ঢাকা    সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

বিমানে ওঠার ভয় কাটাবেন যেভাবে



বিমানে ওঠার ভয় কাটাবেন যেভাবে
নিউজ ডেস্কঃ বিমানে উঠতে গেলে কি ভয়ে আপনার হাতের তালু ঘামতে থাকে? বিমান টেক অফ করার সময় আপনি চেয়ারের হাতল শক্ত করে দুই হাতে আঁকড়ে ধরেন? ল্যান্ড করার আগে আগে আপনার হৃৎকম্প বেড়ে যায়?তাহলে বোয়িংয়ের জরিপ অনুযায়ী, আপনিও সেই ১৭ শতাংশ আমেরিকানদের মতোই একজন যারা উড্ডয়নে ভয় পায়। সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফা বিমান দুর্ঘটনার পর উড্ডয়ন নিয়ে মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।এভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক বা এএসএনের তথ্য অনুযায়ী, সারা পৃথিবীতে ৩৭ কোটি ফ্লাইট পরিচালিত হয়। কিন্তু এর মধ্যে প্রতি ২৫ লাখ ২০ হাজার ফ্লাইটে একটি বিমান হয়তো দুর্ঘটনায় পড়ে।কিন্তু বিমান দুর্ঘটনা হলে যেহেতু সেটি বড় খবর হয় তাই এই নিয়ে মানুষের মধ্যে ভীতির মাত্রা বাড়ে।তবে, উড্ডয়ন নিয়ে ভীতি কাটানো সম্ভব। বিভিন্ন পন্থায় ভয় কাটানো যেতে পারে। কয়েকজন সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শক্রমে ভয় কাটানোর কিছু তরিকা এখানে তুলে ধরা হলো। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এমন অনেকে রয়েছেন যারা উড্ডয়নে ভয় পান। হয়তো তারা আগে কখনোই বিমানে উঠেনি বা আগে তাদের কোনো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা রয়েছে।ইউনিভার্সিটি অব ভার্মন্ট-এর ক্লিনিকেল সাইকোলজিস্ট ম্যাথিউ প্রাইস বলেন, ‘কেন একজন মানুষ এ ধরনের ভীতিতে আক্রান্ত হবেন এই নিয়ে একটা ব্যাখ্যাও নেই। তবে, এই নিয়ে বহু কারণ রয়েছে। এটা হয়তো বিমান বিধ্বস্ত হওয়া সম্পর্কে জানা বা বিমানে উঠলে বদ্ধ একটা পরিবেশে বন্দি থাকার জন্যও হতে পারে।’কারণ যাই হোক, উড্ডয়ন নিয়ে ভীতি যেহেতু অনেকেরই রয়েছে তাই ভীতি কাটানোর উপায় হিসেব শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের কথা বলেছেন তিনি। থেরাপি উড্ডয়নের সময় অনেকে কানে হেডফোন গুঁজে রাখেন, কেউ দুশ্চিন্তা প্রতিরোধী ওষুধ নেন আবার কেউ ধ্যানের মাধ্যমে ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। কেউ-কেউ অবশ্য অ্যালকোহলও পান করেন।কিন্তু ভীতির মাত্রা যদি এতই বেশি হয় যে, ভয়ে আপনি একেবারে জড়োসড়ো হয়ে পড়েছেন, বিমানে উড্ডয়নই করছেন না তাহলে আপনার জন্য কিছু থেরাপি রয়েছে।মানুষের উড্ডয়নের ভীতি দূর করবার জন্য হিপনোথেরাপি, সাইকোথেরাপি বা কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি ব্যাবহার করা হয়। ভীতির মুখোমুখি ভীতিকে জয় করার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা যে পরামর্শটি দেন সেটি হচ্ছে, যে বিষয়টিকে আপনি ভয় করেন সেই কাজটিই করার মাধ্যমে ভয় কাটানোর চেষ্টা করা। উড্ডয়নের ক্ষেত্রেও একই পরামর্শ দেয়া হয়েছে।ভীতি কাটানোর জন্য নানান পদ্ধতির মধ্যে একটি হচ্ছে বিশেষ কোর্সে ভর্তি হওয়া। যেমন- ফ্লায়িং উইদাউট ফিয়ার বা নির্ভয়ে উড্ডয়ন নামে একটি কোর্স রয়েছে ভার্জিন আটলান্টিকে।এই কোর্সে প্রশিক্ষিত পাইলট আপনার নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর দেবেন, কেন আপনি ভয় পান বা কেন ভয় পাওয়া যৌক্তিক নয় সে বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য তারা তুলে ধরবেন।এ ছাড়া যারা অযৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে থাকেন যে, ‘এই বুঝি প্লেন ক্র্যাশ হতে চলল’- তাদের এই প্রশিক্ষণের প্রথম সেশনে দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রনের কলাকৌশল শেখানো হয়।ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর এর মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কারণ বাস্তবের বিমানের মতোই এখানে অনুভূতি হয় কিন্তু সত্যিকারের বিমানের চেয়ে এখানে খরচ কম। তথ্যসূত্র : বিবিসি

