আইন ও বিধিমালা সংশোধন করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল বা স্বীকৃত ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়ার বিধান করার কথাও বলা হয়েছে।রিটকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, বিদ্যমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বিধান রয়েছে বলে তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।রিটে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই প্রার্থীদের মাদকমুক্ত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্টের বিধান করা প্রয়োজন—এমন যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।তবে হাইকোর্টের এই রুলের ফলে এখনই নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব এবং পরবর্তী আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ
ওয়ান হেলথকে শুধু নীতি ও পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কার্যক্রমে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। জরুরি পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার পর কেবল প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্তকরণ, প্রশমন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে সহনশীল কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা এবং টেকসই জীবিকা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্লেনারি হলে ‘ওয়ান হেলথ ফর এ বেটার লাইফ: ফ্রম ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স টু রেজিলিয়েন্ট অ্যাগ্রিফুড সিস্টেমস অ্যান্ড সাসটেইনেবল লাইভলিহুডস’ শীর্ষক অধিবেশনে মূল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য, প্রতিবেশ এবং পরিবেশ পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রে সৃষ্ট ঝুঁকি দ্রুত অন্য ক্ষেত্রগুলোকেও প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশের খাদ্য ও জীবিকা ব্যবস্থা কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের অবক্ষয় ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির কারণে নতুন নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।তিনি বলেন, ওয়ান হেলথ শুধু স্বাস্থ্য খাতের কোনো পৃথক কর্মসূচি নয়; এটি স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, খাদ্যনিরাপত্তা, সহনশীল জীবিকা এবং টেকসই উন্নয়নকে একই কাঠামোর মধ্যে সমন্বিত করার একটি পদ্ধতি। তাই এর বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২০১২ সালে গৃহীত জাতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামোর ধারাবাহিকতায় তৃতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামো ২০২৫–২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ব্যবস্থা এবং ওয়ান হেলথ সেক্রেটারিয়েট বিভিন্ন খাতের মধ্যে সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তুতি কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়। পরিবর্তনশীল ঝুঁকির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি ও সক্ষমতাকে ক্রমাগত উন্নত করতে হবে। এজন্য সমন্বিত নজরদারি ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, জৈব নিরাপত্তা, পরীক্ষাগার ও মাঠপর্যায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগের উদ্ভবের পরিবেশগত, প্রতিবেশগত ও আর্থসামাজিক কারণ সম্পর্কে গভীরতর ধারণা প্রয়োজন।জলবায়ু সহনশীলতাকে স্বাস্থ্য সহনশীলতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা এবং প্রকৃতিনির্ভর সমাধানকে ওয়ান হেলথের অগ্রাধিকারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীবিকার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও কমানো সম্ভব হবে।মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জরুরি পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কোনো দেশের জাতীয় সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় সমগ্র সরকারভিত্তিক সমন্বয়, বহুখাতীয় সহযোগিতা এবং শক্তিশালী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব অপরিহার্য।এফএওসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতার প্রশংসা করে পরিবেশমন্ত্রী মহামারি প্রতিরোধ ও প্রস্তুতির কার্যক্রমকে সহনশীল কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা, টেকসই জীবিকা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং জলবায়ু সহনশীলতার সঙ্গে সমন্বিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশভিত্তিক সমাধান, জাতীয় সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ এবং বৈশ্বিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকরভাবে প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জাতীয় উদ্যোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ওয়ান হেলথের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ওয়ান হেলথকে নীতি থেকে কার্যক্রমে এবং কার্যক্রম থেকে পরিমাপযোগ্য ফলে রূপ দিতে তিনি সব অংশীদারকে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।প্যানেল আলোচনায় নাইজেরিয়ার পশুসম্পদমন্ত্রী Idi Mukhtar Maiha, রোমে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিষয়ক মিনিস্টার-কনস্যুলার Douglas Hoelscher, থাইল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-স্থায়ী সচিব Sopon Iamsirithaworn এবং ইসলামিক সংস্থার পরিচালক Memduh Unal অংশ নেন।এ সময় ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ. টি. এম. রকিবুল হক, বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
সিংড়ায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে গণশুনানি
