ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি


ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’, যা তৈরি করেছে অ্যাডিডাস। তিন আয়োজক দেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলটির নামকরণ করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর পতাকার রং—নীল, লাল ও সবুজ ব্যবহার করা হয়েছে।

‘ট্রাইওন্ডা’ বলে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। এই প্রযুক্তি ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল করতে সহায়তা করবে বলে জানা গেছে।

বলটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরে থাকা উন্নত মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে বলের গতি, অবস্থান এবং কোন খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করছেন—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে।

সেন্সরটির ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। আগেও ফুটবলে প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে, তবে এবার তাকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এমনভাবে সেন্সরটি বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনও পরিবর্তন না আসে। 

নতুন এই বলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাওয়ার সিস্টেম। বলের ভেতরের সেন্সর চালু রাখতে ম্যাচ শুরুর আগে এটিকে চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে তা থাকবে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। 

বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাবে না যে বলের ভেতরে এমন কোনও প্রযুক্তি রয়েছে। ই প্রযুক্তি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের ভেতরের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করে প্রতিটি ঘটনার সঠিক বিশ্লেষণ দিতে পারবে। ‘ট্রাইওন্ডা’ শুধু একটি বল নয়, বরং এটি হবে খেলার প্রতিটি মুহূর্তকে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করার একটি স্মার্ট প্রযুক্তি।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


ফুটবল বিশ্বকাপের বলে থাকছে যেসব প্রযুক্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’, যা তৈরি করেছে অ্যাডিডাস। তিন আয়োজক দেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলটির নামকরণ করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর পতাকার রং—নীল, লাল ও সবুজ ব্যবহার করা হয়েছে।

‘ট্রাইওন্ডা’ বলে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। এই প্রযুক্তি ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল করতে সহায়তা করবে বলে জানা গেছে।

বলটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরে থাকা উন্নত মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে বলের গতি, অবস্থান এবং কোন খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করছেন—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে।

সেন্সরটির ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। আগেও ফুটবলে প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে, তবে এবার তাকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এমনভাবে সেন্সরটি বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনও পরিবর্তন না আসে। 

নতুন এই বলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাওয়ার সিস্টেম। বলের ভেতরের সেন্সর চালু রাখতে ম্যাচ শুরুর আগে এটিকে চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে তা থাকবে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। 

বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাবে না যে বলের ভেতরে এমন কোনও প্রযুক্তি রয়েছে। ই প্রযুক্তি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের ভেতরের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করে প্রতিটি ঘটনার সঠিক বিশ্লেষণ দিতে পারবে। ‘ট্রাইওন্ডা’ শুধু একটি বল নয়, বরং এটি হবে খেলার প্রতিটি মুহূর্তকে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করার একটি স্মার্ট প্রযুক্তি।


ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত