ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই শুরু হয়েছে ৩ আসনের ভোটগ্রহণ



করোনা আতঙ্কের মধ্যেই শুরু হয়েছে ৩ আসনের ভোটগ্রহণ
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশে মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসের শঙ্কা মাথায় নিয়েই ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ঢাকা-১০ আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। বাকি দুই সংসদীয় আসনে ব্যালটে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।ভোটকেন্দ্রে ঘুরে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটারদের করোনা থেকে সুরক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার কথা জানালেও বস্তুত তা হ্যান্ড স্যানিটাইজার, টিস্যু ও ব্যানারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর আগে, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঢাকা-১০ উপনির্বাচনের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন বলেন, ভোটারদের বলব, আপনারা ভোট দিতে আসুন। করোনা ভাইরাস থেকে ভোটারদের সুরক্ষা দিতে আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে থাকবে একটি সচেতনতামূলক ব্যানার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও টিস্যু। ভোট দেওয়ার আগে ও পরে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া প্রতিটি ভোট কক্ষে চার-পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবীও থাকবেন।সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি ভোট কক্ষে প্রায় চারশর মতো ভোটার আসবেন। এসব ভোটারের জন্য ২০০ গ্রামের দুটি স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। কোনো ক্ষেত্রে এর পরিমাণ আরও বেশি বা কমও হতে পারে। সেই অনুযায়ী টিস্যুও দেওয়া হয়েছে। তবে এমনিতে গত কয়েকটি নির্বাচনে দেখা গেছে মানুষের মধ্যে ভোট নিয়ে তেমন কোনো উৎসাহ নেই। সেখানে এই করোনা ভাইরাসের মধ্যে কত শতাংশ ভোট পড়বে এই নিয়ে সবাই সন্দিহান রয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে চাইলেও ভোট স্থগিত করা যায় না। কারণ এতে ইসির অনেক অর্থ নষ্ট হতো। তবে ২৯ মার্চের চট্টগ্রামের নির্বাচন স্থগিত করা হতে পারে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি থানার নির্বাচনি অফিসার বলেন, সরকারি চাকরি করি। ইচ্ছা না থাকলেও নির্বাচনি ডিউটি করতে হবে। ভোট কক্ষে তো অনেক লোক আসবে, এটা কীভাবে নিশ্চিত করব কে সুস্থ আর কে অসুস্থ? শুধু ভোটাররা নয়, আমরা নিজেরাও ভয়ের মধ্যে আছি। একমাত্র ভরসা আল্লাহ।ঢাকা-১০ আসনের ঝিগাতলার একটি কেন্দ্রের ভোটার সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখন আমি ভোট দিতে গিয়ে যদি আক্রান্ত হই (আল্লাহ না করুক) তার দায় কে নেবে? তখন আমার পরিবারকে কারা দেখবে? সরকার বা নির্বাচন কমিশন কি আমার চিকিৎসা বা পরিবারের দেখভালের ব্যবস্থা করবে? কেউ করবে না। সুতরাং আগে নিজের নিরাপত্তা তারপর ভোট।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


করোনা আতঙ্কের মধ্যেই শুরু হয়েছে ৩ আসনের ভোটগ্রহণ

প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২০

featured Image
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশে মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসের শঙ্কা মাথায় নিয়েই ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ঢাকা-১০ আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। বাকি দুই সংসদীয় আসনে ব্যালটে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।ভোটকেন্দ্রে ঘুরে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটারদের করোনা থেকে সুরক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার কথা জানালেও বস্তুত তা হ্যান্ড স্যানিটাইজার, টিস্যু ও ব্যানারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর আগে, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঢাকা-১০ উপনির্বাচনের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন বলেন, ভোটারদের বলব, আপনারা ভোট দিতে আসুন। করোনা ভাইরাস থেকে ভোটারদের সুরক্ষা দিতে আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে থাকবে একটি সচেতনতামূলক ব্যানার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও টিস্যু। ভোট দেওয়ার আগে ও পরে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া প্রতিটি ভোট কক্ষে চার-পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবীও থাকবেন।সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি ভোট কক্ষে প্রায় চারশর মতো ভোটার আসবেন। এসব ভোটারের জন্য ২০০ গ্রামের দুটি স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। কোনো ক্ষেত্রে এর পরিমাণ আরও বেশি বা কমও হতে পারে। সেই অনুযায়ী টিস্যুও দেওয়া হয়েছে। তবে এমনিতে গত কয়েকটি নির্বাচনে দেখা গেছে মানুষের মধ্যে ভোট নিয়ে তেমন কোনো উৎসাহ নেই। সেখানে এই করোনা ভাইরাসের মধ্যে কত শতাংশ ভোট পড়বে এই নিয়ে সবাই সন্দিহান রয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে চাইলেও ভোট স্থগিত করা যায় না। কারণ এতে ইসির অনেক অর্থ নষ্ট হতো। তবে ২৯ মার্চের চট্টগ্রামের নির্বাচন স্থগিত করা হতে পারে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি থানার নির্বাচনি অফিসার বলেন, সরকারি চাকরি করি। ইচ্ছা না থাকলেও নির্বাচনি ডিউটি করতে হবে। ভোট কক্ষে তো অনেক লোক আসবে, এটা কীভাবে নিশ্চিত করব কে সুস্থ আর কে অসুস্থ? শুধু ভোটাররা নয়, আমরা নিজেরাও ভয়ের মধ্যে আছি। একমাত্র ভরসা আল্লাহ।ঢাকা-১০ আসনের ঝিগাতলার একটি কেন্দ্রের ভোটার সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখন আমি ভোট দিতে গিয়ে যদি আক্রান্ত হই (আল্লাহ না করুক) তার দায় কে নেবে? তখন আমার পরিবারকে কারা দেখবে? সরকার বা নির্বাচন কমিশন কি আমার চিকিৎসা বা পরিবারের দেখভালের ব্যবস্থা করবে? কেউ করবে না। সুতরাং আগে নিজের নিরাপত্তা তারপর ভোট।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত