অপতথ্য ও সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী প্যানেল গঠন করছে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
অপতথ্য ও সাইবার বুলিং মোকাবিলায় তথ্য মন্ত্রণালয় আইনজীবী প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “অপতথ্য বা ভুল তথ্য নিয়ে আমরা খুবই চিন্তায় আছি। এছাড়া সাইবার বুলিং বিশেষ করে নারীদের উপরে যা হয়, নিয়মিতভাবে ফলে নারীরা মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকেন।”এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে তথ্য মন্ত্রণালয় আইনজীবী প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়ে জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।”এ উদ্যোগ অনেকের জন্য দুঃসংবাদ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “কারো জন্য দুঃসংবাদ তো বটেই, যারা এই কাজগুলো করেন—তাদের জন্য এই রাষ্ট্র, এই সরকার সিরিয়াস কগনিজেন্স নিতে যাচ্ছে; আপনারা সতর্ক হয়ে যান।”জাহেদ উর রহমান বলেন, “তথ্যের নামে অত্যাচার, অন্যায় হয়। আমরা যে কেউ অপতথ্যের শিকার হতে পারি, বুলিংয়ের শিকার হতে পারি; ফেইক ছবি, ফেইক ভিডিওর শিকার হতে পারি। সেরকম মানুষের জন্য সুখবর হচ্ছে এই আইনজীবী প্যানেল গঠন সম্পন্ন হচ্ছে।”সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে জাহেদ উর রহমান বিগত সরকারের সমালোচনাও করেন।“আগে ডিজিটাল আইনের মারাত্মক অপপ্রয়োগ হয়েছে, এই সরকার মাফিয়া বা অনির্বাচিত নয়, নির্বাচিত সরকার কোনো আইনেরই অপপ্রয়োগ করবে না।”সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার প্রসঙ্গও আসে।এক সাংবাদিক বলেন, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, স্বাধীনতাবিরোধী—যারাই ভেঙে থাকুক, বর্তমানে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিএনপি ক্ষমতায়। তাদের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখলাম না।এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নেওয়ার কথা জানিয়ে তখন উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, “জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বা সবকিছু মিলে প্রথম কথাটা হচ্ছে ভাস্কর্যটা কিন্তু কমপ্লিটেড হয়নি। ২০১৯- ২০ সালের দিকে শুরু হয়েছিল। এই ভাস্কর্য নিয়ে দুটো অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটা হচ্ছে যে, আবক্ষ মূর্তি আছে, সেটা ফেইসের সাথে; বলে রাখি জঙ্গিরা ভেঙে ফেলেছেএটার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।“দ্বিতীয়টা হচ্ছে, এটা যে ইন্টারসেকশনে আছে, এটা গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে মারাত্মক অবস্ট্রাকশন তৈরি করছে। এটা অনেক উঁচু বেদীতে তৈরি হয়েছে। সেটার কারণে এক্সিডেন্ট হচ্ছে এরকম একটা অভিযোগ—যারা ওই রাস্তায় চলাফেরা করেন। আমিও প্রাথমিকভাবে শক হয়েছি, এটা কেন হবে।“জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, উনার অবয়ব, উনার ফেইস যেন ঠিক থাকে, ফেইস যেন ভালোভাবে বোঝা যায়—উনার একটি আবক্ষ, ভাস্কর্য এবং সাথে মুক্তিযুদ্ধ রেখে একটি ভাস্কর্য তৈরি হবে। নতুন জায়গায়, দ্রুত তার সিদ্ধান্ত জানাবে। এটা সরকার করছে।"এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “একটি দেশে যখন দীর্ঘদিন এ ধরনের সরকারের (ফ্যাসিবাদী) অধীনে থাকে, তাদের প্রচুর লোকজন থেকে গেছে। খুব রাতারাতি এগুলো পরিবর্তন করা কঠিন। তবে গভীরভাবে দেখলে—এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে; এগুলো একটু সময় লাগবে।“আর আমাদের সরকারের যে আকার, একটা অংশ নির্বাচনের পরে আসে, আর মূল স্ট্রাকচার তারা তো থেকেই গেছে। ওরাও তো সরকার, এই সরকারটা থেকে যায়। এ সরকারটা বিরাট, লক্ষ লক্ষ। এ ব্যাপারে টাইম নেবে, কাজ হচ্ছে।”এক সাংবাদিক জানতে চান, শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার সময় ইমিগ্রেশন, কাস্টমসসহ বেশ কিছু আইন লঙ্ঘন হয়েছে, এসব বিষয়ে সরকারের তরফে কোনো মামলা হবে কি না?জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, “যেগুলো আইন লঙ্ঘন হয়েছে, মামলা হতে পারে। আমার ধারণা এটা ব্যক্তিগত সরকারি কোনো বক্তব্য নয়; উনি আইসিটিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত, মৃত্যুদণ্ড।“সম্ভবত এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে আর (মামলা) করেনি। তবে আমি একমত— যেখানে আইন ভঙ্গ হয়েছে, সেসব জায়গায় প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দরকার।”বর্তমানে সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ কী, জানতে চাওয়া হয় তথ্য উপদেষ্টার কাছে।জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আমরা যে সিস্টেমের মধ্যে কাজ করছি, সদিচ্ছা থাকলেও সরকারের কতগুলো টুল আছে, অপারেটর আছে—যারা ১৭ বছরে এমন অবস্থায় ছিলেন, তারা তাদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে জেনেছেন; এগুলো কিন্তু পাল্টে গেছে। চিন্তাই পাল্টে গেছে। এই পুরো স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করা, এটা চ্যালেঞ্জ।”
কর্মীসভায় টেলিফোনে শুভেচ্ছা বিনিময় / প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে প্রণীত নতুন আইন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় নতুন আইনটি সময়োপযোগী এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।তিনি বলেন, অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও আধুনিক করা হয়েছে। নতুন আইনটি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে এবং এসব অপরাধ দমন ও বিচারের জন্য সমন্বিত আইনগত কাঠামো গড়ে তুলেছে।মন্ত্রী আরও বলেন, আইনটিতে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতির আলোকে ভুক্তভোগীদের শাস্তির আওতার বাইরে রাখার বিধানও রাখা হয়েছে, যাতে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।তিনি নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।অনুষ্ঠানে আইনটির মূল বিধান, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং তদন্ত থেকে বিচার পর্যন্ত ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ায় সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, কূটনৈতিক মিশন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
চিকিৎসা সহায়তায় বাকপ্রতিবন্ধীর পাশে তথ্য সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে প্রণীত নতুন আইন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় নতুন আইনটি সময়োপযোগী এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।তিনি বলেন, অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও আধুনিক করা হয়েছে। নতুন আইনটি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে এবং এসব অপরাধ দমন ও বিচারের জন্য সমন্বিত আইনগত কাঠামো গড়ে তুলেছে।মন্ত্রী আরও বলেন, আইনটিতে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতির আলোকে ভুক্তভোগীদের শাস্তির আওতার বাইরে রাখার বিধানও রাখা হয়েছে, যাতে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।তিনি নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।অনুষ্ঠানে আইনটির মূল বিধান, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং তদন্ত থেকে বিচার পর্যন্ত ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ায় সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, কূটনৈতিক মিশন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
সরকারি জমি দখলের সংবাদ প্রকাশের জের / হামলার পর এবার সাংবাদিক ও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে প্রণীত নতুন আইন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় নতুন আইনটি সময়োপযোগী এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।তিনি বলেন, অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও আধুনিক করা হয়েছে। নতুন আইনটি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে এবং এসব অপরাধ দমন ও বিচারের জন্য সমন্বিত আইনগত কাঠামো গড়ে তুলেছে।মন্ত্রী আরও বলেন, আইনটিতে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতির আলোকে ভুক্তভোগীদের শাস্তির আওতার বাইরে রাখার বিধানও রাখা হয়েছে, যাতে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।তিনি নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।অনুষ্ঠানে আইনটির মূল বিধান, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং তদন্ত থেকে বিচার পর্যন্ত ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ায় সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, কূটনৈতিক মিশন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ
অপতথ্য ও সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী প্যানেল গঠন করছে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার
আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো: প্রধানমন্ত্রী
জামায়াত এমপির ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন সেই তরুণী ও তার বাবা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইসলামিক রিসার্চ মেথোডলজি’ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
রূপালী ব্যাংকের ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
বেনজীরকে ফেরাতে ৪ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইল দুবাই পুলিশ
আর্জেন্টিনার হারের পর মেসিকে সান্ত্বনা দিলেন ইয়ামাল
আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয়ার আবেদন
মানবপাচার দমনে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রত্যর্পণে নতুন মোড় / বেনজীরকে ফেরাতে ৪ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইল দুবাই পুলিশ
দুর্নীতির একাধিক মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে প্রত্যর্পণের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পর্কে চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।আ জ কের পত্রি কার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ দিন আগে দুবাই পুলিশের ওই চিঠি বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বর্তমানে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখার সহযোগিতায় চিঠির জবাব প্রস্তুত করছে দুদক।বেনজীর আহমেদের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত নথিপত্র সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বলেন, দুবাই পুলিশের চিঠি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত জবাব পাঠানো গেলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি বাংলাদেশ সরকারকে ই-মেইলে জানায় যে, দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটক করা হয়েছে।পরে বাংলাদেশ সরকার ইন্টারপোলের মাধ্যমে তার প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক আবেদন জানায়। দুদকের প্রস্তুত করা প্রায় ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি আরবিতে অনুবাদ করে কূটনৈতিক মাধ্যমে দুবাইয়ে পাঠানো হয়। ওই নথিতে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার বিবরণ এবং প্রত্যর্পণের প্রয়োজনীয় আইনি দলিল সংযুক্ত ছিল। প্রায় এক মাস পর সেই আবেদনের জবাব দিয়েছে দুবাই পুলিশ। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের একটি কারাগারে আটক রয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুবাই পুলিশের চিঠিতে চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বাংলাদেশ কোন আইনের আওতায় এবং কী প্রক্রিয়ায় বেনজীর আহমেদকে প্রত্যর্পণ করতে চায়।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ বিষয়ে কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নেই। এ ছাড়া আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি, পরোয়ানার কার্যকারিতা এবং পুরো প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন সমন্বয় করছে এসব বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে দুবাই কর্তৃপক্ষ।আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বেনজীর আহমেদ ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, র্যাবের মহাপরিচালক এবং পরে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে ২০২৪ সালে অবৈধ সম্পদ অর্জন, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুদক। আদালতের নির্দেশে তার ও পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ করা হয়। তদন্ত চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ মে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন।পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে।দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার ও জালিয়াতিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের পেছনে তার কয়েকজন সাবেক সহযোগীর দেওয়া তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ব্যবসায়িক ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তারা দুবাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেন। পরে একটি শপিং মল থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ক্ষেত্রে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও দুবাই পুলিশের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
চরমান্দালীয়া ইউনিয়নকে সারা দেশে ‘রোল মডেল’ করতে চান রফিকুল ইসলাম বিপুল
চরমান্দালীয়া ইউনিয়নকে সারা দেশে ‘রোল মডেল’ করতে চান রফিকুল ইসলাম বিপুল
সাভারে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সাভারে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
মুন্না-নয়নের নেতৃত্বে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
মুন্না-নয়নের নেতৃত্বে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা