মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ কিশোরগঞ্জে লাঙ্গলের গণজোয়ার, গণসংযোগে জনসমর্থনের স্পষ্ট প্রতিফলন নরসিংদী জেলার ব্যাপক সাফল্য: ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সম্পন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ল ৫ হাজার টাকা কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ‘বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রচারণা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে শিশুদের ব্যবহার বন্ধের দাবি ১৪ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ জামায়াত চাঁদাবাজি করবে না, কাউকে করতেও দেবে না: জামায়াত আমির স্বামীকে খুন করে সারারাত অশ্লীল ভিডিও দেখলেন স্ত্রী আমাদের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে : নাহিদ ইসলাম

আগৈলঝাড়ায় পানির অভাবে ২শ ৫০একর জমির চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে পানি সেচ সংকটের কারণে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ইরি ব্লকের কমপক্ষে ২শ ৫০একর জমির চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে। ফলে ওই সকল ব্লকের জমির মালিক ও চাষিরা তাদের পরিবারের খাদ্য যোগান নিয়ে চরমভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পরেছেন। তবে এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি বিভাগের কাছে সঠিক কোন তথ্য নেই, নেই কোন মাথা ব্যাথা। ক্ষতিগ্রস্থ চাষিরা জানান, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের রথখোলা থেকে ভদ্রপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার খালে দীর্ঘদিন যাবত খনন না করায় তা ভরাট হয়ে যায়। এর ফলে গৈলা গ্রামের ইরি ব্লক ম্যানেজার সিরাজ সরদার, শুকলাল মন্ডলের ব্লকের প্রায় একশত জমির ইরি-বোরো চাষাবাদ চলতি বছর বন্ধ হয়ে গেছে। এর সাথে চলতি মৌসুমে একই এলাকার আরেক ব্লক ম্যানেজার সেলিম সরদারেরও ইরি ব্লকটি পানির অভাবে সব জমি চাষাবাদ করতে পারেনি। স্যালো ও পুকুরের পানি দিয়ে কিছু জমি চাষাবাদ করছে। ওই ব্লকের প্রায় ৪০ একর জমি চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও আশপাশের ব্লকগুলোতেও সেচ সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে। ওই এলাকার আবু সায়েদ, বাবুল সরদার ও জসিম সরদারেরও ব্লকের পানির প্রায় একশত একর জমি চাষাবাদ বন্ধের রয়েছে। ফলে ওই সকল ব্লকের দুই শতাধিক চাষিরা তাদের জমিতে কোন ফসল ফলাতে না পারায় তাদের পরিবার সদস্যদের সারা বছরের খাদ্য সংকট নিয়ে চরম সমস্যায় পরতে হচ্ছে। শিশু-কিশোরেরা শুকিয়ে যাওয়া খালে এখন মাছ ধরছে। এ কারণে উপজেলা কৃষি অফিসের উৎপাদনের লক্ষমাত্রা দরে রাখাও সম্ভব নয়। উপজেলার প্রায় সব খালে পানি নেই। গৈলা ইউনিয়নের গৈলা গ্রামের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাফর ইকবাল খালে পানি সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খালে পলি পরে খাল ভরাট হয়ে গেছে। যার কারনে পানি সংকট দেখা দিচ্ছে। তার আওতায় শুধু মাত্র ৭ হেক্টরের জমির চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খালে ইরি-বোরো চাষাবাদের সময় খালে বাধ দেয়া হয়েছিল তা কেটে দেয়া হয়েছে। পলি পরে খাল ভরাট হয়ে গেছে। খাল কাটা প্রয়োজন বলে তিনি জানান। পানির অভাবে ওই এলাকা প্রায় ১৫০একর জমিতে চলতি ইরি-বোরো চাষাবাদ হচ্ছে না।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com