রোবট যখন শুধু ভাববে না, কাজও করবে
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখেন— আপনার ঘরের দরজা খুলে দিচ্ছে একটি রোবট। সে টেবিল থেকে তোমার অফিসব্যাগ তুলে দিচ্ছে, সবকিছু গুছিয়ে দিচ্ছে, এমনকি রান্নাঘর থেকে পানির বোতলও এনে দিচ্ছে!এটা কি রূপকথার গল্প? না, বিজ্ঞানীরা এমন রোবট তৈরির চেষ্টা করছেন, যারা শুধু কথা বলতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না, বাস্তব পৃথিবীতে নিজের শরীর দিয়ে কাজও করতে পারবে। এই নতুন প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ফিজিক্যাল এআই ।এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে আমরা যতটুকু জানি- কম্পিউটারকে যখন এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে সে মানুষের মতো তথ্য বুঝতে, চিন্তা করতে বা সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তখন তাকে এআই বলা হয়।কিন্তু একটি কম্পিউটার শুধু চিন্তা করলেই তো হবে না! যদি তাকে বলা হয়, “টেবিলের ওপরের কাপটি আমাকে এনে দাও”, তাহলে তাকে কাপটি দেখতে, কাছে যেতে, হাত বাড়াতে এবং কাপটি ধরতে হবে।ফিজিক্যাল এআই হলো এমন বুদ্ধিমান প্রযুক্তি, যার সঙ্গে রোবটের শরীর যুক্ত থাকে। রোবটের চোখের মতো ক্যামেরা থাকে, কান বা স্পর্শের মতো সেন্সর থাকে। আর হাত-পা চালানোর জন্য থাকে মোটর।অর্থাৎ, এআই হলো রোবটের মস্তিষ্ক, আর রোবটের শরীর হলো তার কাজ করার মাধ্যম।মানুষের মতো রোবট:টেসলা ‘অপটিমাস’ নামে একটি মানবাকৃতির রোবট তৈরি করছে। এটি মানুষের মতো দুই পায়ে হাঁটতে এবং দুই হাতে কাজ করতে পারে।তবে এমন রোবট তৈরি করা মোটেই সহজ নয়। মানুষের হাত দিয়ে আমরা খুব সহজেই একটি কলম ধরতে পারি, আবার একটি ডিমও না ভেঙে ধরতে পারি। রোবটকে এই সূক্ষ্ম কাজ শেখানো কঠিন।রোবটকে আরও অনেক কিছু শিখতে হবে—কীভাবে হাঁটতে হয়, কীভাবে ভারী জিনিস তুলতে হয়, কীভাবে মানুষের সামনে এলে থামতে হয় এবং কীভাবে নিরাপদে কাজ করতে হয়।ভবিষ্যতের বন্ধু?ভবিষ্যতে রোবট হয়তো কারখানায় কাজ করবে, গুদামে বাক্স বহন করবে, কৃষকের কাজে সাহায্য করবে কিংবা বয়স্ক মানুষকে দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করবে।হয়তো কোনোদিন আপনার বাড়িতেও এমন একটি রোবট থাকবে। সে আপনার খেলনা গুছিয়ে দিতে পারে, বই এনে দিতে পারে কিংবা বলতে পারে, “আপনার অফিসে যাওয়ার সময় হয়েছে!”তবে মনে রাখতে হবে, রোবট মানুষের জায়গা পুরোপুরি নেবে কি না, তা এখনই বলা যায় না। বিজ্ঞানীরা এখনও রোবটকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান করার চেষ্টা করছেন।আজকের কম্পিউটার যদি হয় এআইয়ের মস্তিষ্ক, তাহলে আগামী দিনের রোবট হতে পারে তার হাত-পা।আর সেই দিন এআই শুধু আমাদের সঙ্গে কথা বলবে না—হয়তো আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে কাজও করবে!=========সরকার হুমায়ুন বিজে টাওয়ার, ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট।
মানুষ কি অসভ্য, নাকি আমাদের সিস্টেমই মানুষকে অসভ্য করে?
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা ওই চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নামে দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ক্রয়, অর্থপাচার এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।চিঠিতে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি বা অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশে অর্থ স্থানান্তর, ব্যাংক লেনদেন, বিনিয়োগ এবং সম্পদের মালিকানা সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা জানাতে বলা হয়েছে।দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশ-বিদেশে সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা সম্পদের প্রকৃতি যাচাই করা হবে। এ জন্য ব্যাংক হিসাব, সন্দেহজনক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রা স্থানান্তর এবং সম্পদ ক্রয়ের নথিপত্র অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।তবে দুদকের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। অনুসন্ধান চলমান থাকায় অভিযোগগুলোর পক্ষে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।এর আগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধানের কথা জানা যায়। এসব অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিল দুদক।আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে থাকে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে পারে সংস্থাটি।আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে দুদক কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের মালিকানা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
৬ বছরেও লাইসেন্স মেলেনি নাছিরের করাতকলের / ভোগান্তিতে গবাঘোনার দুই হাজার পরিবার
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা ওই চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নামে দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ক্রয়, অর্থপাচার এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।চিঠিতে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি বা অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশে অর্থ স্থানান্তর, ব্যাংক লেনদেন, বিনিয়োগ এবং সম্পদের মালিকানা সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা জানাতে বলা হয়েছে।দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশ-বিদেশে সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা সম্পদের প্রকৃতি যাচাই করা হবে। এ জন্য ব্যাংক হিসাব, সন্দেহজনক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রা স্থানান্তর এবং সম্পদ ক্রয়ের নথিপত্র অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।তবে দুদকের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। অনুসন্ধান চলমান থাকায় অভিযোগগুলোর পক্ষে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।এর আগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধানের কথা জানা যায়। এসব অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিল দুদক।আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে থাকে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে পারে সংস্থাটি।আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে দুদক কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের মালিকানা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে বিএসইসি
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা ওই চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নামে দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ক্রয়, অর্থপাচার এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।চিঠিতে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি বা অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশে অর্থ স্থানান্তর, ব্যাংক লেনদেন, বিনিয়োগ এবং সম্পদের মালিকানা সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা জানাতে বলা হয়েছে।দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশ-বিদেশে সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা সম্পদের প্রকৃতি যাচাই করা হবে। এ জন্য ব্যাংক হিসাব, সন্দেহজনক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রা স্থানান্তর এবং সম্পদ ক্রয়ের নথিপত্র অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।তবে দুদকের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। অনুসন্ধান চলমান থাকায় অভিযোগগুলোর পক্ষে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।এর আগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধানের কথা জানা যায়। এসব অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিল দুদক।আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে থাকে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে পারে সংস্থাটি।আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে দুদক কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের মালিকানা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
মুরাদ-কবিরের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটি
ঠাকুরগাঁও সদর থানা ও চৌকিদারী প্যারেড পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার
রোবট যখন শুধু ভাববে না, কাজও করবে
মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
মানুষ কি অসভ্য, নাকি আমাদের সিস্টেমই মানুষকে অসভ্য করে?
ভোগান্তিতে গবাঘোনার দুই হাজার পরিবার
সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে বিএসইসি
কপ-৩১: বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভা
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
ওয়ান হেলথকে নীতি থেকে কার্যক্রমে রূপ দিতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে কবে নাগাদ এই কমিটি গঠিত হবে এবং কমিটিতে কাদের রাখা হবে সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু জানায়নি মন্ত্রণালয়।সম্প্রতি মাদক ও জুয়াকে দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এসব নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
এমপি মঈনুল ইসলাম খান শান্তর ঐক্যের আহ্বান / সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের দোয়া মাহফিল