শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মারা গেছেন বগুড়ার এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা লাল কার্ডে সর্বনাশ, আতলেতিকোর কাছে হেরে চাপে বার্সা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেলা প্রশাসনের অভিযান: ৩ লাখ টাকা জরিমানা লিঙ্গ পরিবর্তন করে এসে দেখে অন্য নারীর সাথে প্রেমিক: বরিশালে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আবারো বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ধেয়ে আসছে ভয়ংকর কালবৈশাখী, তাণ্ডব চালাতে পারে যেসব অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলকে নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি ইরানের নরসিংদী হাজীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা বাড়ী নির্মাণ করে জমি দখল বগুড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নরসিংদীতে অপারেশন থিয়েটারে গর্ভবতী নারীর সঙ্গে চিকিৎসকের অশালীন আচরণ: প্রতিবাদে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম
‘ধর্ষক ও খুনি’ বাবুল মিয়া গ্রেফতার

‘ধর্ষক ও খুনি’ বাবুল মিয়া গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কিশোরী বিউটি আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র‌্যাব ৯ ও পুলিশের একটি যৌথ দল সিলেটের বিয়ানিবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা এবং সিলেটে র‌্যাব ৯ এর পরিচালক মনিরুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আজ শনিবার (৩১ মার্চ ) দুপুরে সিলেটে র‌্যাবের সদর দফতরে এক প্রেস কনফারেন্সে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। র‌্যাবের মিডিয়া উইং এর পরিচালক মুফতি মাহমুদ খানও এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ২১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জের ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের দিনমজুর সায়েদ আলীর মেয়ে বিউটি আক্তারকে (১৪) বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা। এক মাস তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এক মাস নির্যাতনের পর বিউটিকে কৌশলে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায় বাবুল। এ ঘটনায় গত ১ মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা স্থানীয় ইউপি মেম্বার কলমচানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে মেয়েকে সায়েদ আলী তার নানার বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন। এরপর বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে ১৬ মার্চ বিউটি আক্তারকে উপজেলার গুনিপুর গ্রামের তার নানার বাড়ি থেকে রাতের আঁধারে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ফের ধর্ষণের পর তাকে খুন করে লাশ হাওরে ফেলে দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

বিউটিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ১৭ মার্চ তার বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল মিয়াসহ দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ২১ মার্চ পুলিশ বাবুলের মা কলমচান ও সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের ঈসমাইলকে আটক করে।

এদিকে এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ মার্চ) পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেন। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে কমিটিকে। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামছুর রহমান ভূইয়াকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ও সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2026 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com