ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পরিবেশ ও জলবায়ু মোকাবিলায় আঞ্চলিক ঐক্যে গুরুত্ব বাংলাদেশ ও নেপালের


এস.এম. কামাল
এস.এম. কামাল

পরিবেশ ও জলবায়ু মোকাবিলায় আঞ্চলিক ঐক্যে গুরুত্ব বাংলাদেশ ও নেপালের

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী (H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari)।

আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রধান প্রাধান্য পায়।

বৈঠকে মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিপুল প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এই কঠিন সময়ে নেপালের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন পরিবেশের হলেও দুই দেশের প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয়ের বরফ গলা, নদী অববাহিকার ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ুজনিত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।" আসন্ন কপ-৩১ (COP-31) সম্মেলনকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সহযোগিতা, যৌথ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি জোর দেন।

সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সংকটকালে নেপালের পাশে দাঁড়ানো এবং সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

পরিবেশগত আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনা নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সবুজ অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ার টেকসই উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

ভিশন বাংলা ২৪

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পরিবেশ ও জলবায়ু মোকাবিলায় আঞ্চলিক ঐক্যে গুরুত্ব বাংলাদেশ ও নেপালের

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী (H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari)।

আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রধান প্রাধান্য পায়।

বৈঠকে মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিপুল প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এই কঠিন সময়ে নেপালের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন পরিবেশের হলেও দুই দেশের প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয়ের বরফ গলা, নদী অববাহিকার ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ুজনিত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।" আসন্ন কপ-৩১ (COP-31) সম্মেলনকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সহযোগিতা, যৌথ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি জোর দেন।

সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সংকটকালে নেপালের পাশে দাঁড়ানো এবং সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

পরিবেশগত আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনা নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সবুজ অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ার টেকসই উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।


ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত