ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪
সর্বশেষ

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সরকার ক্রসফায়ার চায় না; বরং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। আইনের কঠোর প্রয়োগের কথা বলতে গিয়ে আইজিপি অসতর্কতাবশত এমন মন্তব্য করেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইজিপি সহজ-সরল মানুষ। আইনের কঠোর প্রয়োগের বিষয়ে বলতে গিয়ে অসতর্কতাবশত কথাটি বলেছেন। তবে সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না এবং পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও সহ্য করবে না।এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে আখ্যা দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। অপরাধ দমন ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা হেফাজতে মৃত্যুর কোনো ঘটনা সরকার মেনে নেবে না বলে জানান তিনি।এদিকে, আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’–সংক্রান্ত বক্তব্যকে সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।রিজভী বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পুলিশপ্রধানের মুখে ‘ক্রসফায়ার’–সংক্রান্ত বক্তব্য তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।আইজিপির মন্তব্যের পর জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে।সমালোচনার পর সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতেই তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলে ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়।

জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট

নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব ঘিরে গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়।মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণেও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।সভায় জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, দেশের সংস্কৃতি হাজার বছরের পুরোনো হলেও তা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা যাচ্ছে না। প্রযুক্তির কারণে তরুণেরা বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যেতে হবে। দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব ঘিরে গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়।মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণেও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।সভায় জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, দেশের সংস্কৃতি হাজার বছরের পুরোনো হলেও তা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা যাচ্ছে না। প্রযুক্তির কারণে তরুণেরা বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যেতে হবে। দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোনারগাঁয়ের মালীপাড়া পাক দরবার শরিফে বার্ষিক ওরশ মোবারক / আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের মিলনমেলা

নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব ঘিরে গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়।মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণেও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।সভায় জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, দেশের সংস্কৃতি হাজার বছরের পুরোনো হলেও তা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা যাচ্ছে না। প্রযুক্তির কারণে তরুণেরা বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যেতে হবে। দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত

এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত

নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে  মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ

নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ

আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ

আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ

৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা

মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা

ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন

ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র

আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে

সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু

কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু

কুমিল্লায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে বিদেশি পিস্তল ও দুই ম্যাগাজিন উদ্ধার

কুমিল্লায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে বিদেশি পিস্তল ও দুই ম্যাগাজিন উদ্ধার

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেকনাফে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

টেকনাফে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট

জ্ঞানী-গুণী ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় সাংবাদিক-পাঠক কল্যাণ ট্রাস্ট

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের মিলনমেলা

আধ্যাত্মিক সাধনা ও ঐতিহ্যের মিলনমেলা

পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী

ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

নাদিয়া পাঠান পাপন এমপির শুভেচ্ছা বিনিময়

নাদিয়া পাঠান পাপন এমপির শুভেচ্ছা বিনিময়

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সরকার ক্রসফায়ার চায় না; বরং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। আইনের কঠোর প্রয়োগের কথা বলতে গিয়ে আইজিপি অসতর্কতাবশত এমন মন্তব্য করেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইজিপি সহজ-সরল মানুষ। আইনের কঠোর প্রয়োগের বিষয়ে বলতে গিয়ে অসতর্কতাবশত কথাটি বলেছেন। তবে সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না এবং পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও সহ্য করবে না।এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে আখ্যা দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। অপরাধ দমন ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা হেফাজতে মৃত্যুর কোনো ঘটনা সরকার মেনে নেবে না বলে জানান তিনি।এদিকে, আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’–সংক্রান্ত বক্তব্যকে সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।রিজভী বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পুলিশপ্রধানের মুখে ‘ক্রসফায়ার’–সংক্রান্ত বক্তব্য তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।আইজিপির মন্তব্যের পর জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে।সমালোচনার পর সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতেই তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলে ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়।

ইরান, চীন ও রাশিয়া ইস্যুতে ট্রাম্পের একের পর এক ‘ধাক্কা’

ইরান, চীন ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ—যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইস্যুতেই সাম্প্রতিক সময়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা থাকলেও সেই চাপকে কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক ফলাফলে রূপান্তর করতে ওয়াশিংটনের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এমনকি ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।তবে রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হুমকির মাত্রা বাড়ানো মানেই রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের সক্ষমতা বাড়া নয়। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেও এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন স্পষ্ট ও দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ফল অর্জন করতে পারেনি। যুদ্ধও অব্যাহত রয়েছে।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান সংঘাত বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে কিছু প্রস্তাব দিলেও ট্রাম্প তা গ্রহণ করেননি। ফলে তেহরানকে ওয়াশিংটনের মূল দাবিগুলো মেনে নিতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে মার্কিন চাপ কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সঙ্গে দেশটির অনেক ইউরোপীয় ও এশীয় মিত্রও প্রত্যাশিত মাত্রায় সম্পৃক্ত হয়নি। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক প্রভাব শুধু সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না; মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে জোট গঠন এবং তাদের সমর্থন আদায় করাও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।চীনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামাল দেওয়ার সক্ষমতার বার্তা দিতে চেয়েছিলেন। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকের দৃশ্যমান ফলাফল মূলত দুই দেশের বাণিজ্যবিরতি বজায় রাখা এবং অর্থনৈতিক উত্তেজনা আরও না বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।তাইওয়ান, বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের ভূমিকার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে। সরাসরি বৈঠক হলেও এসব বিরোধের কোনোটি চূড়ান্তভাবে সমাধান হয়নি।তবে এর অর্থ এই নয় যে চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের কোনো হাতিয়ার নেই। অর্থনীতি, প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি ও কূটনীতিতে ওয়াশিংটনের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। মূল প্রশ্ন হলো—এসব ক্ষমতাকে কতটা কার্যকরভাবে রাজনৈতিক সমঝোতা বা ফলাফলে রূপ দেওয়া যাচ্ছে।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্প একাধিকবার এই যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং মস্কো ও কিয়েভকে আলোচনার টেবিলে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার জন্য ওয়াশিংটনের বিভিন্ন প্রচেষ্টা, এমনকি জ্বালানি অবকাঠামোকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ও উল্লেখযোগ্য ফল বয়ে আনেনি।রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়েরই নিজস্ব স্বার্থ ও হিসাব রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু ওয়াশিংটনের চাপের মাধ্যমে দুই পক্ষকে চূড়ান্ত সমাধান মেনে নিতে বাধ্য করা সম্ভব হচ্ছে না বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।ইরান, চীন ও ইউক্রেন—এই তিনটি ইস্যুর দিকে তাকালে ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির একটি বিষয় স্পষ্ট হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং ট্রাম্পের হাতে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। তবে চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা এবং সেই চাপকে কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক ফলাফলে রূপ দেওয়ার সক্ষমতা এক বিষয় নয়।ইরানের সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত, চীনের সঙ্গে মৌলিক বিরোধগুলো অমীমাংসিত এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের উদ্যোগ এখনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছায়নি। ফলে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মার্কিন শক্তির প্রভাব ও তার বাস্তব ফলাফলের মধ্যে থাকা ব্যবধানকে সামনে এনেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সব বিভাগের খবর

বিসিক মেলায় নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্পের পসরা নিয়ে হাজির ‘মেইডেন’

নারী ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া সংস্থা ‘নয়লি ফাউন্ডেশন’ (Noyli Foundation)-এর মাদার প্রজেক্ট ‘মেইডেন’ (MAIDEN)—‘নারীর উন্নয়নের সহযাত্রী’ স্লোগানকে সামনে রেখে আবারও এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তৃণমূল ও উদীয়মান নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখছে প্রজেক্টটি।সেই ধারাবাহিকতায় তেজগাঁওয়ের বিসিক ভবনে আয়োজিত ‘বিসিক মেলা ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছে মেইডেন। মেলায় ৪০ নম্বর স্টলে প্রদর্শিত হচ্ছে নারী কারিগরদের হাতে তৈরি নানা নান্দনিক ও এক্সক্লুসিভ কারুপণ্য।  চলতি মাসের ৭ই অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী ও মেলা চলবে আগামী ১২ই অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। মেইডেনের ৪০ নম্বর স্টলে রয়েছে হাতে তৈরি জুয়েলারি, ঐতিহ্যবাহী চুড়ি, পুঁতির মালা, নকশাদার গহনা এবং বিভিন্ন ধরনের এক্সক্লুসিভ হস্তশিল্প পণ্যের বিপুল সমাহার। ক্রেতারা সরাসরি এসব পণ্যের প্রস্তুতকারক নারী কারিগরদের সাথে কথা বলে পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।  আয়োজকদের মতে, নারীদের কেবল দক্ষ করে তোলাই মূল উদ্দেশ্য নয়; তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ এবং বাণিজ্যিক পরিচিতি এনে দেওয়ার লক্ষ্যেই মেইডেন প্রতিনিয়ত কাজের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। বিসিক মেলার মতো বড় আয়োজনে নারী উদ্যোক্তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথে আত্মবিশ্বাস আরও বৃদ্ধি করবে।

বাংলাদেশে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কোম্পানি বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালির ইস্ট পালো আল্টোতে আয়োজিত ‘সিইও অ্যান্ড সিনিয়র এক্সিকিউটিভস রাউন্ডটেবিল’ আলোচনায় এ কথা জানান তিনি।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে।বিশেষ করে এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে পারে।তিনি বলেন, এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিতে হবে। গোলটেবিল আলোচনায় এআই ও ডেটা অবকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব নিয়ে মতবিনিময় হয়।বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

৯ মাসে খেলাপি ঋণ কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ

ব্যাংক খাতে সংস্কার ও ঋণ আদায়ে জোরদার উদ্যোগের কারণে গত নয় মাসে দেশে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) পরিমাণ প্রায় ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে।২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালের জুনে এনপিএল অনুপাত কমে ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশে নেমেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নয় মাসে এনপিএল অনুপাত কমেছে ২ দশমিক ৯৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। তবে খেলাপি ঋণের মোট পরিমাণ এখনো বেশি।জুন শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা ব্যাংক খাতের মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও আড়ালে থাকা খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করে ব্যাংকগুলোর হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এনপিএল অনুপাতে এই উন্নতি এসেছে।ফলে একদিকে খেলাপি ঋণের অনুপাতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে, অন্যদিকে ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্রও আগের তুলনায় স্পষ্ট হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাসসকে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়।এর ফলে আগে গোপন থাকা বা পুনঃতফসিলের মাধ্যমে আড়াল করা অনেক ঋণের প্রকৃত অবস্থা সামনে আসে।তিনি বলেন, খেলাপি ঋণ কমাতে এককালীন প্রস্থান নীতি এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপের সুফল পুরোপুরি প্রতিফলিত হলে খেলাপি ঋণের অনুপাত আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। চলতি বছরের জুনে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ সামান্য বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা হলেও মোট ঋণের তুলনায় এর অনুপাত কমেছে।সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রকাশিত খেলাপি ঋণের পরিসংখ্যান ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি তুলে ধরেনি। ২০০৮ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা থাকলেও ২০২৪ সালে সরকারি হিসাবে তা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। তবে শ্বেতপত্রে প্রকৃত খেলাপি ও সমস্যাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা বলে উঠে এসেছে।তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ব্যাংক খাতের সংকট কাটিয়ে বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারে এসব সংস্কারের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানো এবং খেলাপি ঋণ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলাপি ঋণ কমার বর্তমান প্রবণতা উৎসাহব্যঞ্জক হলেও এটিকে এখনই চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ, প্রকৃত খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ায় শুরুতে অনুপাত বাড়তেও পারে। তবে ব্যাংকের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকৃত অবস্থান প্রকাশ করাই টেকসই সংস্কারের প্রথম শর্ত।সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ব্যাংক খাতের হিসাব পরিষ্কার করার প্রক্রিয়ায় স্বল্পমেয়াদে কিছু চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এ জন্য পেশাদার ব্যবস্থাপনা, যথাযথ ঋণ মূল্যায়ন এবং কার্যকর ঋণ আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর জন্য সংস্কার কাঠামোও জোরদার করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী প্রত্যাশিত ঋণক্ষতি (ইসিএল) হিসাব চালু হলে সম্ভাব্য ঋণঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।তাদের মতে, এখন শুধু প্রকাশিত খেলাপি ঋণ কমানোর দিকে নজর না দিয়ে এর কাঠামোগত কারণ দূর করতে হবে। ঋণ আদায় জোরদার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাই এবং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ ও দুর্বল আস্থার একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা পেয়েছে। তাই খেলাপি ও পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ব্যাংক পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত নয় মাসের এনপিএল কমার প্রবণতা ব্যাংক খাতের সংস্কারে একটি ইতিবাচক প্রাথমিক সংকেত। তবে এ অগ্রগতি কতটা টেকসই হয়েছে, তা বোঝার জন্য ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। ধারাবাহিক সংস্কার, ঋণ আদায় এবং সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে খেলাপি ঋণ আরও কমার পাশাপাশি আমানতকারীদের আস্থা ও ব্যাংক খাতে ঋণশৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

ঢাকা প্রেসক্লাবকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদানের চেক হস্তান্তর

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদানের চেক ঢাকা প্রেসক্লাবের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সমাজসেবা অধিদপ্তরের শহর সমাজসেবা কার্যালয়-১, যাত্রাবাড়ী, ঢাকার সমাজসেবা অফিসার আবু নাইম মৃধা ঢাকা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাদেক মাহমুদ পাভেলের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।ঢাকা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানটি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন প্রাপ্তির পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সরকারি অনুদান পেয়ে আসছে। সর্বশেষ ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের অনুদানের চেক হস্তান্তরকে ক্লাবের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারের সহযোগিতার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।এদিকে ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে পৃথক কমিটি বা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, একটি মহল একই নাম ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ঐতিহ্যবাহী ও নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।ক্লাব কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ঢাকা প্রেসক্লাবের নিবন্ধন, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও সরকারি পর্যায়ে স্বীকৃতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথিপত্র রয়েছে। তাদের দাবি, কথিত কয়েকটি কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কখনোই ঢাকা প্রেসক্লাবের সদস্য ছিলেন না। এ বিষয়ে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের আদালতে মতামতও দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। ঢাকা প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ আরও বলেছে, প্রতিষ্ঠানটি যখন নিয়মতান্ত্রিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সরকারি পর্যায় থেকে অনুদান পাচ্ছে, তখন একই নামে পৃথক কমিটি বা সংগঠনের প্রচার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এতে শুধু ক্লাবের সদস্যদের মধ্যেই নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটির পরিচয় ও বৈধতা নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে তাদের দাবি।এ বিষয়ে ঢাকা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের  আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, কোনো দাবি বা বিরোধ থাকলে তা প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে নয়, বরং বিদ্যমান আইন ও রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর মধ্যেই নিষ্পত্তি করা উচিত।ক্লাব কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, বিভ্রান্তি ও বিরোধ সৃষ্টি না করে সংশ্লিষ্টরা বাস্তবতা অনুধাবন করবেন এবং ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ও ভাবমূর্তি নিয়ে যে কোনো বিরোধ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।চেক হস্তান্তরের সময় ঢাকা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আসছে নতুন সুবিধা, পাবেন আজীবন

সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে একগুচ্ছ নতুন সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর তাঁর স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়া, পেনশনারদের স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনা, বিশেষ প্রয়োজনে ঋণ সুবিধা চালু এবং নির্দিষ্ট শর্তে পেনশন ব্যবস্থা থেকে বের হওয়ার সুযোগ।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। অর্থমন্ত্রী পদাধিকারবলে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান।জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামান জানান, জনআগ্রহ বাড়াতে বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন করা হবে। পর্ষদ অনুমোদন দিলে এবং বিধিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধন করা সম্ভব হলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এসব সুবিধা চালু করা হতে পারে।বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে টেকসই সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে যাওয়ার কারণে নির্ভরশীলতার হার বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২০২৩ সালের আগস্টে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করে সরকার। তবে তিন বছর পার হলেও এতে প্রত্যাশিত সাড়া মেলেনি।ব্যাংকের আমানতের সুদের তুলনায় পেনশনের রিটার্ন কম এবং গ্রাহকদের জন্য তাৎক্ষণিক সুবিধা সীমিত থাকাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ পর্যন্ত চারটি স্কিমে নিবন্ধিত হয়েছেন ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২০ জন। তাঁদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ২৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা।এর মধ্যে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের জন্য চালু করা ‘সমতা’ স্কিমে নিবন্ধিত হয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ২২৪ জন। তাঁদের জমার পরিমাণ ৫৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ‘প্রবাস’ স্কিমে সাড়া সবচেয়ে কম। এ স্কিমে নিবন্ধিত হয়েছেন মাত্র ১ হাজার ১৭১ জন প্রবাসী। তাঁদের মধ্যে নারী ৯৭ জন। এ স্কিমে জমার পরিমাণ ১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।বর্তমান নিয়মে পেনশনভোগী ৬০ বছর বয়সে মাসিক পেনশন পাওয়া শুরু করেন। পেনশন পাওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হলে নমিনি পেনশনারের ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত সমহারে মাসিক পেনশন পান।নতুন প্রস্তাবে নমিনির পরিবর্তে পেনশনারের স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবীদের প্রচলিত পেনশন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া পেনশন পাওয়ার বয়স ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৫ বছর করার প্রস্তাবও পর্ষদ সভায় উঠতে পারে।আইনে গ্রাহকের জমা করা অর্থের একটি অংশ বিশেষ প্রয়োজনে ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও এখনো তা চালু হয়নি। এবার এ সুবিধা চালুর পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। ঋণের সুদও গ্রাহকের পেনশন হিসাবে জমা হওয়ার কথা রয়েছে।পাশাপাশি পাঁচ বছর চাঁদা দেওয়ার পর শারীরিক ও আর্থিক অক্ষমতার কারণে কেউ ব্যবস্থা থেকে বের হতে চাইলে বিশেষ বিবেচনায় পুরো অর্থ তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।পেনশনারদের স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ জন্য একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছ থেকে মাসে ১০ থেকে ২০ টাকা প্রিমিয়াম নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।এ ছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবস্থাটিকে আরও গ্রহণযোগ্য করতে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করছে সরকার। পর্ষদের অনুমোদন পেলে এসব সুবিধা দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আগস্টে এলো ৩৬ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয়

সদ্য সমাপ্ত আগস্টে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৯৭ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে)।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে দেশে এসেছে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের আগস্টে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ।চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) রেমিট্যান্স এসেছে ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এই আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়লে দেশে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের নানা উদ্যোগ, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেবা সহজ হওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। ফলে রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।এদিকে, বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) দেশে বৈধ চ্যানেলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।

প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব ঘিরে গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়।মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণেও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।সভায় জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, দেশের সংস্কৃতি হাজার বছরের পুরোনো হলেও তা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা যাচ্ছে না। প্রযুক্তির কারণে তরুণেরা বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যেতে হবে। দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এআই’র কাছে কখনোই চাইবেন না যে ৫ পরামর্শ

এআই’র কাছে কখনোই চাইবেন না যে ৫ পরামর্শ

প্রযুক্তি জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি ও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও অনেকে এআইয়ের পরামর্শ নিচ্ছেন। তবে মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এআই কখনোই মানুষের বিকল্প বা প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষ করে চেহারা, আবেগ, বুদ্ধিমত্তা ও আর্থিক সিদ্ধান্তের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ এআই মানুষের মতো অনুভূতি বা বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে কোনো বিষয় বিচার করে না।চেহারা ও সৌন্দর্য নিয়ে প্রশ্ননিজের চেহারা, সৌন্দর্য কিংবা পোশাক নিয়ে এআইয়ের কাছে মতামত চাওয়া খুব বেশি নির্ভরযোগ্য নয়। ব্যবহারকারীকে সন্তুষ্ট রাখার প্রবণতার কারণে এআই অনেক সময় অতিরিক্ত প্রশংসামূলক উত্তর দিতে পারে। ফলে বাস্তব জীবনের কাছের মানুষ যেভাবে অকপটে মতামত দিতে পারেন, এআইয়ের কাছ থেকে সবসময় সেই নিরপেক্ষতা পাওয়া নাও যেতে পারে।ভালোবাসা ও আবেগের বিচারকেউ আপনাকে ভালোবাসেন কি না, কিংবা কোনো ব্যক্তির আচরণের পেছনে কী অনুভূতি রয়েছে—এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরও এআইয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়। এআই সহানুভূতিশীল ভাষায় উত্তর দিতে পারলেও মানুষের জটিল আবেগ প্রকৃত অর্থে অনুভব করতে পারে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিশ্বস্ত বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা প্রয়োজন হলে পেশাদার থেরাপিস্টের সহায়তা নেওয়া বেশি কার্যকর।বুদ্ধিমত্তা ও আত্মমর্যাদানিজের বুদ্ধিমত্তা, যোগ্যতা কিংবা ব্যক্তিগত মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও এআইকে চূড়ান্ত বিচারক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এআইয়ের বিপুল তথ্যভাণ্ডার ও বিশ্লেষণক্ষমতা থাকলেও সেটি মানুষের বুদ্ধিমত্তা বা আত্মমর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি নয়।আর্থিক সিদ্ধান্তবিনিয়োগ, ঋণ, সঞ্চয় বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শুধু এআইয়ের পরামর্শের ওপর নির্ভর করাও ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যক্তির সম্পূর্ণ আর্থিক পরিস্থিতি ও ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পেশাদার বা আর্থিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।বাস্তব জীবনের মানবিক সহায়তাএআই নানা বিষয়ে তথ্য ও পরামর্শ দিতে পারলেও বাস্তব জীবনের মানবিক সহায়তার বিকল্প নয়। বিপদের সময় কাউকে হাসপাতালে নেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো কিংবা বাস্তব পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করার মতো কাজ এআই করতে পারে না।বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই মূলত ডেটা, অ্যালগরিদম ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে কাজ করে। এর নিজস্ব অনুভূতি বা ইচ্ছা নেই। তাই এআইকে জীবনের প্রকৃত বন্ধু বা আবেগের আশ্রয় হিসেবে না দেখে প্রয়োজনীয় কাজে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করাই নিরাপদ। বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, মানুষের সহানুভূতি ও পারস্পরিক বন্ধনের বিকল্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হতে পারে না।

রোবট যখন শুধু ভাববে না, কাজও করবে

রোবট যখন শুধু ভাববে না, কাজও করবে

একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখেন— আপনার ঘরের দরজা খুলে দিচ্ছে একটি রোবট। সে টেবিল থেকে তোমার অফিসব্যাগ তুলে দিচ্ছে, সবকিছু গুছিয়ে দিচ্ছে, এমনকি রান্নাঘর থেকে পানির বোতলও এনে দিচ্ছে!এটা কি রূপকথার গল্প? না, বিজ্ঞানীরা এমন রোবট তৈরির চেষ্টা করছেন, যারা শুধু কথা বলতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না, বাস্তব পৃথিবীতে নিজের শরীর দিয়ে কাজও করতে পারবে। এই নতুন প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ফিজিক্যাল এআই ।এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে আমরা যতটুকু জানি- কম্পিউটারকে যখন এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে সে মানুষের মতো তথ্য বুঝতে, চিন্তা করতে বা সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তখন তাকে এআই বলা হয়।কিন্তু একটি কম্পিউটার শুধু চিন্তা করলেই তো হবে না! যদি তাকে বলা হয়, “টেবিলের ওপরের কাপটি আমাকে এনে দাও”, তাহলে তাকে কাপটি দেখতে, কাছে যেতে, হাত বাড়াতে এবং কাপটি ধরতে হবে।ফিজিক্যাল এআই হলো এমন বুদ্ধিমান প্রযুক্তি, যার সঙ্গে রোবটের শরীর যুক্ত থাকে। রোবটের চোখের মতো ক্যামেরা থাকে, কান বা স্পর্শের মতো সেন্সর থাকে। আর হাত-পা চালানোর জন্য থাকে মোটর।অর্থাৎ, এআই হলো রোবটের মস্তিষ্ক, আর রোবটের শরীর হলো তার কাজ করার মাধ্যম।মানুষের মতো রোবট:টেসলা ‘অপটিমাস’ নামে একটি মানবাকৃতির রোবট তৈরি করছে। এটি মানুষের মতো দুই পায়ে হাঁটতে এবং দুই হাতে কাজ করতে পারে।তবে এমন রোবট তৈরি করা মোটেই সহজ নয়। মানুষের হাত দিয়ে আমরা খুব সহজেই একটি কলম ধরতে পারি, আবার একটি ডিমও না ভেঙে ধরতে পারি। রোবটকে এই সূক্ষ্ম কাজ শেখানো কঠিন।রোবটকে আরও অনেক কিছু শিখতে হবে—কীভাবে হাঁটতে হয়, কীভাবে ভারী জিনিস তুলতে হয়, কীভাবে মানুষের সামনে এলে থামতে হয় এবং কীভাবে নিরাপদে কাজ করতে হয়।ভবিষ্যতের বন্ধু?ভবিষ্যতে রোবট হয়তো কারখানায় কাজ করবে, গুদামে বাক্স বহন করবে, কৃষকের কাজে সাহায্য করবে কিংবা বয়স্ক মানুষকে দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করবে।হয়তো কোনোদিন আপনার বাড়িতেও এমন একটি রোবট থাকবে। সে আপনার খেলনা গুছিয়ে দিতে পারে, বই এনে দিতে পারে কিংবা বলতে পারে, “আপনার অফিসে যাওয়ার সময় হয়েছে!”তবে মনে রাখতে হবে, রোবট মানুষের জায়গা পুরোপুরি নেবে কি না, তা এখনই বলা যায় না। বিজ্ঞানীরা এখনও রোবটকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান করার চেষ্টা করছেন।আজকের কম্পিউটার যদি হয় এআইয়ের মস্তিষ্ক, তাহলে আগামী দিনের রোবট হতে পারে তার হাত-পা।আর সেই দিন এআই শুধু আমাদের সঙ্গে কথা বলবে না—হয়তো আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে কাজও করবে!=========সরকার হুমায়ুন বিজে টাওয়ার, ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট।

সুন্দরবনে অভয়াশ্রম কমানোর দাবীতে জেলেদের মানববন্ধন

বাগেরহাটের শরণখোলায় পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ৮০ ভাগ এলাকা অভয়ারণ্য ও অভয়াশ্রম থাকলেও সাতক্ষীরাও চাঁদপাই রেঞ্জ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ভাগ অভয়াশ্রম এ বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে দাবিতে মানববন্ধন করেছে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল সকল মৎস্য ও পেশাজীবিবৃন্দ।  দুই অক্টোবর সকাল দশটায়  শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্য ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করায় ফুঁসে উঠেছে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্য পেশাজীবিরা। তারা বলেন, পূর্ব সুন্দরবনের দুই রেঞ্জের জন্য দুই ধরনের আইন কখনোই তারা মেনে নিবেন না। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্য পেশাজীবিরা বলেন, পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জে যেখানে ৩০-৪০ ভাগ এলাকাকে অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে শরণখোলা রেঞ্জে ৮০ ভাগ এলাকাকে অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ধরনের বৈষম্য শরণখোলাবাসী কখনোই মেনে নিবে না। তাছাড়া বর্তমানে শরণখোলা রেঞ্জে যতটুকু এলাকা অবমুক্ত রয়েছে তার তুলনায় সুন্দরবনে বৈধভাবে প্রবেশ করা জেলেদের সংখ্যা অনেক। ফলে আশানুরূপ মাছ ধরা পড়ছে না অধিকাংশ জেলেদের জালে। অতিদ্রুত যদি অভয়ারণ্য এলাকা কমিয়ে অন্তত ৫০ ভাগ না করা হয় তাহলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহনের কথা বলেন তারা। এসময়  পেশাজীবিদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাউথখালি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি শহীদুল ইসলাম লিটন, মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম খান, মোঃ খলিল হাওলাদার, মোঃ হালিম খান,  রফিকুল হাওলাদার ও শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসান সুজন। এ ব্যাপারে পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল চৌধুরী বলেন, অন্যান্য রেঞ্জের তুলনায় শরণখোলায় অভয়াশ্রম ও অভয়ারণ্য এলাকা বেশি। এখানে জেলেদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক সময় পাস পারমিট নেওয়া জেলেদের বিপাকে পড়তে হয়। জেলেদের দাবি কিছুটা হলেও যৌক্তিক। তবে এ বিষয়টি নিরশন এর দায়িত্ব বনবিভাগ ও বন মন্ত্রণালয়ের।

ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় আত্মসমর্পণ স্ত্রীর!

ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় আত্মসমর্পণ স্ত্রীর!

ডেস্ক নিউজ: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী থানায় গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ভুক্তভোগী স্বামী লিটন শেখ (৪৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোরেলগঞ্জের বনগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত সাইম শেখের ছেলে লিটন শেখের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের দাম্পত্য জীবন। তবে গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত পারিবারিক কলহ চলছিল। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টায় যখন লিটন শেখ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলে, তখন তার স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে ফেলে। ঘটনায় লিটন শেখের চিৎকার শুনে তার স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ওই অঙ্গটির প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরদিন সকালে অভিযুক্ত নারী নিজেই থানায় এসে অপরাধ স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশ তাকে তাৎক্ষণিক হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো শ্রীপুর গ্রাম ও আশপাশে এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মাদকদ্রব্য কিশোর গ্যাং নির্মূল করি-- এমন স্লোগানে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি  উদ্বোধন

মাদকদ্রব্য কিশোর গ্যাং নির্মূল করি-- এমন স্লোগানে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি উদ্বোধন

মাদকদ্রব্য কিশোর গ্যাং নির্মূল করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি এমন স্লোগানে  লক্ষ্মীপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৬।মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে বেলুন উড়িয়ে  প্রতিযোগিতার  উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী। লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে এবং জেলা কমিউনিটি পুলিশের সহযোগিতায় এমন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান, জাকির হোসেন পাটোয়ারী, সাংবাদিক আনিছ কবির, মো. আজাদ, আমিনুল ইসলাম রাজু, মো. ইব্রাহিম, সাংবাদিক মাহমুদ ফারুকসহ  অনেকেই। প্রতিযোগিতায় লক্ষ্মীপুর জেলার ৬টি উপজেলার অনূর্ধ্ব-২০ বালক ও বালিকা ১২টি দল অংশ নেয়।কাবাডি খেলা উদ্বোধনের সময় বিভিন্ন উপজেলার খেলোয়াড়, পুলিশ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয় পুলিশ লাইন্স মাঠ। দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে বিকেলে ফাইনাল খেলা শেষে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন।

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

মার্কিন কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাহী চৌধুরী। নিউইয়র্কের কংগ্রেস সদস্য টিমোথি এম. কেনেডি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ‘কংগ্রেশনাল রেকর্ড’-এর মাধ্যমে তাকে এই বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করেন।কংগ্রেস সদস্য টিমোথি এম. কেনেডি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সাহী চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে বাফেলো শহর ও ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্ক অঞ্চলে জনসেবা, স্থানীয় ব্যবসা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।সাহী চৌধুরীর কর্মদক্ষতা ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালে তিনি ‘বাফেলো বিজনেস ফার্স্ট’-এর মর্যাদাপূর্ণ ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ তালিকায় স্থান পান। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে স্টেট, সিটি এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্কের প্রতিনিধিত্ব করেছেন সাহী চৌধুরী।বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলো শহরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের সিলেট শহরে।মার্কিন কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক নথিতে এমন স্বীকৃতি অর্জনকে তার কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ উপলক্ষে সাহী চৌধুরীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ।বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের মতে, সাহী চৌধুরীর এই অর্জন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। পাশাপাশি এটি প্রবাসে বাংলাদেশিদের কর্মদক্ষতা, সামাজিক অবদান ও সাফল্যের পরিচয় তুলে ধরবে।মার্কিন কংগ্রেসে সাহী চৌধুরীর এই বিশেষ স্বীকৃতি তার ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও গর্বের একটি উপলক্ষ।

‘মুখ বুজে সব সহ্য করলেই লক্ষ্মী মেয়ে, আমি তা হতে পারিনি’

‘মুখ বুজে সব সহ্য করলেই লক্ষ্মী মেয়ে, আমি তা হতে পারিনি’

চুপচাপ থাকা, সবার কথা মেনে চলা, নিজের মতামত প্রকাশ না করা—সমাজে এমন মেয়েদেরই অনেক সময় ‘লক্ষ্মী মেয়ে’ বলা হয়। অন্যদিকে, নিজের মত প্রকাশ করলে কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে সেই মেয়েকেই শুনতে হয় ‘অলক্ষ্মী’ তকমা। সমাজের এই প্রচলিত ধারণা নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী ইশা সাহা।ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লক্ষ্মীপূজা, শৈশবের স্মৃতি ও সমাজে নারীর অবস্থান নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথা তুলে ধরেছেন ইশা।ছোটবেলা থেকেই ‘লক্ষ্মী মেয়ে’ কথাটির সঙ্গে পরিচিত এই অভিনেত্রী। সবার কথা শুনে চলা এবং বাধ্য মেয়ের মতো আচরণ করার মধ্যেই ভালো মেয়ের পরিচয় খুঁজতেন তিনি।দুর্গাপূজার পর লক্ষ্মীপূজা কেন হয়, তা নিয়ে একসময় মাকেও প্রশ্ন করেছিলেন। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্মীদেবীর ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব সম্পর্কে তার ধারণাও স্পষ্ট হয়েছে।ইশা জানান, তাদের বাড়িতে ব্যবসা থাকায় লক্ষ্মী ও গণেশের একসঙ্গে পূজা হতো। কোজাগরী লক্ষ্মীপূজায় নিজ হাতে বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানো ও আলপনা দেওয়ার স্মৃতি আজও তার কাছে বিশেষ।নিজের উপার্জন শুরু করার পর অর্থনৈতিক জীবনে লক্ষ্মীপূজার তাৎপর্য আরো গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন তিনি।তবে লক্ষ্মী মেয়ে হওয়ার প্রচলিত ধারণা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অভিনেত্রীর। তার মতে, সমাজে শান্ত ও চুপচাপ থাকা মেয়েদের ভালো হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু কেউ স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করলেই তাকে ‘অলক্ষ্মী’ বলা হতে পারে। অথচ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করা কোনোভাবেই কাউকে খারাপ মানুষ করে তোলে না।ইশার মতে, যতক্ষণ একটি মেয়ে অন্যের পছন্দ অনুযায়ী চলে এবং নীরবে সবকিছু সহ্য করে, ততক্ষণ তাকে ভালো বলা হয়। কিন্তু নিজের মত প্রকাশ করলেই তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেতে পারে। এই মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।অভিনেত্রীর কাছে লক্ষ্মী হওয়ার অর্থ শুধু অর্থ-সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তার চোখে, যারা ঘর ও বাইরের দায়িত্ব সমানভাবে সামলান, নিজের ভালো থাকার পাশাপাশি আশপাশের মানুষকেও ভালো রাখেন, তারাই প্রকৃত অর্থে লক্ষ্মী। সবার ঘরে লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকুক, দারিদ্র দূর হোক এবং মানুষের জীবনে নতুন আলো আসুক—এমন প্রত্যাশাও জানিয়েছেন ইশা।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০৩, আক্রান্ত লাখের কাছাকাছি

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০৩, আক্রান্ত লাখের কাছাকাছি

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৯৩ জন, যা চলতি বছরে এক দিনে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তির রেকর্ড। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে।রবিবার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনেই ডেঙ্গুতে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ১৯৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ২৭৫ জনে।এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৭৯৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৯২ হাজার ৪০৩ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তির হিসাবে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ১ হাজার ৩০ জন। এছাড়া খুলনায় ৩০৪ জন, চট্টগ্রামে ২৯৩ জন, বরিশালে ২৩৬ জন, রাজশাহীতে ১৬০ জন, রংপুরে ৮৪ জন এবং ময়মনসিংহে ৭০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি সাহী চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা

মার্কিন কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাহী চৌধুরী। নিউইয়র্কের কংগ্রেস সদস্য টিমোথি এম. কেনেডি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ‘কংগ্রেশনাল রেকর্ড’-এর মাধ্যমে তাকে এই বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করেন।কংগ্রেস সদস্য টিমোথি এম. কেনেডি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সাহী চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে বাফেলো শহর ও ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্ক অঞ্চলে জনসেবা, স্থানীয় ব্যবসা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।সাহী চৌধুরীর কর্মদক্ষতা ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালে তিনি ‘বাফেলো বিজনেস ফার্স্ট’-এর মর্যাদাপূর্ণ ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ তালিকায় স্থান পান। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে স্টেট, সিটি এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্কের প্রতিনিধিত্ব করেছেন সাহী চৌধুরী।বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলো শহরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের সিলেট শহরে।মার্কিন কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক নথিতে এমন স্বীকৃতি অর্জনকে তার কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ উপলক্ষে সাহী চৌধুরীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ।বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের মতে, সাহী চৌধুরীর এই অর্জন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। পাশাপাশি এটি প্রবাসে বাংলাদেশিদের কর্মদক্ষতা, সামাজিক অবদান ও সাফল্যের পরিচয় তুলে ধরবে।মার্কিন কংগ্রেসে সাহী চৌধুরীর এই বিশেষ স্বীকৃতি তার ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও গর্বের একটি উপলক্ষ।

মাদকদ্রব্য কিশোর গ্যাং নির্মূল করি-- এমন স্লোগানে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি  উদ্বোধন

মাদকদ্রব্য কিশোর গ্যাং নির্মূল করি-- এমন স্লোগানে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি উদ্বোধন

মাদকদ্রব্য কিশোর গ্যাং নির্মূল করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি এমন স্লোগানে  লক্ষ্মীপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৬।মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে বেলুন উড়িয়ে  প্রতিযোগিতার  উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী। লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে এবং জেলা কমিউনিটি পুলিশের সহযোগিতায় এমন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান, জাকির হোসেন পাটোয়ারী, সাংবাদিক আনিছ কবির, মো. আজাদ, আমিনুল ইসলাম রাজু, মো. ইব্রাহিম, সাংবাদিক মাহমুদ ফারুকসহ  অনেকেই। প্রতিযোগিতায় লক্ষ্মীপুর জেলার ৬টি উপজেলার অনূর্ধ্ব-২০ বালক ও বালিকা ১২টি দল অংশ নেয়।কাবাডি খেলা উদ্বোধনের সময় বিভিন্ন উপজেলার খেলোয়াড়, পুলিশ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয় পুলিশ লাইন্স মাঠ। দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে বিকেলে ফাইনাল খেলা শেষে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০৩, আক্রান্ত লাখের কাছাকাছি

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৯৩ জন, যা চলতি বছরে এক দিনে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তির রেকর্ড। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে।রবিবার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনেই ডেঙ্গুতে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ১৯৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ২৭৫ জনে।এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৭৯৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৯২ হাজার ৪০৩ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তির হিসাবে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ১ হাজার ৩০ জন। এছাড়া খুলনায় ৩০৪ জন, চট্টগ্রামে ২৯৩ জন, বরিশালে ২৩৬ জন, রাজশাহীতে ১৬০ জন, রংপুরে ৮৪ জন এবং ময়মনসিংহে ৭০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ২৪৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মশাবাহিত রোগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৫ জনে।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৪৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ হাজার ৬২০ জনে।নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১২ জন, চট্টগ্রামে ৩৪৩, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২০, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৮৯, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২১০, খুলনায় ২৪৮, ময়মনসিংহে ১১০, রাজশাহীতে ২১১, রংপুরে ৯৯ এবং সিলেটে ১৪ জন রয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ৭৩ হাজার ৮৯০ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৮৮২ জন।

মানুষ কি অসভ্য, নাকি আমাদের সিস্টেমই মানুষকে অসভ্য করে?

কথিত ‘অসভ্য’ মানুষ যখন উন্নত ও সুশৃঙ্খল কোনো ব্যবস্থার মধ্যে যায়, তখন অনেক সময় তাকেই দেখা যায় নিয়ম মেনে চলতে। মেট্রোরেলে ওঠার সময় মানুষ সারিবদ্ধ হয়, নির্ধারিত স্থানে দাঁড়ায়, টিকিট কাটে এবং অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে চলাচল করে। তাহলে প্রশ্ন ওঠে—মানুষ কি জন্মগতভাবেই নিয়মভাঙা, নাকি ভালো ব্যবস্থাপনা মানুষকে নিয়ম মানতে শেখায়?বাংলাদেশের মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের শরিয়াহভিত্তিক আইন ও কঠোর নিয়মকানুনের দেশগুলোতে গিয়ে সেখানকার আইন মেনে চলে। একই মানুষ চীন, জাপান, ইউরোপ কিংবা অন্য উন্নত দেশেও গিয়ে স্থানীয় আইন-কানুন ও সামাজিক শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়। এর অর্থ এই নয় যে সব মানুষ সবসময় ভালো বা আইন মান্যকারী। বরং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—সুশাসন, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা মানুষের আচরণকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।তাই শুধু মানুষকে দোষারোপ করে সমস্যার সমাধান হবে না। প্রয়োজন এমন একটি সিস্টেম, যেখানে আইন সবার জন্য সমান হবে, অন্যায় করলে শাস্তি নিশ্চিত হবে এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি থাকবে। বিচার যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষ হয়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যদি বাস্তব হয় এবং ক্ষমতাবান ও সাধারণ মানুষের জন্য একই আইন কার্যকর হয়, তাহলে সমাজে নিয়ম মানার প্রবণতা স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।দেশ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার করেছে। এই দীর্ঘ সময়ে উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার, দখল, অনিয়ম ও সম্পদের অসম বণ্টন নিয়ে সমাজে বহু প্রশ্ন উঠেছে। এখন সময় এসেছে প্রশ্ন করার—কোথায় থামতে হবে, সেটাও কি আমরা শিখব না?অঢেল সম্পদ অর্জনের প্রতিযোগিতার শেষ কোথায়? মৃত্যুর পর কাফনের কাপড়ে তো পকেট থাকে না। মানুষের প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সম্পদ যদি রাষ্ট্র ও সমাজের ক্ষতির বিনিময়ে অর্জিত হয়, তাহলে সেই সম্পদের সামাজিক মূল্য কী?আরেকটি ভয়াবহ সংকট হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ। ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিতভাবে কাপড় ধোয়া, শিল্পকারখানা চালানো কিংবা অন্যান্য কাজে পানি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক লাভ হতে পারে; কিন্তু এর দীর্ঘমেয়াদি মূল্য দিতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। আজ আমরা যে পানি অপচয় করছি, আগামী প্রজন্ম হয়তো সেই পানির জন্যই সংগ্রাম করবে।প্রশ্নটি তাই শুধু আজকের লাভের নয়—আগামী দিনের বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়াবে?যাদের সম্পদ আছে, তারা প্রয়োজনে বিদেশে বা দেশের বিভিন্ন নিরাপদ এলাকায় বসবাসের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের যাওয়ার জায়গা কোথায়? দেশের মাটি, পানি, পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত আমাদের সবার।অতএব, মানুষকে শুধু ‘অসভ্য’ বলে গালি না দিয়ে সিস্টেমকে সভ্য করার উদ্যোগ নিতে হবে। আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।মানুষকে ভালো হতে বলার পাশাপাশি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে, যেখানে ভালোভাবে চলাটাই হবে সবচেয়ে সহজ পথ এবং অন্যায় করাটাই হবে সবচেয়ে কঠিন পথ।এখনই সময় থামার, হিসাব করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবার। কারণ সম্পদ রেখে যাওয়া বড় কথা নয়—কেমন একটি দেশ রেখে যাচ্ছি, সেটাই ইতিহাসের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়কমন্ত্রী

সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে এক পয়সাও বেশি আদায় করলে সংশ্লিষ্ট বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে জরিমানা এবং ভবিষ্যতে রুট পারমিট দেওয়ার ক্ষেত্রে জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, নতুন নির্ধারিত বাসভাড়ার প্রজ্ঞাপন মঙ্গলবারই প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পরই নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রতি লিটার জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ভাড়াও সমন্বয়ের দাবি থাকে বলে জানান তিনি।শেখ রবিউল আলম বলেন, এবার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বেড়েছে। প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়ার কথা থাকলেও সরকার তা ১৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে।তিনি বলেন, জ্বালানির পাশাপাশি পরিবহন খাতে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দামও বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। তবে ভাড়া কমানো সম্ভব হলে সেটিই ভালো হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ইতোমধ্যে বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এবার নির্ধারিত ভাড়ার কোনো ব্যত্যয় হতে দেওয়া হবে না। কেউ বাড়তি ভাড়া নিলে তার বিরুদ্ধে জরিমানা করা হবে এবং রুট পারমিট বাতিলের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পারমিট পাওয়ার বিষয়েও জবাবদিহি করতে হবে।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।রেলভাড়া প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, গতবার রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়নি, এবারও এখন পর্যন্ত রেলের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেই।এ ছাড়া লঞ্চভাড়া নিয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।