পথ হারালে আবারও শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকেই: ড. ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এখান থেকেই নতুন বাংলাদেশের পথ শুরু হবে। পথ হারিয়ে গেলে আমরা এখান থেকেই শুরু করব।বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ড. ইউনূস বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আমাদের ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে কখনো আমরা পথ হারিয়ে ফেললে, নতুন বাংলাদেশের যাত্রা আবার এখান থেকেই শুরু হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘দেশের তরুণরা যেন এই স্মৃতির লেখক হয়, আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে চলে গেলাম।’অনুষ্ঠানের শেষদিকে উপস্থিত সবার প্রতি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখার আহ্বান জানান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
১৩ বছর বয়সী মায়ের কাছেই থাকবে ৭ মাস বয়সী সন্তান
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক ক্যামেরার পর এবার ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ পদ্ধতির ১ হাজার নতুন ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ধাপে ধাপে এই আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যেই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে এই নতুন ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করতে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সংবাদমাধ্যমকে আনিছুর রহমান বলেন, বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে কম খরচে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজধানীর বড় একটি এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ এআই ক্যামেরা প্রযুক্তি তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও স্থাপন করতে সময় বেশি লাগে। নতুন এই প্রযুক্তির ক্যামেরাগুলোর ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড থাকবে, যা সড়কের যানবাহনের দৃশ্য ও অপরাধ সরাসরি রেকর্ড করবে। পরবর্তীতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা সেই রেকর্ড করা ভিডিও পর্যবেক্ষণ করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেবেন।ডিএমপি জানায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ধাপে ধাপে ১ হাজার ক্যামেরা বসানো হলেও বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং সেগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ট্রাফিক প্রধান জানান, বর্তমানে ১৩টি মোড়ে সেমি-অটোমেটিক সিগন্যাল চালু আছে। মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিগত সমস্যা, ভারী বৃষ্টি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে এগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তা ছাড়া একই সড়কে দ্রুতগতির ও কমগতির যানবাহনের সমন্বয়হীনতার কারণেও কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় আরও ৫০টি সিগন্যাল চালুর প্রস্তুতি চলছে।সড়কে মারাত্মক শব্দদূষণ ও অবৈধ হর্ন ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, অযথা হুটার বাজানো ও হাইড্রোলিক হর্নের কারণে ট্রাফিক পুলিশসহ সাধারণ মানুষের শ্রবণশক্তি ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। নিয়ম ভাঙার প্রবণতা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে গড়ে প্রতি মাসে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা দেওয়া হচ্ছে, যা থেকে বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকা জরিমানা আদায় হয়।এদিকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার যানজট কমাতে সড়কের আইল্যান্ড বা বিভাজক অপসারণ ও একটি সিগন্যাল কমিয়ে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করেছে তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগ। এতে ধানমন্ডি থেকে আসা গাড়িগুলোকে কিছুটা সামনে ময়ূর ভিলার কাছে ইউটার্ন নিতে হবে, যার ফলে প্রধান মোড়ে গাড়ির জটলা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে পুলিশ।
শিবপুরে ব্যবসায়ীর অভিযোগ / দোকান তালাবদ্ধ, নগদ ৮ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক ক্যামেরার পর এবার ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ পদ্ধতির ১ হাজার নতুন ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ধাপে ধাপে এই আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যেই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে এই নতুন ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করতে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সংবাদমাধ্যমকে আনিছুর রহমান বলেন, বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে কম খরচে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজধানীর বড় একটি এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ এআই ক্যামেরা প্রযুক্তি তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও স্থাপন করতে সময় বেশি লাগে। নতুন এই প্রযুক্তির ক্যামেরাগুলোর ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড থাকবে, যা সড়কের যানবাহনের দৃশ্য ও অপরাধ সরাসরি রেকর্ড করবে। পরবর্তীতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা সেই রেকর্ড করা ভিডিও পর্যবেক্ষণ করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেবেন।ডিএমপি জানায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ধাপে ধাপে ১ হাজার ক্যামেরা বসানো হলেও বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং সেগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ট্রাফিক প্রধান জানান, বর্তমানে ১৩টি মোড়ে সেমি-অটোমেটিক সিগন্যাল চালু আছে। মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিগত সমস্যা, ভারী বৃষ্টি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে এগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তা ছাড়া একই সড়কে দ্রুতগতির ও কমগতির যানবাহনের সমন্বয়হীনতার কারণেও কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় আরও ৫০টি সিগন্যাল চালুর প্রস্তুতি চলছে।সড়কে মারাত্মক শব্দদূষণ ও অবৈধ হর্ন ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, অযথা হুটার বাজানো ও হাইড্রোলিক হর্নের কারণে ট্রাফিক পুলিশসহ সাধারণ মানুষের শ্রবণশক্তি ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। নিয়ম ভাঙার প্রবণতা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে গড়ে প্রতি মাসে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা দেওয়া হচ্ছে, যা থেকে বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকা জরিমানা আদায় হয়।এদিকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার যানজট কমাতে সড়কের আইল্যান্ড বা বিভাজক অপসারণ ও একটি সিগন্যাল কমিয়ে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করেছে তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগ। এতে ধানমন্ডি থেকে আসা গাড়িগুলোকে কিছুটা সামনে ময়ূর ভিলার কাছে ইউটার্ন নিতে হবে, যার ফলে প্রধান মোড়ে গাড়ির জটলা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে পুলিশ।
আলোচনার কেন্দ্রে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী / জালালাবাদ এসোসিয়েশনের পরিবর্তনের প্রত্যয়ে ড. জিয়াউল ইসলাম মুন্না
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক ক্যামেরার পর এবার ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ পদ্ধতির ১ হাজার নতুন ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ধাপে ধাপে এই আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যেই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে এই নতুন ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করতে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সংবাদমাধ্যমকে আনিছুর রহমান বলেন, বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে কম খরচে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজধানীর বড় একটি এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ এআই ক্যামেরা প্রযুক্তি তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও স্থাপন করতে সময় বেশি লাগে। নতুন এই প্রযুক্তির ক্যামেরাগুলোর ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড থাকবে, যা সড়কের যানবাহনের দৃশ্য ও অপরাধ সরাসরি রেকর্ড করবে। পরবর্তীতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা সেই রেকর্ড করা ভিডিও পর্যবেক্ষণ করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেবেন।ডিএমপি জানায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ধাপে ধাপে ১ হাজার ক্যামেরা বসানো হলেও বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং সেগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ট্রাফিক প্রধান জানান, বর্তমানে ১৩টি মোড়ে সেমি-অটোমেটিক সিগন্যাল চালু আছে। মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিগত সমস্যা, ভারী বৃষ্টি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে এগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তা ছাড়া একই সড়কে দ্রুতগতির ও কমগতির যানবাহনের সমন্বয়হীনতার কারণেও কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় আরও ৫০টি সিগন্যাল চালুর প্রস্তুতি চলছে।সড়কে মারাত্মক শব্দদূষণ ও অবৈধ হর্ন ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, অযথা হুটার বাজানো ও হাইড্রোলিক হর্নের কারণে ট্রাফিক পুলিশসহ সাধারণ মানুষের শ্রবণশক্তি ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। নিয়ম ভাঙার প্রবণতা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে গড়ে প্রতি মাসে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা দেওয়া হচ্ছে, যা থেকে বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকা জরিমানা আদায় হয়।এদিকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার যানজট কমাতে সড়কের আইল্যান্ড বা বিভাজক অপসারণ ও একটি সিগন্যাল কমিয়ে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করেছে তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগ। এতে ধানমন্ডি থেকে আসা গাড়িগুলোকে কিছুটা সামনে ময়ূর ভিলার কাছে ইউটার্ন নিতে হবে, যার ফলে প্রধান মোড়ে গাড়ির জটলা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে পুলিশ।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
ডিজিটাল নিরাপত্তায় এগিয়ে আসা এক তরুণ মোঃ মিনহাজুল ইসলাম
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ
পথ হারালে আবারও শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকেই: ড. ইউনূস
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নরসিংদীতে বীর যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা
মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১
শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত
১৩ বছর বয়সী মায়ের কাছেই থাকবে ৭ মাস বয়সী সন্তান
দোকান তালাবদ্ধ, নগদ ৮ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি
এলপিজির পর বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতও বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
বাংলাদেশ একবারই ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয়েছে উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ জাতিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, সার্বভৌম ভূখণ্ড ও গর্বের জাতীয় পতাকা উপহার দিয়েছে। আর ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ছিল সেই স্বাধীনতার চেতনা, জনগণের অধিকার, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠার রক্তাক্ত সংগ্রাম।বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।ইশরাক হোসেন বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের যে আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রেরণা ছিল, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও সেই একই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি বলেন, সার্বভৌমত্ব শুধু মানচিত্র বা সীমান্তের বিষয় নয়; বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের জনগণ। দেশীয় স্বৈরশক্তি কিংবা বিদেশি হস্তক্ষেপ—কোনোটির কাছেই বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো, হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রের কাছে অনুগ্রহপ্রার্থী নন; বরং রাষ্ট্রই তাদের কাছে ঋণী। তিনি বলেন, এই ঋণ শোধ হবে সত্য প্রতিষ্ঠা, শহীদ পরিবারের মর্যাদা নিশ্চিতকরণ এবং হত্যাকারীদের বিচার সম্পন্নের মাধ্যমে।তিনি আরও বলেন, জুলাই গণহত্যার পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা, বাস্তবায়নকারী, সহযোগী, আলামত নষ্টকারী ও অপরাধীদের পালাতে সহায়তাকারী—কেউই বিচারের বাইরে থাকবে না। বিচার হবে প্রমাণভিত্তিক, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য। একই সঙ্গে তিনি আংশিক নয়, যৌক্তিক সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।আহত জুলাই যোদ্ধাদের প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, অনেকেই দৃষ্টিশক্তি, হাত বা পা হারিয়েছেন কিংবা স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কোনো আহত যোদ্ধা চিকিৎসাবঞ্চিত হবেন না এবং কোনো শহীদ পরিবার অবহেলিত থাকবে না বলেও তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।তিনি বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাস বিকৃত হতে দেওয়া হবে না। শহীদ ও আহতদের পরিচয়, সাক্ষ্য এবং আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সংরক্ষণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই আন্দোলনের ইতিহাস জানতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।বক্তব্যের শেষাংশে ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ জাতিকে পরাধীনতার কাছে মাথা নত না করার শিক্ষা দিয়েছে, আর জুলাই আন্দোলন স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে স্বাধীন দেশেও স্বৈরাচার ও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করা যায় না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি, পরিবার, দল বা বিদেশি শক্তির সম্পত্তি নয়; দেশের প্রকৃত মালিক বাংলাদেশের জনগণ।
কর্মীসভায় টেলিফোনে শুভেচ্ছা বিনিময় / প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
কর্মীসভায় টেলিফোনে শুভেচ্ছা বিনিময় / প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
৪ মাসের মাথায় প্রথমবারের মত / ১৩ জুলাই বরিশাল সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
৪ মাসের মাথায় প্রথমবারের মত / ১৩ জুলাই বরিশাল সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
চরমান্দালীয়া ইউনিয়নকে সারা দেশে ‘রোল মডেল’ করতে চান রফিকুল ইসলাম বিপুল
চরমান্দালীয়া ইউনিয়নকে সারা দেশে ‘রোল মডেল’ করতে চান রফিকুল ইসলাম বিপুল