মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খাল খননে জলাবদ্ধতা কমবে, বাড়বে কৃষি উৎপাদন: সোহেল মঞ্জুর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ, নরসিংদীতে ৫০ লাখ ঈদের ছুটিতে ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা র‍্যাব-সিআইডি-এসবি প্রধান পরিবর্তন জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরব থেকে ২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি কিনছে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ হবে এবার রোগমুক্ত: আমান উল্লাহ আমান দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশ ছাড়া চলবে না : আইজিপি আগৈলঝাড়ায় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ১৪ বস্তা চাল চাল জব্দ ভোটের কালি মোছার আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী
অসুস্থ আমজাদ হোসেনকে দেখতে হাসপাতালে সুচন্দা-ববিতা-চম্পা

অসুস্থ আমজাদ হোসেনকে দেখতে হাসপাতালে সুচন্দা-ববিতা-চম্পা

বিনোদন ডেস্কঃ ব্রেন স্ট্রোক করে হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি আছেন চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি পুরুষ আমজাদ হোসেন। রোববার সকাল ১০টায় তাকে অচেতন অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউতে নেয়া হয়। কিন্তু এখনো তার অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। কাটেনি শঙ্কা। তেজগাঁও ইমপালস হাসপাতালে চার দিন ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন আমজাদ হোসেন। তার চিকিৎসার সমস্ত দায়ভার নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।হাসপাতালে প্রিয় এই মানুষটিকে দেখতে এসে ছিলেন চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা’ খ্যাত ববিতা, সুচন্দা ও চিত্রনায়িকা চম্পা। বুধবার বিকেলে তিন বোন আমজাদ হোসেনকে দেখতে আসেন তেজগাঁয়ের ইমপালস হাসপাতালে। আমজাদ হোসেনের দুই ছেলের কাছে তার খোঁজ খবর নেন।

চিত্রনায়িকা ববিতা বলেন, ‘চার মাস পর দেশে ফিরলাম। আমি কানাডায় বিমানে ওঠার সময় এই সংবাদ শুনি। তখন থেকেই মনের ভেতর অস্থিরতা কাজ করছে। আমজাদ ভাইয়ের জন্য দোয়া করছি তখন থেকেই। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’ আমজাদ হোসেনকে দেখে এসে সুচন্দা বলেন, ‘আমজাদ ভাই অনেক বড় মাপের এখনজন নির্মাতা ছিলেন। তার কৃতকর্ম যেন কেউ ভুলে না যায়।’আমজাদ হোসেন নির্মিত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা। এই নির্মাতার সঙ্গে তার প্রথম ছবি ‘নয়নমণি’। মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ববিতা অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় ববিতার ক্যারিয়ারের আরও দুটি উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮) এবং ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ (১৯৭৮)।আমজাদ হোসেন ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া নানামাত্রিক কাজের জন্য ১৪ বার জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। একইসাথে বাংলা একাডেমী পুরস্কার সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com