ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

ভোটের কালি মোছার আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী



ভোটের কালি মোছার আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৪ মার্চ) ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আজকের ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানে আপনারা এমন কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মানুষ যাদের সম্মান করে, জীবনের অনেক কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছে দুটো ভালো উপদেশের আশা করে। এই অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন রয়েছের। একইসঙ্গে রয়েছেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ধর্মের ধর্মীয় নেতৃত্ব। পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ। যে উদ্দেশ্যে আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, ইতোমধ্যেই আপনারা সেটি জেনেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে ভালো থাকব। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।

তারেক রহমান বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।

তিনি আরও বলেন, যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এ সহায়তা দেওয়া হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনও শক্তিশালী হতে পারে না।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি। আমি আশা করি, দ্রুততম সময়ের আমরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ। তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনুল কারিমে রয়েছে। ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষা দীক্ষা ও যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন, সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি। তিনি বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করেছিলেন। ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা’ কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, সরকার সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


ভোটের কালি মোছার আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৪ মার্চ) ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আজকের ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানে আপনারা এমন কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মানুষ যাদের সম্মান করে, জীবনের অনেক কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছে দুটো ভালো উপদেশের আশা করে। এই অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন রয়েছের। একইসঙ্গে রয়েছেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ধর্মের ধর্মীয় নেতৃত্ব। পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ। যে উদ্দেশ্যে আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, ইতোমধ্যেই আপনারা সেটি জেনেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে ভালো থাকব। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।

তারেক রহমান বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।

তিনি আরও বলেন, যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এ সহায়তা দেওয়া হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনও শক্তিশালী হতে পারে না।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি। আমি আশা করি, দ্রুততম সময়ের আমরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ। তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনুল কারিমে রয়েছে। ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষা দীক্ষা ও যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন, সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি। তিনি বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করেছিলেন। ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা’ কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, সরকার সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত