প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, তবে রোগীর প্রতি চিকিৎসকের মানবিক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। চিকিৎসক, রোগী ও উদ্বিগ্ন স্বজন; এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের সম্পর্ক থাকা উচিত।তিনি বলেন, শিশুস্বাস্থ্যের প্রতি সরকার বিশেষ নজর দিয়েছে। আগামী অক্টোবরে পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল উদ্বোধন করবে সরকার।স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য সংশ্লিষ্ট খাতের প্রত্যেকের ভূমিকার ওপর নির্ভর করছে।এর আগে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দোয়া ও মোনাজাতেও অংশ নেন সরকারপ্রধান।পরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্তের পূর্ণ অধিকার আছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা চাই ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করতে। আমাদের কাজ করতে হবে। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার (৯ আগস্ট) বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রপাড়ে জনসভায় এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বন্যায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। আল্লাহর রহমতে ১০০ বাড়ির চাবি তুলে দিতে পারছি। কিছু দুস্থ মহিলাকে আমরা চাল দিয়ে সহযোগিতা করেছি। বর্তমান সরকারকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন, এ বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচিত করেছে। এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এ দেশের মানুষের পাশে থাকা, সুখে দুঃখে থাকা, মা-বোনদের পাশে থাকা, সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।তিনি আরো বলেন,আপনারা দেখেছেন, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা সেই ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের কাজে হাত দিয়েছিলাম এবং আল্লাহর রহমতে পাইলট প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এ মাসের ১৬ তারিখ থেকে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করছি। সমগ্র দেশে এ বছর প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেব। এ উপজেলার মধ্যে ১০-১২ হাজার পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড আগামী অর্থবছরের মধ্যে তুলে দেব এবং আগামী চার বছর ধরে এটি চলবে। আরও অনেক মা-বোনেরা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ভাইদের পাশাপাশি যাতে বোনেরাও সংসারের হাল ধরতে পারে। একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলতে পারে, সন্তানদের লেখাপড়া করাতে পারে, স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে। সেই জন্য মা’দের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এ ব্যবস্থা করছি। ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থাও করেছি। আলোচনা করে আমরা লবণের মূল্য নির্ধারণ করেছি। কিছু দিনের মধ্যে সেই দামটি জানিয়ে দেব।তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের পূর্বশর্ত দেশে শান্তি শৃঙ্খলা। বাজারে গণ্ডগোল হলে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা চাইবে, সঠিকভাবে বন্দর থেকে যেন কাঁচামাল আসতে পারে। তাই আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ।সমাবেশে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবদুল করিম।
নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের / পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা চাই ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করতে। আমাদের কাজ করতে হবে। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার (৯ আগস্ট) বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রপাড়ে জনসভায় এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বন্যায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। আল্লাহর রহমতে ১০০ বাড়ির চাবি তুলে দিতে পারছি। কিছু দুস্থ মহিলাকে আমরা চাল দিয়ে সহযোগিতা করেছি। বর্তমান সরকারকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন, এ বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচিত করেছে। এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এ দেশের মানুষের পাশে থাকা, সুখে দুঃখে থাকা, মা-বোনদের পাশে থাকা, সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।তিনি আরো বলেন,আপনারা দেখেছেন, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা সেই ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের কাজে হাত দিয়েছিলাম এবং আল্লাহর রহমতে পাইলট প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এ মাসের ১৬ তারিখ থেকে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করছি। সমগ্র দেশে এ বছর প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেব। এ উপজেলার মধ্যে ১০-১২ হাজার পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড আগামী অর্থবছরের মধ্যে তুলে দেব এবং আগামী চার বছর ধরে এটি চলবে। আরও অনেক মা-বোনেরা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ভাইদের পাশাপাশি যাতে বোনেরাও সংসারের হাল ধরতে পারে। একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলতে পারে, সন্তানদের লেখাপড়া করাতে পারে, স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে। সেই জন্য মা’দের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এ ব্যবস্থা করছি। ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থাও করেছি। আলোচনা করে আমরা লবণের মূল্য নির্ধারণ করেছি। কিছু দিনের মধ্যে সেই দামটি জানিয়ে দেব।তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের পূর্বশর্ত দেশে শান্তি শৃঙ্খলা। বাজারে গণ্ডগোল হলে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা চাইবে, সঠিকভাবে বন্দর থেকে যেন কাঁচামাল আসতে পারে। তাই আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ।সমাবেশে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবদুল করিম।
সিংড়ায় পাটের বাম্পার ফলন! দামেও খুশি কৃষক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা চাই ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করতে। আমাদের কাজ করতে হবে। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার (৯ আগস্ট) বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রপাড়ে জনসভায় এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বন্যায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। আল্লাহর রহমতে ১০০ বাড়ির চাবি তুলে দিতে পারছি। কিছু দুস্থ মহিলাকে আমরা চাল দিয়ে সহযোগিতা করেছি। বর্তমান সরকারকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন, এ বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচিত করেছে। এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এ দেশের মানুষের পাশে থাকা, সুখে দুঃখে থাকা, মা-বোনদের পাশে থাকা, সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।তিনি আরো বলেন,আপনারা দেখেছেন, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা সেই ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের কাজে হাত দিয়েছিলাম এবং আল্লাহর রহমতে পাইলট প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এ মাসের ১৬ তারিখ থেকে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করছি। সমগ্র দেশে এ বছর প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেব। এ উপজেলার মধ্যে ১০-১২ হাজার পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড আগামী অর্থবছরের মধ্যে তুলে দেব এবং আগামী চার বছর ধরে এটি চলবে। আরও অনেক মা-বোনেরা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ভাইদের পাশাপাশি যাতে বোনেরাও সংসারের হাল ধরতে পারে। একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলতে পারে, সন্তানদের লেখাপড়া করাতে পারে, স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে। সেই জন্য মা’দের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এ ব্যবস্থা করছি। ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থাও করেছি। আলোচনা করে আমরা লবণের মূল্য নির্ধারণ করেছি। কিছু দিনের মধ্যে সেই দামটি জানিয়ে দেব।তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের পূর্বশর্ত দেশে শান্তি শৃঙ্খলা। বাজারে গণ্ডগোল হলে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা চাইবে, সঠিকভাবে বন্দর থেকে যেন কাঁচামাল আসতে পারে। তাই আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ।সমাবেশে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবদুল করিম।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
শাপলা চত্বরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্তে আলোচিত নাম
ফ্যামিলিকার্ডের বাইরে নিত্য পণ্য বিক্রির নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে টিসিবি
প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
দোকানের পেটে সওজের মাইলফলক, অরক্ষিত বড় গাছ
প্রবাসে থেকেই মিলছে ঢাকা জেলার ভূমি সমস্যার প্রতিকার
গ্যাস সংকটে নরসিংদীতে স্থবির জনজীবন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরুদ্ধ
প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্তের পূর্ণ অধিকার আছে
সিঙ্গাপুরে ‘বাংলাদেশ রেমিট্যান্স সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা
সিংড়ায় পাটের বাম্পার ফলন! দামেও খুশি কৃষক
নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয় : ডিসি ফরিদা
ফ্যামিলিকার্ডের বাইরে নিত্য পণ্য বিক্রির নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে টিসিবি
বাজারদর কমিয়ে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে বিদ্যমান স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক বিতরণব্যবস্থার বাইরে খোলাবাজারে নির্বাচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নতুন পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এ পরিকল্পনার আওতায় বিদেশ থেকে তুলনামূলক কম দামে সংগ্রহ করা পণ্য কোনো সরকারি ভর্তুকি ছাড়াই প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ।ডাল কম দামে সংগ্রহ করতে পারলে ডালও বিক্রি করব। চিনি কম দামে সংগ্রহ করতে পারলে চিনিও বিক্রি করব।’এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের মধ্যে পণ্য বিক্রি সীমাবদ্ধ না রেখে সব ভোক্তার জন্য নির্বাচিত পণ্য কেনার সুযোগ তৈরি করা।তিনি বলেন, ‘সবাই খোলাবাজারে এসব পণ্য কিনতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে তিন থেকে চার মাস এ কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চালিয়ে বাজারে এর প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা হবে।ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়শল বলেন, প্রথম চালানটিকে ‘পাইলট লট’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বাজারে সংগ্রহ করা পণ্য কার্যকরভাবে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে কি না, তার ওপর উদ্যোগটির ধারাবাহিকতা অনেকাংশে নির্ভর করবে।তিনি বলেন, ‘পণ্য আনলাম, কিন্তু বিক্রি করতে পারলাম না, তাহলে এটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আর বিক্রি করতে পারলে আমরা উদ্যোগটি এগিয়ে নিতে পারব।টিসিবি চেয়ারম্যান স্পষ্ট করে বলেন, খোলাবাজারে প্রস্তাবিত পণ্য বিক্রিতে সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। বরং প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য সংগ্রহ করে তুলনামূলক কম মুনাফায় বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তাদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করবে টিসিবি।তিনি বলেন, ‘এখানে সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। যেহেতু আমি কম দামে কিনেছি, তাই কিছুটা কম দামে বিক্রি করব। তবে তা বাজারদরের চেয়ে কম হবে।’চেয়ারম্যানের মতে, পণ্য ও সংগ্রহমূল্যের ওপর নির্ভর করে প্রচলিত বাজারদরের তুলনায় প্রতি ইউনিটে প্রায় ১০ থেকে ১২ টাকা কম দামে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হতে পারে।তিনি বলেন, এ উদ্যোগ মৌসুমভিত্তিক হবে না। বরং প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের ফলাফল মূল্যায়ন করে তা সফল হলে কর্মসূচি সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করা হবে।ভোজ্যতেলের দাম বর্তমানে বেশি এবং বাজারে এর চাহিদাও শক্তিশালী হওয়ায় প্রাথমিকভাবে এ পণ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। আমরা তেল দিয়ে শুরু করছি, কারণ এখন তেলের দাম বেশি। আমি যদি কম দামে সংগ্রহ করতে না পারি, তাহলে কম দামে বিক্রিও করতে পারব না।’টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, পরবর্তী সময়ে চিনি ও ডালসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও প্রতিযোগিতামূলক দামে সংগ্রহ করা সম্ভব হলে খোলাবাজারে বিক্রির আওতায় আনা হতে পারে। তবে টিসিবি সব সময় সব পণ্যের বাজারে হস্তক্ষেপ করবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরবরাহ বা দামের ওপর চাপ তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পণ্য বাজারে আনা হবে।প্রস্তাবিত খোলাবাজারে বিক্রয় কার্যক্রম টিসিবির বিদ্যমান ভর্তুকিমূল্যে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির বিকল্প নয়, বরং এর অতিরিক্ত একটি কার্যক্রম হবে।তিনি বলেন, ‘ভর্তুকির কার্যক্রমটি আলাদা। তবে এটি বাজারদরে হবে, যদিও প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে।’ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল জানান, টিসিবির বিদ্যমান দায়িত্বের আওতায়ই এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ‘এ কার্যক্রমের জন্য আলাদা কোনো নাম নেই। এটি টিসিবির স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ,’ তিনি বলেন।তিনি জানান, পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না, কারণ টিসিবির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চলতি বাজেটেই প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে এ বাজেটে বরাদ্দ রেখেছি। বর্তমানে অতিরিক্ত কোনো বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন নেই।’টিসিবি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, পরীক্ষামূলক উদ্যোগ সফল হলে পরবর্তী সময়ে আরো বেশি পণ্য এর আওতায় আনা সম্ভব হবে।তিনি বলেন, ‘পাইলট কার্যক্রম সফল হলে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।’তিনি বলেন, ‘পাইলট কার্যক্রম সফল হলে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।’প্রতিযোগিতামূলক দামে খোলাবাজারে টিসিবির উপস্থিতি বাড়ানো গেলে সামগ্রিক বাজারদর কমাতেও তা ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, ‘আমরা যদি পণ্য বাজারে দিতে পারি, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমতে শুরু করবে।’টিসিবি চেয়ারম্যান বলেন, এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নতুন একটি পণ্য সংগ্রহ ও খোলাবাজারে বিক্রয় ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে নির্বাচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কম দামে পৌঁছে দেওয়া। প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে এ ব্যবস্থা পরীক্ষা করে পরে এর সফলতার ভিত্তিতে বৃহত্তর পরিসরে সম্প্রসারণ করা হবে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর আগৈলঝাড়া সফর / বিএনপির নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, পরে আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর আগৈলঝাড়া সফর / বিএনপির নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, পরে আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ
কর্মীসভায় টেলিফোনে শুভেচ্ছা বিনিময় / প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
কর্মীসভায় টেলিফোনে শুভেচ্ছা বিনিময় / প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস