ঢাকা    সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫, আহত ১২৯ জন

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১২৯ জন। সোমবার স্থানীয় সময় ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দক্ষিণ ফিলিপাইন।স্থানীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিচালক রদ্রিগো সোসমেনিয়ার জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ১২ জন সোক্সারগেন অঞ্চলের বাসিন্দা। আর দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশে মারা গেছে তিনজন।সান্তোস শহরের পুলিশ কর্মকর্তা রবার্ট ড্যাগন বলেন, ‘ভুমিকম্পে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা উদ্ধারকাজ করছি।’আফটারশকের আশঙ্কায় বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি বা অন্যান্য অবকাঠামোয় প্রবেশ না করার জন্য জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছে।ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাওয়ের জেনারেল সান্তোস শহর থেকে ৮ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ৬ দশমিক ২ মাইল। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮।ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পরেই প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, ফিলিপাইনের কিছু উপকূলে ১০ ফুট এবং ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার কিছু উপকূলে এক মিটার পর্যন্ত ঢেউ উঠতে পারে। সুনামি ঝুঁকি নেই বলে পরবর্তীতে জানানো হয়েছে।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

আদালতে সাজা পেয়েও শুধরাননি সমীর / ভেলানগরে মাদকের প্রকাশ্য সিন্ডিকেট, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশসহ মোট ৬০টি দেশের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২ জুন) ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাব উত্থাপন করে।খবরে বলা হয়েছে, প্রস্তাব অনুযায়ী এসব দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। বিষয়টি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (United States Trade Representative বা USTR) জানায়, জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য মার্কিন বাণিজ্যে অন্যায্য প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করছে—এই অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন শুল্ক কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবে বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যের নাম রয়েছে।USTR-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে তদন্তাধীন আরও ৪৫টি দেশের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।এটি যুক্তরাষ্ট্রের ধারা ৩০১ (Section 301) এর আওতায় পরিচালিত একটি তদন্তের সর্বশেষ ফলাফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, অন্যায্য বাণিজ্য চর্চার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে মার্কিন প্রশাসনের।এদিকে প্রস্তাবটি এমন সময় সামনে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন তাদের জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে আগের শুল্ক ব্যবস্থার কিছু অংশ বাতিল হওয়ার পর নতুন করে নীতি নির্ধারণের কাজ শুরু হয়।

সাভারে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশসহ মোট ৬০টি দেশের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২ জুন) ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাব উত্থাপন করে।খবরে বলা হয়েছে, প্রস্তাব অনুযায়ী এসব দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। বিষয়টি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (United States Trade Representative বা USTR) জানায়, জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য মার্কিন বাণিজ্যে অন্যায্য প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করছে—এই অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন শুল্ক কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবে বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যের নাম রয়েছে।USTR-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে তদন্তাধীন আরও ৪৫টি দেশের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।এটি যুক্তরাষ্ট্রের ধারা ৩০১ (Section 301) এর আওতায় পরিচালিত একটি তদন্তের সর্বশেষ ফলাফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, অন্যায্য বাণিজ্য চর্চার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে মার্কিন প্রশাসনের।এদিকে প্রস্তাবটি এমন সময় সামনে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন তাদের জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে আগের শুল্ক ব্যবস্থার কিছু অংশ বাতিল হওয়ার পর নতুন করে নীতি নির্ধারণের কাজ শুরু হয়।

জমি দখল ও পরিবার নিয়ে আতঙ্কে ভুক্তভোগী / নরসিংদীর বেলাবতে গাছ কেটে ঘরবাড়িতে হামলার অভিযোগ

জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশসহ মোট ৬০টি দেশের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২ জুন) ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাব উত্থাপন করে।খবরে বলা হয়েছে, প্রস্তাব অনুযায়ী এসব দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। বিষয়টি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (United States Trade Representative বা USTR) জানায়, জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য মার্কিন বাণিজ্যে অন্যায্য প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করছে—এই অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন শুল্ক কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবে বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যের নাম রয়েছে।USTR-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে তদন্তাধীন আরও ৪৫টি দেশের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।এটি যুক্তরাষ্ট্রের ধারা ৩০১ (Section 301) এর আওতায় পরিচালিত একটি তদন্তের সর্বশেষ ফলাফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, অন্যায্য বাণিজ্য চর্চার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে মার্কিন প্রশাসনের।এদিকে প্রস্তাবটি এমন সময় সামনে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন তাদের জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে আগের শুল্ক ব্যবস্থার কিছু অংশ বাতিল হওয়ার পর নতুন করে নীতি নির্ধারণের কাজ শুরু হয়।

এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত

এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত

নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে  মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ

নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ

আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ

আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ

ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন

ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন

৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম

মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা

মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে

নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ

নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !

রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। যত দ্রুত রায় কার্যকর চাই।’রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এরপর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে এসব কথা বলেন রামিসার বাবা।রামিসার বাবা বলেন, আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এই রায়ে আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা মিটবে। রায়ে আমি শতভাগ খুশি হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি। বিচারপতি, পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিকসহ দেশের সব মানুষ যারা আমার এবং আমার পরিবারের বিপদের সময়ে পাশে ছিলেন আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।তিনি বলেন, আমার মেয়ে হত্যার যে রায় আজ আদালত দিয়েছেন সেই রাই আমরা দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই। যত দ্রুত সম্ভব আমরা রায় কার্যকর হোক দেখতে চাই।

