ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা ওই চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নামে দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ক্রয়, অর্থপাচার এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি বা অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশে অর্থ স্থানান্তর, ব্যাংক লেনদেন, বিনিয়োগ এবং সম্পদের মালিকানা সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা জানাতে বলা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশ-বিদেশে সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা সম্পদের প্রকৃতি যাচাই করা হবে। এ জন্য ব্যাংক হিসাব, সন্দেহজনক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রা স্থানান্তর এবং সম্পদ ক্রয়ের নথিপত্র অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।

তবে দুদকের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। অনুসন্ধান চলমান থাকায় অভিযোগগুলোর পক্ষে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এর আগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধানের কথা জানা যায়। এসব অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিল দুদক।

আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে থাকে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে পারে সংস্থাটি।

আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে দুদক কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের মালিকানা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।


দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা ওই চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নামে দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ক্রয়, অর্থপাচার এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।


চিঠিতে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি বা অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশে অর্থ স্থানান্তর, ব্যাংক লেনদেন, বিনিয়োগ এবং সম্পদের মালিকানা সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা জানাতে বলা হয়েছে।


দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশ-বিদেশে সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা সম্পদের প্রকৃতি যাচাই করা হবে। এ জন্য ব্যাংক হিসাব, সন্দেহজনক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রা স্থানান্তর এবং সম্পদ ক্রয়ের নথিপত্র অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।


তবে দুদকের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। অনুসন্ধান চলমান থাকায় অভিযোগগুলোর পক্ষে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।


এর আগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধানের কথা জানা যায়। এসব অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিল দুদক।


আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে থাকে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে পারে সংস্থাটি।


আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে দুদক কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের মালিকানা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত