ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।

সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।

এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি ঘরকে প্রস্তুতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্প এ দেশের মানুষের জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব।

সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, তা এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় অত্যন্ত কম হলেও এর ভয়াবহ প্রভাবের শিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষ। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়লেও এখনো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে ওঠেনি।

এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন ও আবাসন নির্মাণে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এ ছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীদূষণ বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।


ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত