ঢাকা    শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

যানজটে নাকাল লালমনিরহাট জেলার শহরবাসী



যানজটে নাকাল লালমনিরহাট জেলার শহরবাসী
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটে তীব্র যানজটে অসহনীয় হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। অতিরিক্ত রিকশা, ইজিবাইক, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অনুমোদনহীন অটোরিকশা স্ট্যান্ড, নির্মাণসামগ্রী রেখে রাস্তা দখল করায় এ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছ, শহরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক অটোরিকশা স্ট্যান্ড, যত্রতত্র অবৈধ গাড়ি পার্কিং, ফুটপাত জুড়ে রয়েছে দোকানপাটসহ নানা ধরনের ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা। এতে করে পথচারীরা ফুটপাত ছেড়ে রাস্তায় নেমেছে। যার ফলে গভীর রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। এতে স্থবির হয়ে পড়ে জেলা শহর জীবন। একইভাবে শহরের প্রায় সর্বত্রই নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী রাস্তার ওপর ফেলে রাখার কারণে রাস্তা সরু হয়ে পড়ছে। এতে রাস্তাগুলোতে যানজট তীব্র থেকে আরো তীব্রতর হচ্ছে দিন দিন।
এদিকে ট্র্যাফিক অব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদাবাজির কারণে শহরের প্রতিদিন একাধিক ট্র্যাফিক পুলিশকে যানজট নিরসনে কাজ করতে দেখা গেলেও প্রতিনিয়ত সড়কগুলোতে দেখা যায় দীর্ঘ যানজটের চিত্র। এক্ষেত্রে ট্র্যাফিক পুলিশের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন শহরবাসী। বাস, ট্রাক, মাইক্রো, ইজিবাইকের পার্কিং ও ট্রাফিকদের অবহেলার কারণে কম বেশি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। যাত্রীবাহী বাস চলাচলে অব্যবস্থাপনার কারণে লালমনিরহাট জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় এলাকায় যানজট লেগে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এদিকে সকাল-সন্ধ্যা শহরে ভারী যানবাহন চলাচলে নিষিদ্ধ থাকলেও নির্মাণ সামগ্রী ও পণ্যবহনকারী বিভিন্ন ট্রাক ও পিকাপ চলাচল করতে দেখা গেছে। এতে শহরে যানজটের তীব্রতা আরো বাড়ছে। অটোরিক্সা ও ইজিবাইকে চেইন-টোকেন চাঁদাবাজি এবং ট্র্যাফিক অব্যবস্থাপনার কারণে লালমনিরহাট জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় যানজটের কবলে পড়ে প্রতিদিন অন্তত ঘন্টাখানেক সময় নষ্ট করতে হয়। ট্র্যাফিক পুলিশ চাইলে নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে যানজটমুক্ত রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। জানা যায়, যানজটের মূল কারণ পর্যাপ্ত ট্র্যাফিক পুলিশ না থাকা এবং তাদের অব্যবস্থাপনা। শহরকে যানজট মুক্ত করতে ইলেকট্রিক ইন্ডিকেটর লাইটিং বোর্ড ব্যবহারের বিকল্প নেই।

ভিশন বাংলা ২৪

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


যানজটে নাকাল লালমনিরহাট জেলার শহরবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৫

featured Image
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটে তীব্র যানজটে অসহনীয় হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। অতিরিক্ত রিকশা, ইজিবাইক, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অনুমোদনহীন অটোরিকশা স্ট্যান্ড, নির্মাণসামগ্রী রেখে রাস্তা দখল করায় এ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছ, শহরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক অটোরিকশা স্ট্যান্ড, যত্রতত্র অবৈধ গাড়ি পার্কিং, ফুটপাত জুড়ে রয়েছে দোকানপাটসহ নানা ধরনের ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা। এতে করে পথচারীরা ফুটপাত ছেড়ে রাস্তায় নেমেছে। যার ফলে গভীর রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। এতে স্থবির হয়ে পড়ে জেলা শহর জীবন। একইভাবে শহরের প্রায় সর্বত্রই নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী রাস্তার ওপর ফেলে রাখার কারণে রাস্তা সরু হয়ে পড়ছে। এতে রাস্তাগুলোতে যানজট তীব্র থেকে আরো তীব্রতর হচ্ছে দিন দিন।
এদিকে ট্র্যাফিক অব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদাবাজির কারণে শহরের প্রতিদিন একাধিক ট্র্যাফিক পুলিশকে যানজট নিরসনে কাজ করতে দেখা গেলেও প্রতিনিয়ত সড়কগুলোতে দেখা যায় দীর্ঘ যানজটের চিত্র। এক্ষেত্রে ট্র্যাফিক পুলিশের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন শহরবাসী। বাস, ট্রাক, মাইক্রো, ইজিবাইকের পার্কিং ও ট্রাফিকদের অবহেলার কারণে কম বেশি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। যাত্রীবাহী বাস চলাচলে অব্যবস্থাপনার কারণে লালমনিরহাট জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় এলাকায় যানজট লেগে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এদিকে সকাল-সন্ধ্যা শহরে ভারী যানবাহন চলাচলে নিষিদ্ধ থাকলেও নির্মাণ সামগ্রী ও পণ্যবহনকারী বিভিন্ন ট্রাক ও পিকাপ চলাচল করতে দেখা গেছে। এতে শহরে যানজটের তীব্রতা আরো বাড়ছে। অটোরিক্সা ও ইজিবাইকে চেইন-টোকেন চাঁদাবাজি এবং ট্র্যাফিক অব্যবস্থাপনার কারণে লালমনিরহাট জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় যানজটের কবলে পড়ে প্রতিদিন অন্তত ঘন্টাখানেক সময় নষ্ট করতে হয়। ট্র্যাফিক পুলিশ চাইলে নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে যানজটমুক্ত রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। জানা যায়, যানজটের মূল কারণ পর্যাপ্ত ট্র্যাফিক পুলিশ না থাকা এবং তাদের অব্যবস্থাপনা। শহরকে যানজট মুক্ত করতে ইলেকট্রিক ইন্ডিকেটর লাইটিং বোর্ড ব্যবহারের বিকল্প নেই।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত