সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলে দেশকে স্বাধীন করেছে।এখন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার কাজও করতে হবে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেবে, এটাই হওয়া উচিত সবার প্রত্যাশা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রংপুরের পাগলাপীরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।আমরা যেদিন থেকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছি, সেদিন থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। সে জন্যই আপনারা দেখেছেন যে কৃষকদের কৃষির ঋণ—আমরা দশক ধরে পর্যন্ত কৃষির ঋণ মওকুফ করেছি সঙ্গে সঙ্গে।’তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি, আমরা কৃষক কার্ড ইনশাআল্লাহ চালু করব। আমরা ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের যারা ধর্মীয় গুরু আছেন, তাদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা আমরা করেছি।এভাবে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি, খেটে খাওয়া মানুষ যারা আছে, প্রতিটি পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আমরা চেষ্টা করছি।’এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে রংপুরের পাগলাপীরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সৈয়দপুর থেকে রংপুরের সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। কয়েক কিলোমিটার সড়কজুড়ে দেখা যায় উৎসুক জনতার উপস্থিতি। এ সময় হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান তারা।প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে চায়না দুয়ারী রিং জালে আটকা পড়ল ১৩ ফুটের অজগর
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
দুর্গাপূজায় নিরাপদ যাত্রার প্রত্যাশায় যাত্রী অধিকার সংরক্ষন পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
কুমিল্লায় ২৫ কেজি ধানশীষে ছয়মাস যাবত তৈরি প্রতিমা
সরাইলে ধ'র্ষণের মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার
সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, প্রজ্ঞাপন জারি
চট্টলা এক্সপ্রেসে টিকিটবিহীন অর্থ আদায়ের অভিযোগ, ভাগাভাগি নিয়ে টিটিইদের বিরুদ্ধেও প্রশ্ন
ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে চায়না দুয়ারী রিং জালে আটকা পড়ল ১৩ ফুটের অজগর
দুর্গাপূজায় নিরাপদ যাত্রার প্রত্যাশায় যাত্রী অধিকার সংরক্ষন পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
নিরাপত্তাঝুঁকি ও হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় অর্থনীতিকে সহনশীল করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
দুর্গাপূজায় নিরাপদ যাত্রার প্রত্যাশায় যাত্রী অধিকার সংরক্ষন পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ (জেওএসপি) এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। আজ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ (শনিবার) আয়োজিত উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত উপলক্ষে সংগঠনটি বিভিন্ন প্রস্থাবনা তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিগত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৪২৩ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতির আলোকে আসন্ন উৎসবের দিনগুলোতে সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানানো হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।ডিজিটাল ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, সড়কে সিসি (CC) ক্যামেরা ও ই-প্রসিকিউশনের (E-prosecution) মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাফিক আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা করা। ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ: উৎসবের সুযোগে সড়কে যেন কোনো ধরনের ফিটনেসবিহীন যানবাহন নামতে না পারে, তা নিশ্চিত করা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ: কাউন্টার ও টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কঠোর নজরদারি করা।যাত্রী হয়রানি বন্ধসহ বিভিন্ন প্রস্থাবনা তুলে ধরা হয়।তাছাড়া সংগঠনটির পক্ষ থেকে যানবাহন ভিত্তিক দুর্ঘটনার ধরন সম্পর্কিত বিশ্লেষণ, সড়কের ধরন ভৌগোলিক পরিসংখ্যান, রেল ও নৌপথের চিত্র, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ও পর্যবেক্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের কাছে সুপারিশমালা, ট্রাফিক আইন প্রয়োগে ডিজিটালাইজেশন, প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারি ই-প্রসিকিউশন, বিআরটিএ-এর স্বচ্ছতা অটোমেশন, সড়ক অবকাঠামো ও কারিগরি উন্নয়ন, পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ, যাত্রীদের জন্য সচেতনতামূলক পরামর্শ, অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ঝুঁকি না নেওয়া, গতি নিয়ন্ত্রণে সোচ্চার, মোটর সাইকেল চালনায় সতর্কতা, পারাপারে সতর্কতা, অপরিচিতদের থেকে দূরত্ব , বাসা-বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন উপস্থাপনা তুলে ধরা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চেতনা জাগ্রত করা / বর্ণাড্য আয়োজনে গণসংস্কৃতি পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা
শ্রমিক দলের শাখা কমিটির নেতাদের অংশগ্রহণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় / বিআইডব্লিউটিএতে মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ সভা