মেয়র পদপ্রার্থী মো. আবুল বাসেদ কাজল
উন্নয়ন হবে সবার জন্য, বিশেষ কারও জন্য নয়
জনতার সেবায় নতুন প্রত্যয় নিয়ে আসন্ন গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরের কৃতিসন্তান, পৌরবাসীর সুপরিচিত, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আবুল বাসেদ কাজল।
সমপ্রতি পারিবারিক কবর জিয়ারত শেষে পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে লিফলেট বিতরণ করেন এবং দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
গৌরীপুর পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তর করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। গৌরীপুর পৌরসভাকে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য। যুবসমাজকে কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করে তাদের শক্তিকে উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তিতে পরিণত করতে চাই। সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ গৌরীপুর গড়ে তোলাই তার দৃঢ় অঙ্গীকার।
রাজনৈতিক ও সমাজসেবামূলক ঐতিহ্যের পরিবারে বেড়ে উঠা মো. আবুল বাসেদ কাজলের দাদা মরহুম আব্দুল হামিদ সাহেব তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও গৌরীপুর নিয়ে গঠিত আসনের এমপি ছিলেন। জনকল্যাণমূলক কাজে তার নিষ্ঠা ও সুনাম আজও মানুষের স্মৃতিতে অম্লান। তার একমাত্র ভাই মরহুম ডাঃ আব্দুল মান্নান এলাকাজুড়ে “গরিবের ডাক্তার” হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি গৌরীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন।
তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন নেতৃত্বের মূল ভিত্তি হলো সততা, জবাবদিহিতা ও কর্মক্ষমতা। কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, পরিকল্পিত ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নয়নকে দৃশ্যমান করা প্রয়োজন। তিনি চান গৌরীপুরে এমন একটি প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করতে, যেখানে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিক সমান মর্যাদা ও সেবা পাবে। উন্নয়ন হবে সবার জন্য, বিশেষ কারও জন্য নয়।
তার চাচা ডাঃ মোঃ আব্দুস সেলিম বাংলাদেশ-স্থায়ী চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠন ড্যাব (DAB)-এর উপদেষ্টামণ্ডলীর একজন সিনিয়র সদস্য। আরেক চাচা মোঃ আব্দুল হেলিম দুই বার গৌরীপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ও একবার প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পারিবারিক শিক্ষা ও সেই শিক্ষা ও মূল্যবোধ থেকেই গৌরীপুর পৌরসভার উন্নয়ন এবং জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার প্রত্যয় নিয়ে আমি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯১ সালে দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডে আমার কর্মজীবনের সূচনা। সততা, পরিশ্রম ও দক্ষতা মূল্যায়নের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সেলস ম্যানেজার পদে উন্নীত হই।
পরবর্তীতে এসএমসি লিমিটেডে জোনাল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি।
লিফলেট বিতরণের সময় জনতার একাংশের সাথে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ আব্দুস সেলিম, মো. সাইফুল ইসলাম (পল্লী চিকিৎসক) সহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক প্রমুখ।
আবুল বাসেদ কাজলের পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পৌরসভা নির্বাচনের প্রার্থীতা ঘোষণা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সাধারণ জনগণ।