ঢাকা    মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার কিস্তি অফিসার আজম ইসলামের অনৈতিক প্রস্তাব: ভুক্তভোগীর পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়েছে



প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার কিস্তি অফিসার আজম ইসলামের অনৈতিক প্রস্তাব: ভুক্তভোগীর পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়েছে
প্রতিবেদক: মো: মোসলেম উদ্দিন, নীলফামারী নীলফামারীর একটি ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী ব্যাংক প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার কিস্তি অফিসার আজম ইসলাম-এর বিরুদ্ধে উঠেছে ভয়াবহ অনৈতিক আচরণের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা রুনা আক্তার, স্বামী লেলিন ইসলাম ও তাদের পরিবার অভিযোগ তুলেছেন, ঋণসংক্রান্ত যোগাযোগের আড়ালে আজম ইসলাম একাধিকবার রুনা আক্তারকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন। ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।   ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, গত সপ্তাহে নিয়মিত কিস্তি সংগ্রহের নামে আজম ইসলাম লেলিন ইসলামের বাসায় আসেন। সে সময় বাসায় উপস্থিত ছিলেন লেলিন ইসলামের স্ত্রী রুনা আক্তার এবং তাঁর মা। অভিযোগ অনুযায়ী, কিস্তির টাকা দিতে না পারলে আজম ইসলাম অশালীন কথোপকথন শুরু করেন। রুনা আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী: > “সে প্রথমে আমার মোবাইল নাম্বার চায়,তারপর বলে - আমার প্রস্তাবে রাজি হলে তোমাকে কিস্তি দিতে হবে না।তারপর বলে- ‘তোমার নাম্বার সাইজ কত?’। এরপর বলে, ‘আমি তোমার সাথে সময় কাটাতে চাই, তুমি কি প্রস্তুত?’—এই ধরনের অনেক গর্হিত কথা বলে। আমি প্রথমে ভয়ে চুপ করে থাকি, কিন্তু যখন বিষয়টা বেশি বাড়িয়ে ফেলে তখন আমি প্রতিবাদ করি।” এসময় রুনা আক্তারের মা উপস্থিত থেকে আপত্তি জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবেশীরাও বিষয়টি টের পান। ভুক্তভোগী পরিবার প্রতিবাদ শুরু করলে কিস্তি অফিসার আজম ইসলাম তড়িঘড়ি করে স্থান ত্যাগ করেন।   পরিবারের প্রতিক্রিয়া রুনা আক্তারের স্বামী লেলিন ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন: > “একজন ব্যাংক কর্মকর্তা হয়ে যদি এভাবে কারও স্ত্রীকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেয়, তাহলে সমাজে মানুষ কাকে বিশ্বাস করবে? আমার মা আর স্ত্রী ঘটনাস্থলেই প্রতিবাদ করে। পরে আমি আজম ইসলামকে ফোন করলে সে নানা ভাবে এড়িয়ে যেতে চায়।” ঘটনার পর লেলিন ইসলাম স্থানীয়ভাবে ব্যাংক শাখার ম্যানেজারের কাছে বিষয়টি মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন।   ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভূমিকা প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার ও সহকর্মীরা প্রথমে বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। তবে যখন লেলিন ইসলাম প্রতিবাদে অনড় থাকেন এবং স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়, তখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নরম অবস্থান নেয়। লেলিন ইসলামের দাবি: > “ম্যানেজার আর অন্য কর্মকর্তারা আমাকে ডেকে নিয়ে হাত-পা ধরে ক্ষমা চান। তারা বলে—‘ভুল হয়ে গেছে, দয়া করে বিষয়টা বড় করবেন না।’ কিন্তু এটা কি শুধুই ভুল? নাকি পরিকল্পিত অপকর্ম?”   স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া স্হানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এলাকাবাসীর একাধিকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ আচরণ আগে কখনও শোনা যায়নি। একজন নারী প্রতিবেশী বলেন: > “আমরা ভেবেছিলাম ব্যাংকের কিস্তি অফিসাররা গরিব মানুষের সহায়তার জন্য কাজ করেন। কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে তারা সুযোগ নিয়ে নারীদের হয়রানি করছে।”   আইনের দৃষ্টিকোণ আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনাকে সাধারণত যৌন হয়রানি বা অশ্লীল প্রস্তাবনা হিসেবে দেখা হয়, যা দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা এবং নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নীলফামারীর এক আইনজীবী মত দিয়ে বলেন: > “যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আজম ইসলামকে শুধু চাকরি থেকে বরখাস্ত করলেই হবে না, তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নারীকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেওয়া বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে অপরাধ।”   ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দায় ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে বরাবরই গ্রাহকদের হয়রানি, অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি বা অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়া হয়। সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যদি তাদের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে।   সমাজে প্রভাব এই ঘটনায় এলাকায় নারী সমাজ ভীত ও ক্ষুব্ধ। রুনা আক্তার নিজেই জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে তিনি আতঙ্কে ভুগছেন। > “আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয়, যদি আবার এসে কোনো ক্ষতি করে? আমি চাই এর বিচার হোক।”   সামাজিক কর্মীরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা প্রকাশ্যে আনা জরুরি। নইলে অন্য নারীরাও একইভাবে হয়রানির শিকার হতে পারেন।   কী হতে পারে সমাধান? 1. তাৎক্ষণিক বরখাস্ত: অভিযুক্ত কিস্তি অফিসার আজম ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা প্রয়োজন। 2. অভিযোগ তদন্ত কমিটি: ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্যতা যাচাই করতে হবে। 3. আইনি পদক্ষেপ: ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে থানায় মামলা করতে পারে। 4. সচেতনতা বৃদ্ধি: নারীদের প্রতি যে কোনো অশোভন আচরণ সহ্য করা হবে না—এই বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।   উপসংহার ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো—অবহেলিত মানুষদের আর্থিক উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করে তোলা। কিন্তু যদি সেই কর্মসূচি পরিচালনাকারী কর্মকর্তারাই সাধারণ নারী-পুরুষকে মানসিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি করেন, তাহলে তা শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য হুমকি। লক্ষীচাপ ডাংগাপাড়ার এই ঘটনাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার যেমন ন্যায়বিচার চাইছে, তেমনি সমাজও চাইছে—অপরাধী যে-ই হোক, তার শাস্তি হোক।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার কিস্তি অফিসার আজম ইসলামের অনৈতিক প্রস্তাব: ভুক্তভোগীর পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়েছে

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
প্রতিবেদক: মো: মোসলেম উদ্দিন, নীলফামারী নীলফামারীর একটি ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী ব্যাংক প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার কিস্তি অফিসার আজম ইসলাম-এর বিরুদ্ধে উঠেছে ভয়াবহ অনৈতিক আচরণের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা রুনা আক্তার, স্বামী লেলিন ইসলাম ও তাদের পরিবার অভিযোগ তুলেছেন, ঋণসংক্রান্ত যোগাযোগের আড়ালে আজম ইসলাম একাধিকবার রুনা আক্তারকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন। ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।   ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, গত সপ্তাহে নিয়মিত কিস্তি সংগ্রহের নামে আজম ইসলাম লেলিন ইসলামের বাসায় আসেন। সে সময় বাসায় উপস্থিত ছিলেন লেলিন ইসলামের স্ত্রী রুনা আক্তার এবং তাঁর মা। অভিযোগ অনুযায়ী, কিস্তির টাকা দিতে না পারলে আজম ইসলাম অশালীন কথোপকথন শুরু করেন। রুনা আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী: > “সে প্রথমে আমার মোবাইল নাম্বার চায়,তারপর বলে - আমার প্রস্তাবে রাজি হলে তোমাকে কিস্তি দিতে হবে না।তারপর বলে- ‘তোমার নাম্বার সাইজ কত?’। এরপর বলে, ‘আমি তোমার সাথে সময় কাটাতে চাই, তুমি কি প্রস্তুত?’—এই ধরনের অনেক গর্হিত কথা বলে। আমি প্রথমে ভয়ে চুপ করে থাকি, কিন্তু যখন বিষয়টা বেশি বাড়িয়ে ফেলে তখন আমি প্রতিবাদ করি।” এসময় রুনা আক্তারের মা উপস্থিত থেকে আপত্তি জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবেশীরাও বিষয়টি টের পান। ভুক্তভোগী পরিবার প্রতিবাদ শুরু করলে কিস্তি অফিসার আজম ইসলাম তড়িঘড়ি করে স্থান ত্যাগ করেন।   পরিবারের প্রতিক্রিয়া রুনা আক্তারের স্বামী লেলিন ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন: > “একজন ব্যাংক কর্মকর্তা হয়ে যদি এভাবে কারও স্ত্রীকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেয়, তাহলে সমাজে মানুষ কাকে বিশ্বাস করবে? আমার মা আর স্ত্রী ঘটনাস্থলেই প্রতিবাদ করে। পরে আমি আজম ইসলামকে ফোন করলে সে নানা ভাবে এড়িয়ে যেতে চায়।” ঘটনার পর লেলিন ইসলাম স্থানীয়ভাবে ব্যাংক শাখার ম্যানেজারের কাছে বিষয়টি মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন।   ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভূমিকা প্রশিক্ষা ধরণীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার ও সহকর্মীরা প্রথমে বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। তবে যখন লেলিন ইসলাম প্রতিবাদে অনড় থাকেন এবং স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়, তখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নরম অবস্থান নেয়। লেলিন ইসলামের দাবি: > “ম্যানেজার আর অন্য কর্মকর্তারা আমাকে ডেকে নিয়ে হাত-পা ধরে ক্ষমা চান। তারা বলে—‘ভুল হয়ে গেছে, দয়া করে বিষয়টা বড় করবেন না।’ কিন্তু এটা কি শুধুই ভুল? নাকি পরিকল্পিত অপকর্ম?”   স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া স্হানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এলাকাবাসীর একাধিকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ আচরণ আগে কখনও শোনা যায়নি। একজন নারী প্রতিবেশী বলেন: > “আমরা ভেবেছিলাম ব্যাংকের কিস্তি অফিসাররা গরিব মানুষের সহায়তার জন্য কাজ করেন। কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে তারা সুযোগ নিয়ে নারীদের হয়রানি করছে।”   আইনের দৃষ্টিকোণ আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনাকে সাধারণত যৌন হয়রানি বা অশ্লীল প্রস্তাবনা হিসেবে দেখা হয়, যা দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা এবং নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নীলফামারীর এক আইনজীবী মত দিয়ে বলেন: > “যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আজম ইসলামকে শুধু চাকরি থেকে বরখাস্ত করলেই হবে না, তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নারীকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেওয়া বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে অপরাধ।”   ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দায় ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে বরাবরই গ্রাহকদের হয়রানি, অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি বা অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়া হয়। সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যদি তাদের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে।   সমাজে প্রভাব এই ঘটনায় এলাকায় নারী সমাজ ভীত ও ক্ষুব্ধ। রুনা আক্তার নিজেই জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে তিনি আতঙ্কে ভুগছেন। > “আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয়, যদি আবার এসে কোনো ক্ষতি করে? আমি চাই এর বিচার হোক।”   সামাজিক কর্মীরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা প্রকাশ্যে আনা জরুরি। নইলে অন্য নারীরাও একইভাবে হয়রানির শিকার হতে পারেন।   কী হতে পারে সমাধান? 1. তাৎক্ষণিক বরখাস্ত: অভিযুক্ত কিস্তি অফিসার আজম ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা প্রয়োজন। 2. অভিযোগ তদন্ত কমিটি: ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্যতা যাচাই করতে হবে। 3. আইনি পদক্ষেপ: ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে থানায় মামলা করতে পারে। 4. সচেতনতা বৃদ্ধি: নারীদের প্রতি যে কোনো অশোভন আচরণ সহ্য করা হবে না—এই বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।   উপসংহার ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো—অবহেলিত মানুষদের আর্থিক উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করে তোলা। কিন্তু যদি সেই কর্মসূচি পরিচালনাকারী কর্মকর্তারাই সাধারণ নারী-পুরুষকে মানসিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি করেন, তাহলে তা শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য হুমকি। লক্ষীচাপ ডাংগাপাড়ার এই ঘটনাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার যেমন ন্যায়বিচার চাইছে, তেমনি সমাজও চাইছে—অপরাধী যে-ই হোক, তার শাস্তি হোক।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত