সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নরসিংদীর হিন্দুপাড়ায় পৃথক অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক, জেল প্রদান খামেনি হত্যার বদলা নিতে কঠোর হুশিয়ারি দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইরানের হামলায় ইসরায়েলে বেড়ে গেল নিহতের সংখ্যা দাম অর্ধেকে নেমেছে হাঁসের ডিম, বিপাকে সিংড়ার খামারিরা অসুস্থ বাবা মায়ের পাশে সংসারের হাল ধরে রাখতে সাংবাদিক মাসুদ আলমের দিন কাটছে অতি কষ্টে নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা: মূলহোতাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার কার্ড বিতরণে দুর্নীতি বন্ধে ইন্টিগ্রেটেড সিস্টেমে যাচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী পুতুল ফোনে জামায়াত আমিরের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাস পর ৬ সিটি করপোরেশনের কাজের মূল্যায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
নীলফামারীতে বোতল প্রক্রিয়ার কারখানা করে স্বাবলম্বী শফিকুল

নীলফামারীতে বোতল প্রক্রিয়ার কারখানা করে স্বাবলম্বী শফিকুল

প্লাস্টিকের বোতল প্রক্রিয়া করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নীলফামারী জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের বাদিয়ার মোড় এলাকার শফিকুল ইসলাম (৪৫)। পাশাপাশি প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় তিনি সৃষ্টি করেছেন এলাকার বেকার নারী পুরুষের কর্মসংস্থান।

২০০৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় বাম পায়ে আঘাত পান শফিকুল ইসলাম। পায়ে অস্ত্রপাচারের পর বেকার হয়ে পড়েন তিনি। ভাঙ্গা ওই পা নিয়ে ভাবতে থাকের নিজের কর্মসংস্থানের। এমন ভাবনায় পৈত্রিক ৫ শতাংশ জমি বিক্রির ৫০ হাজার টাকায় শুরু করেন প্লাস্টিকের বোতল কেনা বেচা। এলাকার ফেরিওয়ালার কাছে বোতল কিনে বিক্রি করতেন সৈয়দপুরের মহাজনের কাছে। ধীরে ধীরে সেই ব্যবসা থেকে লাভের অংশ জমিয়ে কিনেন একটি বোতল প্রক্রিয়াকরণ মেশিন। এখন সেই মেশিনে বোতল প্রক্রিয়া করে বিক্রি করছেন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে।

শফিকুল ইসলাম জানান, রপ্তাণীকারকরা প্রক্রিয়াকরা ওই প্লাস্টিক কিনে নিয়ে চীন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তাণী করছেন। প্রক্রিয়া করা বোতলের প্লাস্টিক থেকে বিভিন্ন পণ্য তৈরি হচ্ছে এসব দেশে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যবহার বেড়েছে প্লাস্টিকের বোতলের। প্রয়োজন শেষে ব্যবহারকারীরা এসব বোতল ছুড়ে ফেলেন যত্রতত্র, তাতে পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। সেসব বোতল প্রক্রিয়ার ব্যবসায় আমি যেমন স্বাবলম্বী হয়েছি, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে, পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে।’

শফিকুল ইসলাম জানান, প্রকার ভেদে প্রতি কেজি বোতল কিনেন ২০ থেকে ২৬ টাকা দরে। রং ভেদে বাছাইয়ের পর প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরে। এতে প্রতিমাসে তার আয় এক লাখ টাকার ওপরে। কারখানায় নিয়মিত কাজ করছেন ১৫ জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। অপর দিকে এলাকায় ফেরি করে বোতল সংগ্রহ করছেন ৫০ জনের অধিক। তারাও নিশ্চয়তা পাচ্ছেন সংগ্রহ করা বোতল বিক্রির।
ওই কারখানার শ্রমিক আমিনা বেগম (৫০) বলেন, ‘আগোত সংসারোত অভাব ছিল। এলা এলাকাত কারখানা হইচে। বাড়ির পাশোত কাম করি প্রত্যকদিন ২শ টাকার উপরোত কামাই করেছ। এলা সংসারোত অভাব কমিছে।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, উদ্যোগটি খুই ভালো। এধরণের উদ্যোক্তাদের সরকারী আর্থিক সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।বাসস

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com