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫, আহত ১২৯ জন

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১২৯ জন। সোমবার স্থানীয় সময় ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দক্ষিণ ফিলিপাইন।স্থানীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিচালক রদ্রিগো সোসমেনিয়ার জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ১২ জন সোক্সারগেন অঞ্চলের বাসিন্দা। আর দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশে মারা গেছে তিনজন।সান্তোস শহরের পুলিশ কর্মকর্তা রবার্ট ড্যাগন বলেন, ‘ভুমিকম্পে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা উদ্ধারকাজ করছি।’আফটারশকের আশঙ্কায় বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি বা অন্যান্য অবকাঠামোয় প্রবেশ না করার জন্য জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছে।ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাওয়ের জেনারেল সান্তোস শহর থেকে ৮ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ৬ দশমিক ২ মাইল। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮।ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পরেই প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, ফিলিপাইনের কিছু উপকূলে ১০ ফুট এবং ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার কিছু উপকূলে এক মিটার পর্যন্ত ঢেউ উঠতে পারে। সুনামি ঝুঁকি নেই বলে পরবর্তীতে জানানো হয়েছে।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

সব বিভাগের খবর

শেয়ারবাজারে লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী

শেয়ারবাজারে কোনো ধরনের লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিএনপির শাসনামলে যেমন শেয়ারবাজারে অনিয়মের সুযোগ ছিল না, বর্তমান সময়েও কাউকে সে সুযোগ দেওয়া হবে না।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর ত্রয়োদশ অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এদিন তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ সংশোধনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’–এর ওপর বিশেষ কমিটির সুপারিশ বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।বিলটির ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী অর্থনীতির জন্য পুঁজিবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অতীতের উদাহরণ টেনে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের কথা উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি লুটপাট হয়েছে।রুমিন ফারহানা আরও বলেন, শেয়ারবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থায় দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।জবাবে অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যের সঙ্গে আংশিক একমত পোষণ করলেও বিলটি পুনরায় যাচাইয়ের প্রয়োজন নেই বলে মত দেন। তিনি বলেন, বিশেষ কমিটি ইতোমধ্যে বিলটি পরীক্ষা করেছে, তাই আবার জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রয়োজন নেই। পরে কণ্ঠভোটে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।একই অধিবেশনে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর নিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক নিয়োগ ও বিদায়ের ঘটনাগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গভর্নরের পারফরম্যান্স আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো এবং আর্থিক খাতে রাজনৈতিক নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান রয়েছে।এ সময় বিরোধী দলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে বর্তমান গভর্নরকে পরিবর্তন করা হবে কি না। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো দলকে সমর্থন করলেই কেউ দলীয় ব্যক্তি হয়ে যান না।অধিবেশনের শেষ দিকে ‘বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে এ বিলসহ আলোচিত অন্যান্য বিল নিয়েও বিরোধী দলের আপত্তি ছিল।

অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে কটাক্ষ করেছেন মোহাম্মদ বাঘের  কালিবাফ, যিনি ইরানের পার্লামেন্ট-এর স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর নীতির সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে।তিনি মন্তব্য করেন, “বিশ্বের কিছু শক্তিধর দেশ নিজেদের স্বার্থে এমন নীতি গ্রহণ করছে, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে তেলের দামে, যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।” তার এই বক্তব্যকে অনেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কটাক্ষ হিসেবেই দেখছেন।বিশেষ করে ইরান-এর ওপর দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা তেলের বাজারকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানি স্পিকার ইঙ্গিত দেন, যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাচ্ছে। সরবরাহ কমে যাওয়া, উৎপাদন সীমিত রাখা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে দাম বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের এই মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না বলেই মনে হচ্ছে। তারা বরং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উৎস খোঁজার ওপর জোর দিচ্ছে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তবতা হলো—বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে সামান্য পরিবর্তনও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে।ইরানি স্পিকার আরও বলেন, “যারা মনে করছে তারা একতরফাভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, তারা ভুল করছে। জ্বালানি বাজার একটি জটিল কাঠামো, যেখানে প্রতিটি দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।” তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক জ্বালানি রাজনীতির প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন খরচ, উৎপাদন ব্যয় এবং নিত্যপণ্যের মূল্যও বেড়ে যায়, যা সরাসরি মানুষের জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে।বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক সমাধানই একমাত্র পথ হতে পারে, যা তেলের বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে। অন্যথায়, ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির মুখে পড়তে পারে বিশ্ব। সব মিলিয়ে, মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ-এর এই মন্তব্য বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী পদক্ষেপ নেয়।

হরমুজ প্রণালী / নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা। বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইরান নাকি কৌশলগত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ‘খুলে রাখতে’ যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চেয়েছে—এমন একটি দাবি সামনে এনেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । তার এই বক্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা ও বিশ্লেষণ। হরমুজ প্রনালী  বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট, যার মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়। ফলে এই প্রণালীর নিরাপত্তা ও উন্মুক্ততা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে বিভিন্ন সময় এই প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির সময়ে। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসনের সময় ইরান পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছিল, যাতে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা যায়। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি, তবুও তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের দাবি সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা সবসময় নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের মন্তব্য মূলত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে প্রভাবিত করার একটি কৌশল হতে পারে। বিশেষ করে United States-এর রাজনীতিতে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এ ধরনের বক্তব্য আরও বেশি শোনা যায়। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এতে নতুন মাত্রা পেতে পারে। এদিকে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। বিভিন্ন সময় জাহাজে হামলা, ড্রোন নজরদারি ও সামরিক মহড়ার কারণে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রণালীকে নিরাপদ রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছে, যাতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। সবমিলিয়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর এই দাবি নতুন করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের জটিলতা সামনে নিয়ে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো প্রমাণ বা যৌথ বিবৃতি পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা এখন দেখার বিষয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তামাক খাতে হারিয়েছে ৮৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব

তামাক খাতের অসম কর কাঠামোর কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্র প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে বলে দাবি করেছে ন্যাশনাল সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।‘সিগারেট ইন্ডাস্ট্রি ওভারভিউ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাজারের একটি বড় অংশ কর জালের বাইরে চলে যাওয়া এবং অবৈধ সিগারেটের দাপট বেড়ে যাওয়ায় এই বিপুল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে সরকারকে।সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। এদিন প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন আবুল খায়ের টোব্যাকোর কর্মকর্তা শেখ শাবাব আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএটি, জাপান টোব্যাকো ও ফিলিপ মরিসের কর্মকর্তারা।শেখ শাবাব বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাক খাতের রাজস্ব প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনকভাবে কমে ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছর ছিল ১৪ শতাংশ। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটের পর বাজারের প্রায় ২০ শতাংশ ভলিউম বা সিগারেট বিক্রির সক্ষমতা হারিয়ে গেছে। এই হারিয়ে যাওয়া ২০ শতাংশ ভলিউম থেকেই মূলত ৮,৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির হিসাব করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ বছরে উচ্চবিত্তদের সিগারেটের কর মাত্র ২ শতাংশ বাড়লেও নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যবহৃত লো সেগমেন্ট বা কম দামি সিগারেটে কর বেড়েছে ১০ শতাংশ। বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ হলেও এই সেগমেন্টে দাম বাড়ানো হয়েছে ২০ শতাংশ পর্যন্ত, যা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। অতিরিক্ত কর বৃদ্ধির ফলে উৎপাদনকারীদের জন্য লো সেগমেন্ট এখন অলাভজনক হয়ে পড়েছে। যেখানে অন্যান্য উচ্চস্তরের সিগারেটের উৎপাদন মুনাফা ইতিবাচক, সেখানে নিম্নস্তরের সিগারেটের উৎপাদন মুনাফা ২ শতাংশ কমে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে পৌঁছেছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে বাজারে বিক্রিত মোট সিগারেটের প্রায় ১৫ শতাংশই অবৈধ বা কর ফাঁকি দেওয়া। প্রায় ১৮০০ কোটি স্টিক সিগারেট এখন কর জালের বাইরে বিক্রি হচ্ছে। দেশে ৩০টিরও বেশি সিগারেট কারখানা এবং তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র থাকলেও কঠোর নজরদারির অভাবে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, অবৈধ বিদেশি সিগারেটের বাজারে লাগাম টেনে ধরতে সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর বা এআর কোড অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে এনবিআর। এর মাধ্যমে ভোক্তারা নিজেই যাচাই করতে পারবেন যে, পণ্যটি থেকে সরকার কর বা রাজস্ব পেয়েছে কি না।এনবিআর চেয়ারম্যান এ সময় সিগারেটের ওপর থাকা ৮৩ শতাংশ ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক এবং স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ আর না বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন। তবে দাম বাড়ানো হতে পারে জানিয়ে সেটি কীভাবে বা কত টাকা বাড়ানো যেতে পারে, তা নিয়ে উৎপাদনকারী এবং এনবিআরের নীতি অনুবিভাগের একত্রে কাজ করার কথা বলেন তিনি।এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মোটামুটি ডিটারমাইন্ড (দৃঢ়প্রতিজ্ঞ) যে ৮৩ শতাংশের ওপরে (করভার) আর যাওয়ার সুযোগ নেই এবং সেটা নিয়ে আমরা চিন্তা করছি না। এখন নেক্সট যেটা করতে হবে, সেটা আইদার আপনারা যেটা বলেন যে সিগারেটের প্রাইস মেকানিজমটা ঠিক করে অথবা এটাকে পার স্টিক করে অথবা মিক্সড পদ্ধতি করে। মানে সারা পৃথিবীতে যতগুলো পদ্ধতি চালু আছে, সেগুলো যাচাই করব।নির্দিষ্ট হারে কর বসানোর ক্ষেত্রে সকল দেশি-বিদেশি কোম্পানি এবং বিএটি ও জেটিআই প্রতিনিধিরা ‘একমত’ হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবাই একমত হওয়াটা তো কঠিন, সময়সাপেক্ষ এবং ঝামেলা লেগে যায়। সমস্যাটা হলো এই জায়গায় আরকি। যখনই বলা হয় সবাই একসাথে হব, একেকজনের ইন্টারেস্ট একেক দিকে টানে এবং এতে একমত হওয়া যায় না।এদিকে বাংলাদেশ বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি তাদের বাজেট প্রস্তাবে বিড়ির লাইসেন্স থাকলেই ন্যূনতম কর প্রদানের সীমা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেছে।প্রস্তাবে বলা হয়, বিড়ি উৎপাদনে কাগজ একটি অন্যতম উপকরণ, যা বাংলাদেশে মাত্র দুটি কোম্পানি উৎপাদন করে। কাগজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র বিড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট কাগজ বিক্রয় করতে পারবে। কোনো অবস্থায় ট্রেডিং পর্যায়ে বিড়ির কাগজ বিক্রি করতে পারবে না। এ বিষয়ে আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ ও মনিটরিং জোরদার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়লো ৩৮৭ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে এপ্রিল মাসে ভোক্তাদের ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে অতিরিক্ত ৩৮৭ টাকা ব্যয় করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে নতুন এই দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাড়ে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৭৯২ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৫৯৩ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৮৮১ টাকা, ২২ কেজির ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজির ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজির ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৬ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূল্য মূসকসহ প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. মিজানুর রহমান এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. শাহিদ সারওয়ার।

ঈদের ছুটিতে ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ: বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদুল ফিতরের ছুটির সময়েও (ঈদের দিন ছাড়া) সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে। পরে তা কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রম সচল রাখতে ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত—সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও—সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথ সীমিত পরিসরে খোলা রাখতে হবে। ব্যাংক কার্যক্রম এ ছাড়া আগামী ১৮ (বুধবার) ও ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) শিল্প এলাকায় বিশেষ শাখাগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। নির্দেশনায় বলা হয়- সাভার, গাজীপুর, টঙ্গী, আশুলিয়া, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাকশিল্পঘন এলাকাগুলো এই সুবিধার আওতায় থাকবে। তবে ১৭ মার্চ এবং ২০ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেনের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো নিজ নিজভাবে নির্ধারণ করবে। এদিকে, আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর হলে সেদিন বন্ধ থাকবে সব ব্যাংক।

৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের ‘ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় ৩ মাস মেয়াদি কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রতিনিধি এবং অনলাইনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আজ দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, কর্মসংস্থান বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে শীর্ষে, যেখানে ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে আমরা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করেছি। প্রশিক্ষণ শুরুতেই অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রোফাইল খোলা হয়, যেখানে তাদের আয় ও অগ্রগতির তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। এ সময় তিনি নিজে ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প তুলে ধরেন। প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে ৩৭৩ কোটি ৭৭ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৬ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪টি জেলায় এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদে ষষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণে প্রতি জেলায় ৭৫ জন করে মোট ৪ হাজার ৮০০ জন অংশ নিচ্ছেন। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এবং ন্যূনতম এইচএসসি পাস যুবরা এই সুযোগ পেয়েছেন। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করেছে। এখন পর্যন্ত ৫টি পর্যায়ে মোট ১৪ হাজার ৪০০ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ বা ৮ হাজার ৬৪০ জন দেশি ও বিদেশি মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন। তাদের উপার্জিত অর্থের পরিমাণ ১৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৫ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার ৪১৬ টাকা। উপার্জনে সহায়তা করতে প্রতিটি জেলায় মেন্টরিং ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই ব্যাচে ভর্তির জন্য ৯৭ হাজার ২২৯ জন আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৬১ হাজার ৫৮১ জনকে নির্বাচন করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ৪ হাজার ৮০০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে ৩ মাসে মোট ৬০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, বেসিক ইংলিশ, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফট স্কিল, স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য যাতায়াত ভাতা, খাবার এবং প্রশিক্ষণ উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকিতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন।

‘স্বপ্ন’ সুপারশপের ডেটা হ্যাক, ১৮ কোটি টাকা দাবি হ্যাকারদের

‘স্বপ্ন’ সুপারশপের ডেটা হ্যাক, ১৮ কোটি টাকা দাবি হ্যাকারদের

দেশের জনপ্রিয় সুপারশপ 'স্বপ্ন'-এর গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক করে বিপুল পরিমাণ তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এসব তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ১৫ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ‘স্বপ্ন’। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির জানান, গ্রাহক তথ্য সুরক্ষা ও সংকট মোকাবিলায় তারা বর্তমানে দেশি-বিদেশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কারিগরি সহায়তা নিচ্ছেন। একদিকে দেশের জনপ্রিয় সুপারশপ চেইন ‘স্বপ্ন’-এর গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক করে ১৮ কোটি টাকা (১৫ লাখ ডলার) দাবি করেছে হ্যাকাররা। অন্যদিকে এমটিএফই (MTFE) স্ক্যামের মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া প্রায় ৩.৬২২ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দেশের জনপ্রিয় সুপারশপ চেইন 'স্বপ্ন'-র গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাকের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত আগস্টে আমেরিকা থেকে হ্যাকাররা গ্রাহক তথ্য প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ১৫ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি টাকা এমটিএফই (MTFE) স্ক্যামের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে নেওয়া বিদেশে পাচার করা প্রায় ৩.৬২২ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ​পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বশির উদ্দিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪.৪৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ এই অর্থ গত সপ্তাহে সুইফট (SWIFT) ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় ফেরত আনা হয়েছে।

এনইআইআর বাস্তবায়ন ভোক্তা সুরক্ষা ও বৈধ ব্যবসার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ: এমআইওবি

এনইআইআর বাস্তবায়ন ভোক্তা সুরক্ষা ও বৈধ ব্যবসার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ: এমআইওবি

দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে স্বচ্ছতা জোরদার, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স এ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি) আজ একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল - ‘এনইআইআর-এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’। সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব, ভোক্তা সুবিধা এবং দেশের মোবাইল ফোন ইকোসিস্টেমে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনার নিন্দা জানানো হয় এবং এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। এতে এমআইওবি’র সদস্যবৃন্দসহ শিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এমআইওবি জানায়, সরকার ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৈধ আমদানিকে উৎসাহিত এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। সংগঠনটির মতে, এসব নীতিগত উদ্যোগ মোবাইল ফোন শিল্পে দীর্ঘদিনের অনিয়ম কমাতে এবং একটি সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। আলোচনায় বলা হয়, এনইআইআর কার্যকর হওয়ার ফলে অবৈধ, নকল ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে, যা সরাসরি ভোক্তা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে অবৈধ আইএমইআই ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় ফোন ক্লোনিং, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। আলোচকরা আরও বলেন, এই উদ্যোগ বাজারে বৈধ ব্যবসা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করবে এবং রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে। এমআইওবি’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ১৮টি স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এই খাতে সরাসরি ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়সহ আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক সক্রিয়ভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে এই শিল্প থেকে সরকার প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কর, মজুরি ও ইউটিলিটি বিল আয় করছে। তবে এমআইওবি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানায়, এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কিছু অবৈধ স্মার্টফোন ব্যবসায়ীর সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় একটি সীমিত গোষ্ঠী-যারা দেশের প্রায় ১২ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র এক হাজার থেকে দেড় হাজার, স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের দাবি মেনে নেওয়ার পরও বেআইনি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে। এমআইওবি জানায়, এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে বহিরাগতদের এনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর, শিশুদের ব্যবহার করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈধ মোবাইল ফোনের দোকান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। সংগঠনটির মতে, আইনবহির্ভূত এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করছে না, বরং দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) ওপর নির্ভরশীল স্মার্টফোন শিল্পে এ ধরনের অস্থিরতা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের জন্য নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা শুধু চলমান বিনিয়োগ নয়, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ প্রবাহ ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আগ্রহকেও নিরুৎসাহিত করতে পারে। এমআইওবি মনে করে, যেকোনো নীতিগত মতভেদ শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে সমাধান হওয়া উচিত এবং বৈধ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ জরুরি। এ প্রসঙ্গে এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, “এনইআইআর বাস্তবায়ন দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে অবৈধ ও নকল মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং বাজারে বৈধ ব্যবসা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হবে। আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাই। একই সঙ্গে এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিটিআরসি কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরসহ যেকোনো সহিংস ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকলে স্মার্টফোন শিল্প ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।”

সুন্দরবনে অভয়াশ্রম কমানোর দাবীতে জেলেদের মানববন্ধন

বাগেরহাটের শরণখোলায় পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ৮০ ভাগ এলাকা অভয়ারণ্য ও অভয়াশ্রম থাকলেও সাতক্ষীরাও চাঁদপাই রেঞ্জ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ভাগ অভয়াশ্রম এ বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে দাবিতে মানববন্ধন করেছে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল সকল মৎস্য ও পেশাজীবিবৃন্দ।  দুই অক্টোবর সকাল দশটায়  শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্য ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করায় ফুঁসে উঠেছে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্য পেশাজীবিরা। তারা বলেন, পূর্ব সুন্দরবনের দুই রেঞ্জের জন্য দুই ধরনের আইন কখনোই তারা মেনে নিবেন না। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্য পেশাজীবিরা বলেন, পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জে যেখানে ৩০-৪০ ভাগ এলাকাকে অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে শরণখোলা রেঞ্জে ৮০ ভাগ এলাকাকে অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ধরনের বৈষম্য শরণখোলাবাসী কখনোই মেনে নিবে না। তাছাড়া বর্তমানে শরণখোলা রেঞ্জে যতটুকু এলাকা অবমুক্ত রয়েছে তার তুলনায় সুন্দরবনে বৈধভাবে প্রবেশ করা জেলেদের সংখ্যা অনেক। ফলে আশানুরূপ মাছ ধরা পড়ছে না অধিকাংশ জেলেদের জালে। অতিদ্রুত যদি অভয়ারণ্য এলাকা কমিয়ে অন্তত ৫০ ভাগ না করা হয় তাহলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহনের কথা বলেন তারা। এসময়  পেশাজীবিদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাউথখালি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি শহীদুল ইসলাম লিটন, মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম খান, মোঃ খলিল হাওলাদার, মোঃ হালিম খান,  রফিকুল হাওলাদার ও শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসান সুজন। এ ব্যাপারে পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল চৌধুরী বলেন, অন্যান্য রেঞ্জের তুলনায় শরণখোলায় অভয়াশ্রম ও অভয়ারণ্য এলাকা বেশি। এখানে জেলেদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক সময় পাস পারমিট নেওয়া জেলেদের বিপাকে পড়তে হয়। জেলেদের দাবি কিছুটা হলেও যৌক্তিক। তবে এ বিষয়টি নিরশন এর দায়িত্ব বনবিভাগ ও বন মন্ত্রণালয়ের।

ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় আত্মসমর্পণ স্ত্রীর!

ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় আত্মসমর্পণ স্ত্রীর!

ডেস্ক নিউজ: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী থানায় গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ভুক্তভোগী স্বামী লিটন শেখ (৪৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোরেলগঞ্জের বনগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত সাইম শেখের ছেলে লিটন শেখের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের দাম্পত্য জীবন। তবে গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত পারিবারিক কলহ চলছিল। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টায় যখন লিটন শেখ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলে, তখন তার স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে ফেলে। ঘটনায় লিটন শেখের চিৎকার শুনে তার স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ওই অঙ্গটির প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরদিন সকালে অভিযুক্ত নারী নিজেই থানায় এসে অপরাধ স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশ তাকে তাৎক্ষণিক হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো শ্রীপুর গ্রাম ও আশপাশে এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি

ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’, যা তৈরি করেছে অ্যাডিডাস। তিন আয়োজক দেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলটির নামকরণ করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর পতাকার রং—নীল, লাল ও সবুজ ব্যবহার করা হয়েছে।‘ট্রাইওন্ডা’ বলে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। এই প্রযুক্তি ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল করতে সহায়তা করবে বলে জানা গেছে।বলটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরে থাকা উন্নত মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে বলের গতি, অবস্থান এবং কোন খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করছেন—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে।সেন্সরটির ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। আগেও ফুটবলে প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে, তবে এবার তাকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এমনভাবে সেন্সরটি বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনও পরিবর্তন না আসে। নতুন এই বলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাওয়ার সিস্টেম। বলের ভেতরের সেন্সর চালু রাখতে ম্যাচ শুরুর আগে এটিকে চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে তা থাকবে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাবে না যে বলের ভেতরে এমন কোনও প্রযুক্তি রয়েছে। ই প্রযুক্তি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের ভেতরের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করে প্রতিটি ঘটনার সঠিক বিশ্লেষণ দিতে পারবে। ‘ট্রাইওন্ডা’ শুধু একটি বল নয়, বরং এটি হবে খেলার প্রতিটি মুহূর্তকে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করার একটি স্মার্ট প্রযুক্তি।

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টির সাপোর্টে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টির সাপোর্টে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। নুরুল হক নুর বলেন, ঈদের ছুটির পর আজ প্রথম অফিস এবং প্রথম অফিসে বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সচিব এবং পররাষ্ট্র সচিবসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার একটি মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছিলেন, সেগুলো নিয়ে একটি ফলোআপ আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তাঁর নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি এমন দেশগুলোতে যাবে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। সেটি আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটি ব্যাংক আছে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংককেই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন, যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে বা এই সংকটের ফলে আমাদের অনেক শ্রমিক সেখানে বর্তমানে আছেন। আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটি অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। সেক্ষেত্রে এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে সেগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছে। বিশেষ করে ধরুন এখানে মিডলইস্টে যে ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ধ্বংস করা হয়েছে, এগুলো আবার নতুন করে তৈরি করতে হবে। তাছাড়া ওখানে আশা করি যে আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরও তৈরি হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে। প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানে এক লাখ লোক পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটি এমওইউ হয়েছে, সেটিকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়। জাপানসহ ইউরোপে কীভাবে আমরা লোক পাঠাতে পারি সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা করার জন্য ইন্ডিয়া যেতে হয়। তো এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, তাদেরকে পারসু করে বাংলাদেশে তাদের একটি অফিস বা কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করা। এই বিষয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। কিছু দেশ এরইমধ্যে এখানে কনস্যুলার সেবা দিচ্ছে। বাকি দেশগুলো যেন এখানে নিশ্চিত করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, বলেন নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডগুলো একটু প্রচার কম হচ্ছে। সেই বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন যে, আমরা যেন যার যার মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম, মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডগুলো যেন জনগণের সামনে আমরা পৌঁছে দিই। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ১৮০ দিনের যে কর্মপরিকল্পনা তার মধ্যে আমাদের অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করে দেওয়ার একটি বিষয় আছে। আমরা হয়তো কিছুদিনের মধ্যে সেটি চূড়ান্ত করব। আমাদের যেসব শ্রমবাজারগুলো বন্ধ আছে, মালয়েশিয়াসহ যে ধরনের সমস্যাগুলো আছে, এটিও দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করা। থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশেও আমরা যেন লোক পাঠাতে পারি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে সেই বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে রেমিটেন্সে কোনো ধাক্কা আসবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুদ্ধের ফলে আমাদের শ্রমবাজার কিংবা রেমিটেন্সের উপরে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। হয়তো সাময়িক কিছুটা হতে পারে। বরং যুদ্ধ বন্ধ হলেও এগুলো পুনর্গঠনে তাদের যে জনশক্তি লাগবে, আমি মনে করি ওই সব দেশের শ্রমবাজারে নতুন করে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনা তৈরি হবে।

জীবনের অর্থ নিয়ে ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বার্তা

জীবনের অর্থ নিয়ে ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বার্তা

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। গ্ল্যামার দুনিয়ার জাঁকজমক, ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইট আর লাইমলাইট এই সবকিছুর বাইরে জীবনের আসল সত্য ও অর্থ কোথায় লুকিয়ে আছে? এই চিরন্তন প্রশ্নের এক দারুণ উত্তর দিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি জীবনের গভীর উপলব্ধি থেকে করা তার একটি মন্তব্য সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা ছুঁয়ে গেছে লাখো ভক্তের হৃদয়।বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড ডিভা ঐশ্বরিয়া বরাবরই তার পরিমিতিবোধ এবং ব্যক্তিত্বের জন্য প্রশংসিত।জীবনের এক বিশেষ মুহূর্তে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি সবসময় বিশ্বাস করি যে জীবন তখনই সবচেয়ে অর্থপূর্ণ হয়, যখন তা মুহূর্তগুলোর মধ্যে বাঁচা যায়… সেই মুহূর্তগুলো, যা আমরা সত্যিই গভীরভাবে অনুভব করি… সেই মুহূর্তগুলো, যা চিরকাল আমাদের সাথে থেকে যায়… এবং আজীবন হৃদয়ে অমলিন থাকে।এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে ঐশ্বরিয়া যেন মনে করিয়ে দিলেন, বাহ্যিক সাফল্য বা জৌলুস নয়, বরং মানুষের জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত এবং সত্যিকারের অনুভূতিগুলোই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।যে স্মৃতিগুলো মানুষ আজীবন হৃদয়ে লালন করে, সেটাই জীবনকে পূর্ণতা দেয়।ঐশ্বরিয়ার এই গভীর জীবনবোধসম্পন্ন বার্তাটি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই নেটপাড়ায় তা ভাইরাল হয়ে যায়।ভক্ত-অনুরাগীরা তার এই চিন্তাধারাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। অনেকেই মন্তব্য করছেন, শোবিজের তুমুল ব্যস্ততা আর চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যেও ঐশ্বরিয়া যেভাবে জীবনের সহজ ও সুন্দর দিকটাকে উপলব্ধি করেছেন, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।

রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস’

১ ঘণ্টার ট্রেন ৩ ঘণ্টায়! / রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস’

​রেলওয়ের চরম অব্যবস্থাপনা আর নিয়মিত শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে নরসিংদী রেলস্টেশনে সাধারণ রেলযাত্রীদের ক্ষোভ এখন চরমে। বিশেষ করে ‘তিতাস কমিউটার’ ট্রেনটির ভয়াবহ সময় বিপর্যয় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন প্রতিদিন যাতায়াত করা শত শত সাধারণ যাত্রী।​ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, তিতাস কমিউটার ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কোনো তোয়াক্কাই করছে না। রেলওয়ের সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটির দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে নরসিংদী রেলস্টেশনে উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই ট্রেনটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে স্টেশনে আসে।​গতকালের চিত্র উল্লেখ করে ক্ষুব্ধ এক যাত্রী জানান, নির্ধারিত সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিট হলেও ট্রেনটি নরসিংদী এসে পৌঁছায় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। অর্থাৎ ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট বিলম্বে ট্রেনটি স্টেশনে আসে। এখানেই শেষ নয়, নরসিংদী থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছাতে ট্রেনটি সময় নেয় বিকেল ৫টা। মাত্র কয়েক কিলোমিটারের এই পথটুকু পাড়ি দিতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।​আসন কেটেও দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের:নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা জানান, ট্রেন দীর্ঘ সময় বিলম্বে আসায় স্টেশনে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ যাত্রী জমা হয়। ফলে ট্রেন আসার সাথে সাথেই বগিতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, অনেক যাত্রী আগে থেকে বৈধ টিকিট কেটে আসন (সিট) বরাদ্দ পাওয়ার পরও ভিড়ের কারণে নিজেদের নির্ধারিত আসনের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই ভোগান্তি আরও প্রকট রূপ নেয়।​যাত্রীদের দাবি:স্টেশনে অপেক্ষমাণ ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রেলের টাইম মেন্টেনেন্স নেই। তিতাস কমিউটার বেশিরভাগ সময়ই শিডিউল মেলাতে পারে না। যদি ট্রেনটি ঠিক সময়ে আসতো, তাহলে স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী জমা হতো না এবং আমাদের এই চরম দুর্ভোগে পড়তে হতো না।"​সাধারণ যাত্রীদের একটাই দাবি, রেল কর্তৃপক্ষ যেন অবিলম্বে তিতাস কমিউটারের এই দীর্ঘদিনের শিডিউল বিপর্যয় দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করে।

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টির সাপোর্টে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টির সাপোর্টে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। নুরুল হক নুর বলেন, ঈদের ছুটির পর আজ প্রথম অফিস এবং প্রথম অফিসে বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সচিব এবং পররাষ্ট্র সচিবসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার একটি মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছিলেন, সেগুলো নিয়ে একটি ফলোআপ আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তাঁর নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি এমন দেশগুলোতে যাবে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। সেটি আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটি ব্যাংক আছে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংককেই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন, যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে বা এই সংকটের ফলে আমাদের অনেক শ্রমিক সেখানে বর্তমানে আছেন। আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটি অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। সেক্ষেত্রে এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে সেগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছে। বিশেষ করে ধরুন এখানে মিডলইস্টে যে ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ধ্বংস করা হয়েছে, এগুলো আবার নতুন করে তৈরি করতে হবে। তাছাড়া ওখানে আশা করি যে আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরও তৈরি হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে। প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানে এক লাখ লোক পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটি এমওইউ হয়েছে, সেটিকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়। জাপানসহ ইউরোপে কীভাবে আমরা লোক পাঠাতে পারি সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা করার জন্য ইন্ডিয়া যেতে হয়। তো এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, তাদেরকে পারসু করে বাংলাদেশে তাদের একটি অফিস বা কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করা। এই বিষয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। কিছু দেশ এরইমধ্যে এখানে কনস্যুলার সেবা দিচ্ছে। বাকি দেশগুলো যেন এখানে নিশ্চিত করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, বলেন নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডগুলো একটু প্রচার কম হচ্ছে। সেই বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন যে, আমরা যেন যার যার মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম, মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডগুলো যেন জনগণের সামনে আমরা পৌঁছে দিই। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ১৮০ দিনের যে কর্মপরিকল্পনা তার মধ্যে আমাদের অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করে দেওয়ার একটি বিষয় আছে। আমরা হয়তো কিছুদিনের মধ্যে সেটি চূড়ান্ত করব। আমাদের যেসব শ্রমবাজারগুলো বন্ধ আছে, মালয়েশিয়াসহ যে ধরনের সমস্যাগুলো আছে, এটিও দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করা। থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশেও আমরা যেন লোক পাঠাতে পারি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে সেই বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে রেমিটেন্সে কোনো ধাক্কা আসবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুদ্ধের ফলে আমাদের শ্রমবাজার কিংবা রেমিটেন্সের উপরে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। হয়তো সাময়িক কিছুটা হতে পারে। বরং যুদ্ধ বন্ধ হলেও এগুলো পুনর্গঠনে তাদের যে জনশক্তি লাগবে, আমি মনে করি ওই সব দেশের শ্রমবাজারে নতুন করে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনা তৈরি হবে।

ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি

ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’, যা তৈরি করেছে অ্যাডিডাস। তিন আয়োজক দেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলটির নামকরণ করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর পতাকার রং—নীল, লাল ও সবুজ ব্যবহার করা হয়েছে।‘ট্রাইওন্ডা’ বলে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। এই প্রযুক্তি ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল করতে সহায়তা করবে বলে জানা গেছে।বলটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরে থাকা উন্নত মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে বলের গতি, অবস্থান এবং কোন খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করছেন—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে।সেন্সরটির ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। আগেও ফুটবলে প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে, তবে এবার তাকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এমনভাবে সেন্সরটি বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনও পরিবর্তন না আসে। নতুন এই বলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাওয়ার সিস্টেম। বলের ভেতরের সেন্সর চালু রাখতে ম্যাচ শুরুর আগে এটিকে চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে তা থাকবে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাবে না যে বলের ভেতরে এমন কোনও প্রযুক্তি রয়েছে। ই প্রযুক্তি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের ভেতরের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করে প্রতিটি ঘটনার সঠিক বিশ্লেষণ দিতে পারবে। ‘ট্রাইওন্ডা’ শুধু একটি বল নয়, বরং এটি হবে খেলার প্রতিটি মুহূর্তকে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করার একটি স্মার্ট প্রযুক্তি।

১ ঘণ্টার ট্রেন ৩ ঘণ্টায়! / রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস’

​রেলওয়ের চরম অব্যবস্থাপনা আর নিয়মিত শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে নরসিংদী রেলস্টেশনে সাধারণ রেলযাত্রীদের ক্ষোভ এখন চরমে। বিশেষ করে ‘তিতাস কমিউটার’ ট্রেনটির ভয়াবহ সময় বিপর্যয় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন প্রতিদিন যাতায়াত করা শত শত সাধারণ যাত্রী।​ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, তিতাস কমিউটার ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কোনো তোয়াক্কাই করছে না। রেলওয়ের সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটির দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে নরসিংদী রেলস্টেশনে উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই ট্রেনটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে স্টেশনে আসে।​গতকালের চিত্র উল্লেখ করে ক্ষুব্ধ এক যাত্রী জানান, নির্ধারিত সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিট হলেও ট্রেনটি নরসিংদী এসে পৌঁছায় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। অর্থাৎ ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট বিলম্বে ট্রেনটি স্টেশনে আসে। এখানেই শেষ নয়, নরসিংদী থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছাতে ট্রেনটি সময় নেয় বিকেল ৫টা। মাত্র কয়েক কিলোমিটারের এই পথটুকু পাড়ি দিতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।​আসন কেটেও দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের:নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা জানান, ট্রেন দীর্ঘ সময় বিলম্বে আসায় স্টেশনে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ যাত্রী জমা হয়। ফলে ট্রেন আসার সাথে সাথেই বগিতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, অনেক যাত্রী আগে থেকে বৈধ টিকিট কেটে আসন (সিট) বরাদ্দ পাওয়ার পরও ভিড়ের কারণে নিজেদের নির্ধারিত আসনের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই ভোগান্তি আরও প্রকট রূপ নেয়।​যাত্রীদের দাবি:স্টেশনে অপেক্ষমাণ ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রেলের টাইম মেন্টেনেন্স নেই। তিতাস কমিউটার বেশিরভাগ সময়ই শিডিউল মেলাতে পারে না। যদি ট্রেনটি ঠিক সময়ে আসতো, তাহলে স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী জমা হতো না এবং আমাদের এই চরম দুর্ভোগে পড়তে হতো না।"​সাধারণ যাত্রীদের একটাই দাবি, রেল কর্তৃপক্ষ যেন অবিলম্বে তিতাস কমিউটারের এই দীর্ঘদিনের শিডিউল বিপর্যয় দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করে।

ওয়াশরুম ব্যবহারেও গুণতে হচ্ছে টাকা / কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বৃষ্টিতে পানি জমার ভোগান্তি

দেশের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন রাজধানীর কমলাপুর। প্রতিদিন এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন লাখো মানুষ। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী এই স্টেশনটি এখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই স্টেশনের প্রবেশপথ ও আশপাশে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা, আর ভেতরে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত ও বিনামূল্যে ব্যবহারের উপযোগী ওয়াশরুম।​বৃষ্টি আসলেই চরম জলাবদ্ধতাসরেজমিনে দেখা গেছে, একটু মাঝারি কিংবা ভারী বৃষ্টি হলেই কমলাপুর স্টেশন এলাকার নিচু অংশগুলোতে পানি জমে যায়। ট্রেন ধরতে আসা সাধারণ যাত্রীদের ব্যাগ-লাগেজ মাথায় নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই পানি জমে থাকে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।​টাকা ছাড়া মেলে না ওয়াশরুম সেবাযাত্রীদের ক্ষোভের অন্যতম বড় কারণ স্টেশনের ওয়াশরুম বা টয়লেট ব্যবস্থা। এত বিশাল একটি স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের মতো উন্নত কোনো ওয়াশরুমের সুব্যবস্থা নেই। প্ল্যাটফর্মে যে দু-একটি ওয়াশরুম সচল আছে, সেখানে প্রবেশ করলেই গুণতে হচ্ছে টাকা।​ক্ষুব্ধ এক যাত্রী বলেন: "আমরা টিকিটের পেছনে টাকা দিচ্ছি, সরকারের ট্যাক্স দিচ্ছি। অথচ স্টেশনে এসে প্রক্ষালন কক্ষ ব্যবহার করতেও আলাদা করে টাকা গুণতে হবে? টাকা না দিলে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। সাধারণ নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত যাত্রীদের জন্য এটা রীতিমতো জুলুম।"​কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা যাত্রীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা চলে আসলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো স্থায়ী নজরদারি নেই। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে পর্যাপ্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুমের দাবি এখন সর্বস্তরের মানুষের। মেগা প্রজেক্টের এই যুগে দেশের প্রধান রেলস্টেশনের এমন জরাজীর্ণ ও বাণিজ্যিক রূপ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নাগরিকরা।

এবার ২৪ ঘন্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর রেকর্ড

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হাম সন্দেহে রেকর্ড আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৬৭ জন।১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।  গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে কটাক্ষ করেছেন মোহাম্মদ বাঘের  কালিবাফ, যিনি ইরানের পার্লামেন্ট-এর স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর নীতির সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে।তিনি মন্তব্য করেন, “বিশ্বের কিছু শক্তিধর দেশ নিজেদের স্বার্থে এমন নীতি গ্রহণ করছে, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে তেলের দামে, যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।” তার এই বক্তব্যকে অনেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কটাক্ষ হিসেবেই দেখছেন।বিশেষ করে ইরান-এর ওপর দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা তেলের বাজারকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানি স্পিকার ইঙ্গিত দেন, যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাচ্ছে। সরবরাহ কমে যাওয়া, উৎপাদন সীমিত রাখা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে দাম বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের এই মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না বলেই মনে হচ্ছে। তারা বরং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উৎস খোঁজার ওপর জোর দিচ্ছে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তবতা হলো—বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে সামান্য পরিবর্তনও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে।ইরানি স্পিকার আরও বলেন, “যারা মনে করছে তারা একতরফাভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, তারা ভুল করছে। জ্বালানি বাজার একটি জটিল কাঠামো, যেখানে প্রতিটি দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।” তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক জ্বালানি রাজনীতির প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন খরচ, উৎপাদন ব্যয় এবং নিত্যপণ্যের মূল্যও বেড়ে যায়, যা সরাসরি মানুষের জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে।বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক সমাধানই একমাত্র পথ হতে পারে, যা তেলের বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে। অন্যথায়, ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির মুখে পড়তে পারে বিশ্ব। সব মিলিয়ে, মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ-এর এই মন্তব্য বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী পদক্ষেপ নেয়।