বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

র‍্যাব দেখেই ময়ূর লঞ্চের মাস্টার বলেন ‘আমার প্রেশার’!

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে বার বার অবস্থান পরিবর্তন করেন ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার আবুল বাশার। বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনার পর অভিযুক্ত ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার মো. আবুল বাসার (৫৭) আত্মগোপনে চলে যান। গ্রেপ্তারের সময় র‍্যাব দেখে তিনি বলে ওঠেন, ‘আমার প্রেশার।’ আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান খান।

এর আগে রোববার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার মো. আবুল বাসারকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। গ্রেপ্তারকৃত আবুল বাসার মাগুরার মোহাম্মদপুর থানার মণ্ডলগাতির কলাগাছি গ্রামের মৃত সিরাজুল হক মোল্লার ছেলে। অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান খান বলেন, বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনার পর আবুল বাসার আত্মগোপনে চলে যান। তিনি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার দিন তিনি নিজ গ্রাম মাগুরাতে চলে যান এবং রাতের খাবার খেয়ে পাশের একটি গ্রামের একজনের বাড়িতে রাত যাপন করেন। পরের দিন ফরিদপুরে আলফাডাঙ্গা চলে যান। সেখানে দুই দিন অবস্থান করার পর ফরিদপুরের রোয়ালমারি থানার আখালিপাড়া তার ভায়রার বাড়িতে অবস্থান করেন। সেখান থেকে বাসার ঢাকার দিকে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার বাসারকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ২৯ জুন সদরঘাট সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা এলাকায় ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা ছোট লঞ্চ ‘মর্নিং বার্ড’। এই ঘটনায় ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করে নৌ পুলিশ। মামলায় ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হোসেনসহ এই পর্যন্ত চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com