ওয়ান হেলথকে শুধু নীতি ও পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কার্যক্রমে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। জরুরি পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার পর কেবল প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্তকরণ, প্রশমন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে সহনশীল কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা এবং টেকসই জীবিকা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্লেনারি হলে ‘ওয়ান হেলথ ফর এ বেটার লাইফ: ফ্রম ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স টু রেজিলিয়েন্ট অ্যাগ্রিফুড সিস্টেমস অ্যান্ড সাসটেইনেবল লাইভলিহুডস’ শীর্ষক অধিবেশনে মূল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য, প্রতিবেশ এবং পরিবেশ পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রে সৃষ্ট ঝুঁকি দ্রুত অন্য ক্ষেত্রগুলোকেও প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশের খাদ্য ও জীবিকা ব্যবস্থা কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের অবক্ষয় ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির কারণে নতুন নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।তিনি বলেন, ওয়ান হেলথ শুধু স্বাস্থ্য খাতের কোনো পৃথক কর্মসূচি নয়; এটি স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, খাদ্যনিরাপত্তা, সহনশীল জীবিকা এবং টেকসই উন্নয়নকে একই কাঠামোর মধ্যে সমন্বিত করার একটি পদ্ধতি। তাই এর বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২০১২ সালে গৃহীত জাতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামোর ধারাবাহিকতায় তৃতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামো ২০২৫–২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ব্যবস্থা এবং ওয়ান হেলথ সেক্রেটারিয়েট বিভিন্ন খাতের মধ্যে সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তুতি কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়। পরিবর্তনশীল ঝুঁকির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি ও সক্ষমতাকে ক্রমাগত উন্নত করতে হবে। এজন্য সমন্বিত নজরদারি ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, জৈব নিরাপত্তা, পরীক্ষাগার ও মাঠপর্যায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগের উদ্ভবের পরিবেশগত, প্রতিবেশগত ও আর্থসামাজিক কারণ সম্পর্কে গভীরতর ধারণা প্রয়োজন।জলবায়ু সহনশীলতাকে স্বাস্থ্য সহনশীলতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা এবং প্রকৃতিনির্ভর সমাধানকে ওয়ান হেলথের অগ্রাধিকারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীবিকার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও কমানো সম্ভব হবে।মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জরুরি পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কোনো দেশের জাতীয় সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় সমগ্র সরকারভিত্তিক সমন্বয়, বহুখাতীয় সহযোগিতা এবং শক্তিশালী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব অপরিহার্য।এফএওসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতার প্রশংসা করে পরিবেশমন্ত্রী মহামারি প্রতিরোধ ও প্রস্তুতির কার্যক্রমকে সহনশীল কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা, টেকসই জীবিকা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং জলবায়ু সহনশীলতার সঙ্গে সমন্বিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশভিত্তিক সমাধান, জাতীয় সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ এবং বৈশ্বিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকরভাবে প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জাতীয় উদ্যোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ওয়ান হেলথের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ওয়ান হেলথকে নীতি থেকে কার্যক্রমে এবং কার্যক্রম থেকে পরিমাপযোগ্য ফলে রূপ দিতে তিনি সব অংশীদারকে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।প্যানেল আলোচনায় নাইজেরিয়ার পশুসম্পদমন্ত্রী Idi Mukhtar Maiha, রোমে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিষয়ক মিনিস্টার-কনস্যুলার Douglas Hoelscher, থাইল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-স্থায়ী সচিব Sopon Iamsirithaworn এবং ইসলামিক সংস্থার পরিচালক Memduh Unal অংশ নেন।এ সময় ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ. টি. এম. রকিবুল হক, বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
শেরপুর সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ওয়ান হেলথকে শুধু নীতি ও পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কার্যক্রমে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। জরুরি পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার পর কেবল প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্তকরণ, প্রশমন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে সহনশীল কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা এবং টেকসই জীবিকা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্লেনারি হলে ‘ওয়ান হেলথ ফর এ বেটার লাইফ: ফ্রম ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স টু রেজিলিয়েন্ট অ্যাগ্রিফুড সিস্টেমস অ্যান্ড সাসটেইনেবল লাইভলিহুডস’ শীর্ষক অধিবেশনে মূল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য, প্রতিবেশ এবং পরিবেশ পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রে সৃষ্ট ঝুঁকি দ্রুত অন্য ক্ষেত্রগুলোকেও প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশের খাদ্য ও জীবিকা ব্যবস্থা কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের অবক্ষয় ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির কারণে নতুন নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।তিনি বলেন, ওয়ান হেলথ শুধু স্বাস্থ্য খাতের কোনো পৃথক কর্মসূচি নয়; এটি স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, খাদ্যনিরাপত্তা, সহনশীল জীবিকা এবং টেকসই উন্নয়নকে একই কাঠামোর মধ্যে সমন্বিত করার একটি পদ্ধতি। তাই এর বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২০১২ সালে গৃহীত জাতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামোর ধারাবাহিকতায় তৃতীয় ওয়ান হেলথ কৌশলগত কাঠামো ২০২৫–২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ব্যবস্থা এবং ওয়ান হেলথ সেক্রেটারিয়েট বিভিন্ন খাতের মধ্যে সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তুতি কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়। পরিবর্তনশীল ঝুঁকির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি ও সক্ষমতাকে ক্রমাগত উন্নত করতে হবে। এজন্য সমন্বিত নজরদারি ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, জৈব নিরাপত্তা, পরীক্ষাগার ও মাঠপর্যায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগের উদ্ভবের পরিবেশগত, প্রতিবেশগত ও আর্থসামাজিক কারণ সম্পর্কে গভীরতর ধারণা প্রয়োজন।জলবায়ু সহনশীলতাকে স্বাস্থ্য সহনশীলতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা এবং প্রকৃতিনির্ভর সমাধানকে ওয়ান হেলথের অগ্রাধিকারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীবিকার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও কমানো সম্ভব হবে।মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জরুরি পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কোনো দেশের জাতীয় সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় সমগ্র সরকারভিত্তিক সমন্বয়, বহুখাতীয় সহযোগিতা এবং শক্তিশালী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব অপরিহার্য।এফএওসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতার প্রশংসা করে পরিবেশমন্ত্রী মহামারি প্রতিরোধ ও প্রস্তুতির কার্যক্রমকে সহনশীল কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা, টেকসই জীবিকা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং জলবায়ু সহনশীলতার সঙ্গে সমন্বিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশভিত্তিক সমাধান, জাতীয় সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ এবং বৈশ্বিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকরভাবে প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জাতীয় উদ্যোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ওয়ান হেলথের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ওয়ান হেলথকে নীতি থেকে কার্যক্রমে এবং কার্যক্রম থেকে পরিমাপযোগ্য ফলে রূপ দিতে তিনি সব অংশীদারকে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।প্যানেল আলোচনায় নাইজেরিয়ার পশুসম্পদমন্ত্রী Idi Mukhtar Maiha, রোমে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিষয়ক মিনিস্টার-কনস্যুলার Douglas Hoelscher, থাইল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-স্থায়ী সচিব Sopon Iamsirithaworn এবং ইসলামিক সংস্থার পরিচালক Memduh Unal অংশ নেন।এ সময় ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ. টি. এম. রকিবুল হক, বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
এআই’র কাছে কখনোই চাইবেন না যে ৫ পরামর্শ
ঢাবির অধ্যাপককে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউভার্সিটির ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে রেড কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি
টেকনাফে বাঙালি যুবকের সঙ্গে পালানো রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ
নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল
সিংড়ায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে গণশুনানি
ইরান, চীন ও রাশিয়া ইস্যুতে ট্রাম্পের একের পর এক ‘ধাক্কা’
শেরপুর সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
মানুষ-হাতি সংঘাত রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী
রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে -জহির উদ্দিন স্বপন এমপি
নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল
জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে কি না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় ডোপ টেস্টের বিধান যুক্ত না করার বিষয়টি কেন আইনগতভাবে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আইনজীবী ইসরাত জাহান অনির করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।রিট আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য নির্বাচনি আইন ও বিধিমালা সংশোধন করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল বা স্বীকৃত ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়ার বিধান করার কথাও বলা হয়েছে।রিটকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, বিদ্যমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বিধান রয়েছে বলে তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।রিটে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই প্রার্থীদের মাদকমুক্ত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্টের বিধান করা প্রয়োজন—এমন যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।তবে হাইকোর্টের এই রুলের ফলে এখনই নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব এবং পরবর্তী আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা