বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ওপেক+ জোট। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলেও আগামী জুনে তেল উৎপাদনের কোটা বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে জোটটি।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওপেক+ এর সাতটি সদস্য দেশ জুন মাসে দৈনিক প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন কোটা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। এটি টানা তৃতীয় মাসের মতো উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে।এই সাত দেশ হলো—সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান, রাশিয়া ও ওমান। তবে বাস্তবে অনেক দেশই বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানি ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ওপেক+ এর উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অনেকটাই কাগুজে হয়ে পড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি পুনরায় চালু না হলে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ইতোমধ্যে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ব্যারেলপ্রতি ১২৫ ডলারের ওপরে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও জেট ফুয়েল সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত মূলত একটি “প্রতীকী পদক্ষেপ”, কারণ বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই প্রকৃত উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙ্গনে গৃহহীন সাত শতাধিক পরিবার
নিয়ম লঙ্ঘন করে ৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আত্তীকরণ ও পদোন্নতি দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। শুধু আত্তীকরণই নয়, যোগ্যতার মানদণ্ড উপেক্ষা করে অনেককে বাড়তি পদোন্নতি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। সম্প্রতি সরকারের অডিট বিভাগ বিষয়টি সামনে আনলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর একই দিনে বিভিন্ন পদে ৫০ জনকে আত্তীকরণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় আওয়ামী লীগ আমলে পদায়ন পাওয়া কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা সংঘবদ্ধভাবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। এমনকি ‘মব’ বা চাপের ভয় দেখিয়ে অনেকটা জোরপূর্বক এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, এ-সংক্রান্ত অফিস স্মারকটি করপোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।সম্প্রতি অডিট বিভাগ ডিএনসিসিতে পরিদর্শনে গিয়ে আত্তীকরণ-সংক্রান্ত নথি চাইলে কর্তৃপক্ষ কোনো স্মারক দেখাতে পারেনি। স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদনের নথিও দেখানো সম্ভব হয়নি। অনুসন্ধানে জানা যায়, আত্তীকরণের অনুমতি চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে কোনো নথিই পাঠানো হয়নি।ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭ সালে দুই সিটি করপোরেশনের নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের পর বহু পদ বিলুপ্ত হয়। এতে অনেকে পদশূন্য হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করা হয়। তবে স্থায়ীভাবে আত্তীকরণের জন্য নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। জনপ্রশাসন-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির অনুমোদনের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সর্বশেষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার নিয়ম।নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত করপোরেশনের নবম সভায় ৭৫ জনকে আত্তীকরণের বিষয়ে ইতিবাচক মত দেওয়া হয়েছিল। তবে শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদ না থাকলে এক গ্রেড নিচের পদে দায়িত্ব দেওয়ার শর্ত ছিল। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবহিত করার সিদ্ধান্তও ছিল। কিন্তু এবার এসব নিয়মের কোনো কিছুই মানা হয়নি।অভিযোগ রয়েছে, আত্তীকরণের পর যন্ত্রচালক কাজী আলমগীর হোসেনকে প্রথমে হিসাব সহকারী এবং একই দিনে আরেক আদেশে রাজস্ব পরিদর্শক করা হয়। পরে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় অঞ্চল-৩-এর রাজস্ব পরিদর্শকের। অথচ এ পদে দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁর চেয়ে জ্যেষ্ঠ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা রয়েছেন।একইভাবে ডিজ ইনফেকশন পরিদর্শক আব্দুল খালেক মজুমদারকে ব্যক্তিগত সহকারী করার পর অঞ্চল-৪-এর স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও সহকারী সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিল সহকারী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে রেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট করার পর অঞ্চল-১-এর বাজার সুপারভাইজারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। আত্তীকরণ হওয়া ৫০ জনের মধ্যে মাত্র তিনজন ছাড়া প্রায় সবার ক্ষেত্রেই এমন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।ওই সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মীর খায়রুল আলম এবং সচিব ছিলেন মাসুদ আলম সিদ্দিক। বর্তমানে খায়রুল আলম অবসরে গেছেন এবং মাসুদ আলম সিদ্দিক ওএসডি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত আছেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে মাসুদ আলম সিদ্দিক কথা বলতে রাজি হননি। তবে মীর খায়রুল আলম বলেন, “ওই সময় বিভিন্ন গ্রুপ নানা দাবি নিয়ে আসত। তবে নিয়মের ব্যত্যয় হয়েছে বলে মনে পড়ে না।”ডিএনসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “তখন আমি দায়িত্বে ছিলাম না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।”অডিটে ওঠে আসা এসব অনিয়মের ঘটনায় ডিএনসিসির প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়বে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় / বাল্যবিবাহ রুখে সাহসিকতার স্বীকৃতি পেল তহমিনা
নিয়ম লঙ্ঘন করে ৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আত্তীকরণ ও পদোন্নতি দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। শুধু আত্তীকরণই নয়, যোগ্যতার মানদণ্ড উপেক্ষা করে অনেককে বাড়তি পদোন্নতি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। সম্প্রতি সরকারের অডিট বিভাগ বিষয়টি সামনে আনলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর একই দিনে বিভিন্ন পদে ৫০ জনকে আত্তীকরণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় আওয়ামী লীগ আমলে পদায়ন পাওয়া কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা সংঘবদ্ধভাবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। এমনকি ‘মব’ বা চাপের ভয় দেখিয়ে অনেকটা জোরপূর্বক এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, এ-সংক্রান্ত অফিস স্মারকটি করপোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।সম্প্রতি অডিট বিভাগ ডিএনসিসিতে পরিদর্শনে গিয়ে আত্তীকরণ-সংক্রান্ত নথি চাইলে কর্তৃপক্ষ কোনো স্মারক দেখাতে পারেনি। স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদনের নথিও দেখানো সম্ভব হয়নি। অনুসন্ধানে জানা যায়, আত্তীকরণের অনুমতি চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে কোনো নথিই পাঠানো হয়নি।ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭ সালে দুই সিটি করপোরেশনের নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের পর বহু পদ বিলুপ্ত হয়। এতে অনেকে পদশূন্য হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করা হয়। তবে স্থায়ীভাবে আত্তীকরণের জন্য নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। জনপ্রশাসন-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির অনুমোদনের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সর্বশেষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার নিয়ম।নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত করপোরেশনের নবম সভায় ৭৫ জনকে আত্তীকরণের বিষয়ে ইতিবাচক মত দেওয়া হয়েছিল। তবে শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদ না থাকলে এক গ্রেড নিচের পদে দায়িত্ব দেওয়ার শর্ত ছিল। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবহিত করার সিদ্ধান্তও ছিল। কিন্তু এবার এসব নিয়মের কোনো কিছুই মানা হয়নি।অভিযোগ রয়েছে, আত্তীকরণের পর যন্ত্রচালক কাজী আলমগীর হোসেনকে প্রথমে হিসাব সহকারী এবং একই দিনে আরেক আদেশে রাজস্ব পরিদর্শক করা হয়। পরে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় অঞ্চল-৩-এর রাজস্ব পরিদর্শকের। অথচ এ পদে দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁর চেয়ে জ্যেষ্ঠ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা রয়েছেন।একইভাবে ডিজ ইনফেকশন পরিদর্শক আব্দুল খালেক মজুমদারকে ব্যক্তিগত সহকারী করার পর অঞ্চল-৪-এর স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও সহকারী সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিল সহকারী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে রেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট করার পর অঞ্চল-১-এর বাজার সুপারভাইজারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। আত্তীকরণ হওয়া ৫০ জনের মধ্যে মাত্র তিনজন ছাড়া প্রায় সবার ক্ষেত্রেই এমন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।ওই সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মীর খায়রুল আলম এবং সচিব ছিলেন মাসুদ আলম সিদ্দিক। বর্তমানে খায়রুল আলম অবসরে গেছেন এবং মাসুদ আলম সিদ্দিক ওএসডি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত আছেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে মাসুদ আলম সিদ্দিক কথা বলতে রাজি হননি। তবে মীর খায়রুল আলম বলেন, “ওই সময় বিভিন্ন গ্রুপ নানা দাবি নিয়ে আসত। তবে নিয়মের ব্যত্যয় হয়েছে বলে মনে পড়ে না।”ডিএনসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “তখন আমি দায়িত্বে ছিলাম না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।”অডিটে ওঠে আসা এসব অনিয়মের ঘটনায় ডিএনসিসির প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়বে।
অতিরিক্ত দামে বিক্রি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ / নীলফামারীতে কাটেনি জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট
নিয়ম লঙ্ঘন করে ৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আত্তীকরণ ও পদোন্নতি দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। শুধু আত্তীকরণই নয়, যোগ্যতার মানদণ্ড উপেক্ষা করে অনেককে বাড়তি পদোন্নতি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। সম্প্রতি সরকারের অডিট বিভাগ বিষয়টি সামনে আনলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর একই দিনে বিভিন্ন পদে ৫০ জনকে আত্তীকরণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় আওয়ামী লীগ আমলে পদায়ন পাওয়া কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা সংঘবদ্ধভাবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। এমনকি ‘মব’ বা চাপের ভয় দেখিয়ে অনেকটা জোরপূর্বক এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, এ-সংক্রান্ত অফিস স্মারকটি করপোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।সম্প্রতি অডিট বিভাগ ডিএনসিসিতে পরিদর্শনে গিয়ে আত্তীকরণ-সংক্রান্ত নথি চাইলে কর্তৃপক্ষ কোনো স্মারক দেখাতে পারেনি। স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদনের নথিও দেখানো সম্ভব হয়নি। অনুসন্ধানে জানা যায়, আত্তীকরণের অনুমতি চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে কোনো নথিই পাঠানো হয়নি।ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭ সালে দুই সিটি করপোরেশনের নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের পর বহু পদ বিলুপ্ত হয়। এতে অনেকে পদশূন্য হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করা হয়। তবে স্থায়ীভাবে আত্তীকরণের জন্য নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। জনপ্রশাসন-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির অনুমোদনের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সর্বশেষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার নিয়ম।নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত করপোরেশনের নবম সভায় ৭৫ জনকে আত্তীকরণের বিষয়ে ইতিবাচক মত দেওয়া হয়েছিল। তবে শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদ না থাকলে এক গ্রেড নিচের পদে দায়িত্ব দেওয়ার শর্ত ছিল। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবহিত করার সিদ্ধান্তও ছিল। কিন্তু এবার এসব নিয়মের কোনো কিছুই মানা হয়নি।অভিযোগ রয়েছে, আত্তীকরণের পর যন্ত্রচালক কাজী আলমগীর হোসেনকে প্রথমে হিসাব সহকারী এবং একই দিনে আরেক আদেশে রাজস্ব পরিদর্শক করা হয়। পরে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় অঞ্চল-৩-এর রাজস্ব পরিদর্শকের। অথচ এ পদে দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁর চেয়ে জ্যেষ্ঠ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা রয়েছেন।একইভাবে ডিজ ইনফেকশন পরিদর্শক আব্দুল খালেক মজুমদারকে ব্যক্তিগত সহকারী করার পর অঞ্চল-৪-এর স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও সহকারী সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিল সহকারী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে রেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট করার পর অঞ্চল-১-এর বাজার সুপারভাইজারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। আত্তীকরণ হওয়া ৫০ জনের মধ্যে মাত্র তিনজন ছাড়া প্রায় সবার ক্ষেত্রেই এমন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।ওই সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মীর খায়রুল আলম এবং সচিব ছিলেন মাসুদ আলম সিদ্দিক। বর্তমানে খায়রুল আলম অবসরে গেছেন এবং মাসুদ আলম সিদ্দিক ওএসডি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত আছেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে মাসুদ আলম সিদ্দিক কথা বলতে রাজি হননি। তবে মীর খায়রুল আলম বলেন, “ওই সময় বিভিন্ন গ্রুপ নানা দাবি নিয়ে আসত। তবে নিয়মের ব্যত্যয় হয়েছে বলে মনে পড়ে না।”ডিএনসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “তখন আমি দায়িত্বে ছিলাম না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।”অডিটে ওঠে আসা এসব অনিয়মের ঘটনায় ডিএনসিসির প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়বে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
অবৈধ বালু বাণিজ্যে থামেনি চক্র: প্রশাসনের জালে ১১, জব্দ ২ ড্রেজার
পুলিশের পোশাকে আসছে ফের পরিবর্তন
আবারো বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান
বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
আইন ও ক্ষমতার বেড়াজালে সাংবাদিকতা সুরক্ষা সংকটে সংবাদকর্মীরা
ট্রাক দুর্ঘটনায় ৭ আহত, ক্ষুব্ধ জনতার হামলায় প্রাণ গেল চালকের
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট, ইরানের হামলায় বিপর্যস্ত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো
প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও সিলেটে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
বন্ধ কল-কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের রক্তক্ষয়ী দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত আন্ডারওয়ার্ল্ড
মহান মে দিবস আজ: শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে আতঙ্কে জনপদ
শেয়ারবাজারে লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী
মহান মে দিবস আজ: শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন
আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই হলো দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। শিল্প, কৃষি, নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক এবং শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উন্নত শ্রমিকবান্ধব সমাজ এবং মানবিক ও ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বাংলাদেশ- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।এদিকে, ঢাকায় মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময়সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন দাবি আদায়ের জন্য পথে নেমে এসেছিলেন।কিন্তু বিক্ষোভ দমনে সেদিন বর্বর কায়দা অবলম্বন করা হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায় শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই।
জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নরসিংদীর রোমান মিয়া
জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নরসিংদীর রোমান মিয়া
শিলমান্দী ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে সেলিনা আক্তার সেলি
শিলমান্দী ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে সেলিনা আক্তার সেলি