ভিশন বাংলা ২৪

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


বিমানে ওঠার ভয় কাটাবেন যেভাবে

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০১৯

featured Image
নিউজ ডেস্কঃ বিমানে উঠতে গেলে কি ভয়ে আপনার হাতের তালু ঘামতে থাকে? বিমান টেক অফ করার সময় আপনি চেয়ারের হাতল শক্ত করে দুই হাতে আঁকড়ে ধরেন? ল্যান্ড করার আগে আগে আপনার হৃৎকম্প বেড়ে যায়?তাহলে বোয়িংয়ের জরিপ অনুযায়ী, আপনিও সেই ১৭ শতাংশ আমেরিকানদের মতোই একজন যারা উড্ডয়নে ভয় পায়। সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফা বিমান দুর্ঘটনার পর উড্ডয়ন নিয়ে মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।এভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক বা এএসএনের তথ্য অনুযায়ী, সারা পৃথিবীতে ৩৭ কোটি ফ্লাইট পরিচালিত হয়। কিন্তু এর মধ্যে প্রতি ২৫ লাখ ২০ হাজার ফ্লাইটে একটি বিমান হয়তো দুর্ঘটনায় পড়ে।কিন্তু বিমান দুর্ঘটনা হলে যেহেতু সেটি বড় খবর হয় তাই এই নিয়ে মানুষের মধ্যে ভীতির মাত্রা বাড়ে।তবে, উড্ডয়ন নিয়ে ভীতি কাটানো সম্ভব। বিভিন্ন পন্থায় ভয় কাটানো যেতে পারে। কয়েকজন সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শক্রমে ভয় কাটানোর কিছু তরিকা এখানে তুলে ধরা হলো। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এমন অনেকে রয়েছেন যারা উড্ডয়নে ভয় পান। হয়তো তারা আগে কখনোই বিমানে উঠেনি বা আগে তাদের কোনো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা রয়েছে।ইউনিভার্সিটি অব ভার্মন্ট-এর ক্লিনিকেল সাইকোলজিস্ট ম্যাথিউ প্রাইস বলেন, ‘কেন একজন মানুষ এ ধরনের ভীতিতে আক্রান্ত হবেন এই নিয়ে একটা ব্যাখ্যাও নেই। তবে, এই নিয়ে বহু কারণ রয়েছে। এটা হয়তো বিমান বিধ্বস্ত হওয়া সম্পর্কে জানা বা বিমানে উঠলে বদ্ধ একটা পরিবেশে বন্দি থাকার জন্যও হতে পারে।’কারণ যাই হোক, উড্ডয়ন নিয়ে ভীতি যেহেতু অনেকেরই রয়েছে তাই ভীতি কাটানোর উপায় হিসেব শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের কথা বলেছেন তিনি। থেরাপি উড্ডয়নের সময় অনেকে কানে হেডফোন গুঁজে রাখেন, কেউ দুশ্চিন্তা প্রতিরোধী ওষুধ নেন আবার কেউ ধ্যানের মাধ্যমে ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। কেউ-কেউ অবশ্য অ্যালকোহলও পান করেন।কিন্তু ভীতির মাত্রা যদি এতই বেশি হয় যে, ভয়ে আপনি একেবারে জড়োসড়ো হয়ে পড়েছেন, বিমানে উড্ডয়নই করছেন না তাহলে আপনার জন্য কিছু থেরাপি রয়েছে।মানুষের উড্ডয়নের ভীতি দূর করবার জন্য হিপনোথেরাপি, সাইকোথেরাপি বা কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি ব্যাবহার করা হয়। ভীতির মুখোমুখি ভীতিকে জয় করার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা যে পরামর্শটি দেন সেটি হচ্ছে, যে বিষয়টিকে আপনি ভয় করেন সেই কাজটিই করার মাধ্যমে ভয় কাটানোর চেষ্টা করা। উড্ডয়নের ক্ষেত্রেও একই পরামর্শ দেয়া হয়েছে।ভীতি কাটানোর জন্য নানান পদ্ধতির মধ্যে একটি হচ্ছে বিশেষ কোর্সে ভর্তি হওয়া। যেমন- ফ্লায়িং উইদাউট ফিয়ার বা নির্ভয়ে উড্ডয়ন নামে একটি কোর্স রয়েছে ভার্জিন আটলান্টিকে।এই কোর্সে প্রশিক্ষিত পাইলট আপনার নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর দেবেন, কেন আপনি ভয় পান বা কেন ভয় পাওয়া যৌক্তিক নয় সে বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য তারা তুলে ধরবেন।এ ছাড়া যারা অযৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে থাকেন যে, ‘এই বুঝি প্লেন ক্র্যাশ হতে চলল’- তাদের এই প্রশিক্ষণের প্রথম সেশনে দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রনের কলাকৌশল শেখানো হয়।ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর এর মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কারণ বাস্তবের বিমানের মতোই এখানে অনুভূতি হয় কিন্তু সত্যিকারের বিমানের চেয়ে এখানে খরচ কম। তথ্যসূত্র : বিবিসি

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত