নওগাঁয় ২০ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগানে ২০ হাজার চারা রোপণ
সবুজায়ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি। তিনি বলেন, সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ১ নম্বর হাজীনগর ইউনিয়নের হাসুরা মৌজায় বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত চারা রোপণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় ওই এলাকায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ স্ট্রিপ বাগানে ১৫ প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। ক্রসড্রাম থেকে বেলট্রি মৌজার রাজ্জাক চেয়ারম্যানের জমি পর্যন্ত এবং ভায়া হাসুরা মৌজার শিবেরশ্বরের জমি থেকে পলাশের জমি পর্যন্ত খাড়ির উভয় পাড়ে এ বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিকল্পিত বনায়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে খাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানের পাশে বৃক্ষরোপণ পরিবেশের উন্নয়নের পাশাপাশি মাটির ক্ষয় রোধ এবং জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণে বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে রোপণ করা চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বনায়ন কার্যক্রমের ফলে স্থানীয় পরিবেশের উন্নয়ন, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। চারা রোপণ অনুষ্ঠানে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ নীতিমালার মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সারা দেশে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হলো।কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি নারী পরিবারপ্রধানকে সরাসরি জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত দরিদ্র ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবনধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মসূচিটির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি একক ও ডিজিটাল পরিচিতির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ‘ওয়ান-আইডি’ হবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল ভিত্তি। এটি শুধু একটি পরিচিতি নম্বর হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ডেটা গভর্ন্যান্স কাঠামো হিসেবেও কাজ করবে।যেসব পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে নানীতিমালায় ফ্যামিলি কার্ডের নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচের যেকোনো একটি শর্ত প্রযোজ্য হলে ব্যক্তি বা পরিবার এ সুবিধার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে—সরকার নির্ধারিত পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি স্কোর পাওয়া পরিবার।পরিবারের মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীরাও এ সুবিধার বাইরে থাকবেন।মনোনীত নারীপ্রধান নিয়মিত সরকারি পেনশন বা অনুরূপ অবসর সুবিধা গ্রহণ করলে। তবে প্রতিবন্ধী সন্তান হিসেবে বিশেষ পেনশন সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়, ফিক্সড ডিপোজিট বা অন্য কোনো বিনিয়োগ থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে। এর মধ্যে সিএনজি বা পেট্রলচালিত ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও মাইক্রোবাস রয়েছে।পরিবারের কোনো সদস্যের বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হালনাগাদ লাইসেন্সধারী ব্যবসা থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তার করযোগ্য আয় থাকলে।বসতভিটাসহ পরিবারের মোট আবাদি জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে। এছাড়া কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি কিংবা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি সুবিধার বাইরে থাকবে।একই সঙ্গে একাধিক সরকারি সুবিধা নয়নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মনোনীত নারী পরিবারপ্রধান একই সময়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সমজাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে আর্থিক, খাদ্য বা অন্য কোনো সুবিধা নিতে পারবেন না।কোনো নারীপ্রধান আগে থেকেই টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির সুবিধা পেয়ে থাকলে কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ যাচাইয়ের মাধ্যমে আগের সুবিধা বাতিল বা স্থগিত করা হবে।একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা বা সমজাতীয় সরকারি নগদ সহায়তার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ড চালু হওয়ার পর মনোনীত নারীপ্রধান একই সময়ে এসব কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারবেন না।তবে মনোনীত নারীপ্রধান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
নেপথ্যে সিন্ডিকেটের অভিযোগ / গুলশান-বনানীতে স্পার আড়ালে ‘অনৈতিক কারবার’
দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ নীতিমালার মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সারা দেশে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হলো।কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি নারী পরিবারপ্রধানকে সরাসরি জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত দরিদ্র ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবনধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মসূচিটির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি একক ও ডিজিটাল পরিচিতির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ‘ওয়ান-আইডি’ হবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল ভিত্তি। এটি শুধু একটি পরিচিতি নম্বর হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ডেটা গভর্ন্যান্স কাঠামো হিসেবেও কাজ করবে।যেসব পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে নানীতিমালায় ফ্যামিলি কার্ডের নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচের যেকোনো একটি শর্ত প্রযোজ্য হলে ব্যক্তি বা পরিবার এ সুবিধার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে—সরকার নির্ধারিত পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি স্কোর পাওয়া পরিবার।পরিবারের মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীরাও এ সুবিধার বাইরে থাকবেন।মনোনীত নারীপ্রধান নিয়মিত সরকারি পেনশন বা অনুরূপ অবসর সুবিধা গ্রহণ করলে। তবে প্রতিবন্ধী সন্তান হিসেবে বিশেষ পেনশন সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়, ফিক্সড ডিপোজিট বা অন্য কোনো বিনিয়োগ থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে। এর মধ্যে সিএনজি বা পেট্রলচালিত ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও মাইক্রোবাস রয়েছে।পরিবারের কোনো সদস্যের বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হালনাগাদ লাইসেন্সধারী ব্যবসা থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তার করযোগ্য আয় থাকলে।বসতভিটাসহ পরিবারের মোট আবাদি জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে। এছাড়া কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি কিংবা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি সুবিধার বাইরে থাকবে।একই সঙ্গে একাধিক সরকারি সুবিধা নয়নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মনোনীত নারী পরিবারপ্রধান একই সময়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সমজাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে আর্থিক, খাদ্য বা অন্য কোনো সুবিধা নিতে পারবেন না।কোনো নারীপ্রধান আগে থেকেই টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির সুবিধা পেয়ে থাকলে কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ যাচাইয়ের মাধ্যমে আগের সুবিধা বাতিল বা স্থগিত করা হবে।একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা বা সমজাতীয় সরকারি নগদ সহায়তার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ড চালু হওয়ার পর মনোনীত নারীপ্রধান একই সময়ে এসব কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারবেন না।তবে মনোনীত নারীপ্রধান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
হাজারীবাগের মাদক সাম্রাজ্যের নেপথ্যের সম্রাট রাজেশ ও নিখিল
দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ নীতিমালার মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সারা দেশে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হলো।কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি নারী পরিবারপ্রধানকে সরাসরি জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত দরিদ্র ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবনধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মসূচিটির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি একক ও ডিজিটাল পরিচিতির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ‘ওয়ান-আইডি’ হবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল ভিত্তি। এটি শুধু একটি পরিচিতি নম্বর হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ডেটা গভর্ন্যান্স কাঠামো হিসেবেও কাজ করবে।যেসব পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে নানীতিমালায় ফ্যামিলি কার্ডের নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচের যেকোনো একটি শর্ত প্রযোজ্য হলে ব্যক্তি বা পরিবার এ সুবিধার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে—সরকার নির্ধারিত পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি স্কোর পাওয়া পরিবার।পরিবারের মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীরাও এ সুবিধার বাইরে থাকবেন।মনোনীত নারীপ্রধান নিয়মিত সরকারি পেনশন বা অনুরূপ অবসর সুবিধা গ্রহণ করলে। তবে প্রতিবন্ধী সন্তান হিসেবে বিশেষ পেনশন সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়, ফিক্সড ডিপোজিট বা অন্য কোনো বিনিয়োগ থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে। এর মধ্যে সিএনজি বা পেট্রলচালিত ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও মাইক্রোবাস রয়েছে।পরিবারের কোনো সদস্যের বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হালনাগাদ লাইসেন্সধারী ব্যবসা থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তার করযোগ্য আয় থাকলে।বসতভিটাসহ পরিবারের মোট আবাদি জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে। এছাড়া কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি কিংবা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি সুবিধার বাইরে থাকবে।একই সঙ্গে একাধিক সরকারি সুবিধা নয়নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মনোনীত নারী পরিবারপ্রধান একই সময়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সমজাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে আর্থিক, খাদ্য বা অন্য কোনো সুবিধা নিতে পারবেন না।কোনো নারীপ্রধান আগে থেকেই টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির সুবিধা পেয়ে থাকলে কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ যাচাইয়ের মাধ্যমে আগের সুবিধা বাতিল বা স্থগিত করা হবে।একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা বা সমজাতীয় সরকারি নগদ সহায়তার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ড চালু হওয়ার পর মনোনীত নারীপ্রধান একই সময়ে এসব কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারবেন না।তবে মনোনীত নারীপ্রধান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
নওগাঁয় ২০ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগানে ২০ হাজার চারা রোপণ
সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
কুড়িগ্রামে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু
পুলিশের বিরুদ্ধে উল্টো জমির মালিককে ফাঁসানোর দাবি
চার মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন রদবদল
৫৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ঘাটতি, কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে: পরিবেশমন্ত্রী
আগস্টে এলো ৩৬ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয়
সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।রাষ্ট্রপতি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অপতথ্য, মিথ্যা তথ্য ও গুজব প্রচারসহ সাইবার অপরাধ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রধানকে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।এসব বিষয়ে জনগণকে নিয়মিত অবহিত করা এবং ব্যাপক প্রচারণা চালানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, জনগণকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ পুলিশকে নির্দেশনা দেন তিনি।সাক্ষাৎকালে আইজিপি পুলিশ বাহিনীর মনোবল দৃঢ় রাখা এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজেশনে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি পুলিশ বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন