ঢাকা    সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

ঈদের সময় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিলে যা করবেন



ঈদের সময় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিলে যা করবেন
ভিশনবাংলা ডেস্ক: ঈদের সময় খাবার-দাবারের কোনো ব্যালেন্স থাকে না। দেখা যায় ঈদে আমরা এমন অনেক খাবার খাই যা মুখরোচক হলেও স্বাস্থ্যকর নয়। ফলে এসব ওলট পালট খাবার খাওয়ার কারণে অনেকেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগেন। যা খুবই অস্বস্তিকর। এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারণে পুরো ঈদের আনন্দই মাটি হয়ে যায়। তাই ঈদে গ্যাসের সমস্যা থেকে বাঁচতে খেয়াল রাখতে হবে খাবারের দিকে। ভুল খাদ্যাভ্যাসের জন্য আপনার পেটে গ্যাস জমলে তা দূর করার জন্য খেতে হবে কিছু খাবার। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই খাবারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত- আদা পেটে জমে থাকা গ্যাস দূর করতে যে আদা কার্যকরী একথা অনেকেই জানেন। অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ আদা চিবিয়ে রস খেলে পেটের গ্যাস দূর হয়। খেতে পারেন সামান্য লবণ মিশিয়েও। এছাড়া আদার শরবত খেতে পারলে সেটিও পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করবে। দই গ্যাসের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে দই খেতে পারেন। এটি পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হজমশক্তি বাড়াতেও কাজ করে দই। প্রতিদিন দই খেলে খাবার ভালোভাবে হজম হয়। সে কারণে পেটে গ্যাস জমতে পারে না। এক্ষেত্রে মিষ্টি দইয়ের বদলে টক দই বেশি কার্যকরী। শসা গরমে উপকারী খাবার হলো শসা। এটি পেট ঠাণ্ডা রাখতে বেশ কার্যকরী। শসায় আছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। এই দুই উপকারী উপাদান পেটে গ্যাস জমলে তা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে এটি শরীর আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। ফলে দূরে থাকে পানিশূন্যতার মতো সমস্যা। পেঁপে হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে পেঁপে। এতে আছে উপকারী এনজাইম পাপায়া যা হজমশক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকরী। ঈদে একবাটি পাকা পেঁপে খান। পেঁপের জুস বা স্মুদি তৈরি করেও খেতে পারেন। পাশাপাশি কাঁচা পেঁপের ভর্তা কিংবা তরকারিও খেতে পারেন। কলা কলা গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। উপকারী এই ফল পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে কার্যকরী। তাই নিয়মিত কলা খেলে পেটে গ্যাস জমতে পারে না। কলায় আছে স্যলুবল ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে কাজ করে। তাই ঈদে কলা খান। এতে পেট পরিষ্কার থাকবে।

ভিশন বাংলা ২৪

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


ঈদের সময় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিলে যা করবেন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২১

featured Image
ভিশনবাংলা ডেস্ক: ঈদের সময় খাবার-দাবারের কোনো ব্যালেন্স থাকে না। দেখা যায় ঈদে আমরা এমন অনেক খাবার খাই যা মুখরোচক হলেও স্বাস্থ্যকর নয়। ফলে এসব ওলট পালট খাবার খাওয়ার কারণে অনেকেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগেন। যা খুবই অস্বস্তিকর। এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারণে পুরো ঈদের আনন্দই মাটি হয়ে যায়। তাই ঈদে গ্যাসের সমস্যা থেকে বাঁচতে খেয়াল রাখতে হবে খাবারের দিকে। ভুল খাদ্যাভ্যাসের জন্য আপনার পেটে গ্যাস জমলে তা দূর করার জন্য খেতে হবে কিছু খাবার। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই খাবারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত- আদা পেটে জমে থাকা গ্যাস দূর করতে যে আদা কার্যকরী একথা অনেকেই জানেন। অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ আদা চিবিয়ে রস খেলে পেটের গ্যাস দূর হয়। খেতে পারেন সামান্য লবণ মিশিয়েও। এছাড়া আদার শরবত খেতে পারলে সেটিও পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করবে। দই গ্যাসের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে দই খেতে পারেন। এটি পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হজমশক্তি বাড়াতেও কাজ করে দই। প্রতিদিন দই খেলে খাবার ভালোভাবে হজম হয়। সে কারণে পেটে গ্যাস জমতে পারে না। এক্ষেত্রে মিষ্টি দইয়ের বদলে টক দই বেশি কার্যকরী। শসা গরমে উপকারী খাবার হলো শসা। এটি পেট ঠাণ্ডা রাখতে বেশ কার্যকরী। শসায় আছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। এই দুই উপকারী উপাদান পেটে গ্যাস জমলে তা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে এটি শরীর আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। ফলে দূরে থাকে পানিশূন্যতার মতো সমস্যা। পেঁপে হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে পেঁপে। এতে আছে উপকারী এনজাইম পাপায়া যা হজমশক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকরী। ঈদে একবাটি পাকা পেঁপে খান। পেঁপের জুস বা স্মুদি তৈরি করেও খেতে পারেন। পাশাপাশি কাঁচা পেঁপের ভর্তা কিংবা তরকারিও খেতে পারেন। কলা কলা গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। উপকারী এই ফল পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে কার্যকরী। তাই নিয়মিত কলা খেলে পেটে গ্যাস জমতে পারে না। কলায় আছে স্যলুবল ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে কাজ করে। তাই ঈদে কলা খান। এতে পেট পরিষ্কার থাকবে।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত