দখলচেষ্টা ও কোটি টাকার মালামাল লুটপাটের অভিযোগ / পুলিশের বিরুদ্ধে উল্টো জমির মালিককে ফাঁসানোর দাবি
নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী শেখের চর (বাবুরহাট) কাপড়ের বাজারে প্রতারণামূলক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলকে কেন্দ্র করে জমি দখলচেষ্টা ও প্রায় এক কোটি টাকার মালামাল লুটপাটের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা তদন্ত ও বিচার চাওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারের মামলা গ্রহণ না করে উল্টো জমির মালিককে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।আজ সকালে নরসিংদীর ভগীরথপুরস্থ নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলেন জমির মালিক শাহীন ভূইয়ার মেয়ে সাদিকা আক্তার সাথী।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা জানান, বিতর্কিত ওই ভূমির ওপর দেওয়ানী আদালত থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা রয়েছে। তবে আদালতের স্পষ্ট আদেশ অমান্য করে বিবাদী শহীদুল্লাহ বাহার ও তার সহযোগীরা স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বুরহানকে সঙ্গে নিয়ে অন্যায্যভাবে জমি দখলের পাঁয়তারা চালায়। দখলের একপর্যায়ে ভাড়াটিয়াদের একাধিক দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে থাকা প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল ও কাপড় লুট করে নিয়ে যায় দখলকারীরা।সাদিকা আক্তার সাথী অভিযোগ করে বলেন, "ঘটনার পর আমরা ন্যায়বিচারের আশায় থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে গেলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। উল্টো বিবাদীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে আমার নিরীহ বাবা (জমির মালিক)-এর বিরুদ্ধেই মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার ও জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।"সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সায়মা আক্তার, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান-ভাড়াটিয়া গোলাপ মিয়াসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা অবিলম্বে মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জমির মালিক শাহীন ভূইয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির জোড় দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় সাংবাদিক প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতা চেয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ।শনিবার (২৯ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশি কনসার্ট বন্ধের ঘটনা এবং এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ব্যাখ্যাও দেন তিনি।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও সিনেমা অনেকটা নিষিদ্ধের মতোই। তার দাবি, এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার দায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের ওপর চাপিয়েছেন এবং সেখানকার আলেমদের ভাবমূর্তি বিশ্ববাসীর সামনে ক্ষুণ্ন করেছেন।পুলিশের কনসার্ট বন্ধ হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, গণমাধ্যমে ঘটনাটি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, বাস্তব চিত্র তার চেয়ে আলাদা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে উচ্চ শব্দের কারণে মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। এ কারণে শিক্ষার্থীরা সাউন্ড কমানোর অনুরোধ করেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে পরবর্তী ঘটনা ঘটে এবং পুলিশের লাঠিপেটায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।তিনি দাবি করেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কনসার্ট বন্ধ করে দেননি; তারা শুধু শব্দ কমাতে বলেছিলেন। তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ—এমন ধারণা তৈরি করা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এদিকে নৌকাবাইচের প্রসঙ্গেও নিজের বক্তব্যে তথ্যগত ভুলের কথা স্বীকার করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি জানান, নৌকাবাইচের স্থান হিসেবে সিলেটের পরিবর্তে ভুল করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম বলে ফেলেছিলেন। এ ভুলের কারণে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তিনি বিব্রত এবং এ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন।তবে পাশাপাশি মূল ঘটনা কী ছিল এবং গণমাধ্যমে ঘটনাটি কীভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে, সে বিষয়টি সংসদে তুলে ধরা উচিত ছিল বলে মনে করেন হাসনাত। তার ভাষ্য, সম্পূরক প্রশ্নের জন্য সময় সীমিত থাকায় বিস্তারিত বলার সুযোগ তিনি পাননি।স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, তিনি এবং তার দল জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করেন এবং তাদের নীতি ও সিদ্ধান্ত সেই আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই নিতে চান।জুলাইয়ের আদর্শের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জুলাই একটি সর্বজনীন সমাজের স্বপ্ন দেখায়, যেখানে সব মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং কেউ নিজের মত বা দৃষ্টিভঙ্গি অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবে না। মতের পার্থক্য ও বিতর্ক থাকবে, তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজের মতামতকে অন্যের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেবে না—এটাই জুলাইয়ের মূল চেতনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।হাসনাত বলেন, বাংলাদেশ সবার। এখানে মসজিদ, মন্দির, সঙ্গীত, ওয়াজ, মাজার, কনসার্ট, মাহফিল, রথযাত্রা ও সিনেমা উৎসব—সবই থাকবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনারও সুযোগ থাকবে। যার যে বিষয় পছন্দ, সে তাতে অংশ নেবে; আর যে পছন্দ করে না, সে সেখানে যাবে না।তার মতে, সরকারের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কেউ যেন অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।সরকার সেই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর ফলে সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন এনসিপির এই নেতা।জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই ছিল ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে মানুষের আন্দোলন। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সম্মান করার লক্ষ্যেই সেই আন্দোলন হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, সেই আদর্শের ভিত্তিতে একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবেন।
নেপথ্যে সিন্ডিকেটের অভিযোগ / গুলশান-বনানীতে স্পার আড়ালে ‘অনৈতিক কারবার’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতা চেয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ।শনিবার (২৯ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশি কনসার্ট বন্ধের ঘটনা এবং এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ব্যাখ্যাও দেন তিনি।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও সিনেমা অনেকটা নিষিদ্ধের মতোই। তার দাবি, এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার দায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের ওপর চাপিয়েছেন এবং সেখানকার আলেমদের ভাবমূর্তি বিশ্ববাসীর সামনে ক্ষুণ্ন করেছেন।পুলিশের কনসার্ট বন্ধ হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, গণমাধ্যমে ঘটনাটি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, বাস্তব চিত্র তার চেয়ে আলাদা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে উচ্চ শব্দের কারণে মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। এ কারণে শিক্ষার্থীরা সাউন্ড কমানোর অনুরোধ করেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে পরবর্তী ঘটনা ঘটে এবং পুলিশের লাঠিপেটায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।তিনি দাবি করেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কনসার্ট বন্ধ করে দেননি; তারা শুধু শব্দ কমাতে বলেছিলেন। তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ—এমন ধারণা তৈরি করা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এদিকে নৌকাবাইচের প্রসঙ্গেও নিজের বক্তব্যে তথ্যগত ভুলের কথা স্বীকার করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি জানান, নৌকাবাইচের স্থান হিসেবে সিলেটের পরিবর্তে ভুল করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম বলে ফেলেছিলেন। এ ভুলের কারণে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তিনি বিব্রত এবং এ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন।তবে পাশাপাশি মূল ঘটনা কী ছিল এবং গণমাধ্যমে ঘটনাটি কীভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে, সে বিষয়টি সংসদে তুলে ধরা উচিত ছিল বলে মনে করেন হাসনাত। তার ভাষ্য, সম্পূরক প্রশ্নের জন্য সময় সীমিত থাকায় বিস্তারিত বলার সুযোগ তিনি পাননি।স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, তিনি এবং তার দল জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করেন এবং তাদের নীতি ও সিদ্ধান্ত সেই আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই নিতে চান।জুলাইয়ের আদর্শের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জুলাই একটি সর্বজনীন সমাজের স্বপ্ন দেখায়, যেখানে সব মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং কেউ নিজের মত বা দৃষ্টিভঙ্গি অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবে না। মতের পার্থক্য ও বিতর্ক থাকবে, তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজের মতামতকে অন্যের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেবে না—এটাই জুলাইয়ের মূল চেতনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।হাসনাত বলেন, বাংলাদেশ সবার। এখানে মসজিদ, মন্দির, সঙ্গীত, ওয়াজ, মাজার, কনসার্ট, মাহফিল, রথযাত্রা ও সিনেমা উৎসব—সবই থাকবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনারও সুযোগ থাকবে। যার যে বিষয় পছন্দ, সে তাতে অংশ নেবে; আর যে পছন্দ করে না, সে সেখানে যাবে না।তার মতে, সরকারের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কেউ যেন অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।সরকার সেই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর ফলে সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন এনসিপির এই নেতা।জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই ছিল ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে মানুষের আন্দোলন। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সম্মান করার লক্ষ্যেই সেই আন্দোলন হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, সেই আদর্শের ভিত্তিতে একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবেন।
হাজারীবাগের মাদক সাম্রাজ্যের নেপথ্যের সম্রাট রাজেশ ও নিখিল
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতা চেয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ।শনিবার (২৯ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশি কনসার্ট বন্ধের ঘটনা এবং এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ব্যাখ্যাও দেন তিনি।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও সিনেমা অনেকটা নিষিদ্ধের মতোই। তার দাবি, এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার দায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের ওপর চাপিয়েছেন এবং সেখানকার আলেমদের ভাবমূর্তি বিশ্ববাসীর সামনে ক্ষুণ্ন করেছেন।পুলিশের কনসার্ট বন্ধ হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, গণমাধ্যমে ঘটনাটি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, বাস্তব চিত্র তার চেয়ে আলাদা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে উচ্চ শব্দের কারণে মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। এ কারণে শিক্ষার্থীরা সাউন্ড কমানোর অনুরোধ করেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে পরবর্তী ঘটনা ঘটে এবং পুলিশের লাঠিপেটায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।তিনি দাবি করেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কনসার্ট বন্ধ করে দেননি; তারা শুধু শব্দ কমাতে বলেছিলেন। তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ—এমন ধারণা তৈরি করা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এদিকে নৌকাবাইচের প্রসঙ্গেও নিজের বক্তব্যে তথ্যগত ভুলের কথা স্বীকার করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি জানান, নৌকাবাইচের স্থান হিসেবে সিলেটের পরিবর্তে ভুল করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম বলে ফেলেছিলেন। এ ভুলের কারণে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তিনি বিব্রত এবং এ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন।তবে পাশাপাশি মূল ঘটনা কী ছিল এবং গণমাধ্যমে ঘটনাটি কীভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে, সে বিষয়টি সংসদে তুলে ধরা উচিত ছিল বলে মনে করেন হাসনাত। তার ভাষ্য, সম্পূরক প্রশ্নের জন্য সময় সীমিত থাকায় বিস্তারিত বলার সুযোগ তিনি পাননি।স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, তিনি এবং তার দল জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করেন এবং তাদের নীতি ও সিদ্ধান্ত সেই আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই নিতে চান।জুলাইয়ের আদর্শের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জুলাই একটি সর্বজনীন সমাজের স্বপ্ন দেখায়, যেখানে সব মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং কেউ নিজের মত বা দৃষ্টিভঙ্গি অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবে না। মতের পার্থক্য ও বিতর্ক থাকবে, তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজের মতামতকে অন্যের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেবে না—এটাই জুলাইয়ের মূল চেতনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।হাসনাত বলেন, বাংলাদেশ সবার। এখানে মসজিদ, মন্দির, সঙ্গীত, ওয়াজ, মাজার, কনসার্ট, মাহফিল, রথযাত্রা ও সিনেমা উৎসব—সবই থাকবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনারও সুযোগ থাকবে। যার যে বিষয় পছন্দ, সে তাতে অংশ নেবে; আর যে পছন্দ করে না, সে সেখানে যাবে না।তার মতে, সরকারের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কেউ যেন অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।সরকার সেই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর ফলে সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন এনসিপির এই নেতা।জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই ছিল ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে মানুষের আন্দোলন। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সম্মান করার লক্ষ্যেই সেই আন্দোলন হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, সেই আদর্শের ভিত্তিতে একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবেন।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
কুড়িগ্রামে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু
পুলিশের বিরুদ্ধে উল্টো জমির মালিককে ফাঁসানোর দাবি
চার মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন রদবদল
৫৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ঘাটতি, কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে: পরিবেশমন্ত্রী
আগস্টে এলো ৩৬ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয়
সিংগাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
৮ শ্রেণির মানুষ পাবে না ফ্যামিলি কার্ড
গুলশান-বনানীতে স্পার আড়ালে ‘অনৈতিক কারবার’
চার মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন রদবদল
চারটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব পদায়ন করেছে সরকার। এর মধ্যে তিনজন অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করা হয়েছে।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে সাতটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইয়াসমিন বেগমকে পদোন্নতি দিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজীকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত অতিরিক্ত সচিব ড. এ এন এম বজলুর রশীদকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তিভিত্তিক সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হককে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) পদে বদলি করা হয়েছে।তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের চুক্তিভিত্তিক সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব (চুক্তিভিত্তিক) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এদিকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।এ ছাড়া পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরির নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহানকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে তার অবসর কার্যকর হবে। একই সঙ্গে অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) হিসেবে তাকে এক বছরের ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে।
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন