বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়ায় ফোর্স প্রদর্শন বাংলাদেশি সাংবাদিকদের মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন পুনর্বিবেচনা করছে আইসিসি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ কিশোরগঞ্জে লাঙ্গলের গণজোয়ার, গণসংযোগে জনসমর্থনের স্পষ্ট প্রতিফলন নরসিংদী জেলার ব্যাপক সাফল্য: ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সম্পন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ল ৫ হাজার টাকা কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ‘বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রচারণা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে শিশুদের ব্যবহার বন্ধের দাবি ১৪ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

অসুস্থ আমজাদ হোসেনকে দেখতে হাসপাতালে সুচন্দা-ববিতা-চম্পা

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৮

বিনোদন ডেস্কঃ ব্রেন স্ট্রোক করে হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি আছেন চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি পুরুষ আমজাদ হোসেন। রোববার সকাল ১০টায় তাকে অচেতন অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউতে নেয়া হয়। কিন্তু এখনো তার অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। কাটেনি শঙ্কা। তেজগাঁও ইমপালস হাসপাতালে চার দিন ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন আমজাদ হোসেন। তার চিকিৎসার সমস্ত দায়ভার নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।হাসপাতালে প্রিয় এই মানুষটিকে দেখতে এসে ছিলেন চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা’ খ্যাত ববিতা, সুচন্দা ও চিত্রনায়িকা চম্পা। বুধবার বিকেলে তিন বোন আমজাদ হোসেনকে দেখতে আসেন তেজগাঁয়ের ইমপালস হাসপাতালে। আমজাদ হোসেনের দুই ছেলের কাছে তার খোঁজ খবর নেন।

চিত্রনায়িকা ববিতা বলেন, ‘চার মাস পর দেশে ফিরলাম। আমি কানাডায় বিমানে ওঠার সময় এই সংবাদ শুনি। তখন থেকেই মনের ভেতর অস্থিরতা কাজ করছে। আমজাদ ভাইয়ের জন্য দোয়া করছি তখন থেকেই। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’ আমজাদ হোসেনকে দেখে এসে সুচন্দা বলেন, ‘আমজাদ ভাই অনেক বড় মাপের এখনজন নির্মাতা ছিলেন। তার কৃতকর্ম যেন কেউ ভুলে না যায়।’আমজাদ হোসেন নির্মিত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা। এই নির্মাতার সঙ্গে তার প্রথম ছবি ‘নয়নমণি’। মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ববিতা অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় ববিতার ক্যারিয়ারের আরও দুটি উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮) এবং ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ (১৯৭৮)।আমজাদ হোসেন ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া নানামাত্রিক কাজের জন্য ১৪ বার জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। একইসাথে বাংলা একাডেমী পুরস্কার সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com