প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী
নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব ঘিরে গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়।মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণেও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।সভায় জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, দেশের সংস্কৃতি হাজার বছরের পুরোনো হলেও তা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা যাচ্ছে না। প্রযুক্তির কারণে তরুণেরা বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যেতে হবে। দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ট্রলির অপব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যাত্রীসেবায় বিঘ্ন এবং নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার (৭ অক্টোবর) বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা করা হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি এ তথ্য জানান।নওশাদ খান জানান, অভিযানের আগে গোপনে লোক পাঠিয়ে যাত্রীদের সহযোগিতায় বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়। অভিযোগের সত্যতা হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ার পর উপস্থিত সাক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড করা হয়।যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিমানবন্দরে প্রতিদিন চারজন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রলি ও লাগেজ ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করতে ‘টিম এয়ারপোর্ট’-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রলি সংকট কমাতে বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ট্রলি এনে মেরামত করে প্রায় ৫০০টি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরও ১ হাজার ট্রলি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রলির অবস্থান ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণে শিফটভিত্তিক বিশেষ টিম ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, রানওয়ে মেরামতের কারণে রাতে কয়েক ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকার পর পিক আওয়ারে একসঙ্গে বেশি ফ্লাইট অবতরণ করছে। ফলে কোনো কোনো সময়ে যাত্রীর তুলনায় ট্রলির সংখ্যা কম পড়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের।বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বছরে ৮০ লাখ যাত্রী সেবার সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করছেন। তাদের সঙ্গে আসা-যাওয়া করেন আরও প্রায় ২ কোটি মানুষ। বিপুল মানুষের উপস্থিতির কারণে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের সুযোগ তৈরি হওয়ায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো যাত্রী লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়। লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে বিমানবন্দরের দ্বিতীয় তলায় ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করা যাবে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দায়িত্ব পালন করেন। বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করে লাগেজ চুরির সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।গত এক বছরে চার এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন অপরাধে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৫২৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
নালিতাবাড়ীতে আটকে রেখে নির্যাতন ও ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ট্রলির অপব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যাত্রীসেবায় বিঘ্ন এবং নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার (৭ অক্টোবর) বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা করা হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি এ তথ্য জানান।নওশাদ খান জানান, অভিযানের আগে গোপনে লোক পাঠিয়ে যাত্রীদের সহযোগিতায় বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়। অভিযোগের সত্যতা হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ার পর উপস্থিত সাক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড করা হয়।যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিমানবন্দরে প্রতিদিন চারজন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রলি ও লাগেজ ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করতে ‘টিম এয়ারপোর্ট’-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রলি সংকট কমাতে বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ট্রলি এনে মেরামত করে প্রায় ৫০০টি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরও ১ হাজার ট্রলি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রলির অবস্থান ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণে শিফটভিত্তিক বিশেষ টিম ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, রানওয়ে মেরামতের কারণে রাতে কয়েক ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকার পর পিক আওয়ারে একসঙ্গে বেশি ফ্লাইট অবতরণ করছে। ফলে কোনো কোনো সময়ে যাত্রীর তুলনায় ট্রলির সংখ্যা কম পড়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের।বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বছরে ৮০ লাখ যাত্রী সেবার সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করছেন। তাদের সঙ্গে আসা-যাওয়া করেন আরও প্রায় ২ কোটি মানুষ। বিপুল মানুষের উপস্থিতির কারণে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের সুযোগ তৈরি হওয়ায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো যাত্রী লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়। লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে বিমানবন্দরের দ্বিতীয় তলায় ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করা যাবে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দায়িত্ব পালন করেন। বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করে লাগেজ চুরির সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।গত এক বছরে চার এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন অপরাধে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৫২৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ / কমলাপুর রেলস্টেশনে নিরাপত্তা জোরদারে যৌথ অভিযান
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ট্রলির অপব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যাত্রীসেবায় বিঘ্ন এবং নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার (৭ অক্টোবর) বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা করা হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি এ তথ্য জানান।নওশাদ খান জানান, অভিযানের আগে গোপনে লোক পাঠিয়ে যাত্রীদের সহযোগিতায় বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়। অভিযোগের সত্যতা হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ার পর উপস্থিত সাক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড করা হয়।যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিমানবন্দরে প্রতিদিন চারজন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রলি ও লাগেজ ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করতে ‘টিম এয়ারপোর্ট’-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রলি সংকট কমাতে বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ট্রলি এনে মেরামত করে প্রায় ৫০০টি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরও ১ হাজার ট্রলি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রলির অবস্থান ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণে শিফটভিত্তিক বিশেষ টিম ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, রানওয়ে মেরামতের কারণে রাতে কয়েক ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকার পর পিক আওয়ারে একসঙ্গে বেশি ফ্লাইট অবতরণ করছে। ফলে কোনো কোনো সময়ে যাত্রীর তুলনায় ট্রলির সংখ্যা কম পড়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের।বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বছরে ৮০ লাখ যাত্রী সেবার সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করছেন। তাদের সঙ্গে আসা-যাওয়া করেন আরও প্রায় ২ কোটি মানুষ। বিপুল মানুষের উপস্থিতির কারণে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের সুযোগ তৈরি হওয়ায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো যাত্রী লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়। লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে বিমানবন্দরের দ্বিতীয় তলায় ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করা যাবে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দায়িত্ব পালন করেন। বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করে লাগেজ চুরির সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।গত এক বছরে চার এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন অপরাধে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৫২৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
‘নীরব বিনয়ের এক নিদর্শন’
প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী
সাবেক এমপি আব্দুল হাইয়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
নালিতাবাড়ীতে আটকে রেখে নির্যাতন ও ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
জনকল্যাণমুখী কাজে সব সময় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
কমলাপুর রেলস্টেশনে নিরাপত্তা জোরদারে যৌথ অভিযান
সরাইলে ট্রাকের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই
রংপুরে নারীদের জন্য তৈরি কারখানা পেল বিশ্বের সেরা ভবনের স্বীকৃতি / ‘নীরব বিনয়ের এক নিদর্শন’
কারখানা মানেই ধোঁয়া, যন্ত্রপাতি আর কর্মব্যস্ত পরিবেশ, এমন ধারণা বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের রংপুরের একটি কার্পেট কারখানা। সবুজ গাছপালা, পুকুরের চারপাশে হাঁটার পথ ও শান্ত প্রাঙ্গণের নান্দনিক নকশার জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃতি পেয়েছে কারখানাটি।সিএনএন-এর প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে। রংপুর শহরে অবস্থিত সাততলা টেক্সটাইল কারখানা ‘গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি’ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জিতেছে মর্যাদাপূর্ণ ‘রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার’। স্থাপত্যের জন্য দেওয়া এই পুরস্কার পেয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্প নতুন করে পরিচিতি পেয়েছে।রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রতি দুই বছর পরপর দেওয়া হয়।এ পুরস্কারে শুধু ভবনের সৌন্দর্য নয়, মানুষের উপকারে আসে, এমন স্থাপত্য ও সম্প্রদায়কেন্দ্রিক প্রকল্পকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরির নকশায় প্রায় ৫ হাজার শ্রমিকের কর্মপরিবেশের ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় বিচারকেরা বিশেষ প্রশংসা করেছেন। এসব শ্রমিকের অধিকাংশই নারী। ফলে কারখানাটির নকশায় শুধু স্থাপত্যের সৌন্দর্য নয়, শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ও কল্যাণের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।কারখানাটির নকশায় ভবনের সৌন্দর্যের পাশাপাশি সবুজ পরিবেশ ও খোলামেলা জায়গার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুকুরঘেরা হাঁটার পথ, শান্ত প্রাঙ্গণ এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় গাছপালায় সাজানো সম্মুখভাগ ভবনটিকে দিয়েছে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য।পুরস্কারের বিচারকেরা গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরিকে ‘নীরব বিনয়ের এক নিদর্শন’ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের এই মন্তব্যে ভবনটির সাধারণ অথচ নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর বিষয়টি উঠে এসেছে। বাংলাদেশের একটি শিল্পকারখানা যে কাজের পরিবেশের পাশাপাশি স্থাপত্যের সৌন্দর্য ও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যের উদাহরণ হতে পারে, গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি তারই একটি দৃষ্টান্ত।রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কারের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া চারটি ভবনের মধ্যে দুটি ছিল বাংলাদেশের। এর একটি রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি, অন্যটি ঢাকার জলবায়ু-সহনশীল নকশার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। অন্য দুই চূড়ান্ত প্রতিযোগী ছিল বেলজিয়ামের দুটি ভবন। এর একটি ১৯৬০-এর দশকের পুরনো অফিস ভবন, যা নতুনভাবে সংস্কার করা হয়েছে। অন্যটি সম্প্রতি সম্প্রসারিত একটি শিল্পকলা ইনস্টিটিউট।২০১৬ সালে চালু হওয়া রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কারকে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্থাপত্য পুরস্কার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত প্রতি দুই বছর পরপর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে একবার এর সময়সূচিতে পরিবর্তন আসে। এই পুরস্কারের মাধ্যমে এমন ভবন ও স্থাপত্য প্রকল্পকে সম্মান জানানো হয়, যেগুলোতে নতুন চিন্তা, উদ্ভাবনী নকশা ও নির্মাণশৈলীর উৎকর্ষ তুলে ধরা হয়।সর্বশেষ ২০২৪ সালে পুরস্কারটি জিতেছিল স্পেনের বার্সেলোনায় নির্মিত ছয়তলা একটি কাঠের আবাসন প্রকল্প। এর আগের বিজয়ীদের মধ্যে ছিল ব্রাজিলের গ্রামীণ এলাকার একটি স্কুল, পেরুর রাজধানী লিমার একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের প্রত্যন্ত ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় নির্মিত একটি হাসপাতাল।১ লাখ ৪৪ হাজার বর্গফুটেরও বেশি জায়গাজুড়ে তৈরি হয়েছে গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি। কারখানাটির নকশায় সবুজ গাছপালার ব্যবহারের প্রশংসা করেছে পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (রিবা)।সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, কারখানাটিতে রয়েছে সাজানো বাগান, সবুজে ঘেরা বারান্দা এবং গাছপালায় ঢাকা প্রধান দেয়াল। এসবের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে প্রকৃতির সুন্দর সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। ফলে কারখানার ভেতরেও সবুজ পরিবেশের ছোঁয়া পাওয়া যায়।গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরির নকশা করেছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান নকশাবিদ আর্কিটেক্টস। কারখানাটির নকশা তৈরিতে স্থপতিরা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি বাড়ির ধরন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছেন। এসব বাড়িতে সাধারণত খোলা উঠান ও পুকুর থাকে। সেই ধারণাকে কাজে লাগিয়ে কারখানাটিতেও সবুজ পরিবেশ, খোলা জায়গা ও পুকুরের সমন্বয় করা হয়েছে।কারখানাটিতে কর্মীদের জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ছাদে শিশুদের যত্ন নেওয়ার জন্য ডে কেয়ার সেন্টার, নিজস্ব চিকিৎসাকেন্দ্র এবং কর্মীদের বিশ্রাম ও একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ছায়াঘেরা জায়গা।কারখানার প্রবেশপথে রয়েছে একটি বিশাল নারীমূর্তি। স্থপতিদের মতে, এই ভাস্কর্য নারীর ক্ষমতায়ন ও শক্তির প্রতীক। এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নারীর অবদান ও মর্যাদাকে তুলে ধরা হয়েছে।রিবা জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে বিচারকদের একটি দল কারখানাটি পরিদর্শন করে। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কর্মীরা কাজের সময়ের বাইরেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কারখানার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেন।সংস্থাটির মতে, গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি শুধু উৎপাদনের জন্য তৈরি একটি ভবন নয়। এটি কারখানার নকশা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি ভিন্নধর্মী মডেল তুলে ধরেছে, যেখানে শ্রমিকদের কল্যাণ, সামাজিক যোগাযোগ ও প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরির নকশায় শ্রমিকদের কল্যাণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (রিবা) বলেছে, কারখানাটির নকশা কর্মক্ষেত্রে প্রচলিত সামাজিক বৈষম্য ও শ্রেণিবিভেদ কমানোর একটি উদাহরণ।পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থাটির বিচারক প্যানেলের প্রধান বিজয় জৈন বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন কারখানার বিশাল কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের। এই প্রবেশপথ দিয়ে শ্রমিক, ব্যবস্থাপক ও মালিক, সবাই যাতায়াত করেন।বাংলাদেশের অনেক বড় কারখানায় শ্রমিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ থাকলেও গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরিতে সেই রীতি অনুসরণ করা হয়নি। বিজয় জৈনের ভাষায়, এটি একটি ‘সমতাভিত্তিক যৌথ প্রবেশপথ’, যা কর্মক্ষেত্রে সবার সমান মর্যাদার প্রতীক।বৃহস্পতিবার পুরস্কার ঘোষণার আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে নকশাবিদ আর্কিটেক্টসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বায়েজিদ এম. খন্দকার বলেন, তিনি দেখাতে চেয়েছেন যে শিল্পকারখানাও হতে পারে সুন্দর, সবুজ ও মানুষের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, একটি কারখানা যদি প্রথমে সেখানে কাজ করা মানুষের বাড়ির মতো করে তৈরি করা হয়, তাহলে কেমন হবে?’এই ভাবনা থেকেই কারখানাটিতে উঠান, বাগান, জলাশয় ও ছায়াঘেরা বারান্দা রাখা হয়েছে। তার মতে, কারখানা শুধু কাজ করানোর জায়গা হওয়া উচিত নয়। বরং এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত, যেখানে মানুষ কাজের পাশাপাশি স্বস্তি পাবে এবং নতুন করে শক্তি ফিরে পাবে।গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি পরিচালনা করে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান কারুপন্ন্য রংপুর লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি হাতে বোনা গালিচার পাশাপাশি ডোরম্যাট ও বাথম্যাটসহ বিভিন্ন ধরনের বস্ত্রসামগ্রী তৈরি করে।
১৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা / মুরাদ-কবিরের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটি
১৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা / মুরাদ-কবিরের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটি
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫৭ গাড়ি নিয়ে লংমার্চ হবে: পাটওয়ারী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫৭ গাড়ি নিয়ে লংমার্চ হবে: পাটওয়ারী
আমদিয়া ইউনিয়নকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার / রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ যুবনেতা ই এম মেহেদী হাছান
আমদিয়া ইউনিয়নকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার / রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ যুবনেতা ই এম মেহেদী হাছান
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল