ঢাকা    বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

শরণখোলায় রায়েন্দা বাজার খালের সেতুটি এখন সাধারন মানুষের মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে



শরণখোলায় রায়েন্দা বাজার খালের সেতুটি এখন সাধারন মানুষের মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ শরণখোলা উপজেলাধীন রায়েন্দা বাজারের জনগুরুত্বর্পূণ খালের সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। লোহার পিলারগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে এক সঙ্গে ৮/১০ জন চলাচল করলেই সেতুটিতে কম্পন শুরু হয়। প্িরতদিন এই সেতু দিয়ে দুই পাড়ের হাজারো সাধারণ মানুষ ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। যেকোনো মুহুর্তে সেতুটি ধ্বসে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। খরস্রোতা রায়েন্দা খালের ওপর ১৯৯৭ সালে এল.জি.ই.ডির লো-কস্ট প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে লোহার পিলার-কাঠামো এবং উপরে আর.সি.সি ঢালাইয়ে নির্মিত সেতুটি র্দীঘ ২১ বছরের মধ্যে মেরামত করা হয়নি। এ ব্যাপারে উপজলো প্রকৌশল বিভাগ জানায়, সেতুটি এল.জি.ই.ডির আইডিভুক্ত নয় সে কারণে কোনো বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না। সেতুটির দক্ষিণ পাড়ে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রায়েন্দা বাজার। এখানে রয়েছে রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাইস্কুল, আর.কে.ডি.এস বালিকা বিদ্যালয়, রায়েন্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, ভাসানী কিন্ডারর্গাটেন স্কুল এবং রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা, পোস্ট অফিস, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, সরকারি খাদ্য গুদাম, চারটি ব্যাংকসহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা। অপরদিকে, উত্তর প্রান্তে খোন্তাকাটা ইউনিয়ন। এখানে রয়েছে শরণখোলা সরকারি অনার্স কলেজ, রায়েন্দা-রাজৈর ফাজিল মাদ্রাসা, চারটি বরফ কলসহ একাধিক প্রতষ্ঠিান। দুই ইউনিয়নের হাজারো সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থীসহ র্কমজীবীরা প্রতিদিন নড়বড়ে সেতুটি দিয়েই যাওয়া-আসা করে থাকে। তা ছাড়া সেতুর নীচ থেকে খাদ্য গুদামের বার্জ, কার্গো জাহাজ, শত শত ফিশিং বোট ও অন্যান্য নৌযান চলাচল করতে গিয়ে ধাক্কা লেগে সেতুর লোহার কাঠামো ভেঙে এলোমেলো হয়ে গেছে। ক্ষয় হয়ে গেছে অধিকাংশ পিলারের গোড়া। কয়েকটি পিলার শূণ্যের উপর ভেসে থাকায় সেতুটি এখন যেকোন মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়ার আশংকায়। খোন্তকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন বলেন একসময় খরস্রোতা এই খালে খেয়া নৌকায় পার হতে গিয়ে নৌকা ডুবে বহু দূর্ঘটনা ঘটেছে। পরর্বতীতে খালের ওপরে নির্মিত এই সেতুটি দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে এক সতেুবন্ধন তৈরী সহ পারাপার সহজ করে দিয়েছে। র্বতমানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শরণখোলা উপজেলা প্রকৌশলী চন্দন কুমার চক্রর্বতী বলেন, সেতুটি এবং সেতুর দুই পাড়ের সড়ক এল.জি.ই.ডির আইডিভুক্ত নয় সে কারণে এখানে বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না। এডিবি প্রকল্প ছাড়া এটি মোরামতের সুযোগ নেই। শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন আকন জানান, সেতুটির র্বতমান অবস্থা খুবই নাজুক তাই উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে নতুন বরাদ্দ আনার ব্যাপারে চেষ্টা চলছে।

ভিশন বাংলা ২৪

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬


শরণখোলায় রায়েন্দা বাজার খালের সেতুটি এখন সাধারন মানুষের মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

featured Image
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ শরণখোলা উপজেলাধীন রায়েন্দা বাজারের জনগুরুত্বর্পূণ খালের সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। লোহার পিলারগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে এক সঙ্গে ৮/১০ জন চলাচল করলেই সেতুটিতে কম্পন শুরু হয়। প্িরতদিন এই সেতু দিয়ে দুই পাড়ের হাজারো সাধারণ মানুষ ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। যেকোনো মুহুর্তে সেতুটি ধ্বসে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। খরস্রোতা রায়েন্দা খালের ওপর ১৯৯৭ সালে এল.জি.ই.ডির লো-কস্ট প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে লোহার পিলার-কাঠামো এবং উপরে আর.সি.সি ঢালাইয়ে নির্মিত সেতুটি র্দীঘ ২১ বছরের মধ্যে মেরামত করা হয়নি। এ ব্যাপারে উপজলো প্রকৌশল বিভাগ জানায়, সেতুটি এল.জি.ই.ডির আইডিভুক্ত নয় সে কারণে কোনো বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না। সেতুটির দক্ষিণ পাড়ে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রায়েন্দা বাজার। এখানে রয়েছে রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাইস্কুল, আর.কে.ডি.এস বালিকা বিদ্যালয়, রায়েন্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, ভাসানী কিন্ডারর্গাটেন স্কুল এবং রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা, পোস্ট অফিস, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, সরকারি খাদ্য গুদাম, চারটি ব্যাংকসহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা। অপরদিকে, উত্তর প্রান্তে খোন্তাকাটা ইউনিয়ন। এখানে রয়েছে শরণখোলা সরকারি অনার্স কলেজ, রায়েন্দা-রাজৈর ফাজিল মাদ্রাসা, চারটি বরফ কলসহ একাধিক প্রতষ্ঠিান। দুই ইউনিয়নের হাজারো সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থীসহ র্কমজীবীরা প্রতিদিন নড়বড়ে সেতুটি দিয়েই যাওয়া-আসা করে থাকে। তা ছাড়া সেতুর নীচ থেকে খাদ্য গুদামের বার্জ, কার্গো জাহাজ, শত শত ফিশিং বোট ও অন্যান্য নৌযান চলাচল করতে গিয়ে ধাক্কা লেগে সেতুর লোহার কাঠামো ভেঙে এলোমেলো হয়ে গেছে। ক্ষয় হয়ে গেছে অধিকাংশ পিলারের গোড়া। কয়েকটি পিলার শূণ্যের উপর ভেসে থাকায় সেতুটি এখন যেকোন মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়ার আশংকায়। খোন্তকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন বলেন একসময় খরস্রোতা এই খালে খেয়া নৌকায় পার হতে গিয়ে নৌকা ডুবে বহু দূর্ঘটনা ঘটেছে। পরর্বতীতে খালের ওপরে নির্মিত এই সেতুটি দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে এক সতেুবন্ধন তৈরী সহ পারাপার সহজ করে দিয়েছে। র্বতমানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শরণখোলা উপজেলা প্রকৌশলী চন্দন কুমার চক্রর্বতী বলেন, সেতুটি এবং সেতুর দুই পাড়ের সড়ক এল.জি.ই.ডির আইডিভুক্ত নয় সে কারণে এখানে বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না। এডিবি প্রকল্প ছাড়া এটি মোরামতের সুযোগ নেই। শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন আকন জানান, সেতুটির র্বতমান অবস্থা খুবই নাজুক তাই উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে নতুন বরাদ্দ আনার ব্যাপারে চেষ্টা চলছে।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত