রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শের-ই-বাংলা সামাজিক সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভা, এতিম হাফেজদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরীফ ও ঈদবস্ত্র বিতরণ এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) বিকাল ৪টায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি ভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ধর্ম ও পানি মন্ত্রী এম. নাজিম উদ্দিন আল আজাদ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রোকেয়া সুলতানা কেয়া চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গ্রাজুয়েট রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ড. শাহ মুহাম্মদ সেলিম রেজা চৌধুরী।
বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ম. রহমান মিলকী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন একতা সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি শফিকুল আলম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শের-ই-বাংলা সামাজিক সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রাজু, সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ মো. শাহ কামাল (শ্যামল), চলচ্চিত্র অভিনেতা ও বাংলাদেশ ফিল্ম প্রোভোসার ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সদস্য মো. সুরুজ্জামান (সুজন), জাতীয় ভূমিহীন কমিশনের পরামর্শক ও নির্বাহী পরিচালক তরিকুল ইসলাম তারেক, শের-ই-বাংলা সামাজিক সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শওকত হোসেন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. পারভেজ আলম।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শাপলা শিল্পী উন্নয়ন সংস্থার জেসমিন বেগম আনিতা এবং সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন।
আলোচনা সভায় বক্তারা পবিত্র মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে কোরআন ও হাদিসের আলোকে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এ মাসে সমাজের অসহায় ও এতিমদের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।
অনুষ্ঠান শেষে এতিম হাফেজদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরীফ ও ঈদবস্ত্র বিতরণ করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শের-ই-বাংলা সামাজিক সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনসহ আয়োজক সংগঠনগুলো সমাজকল্যাণমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে শাপলা শিল্পী উন্নয়ন সংস্থা, সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশন, একতা সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং এশিয়া কালচারাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ সহযোগিতা করে।