শুক্রবার, ২১ Jun ২০২৪, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেনজীর দোষী সাব্যস্ত হলে দেশে ফিরতেই হবে: কাদের কথা, কবিতা,সংগীত ও নৃত্যে রবীন্দ্র -নজরুল জয়ন্তী ১৪৩১ উদযাপন ডেঙ্গু : মে মাসে ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৪৪ প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হতে পারে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা ফখরুল ইসলাম প্রিন্স নওগাঁর মান্দায় নিয়ম-বহির্ভূত রেজুলেশন ছাড়াই উপজেলার একটি প্রাথমিক স্কুলের টিন বিক্রির অভিযোগ আর্তনাদ করা সেই পরিবারের পাসে IGNITE THE NATION ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত শরণখোলা ও সুন্দরবন নওগাঁর শৈলগাছী ইউনিয়ন পরিষদের ২০২০০৪-২০২৫ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা নরসিংদী মেহেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে হত্যা কালাইয়ে সহিদুল হত্যা মামলায় দশজনের যাবজ্জীবন
তরুণীর সাত টুকরা লাশ: মামলা তোলার হুমকি

তরুণীর সাত টুকরা লাশ: মামলা তোলার হুমকি

বরগুনার আমতলী উপজেলায় তরুণীকে হত্যার পর লাশ সাত টুকরো করার ঘটনায় মামলা তুলে নিতে ওই নিহত তরুণীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত মালা আকতারের মা আকলিমা বেগম ও মামা হাবিব খান এসব অভিযোগ করেন।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মালা সদর উপজেলার ঘুদিঘাটা গ্রামের আব্দুল মন্নান হাওলাদারের মেয়ে। তিনি কলাপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
গত ২৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার ঘটবাড়িয়া আদর্শ কলেজের প্রভাষক আলমগীর হোসেন তাঁর আত্মীয় মাঈনুল আহসানের বাসায় মালাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে তাঁর লাশ সাত টুকরা করে দুটি ড্রামে ভরে লাশ ঘরের একটি কক্ষে লুকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ওই দিন বিকেল চারটার দিকে মাঈনুলের বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পরে মাঈনুল আহসানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন পুলিশ বাদী হয়ে আমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করে। বর্তমানে তাঁরা কারাগারে আছেন।
পরিবারের অভিযোগ, মালার সঙ্গে আলমগীর হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মালা তাঁকে বিয়ের কথা বলায় তিনি মালাকে খুন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন মালার মা আকলিমা বেগম। তিনি বলেন, মামলা পরিচালনা না করার জন্য আসামির আত্মীয়স্বজনেরা নানাভাবে তাঁদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন। মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ঘটনায় বরগুনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তরুণীর মামা মো. হাবীব খান।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদুজ্জামান ছুটিতে আছেন। এখন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, সাধারণ ডায়েরির বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com