শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
গ্রন্থালোচনা: বদল হাওয়ায় বদলে গেছে দিন দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর আগৈলঝাড়ায় গণঅধিকার পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল ঈদে আসছে কাজী বাহাদুর হিমুর ‘বায়ান্ন পাতার প্রেম’ চালকের অবহেলায় ৯টি বগি লাইনচ্যুত, মাস্টার বরখাস্ত রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঈদের দিন সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কুড়িগ্রামে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ‘অপসংস্কৃতি রোধে আগৈলঝাড়ায় ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ব্রিটেনের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি দুই নারী

ব্রিটেনের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি দুই নারী

মেম্বারস অব দ্য ওর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (এমবিই) এবং অফিসার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) পেলেন দুই ব্রিটিশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী। তারা হলেন, ড. আনওয়ারা আলী ও ড. পপি সুলতানা জামান।

রাজনীতি, সঙ্গীত, সাহিত্য, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ও কমিউনিটিতে বিশেষ অবদানের জন্যে ১১শ’ ২৩ ব্যক্তিকে বিভিন্ন খেতাবে ভুষিত করেছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। শুক্রবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এমবিই খেতাব পেয়েছেন টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক কাউন্সিলর ডক্টর আনওয়ারা আলী। স্পিটালফিল্ড প্র্যাক্টিসের জিপি ড. আনওয়ারা স্থানীয় কমিউনিটিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের স্বীকৃতি হিসেবে এমবিই খেতাব পান।

সাবেক কাউন্সিলর আনওয়ারা আলী স্পিটালফিল্ডস ও বাংলা টাউনে চিকিৎসক হিসেবে সেবা দেন। কাউন্সিলর থাকার সময়ে তিনি টাওয়ার হ্যামলেটে ‘হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং’ এর কেবিনেট মেম্বার ছিলেন।

একজন চিকিৎসক হিসেবে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) ক্যান্সার চিহ্নিতকরণ ব্রেস্ট স্ক্রিনিং কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাঙালি নারীদের উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন আনওয়ারা। ১৯৭০ সালে জন্ম নেওয়া আনওয়ারা আলী শৈশবেই বাবা জোবেদ আলী ও মা সলিমা খাতুনের সাথে যুক্তরাজ্যে আসেন।
তিনি সেন্ট বার্থামলুজ ও রয়েল লন্ডন মেডিক্যাল স্কুল থেকে ১৯৯৭ সালে এমবিবিএস পাশ করেন।

২০০৬ সালে লেবার পার্টি থেকে টাওয়ার হ্যামলেটের বো ওয়েস্ট ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন আনওয়ারা। ২০১০ সালে এনএইচএস ইস্যু নিয়ে পার্টির সাথে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় আনওয়ারা আলী দল ত্যাগ করে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন।

অন্যদিকে, মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ওবিই খেতাব পান ইস্ট সাসেক্সের ড. পপি সুলতানা জামান।

পপি সুলতানা জামান মেন্টাল হেলথ ফাস্ট এইড ইংল্যান্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ। লন্ডনভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান দেশব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। গত আট বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন পপি জামান।

পপি সুলতানা জামান ১৯৭৭ সালে পোর্টসমাউথে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে এমবিএ করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি পোর্টসমাউথে ডিপার্টমেন্ট অব হেলথে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে যোগ দেন।

২০০৩-০৪ সাল পর্যন্ত পপি পোর্টসমাউথ প্রাইমারি কেয়ার ট্রাস্টে কর্মরত ছিলেন। ২০০৭ সালে তাকে ইংল্যান্ডব্যাপী মেন্টাল হেলথ ট্রেনিং উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। মেন্টাল হেলথ ফার্স্ট এইড ট্রেনিংয়ের জনপ্রিয়তার কারণে অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটিকে সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন পপি জামান। পপি সুলতানা জামানের বাংলাদেশের বাড়ি মৌলভীবাজারের উত্তর মোলাইম গ্রামে।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com