নীতিমালা জারি / ৮ শ্রেণির মানুষ পাবে না ফ্যামিলি কার্ড
দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ নীতিমালার মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সারা দেশে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হলো।কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি নারী পরিবারপ্রধানকে সরাসরি জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত দরিদ্র ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবনধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মসূচিটির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি একক ও ডিজিটাল পরিচিতির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ‘ওয়ান-আইডি’ হবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল ভিত্তি। এটি শুধু একটি পরিচিতি নম্বর হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ডেটা গভর্ন্যান্স কাঠামো হিসেবেও কাজ করবে।যেসব পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে নানীতিমালায় ফ্যামিলি কার্ডের নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচের যেকোনো একটি শর্ত প্রযোজ্য হলে ব্যক্তি বা পরিবার এ সুবিধার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে—সরকার নির্ধারিত পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি স্কোর পাওয়া পরিবার।পরিবারের মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীরাও এ সুবিধার বাইরে থাকবেন।মনোনীত নারীপ্রধান নিয়মিত সরকারি পেনশন বা অনুরূপ অবসর সুবিধা গ্রহণ করলে। তবে প্রতিবন্ধী সন্তান হিসেবে বিশেষ পেনশন সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়, ফিক্সড ডিপোজিট বা অন্য কোনো বিনিয়োগ থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে। এর মধ্যে সিএনজি বা পেট্রলচালিত ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও মাইক্রোবাস রয়েছে।পরিবারের কোনো সদস্যের বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হালনাগাদ লাইসেন্সধারী ব্যবসা থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তার করযোগ্য আয় থাকলে।বসতভিটাসহ পরিবারের মোট আবাদি জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে। এছাড়া কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি কিংবা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি সুবিধার বাইরে থাকবে।একই সঙ্গে একাধিক সরকারি সুবিধা নয়নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মনোনীত নারী পরিবারপ্রধান একই সময়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সমজাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে আর্থিক, খাদ্য বা অন্য কোনো সুবিধা নিতে পারবেন না।কোনো নারীপ্রধান আগে থেকেই টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির সুবিধা পেয়ে থাকলে কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ যাচাইয়ের মাধ্যমে আগের সুবিধা বাতিল বা স্থগিত করা হবে।একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা বা সমজাতীয় সরকারি নগদ সহায়তার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ড চালু হওয়ার পর মনোনীত নারীপ্রধান একই সময়ে এসব কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারবেন না।তবে মনোনীত নারীপ্রধান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
আইডিআরএ চেয়ারম্যান / বীমা কোম্পানির দেওয়া তথ্যই সঠিক নয়
তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা আকস্মিক বন্যায় নেপালের নুয়াকোট ও ধাদিং জেলায় অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় ২৯১ জন বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৩৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বুধবার (২৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, নেপালের কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অবিনারায়ণ কাফলের বরাত দিয়ে নেপাল নিউজ জানিয়েছে, নুয়াকোট ও ধাদিং জেলা থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকা থেকে নিখোঁজ ৩৮৪ জনের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয়।এদিকে রাসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীও জানিয়েছে, তাদের সাতজন সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপাল সেনাবাহিনী দুর্গত এলাকায় হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারী সদস্য মোতায়েন করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত সংগ্রহের কাজ চলছে।বুধবার নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে ভয়াবহ এ বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পানিতে সড়ক ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি মহাসড়কও।নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবিনারায়ণ কাফলে এএফপিকে বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আমরা ঠিকভাবে জানি না, তবে বন্যাটি ব্যাপক এবং এতে অনেক বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। আমরা নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা মানুষদের স্থানান্তরের জন্য সতর্ক করেছি এবং আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে শাহ বলেন, ‘মেডিকেল টিম, স্কাউট এবং রেড ক্রসের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।’জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৌসুমি বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে নিয়মিত বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তির পাশাপাশি তীব্রতা বাড়ছে।
স্বদেশ লাইফের সিইও পদে নিয়োগ নামঞ্জুর / সাজিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘থার্ড ক্লাস’
তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা আকস্মিক বন্যায় নেপালের নুয়াকোট ও ধাদিং জেলায় অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় ২৯১ জন বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৩৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বুধবার (২৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, নেপালের কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অবিনারায়ণ কাফলের বরাত দিয়ে নেপাল নিউজ জানিয়েছে, নুয়াকোট ও ধাদিং জেলা থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকা থেকে নিখোঁজ ৩৮৪ জনের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয়।এদিকে রাসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীও জানিয়েছে, তাদের সাতজন সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপাল সেনাবাহিনী দুর্গত এলাকায় হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারী সদস্য মোতায়েন করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত সংগ্রহের কাজ চলছে।বুধবার নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে ভয়াবহ এ বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পানিতে সড়ক ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি মহাসড়কও।নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবিনারায়ণ কাফলে এএফপিকে বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আমরা ঠিকভাবে জানি না, তবে বন্যাটি ব্যাপক এবং এতে অনেক বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। আমরা নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা মানুষদের স্থানান্তরের জন্য সতর্ক করেছি এবং আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে শাহ বলেন, ‘মেডিকেল টিম, স্কাউট এবং রেড ক্রসের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।’জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৌসুমি বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে নিয়মিত বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তির পাশাপাশি তীব্রতা বাড়ছে।
পুনঃবীমা নিয়ে আইডিআরএ-বিআইএর বৈঠক
তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা আকস্মিক বন্যায় নেপালের নুয়াকোট ও ধাদিং জেলায় অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় ২৯১ জন বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৩৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বুধবার (২৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, নেপালের কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অবিনারায়ণ কাফলের বরাত দিয়ে নেপাল নিউজ জানিয়েছে, নুয়াকোট ও ধাদিং জেলা থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকা থেকে নিখোঁজ ৩৮৪ জনের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয়।এদিকে রাসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীও জানিয়েছে, তাদের সাতজন সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপাল সেনাবাহিনী দুর্গত এলাকায় হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারী সদস্য মোতায়েন করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত সংগ্রহের কাজ চলছে।বুধবার নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে ভয়াবহ এ বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পানিতে সড়ক ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি মহাসড়কও।নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবিনারায়ণ কাফলে এএফপিকে বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আমরা ঠিকভাবে জানি না, তবে বন্যাটি ব্যাপক এবং এতে অনেক বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। আমরা নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা মানুষদের স্থানান্তরের জন্য সতর্ক করেছি এবং আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে শাহ বলেন, ‘মেডিকেল টিম, স্কাউট এবং রেড ক্রসের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।’জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৌসুমি বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে নিয়মিত বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তির পাশাপাশি তীব্রতা বাড়ছে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
৫০ স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসংকটের বছর হবে ২০২৩ সাল : শেখ হাসিনা
ময়মনসিংহে বালিকাদের সপ্তাহব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণ সমাপন
আবুল কালাম আজাদের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা কোর্টের দুর্ভোগের চিত্র
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
সরকারের ৬ মাসের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরো ৩১০ জন হাসপাতালে
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
৮ শ্রেণির মানুষ পাবে না ফ্যামিলি কার্ড
গুলশান-বনানীতে স্পার আড়ালে ‘অনৈতিক কারবার’
হাজারীবাগের মাদক সাম্রাজ্যের নেপথ্যের সম্রাট রাজেশ ও নিখিল
বীমা কোম্পানির দেওয়া তথ্যই সঠিক নয়
সাজিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘থার্ড ক্লাস’
পুনঃবীমা নিয়ে আইডিআরএ-বিআইএর বৈঠক
শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
থানায় এসে সেই রাতের ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন তরুণী নিজেই
দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
নীতিমালা জারি / ৮ শ্রেণির মানুষ পাবে না ফ্যামিলি কার্ড
দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ নীতিমালার মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সারা দেশে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হলো।কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি নারী পরিবারপ্রধানকে সরাসরি জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত দরিদ্র ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবনধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মসূচিটির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি একক ও ডিজিটাল পরিচিতির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ‘ওয়ান-আইডি’ হবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল ভিত্তি। এটি শুধু একটি পরিচিতি নম্বর হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ডেটা গভর্ন্যান্স কাঠামো হিসেবেও কাজ করবে।যেসব পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে নানীতিমালায় ফ্যামিলি কার্ডের নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচের যেকোনো একটি শর্ত প্রযোজ্য হলে ব্যক্তি বা পরিবার এ সুবিধার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে—সরকার নির্ধারিত পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি স্কোর পাওয়া পরিবার।পরিবারের মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীরাও এ সুবিধার বাইরে থাকবেন।মনোনীত নারীপ্রধান নিয়মিত সরকারি পেনশন বা অনুরূপ অবসর সুবিধা গ্রহণ করলে। তবে প্রতিবন্ধী সন্তান হিসেবে বিশেষ পেনশন সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়, ফিক্সড ডিপোজিট বা অন্য কোনো বিনিয়োগ থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে। এর মধ্যে সিএনজি বা পেট্রলচালিত ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও মাইক্রোবাস রয়েছে।পরিবারের কোনো সদস্যের বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হালনাগাদ লাইসেন্সধারী ব্যবসা থাকলে।পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তার করযোগ্য আয় থাকলে।বসতভিটাসহ পরিবারের মোট আবাদি জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে। এছাড়া কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি কিংবা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি সুবিধার বাইরে থাকবে।একই সঙ্গে একাধিক সরকারি সুবিধা নয়নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মনোনীত নারী পরিবারপ্রধান একই সময়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সমজাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে আর্থিক, খাদ্য বা অন্য কোনো সুবিধা নিতে পারবেন না।কোনো নারীপ্রধান আগে থেকেই টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির সুবিধা পেয়ে থাকলে কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ যাচাইয়ের মাধ্যমে আগের সুবিধা বাতিল বা স্থগিত করা হবে।একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা বা সমজাতীয় সরকারি নগদ সহায়তার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ড চালু হওয়ার পর মনোনীত নারীপ্রধান একই সময়ে এসব কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারবেন না।তবে মনোনীত নারীপ্রধান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
একবারই স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক হোসেন
ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি / জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ
ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি / জুলাইয়ের বীজ থেকে গণতন্ত্রের জাগরণ