সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ শেষে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করল এনসিপি বৈষম্য ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশের পথে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: প্রধান উপদেষ্টা নরসিংদীর বেলাবোতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, ভাঙচুর-আগুন জুয়ার আসরে অভিযান, ১২ জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বাবা–মায়ের সঙ্গে অভিমানে সিংড়ায় যুবকের মর্মান্তিক আত্মহত্যা কুড়িগ্রামে এলপিজি গ্যাসের দাম দ্বিগুণ: তবু মিলছে না গ্যাস রাণীশংকৈলে জাল দলিল চক্রের এক সদস্য আটক গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মিন্টুর জামায়াতে যোগদান ঘিওর–দৌলতপুর–শিবালয়ের সার্বিক উন্নয়নে ভোটারদের প্রতি মোহাম্মদ ইলিয়াস হুসাইনের আহ্বান জাতীয় প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কোটার বিরুদ্ধে সংগ্রাম তরুণদের জয় অনিবার্য’

ভিশন বাংলা ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৮

ভিশন বাংলা ডেস্ক: কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ-এ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো:

তিনি লিখেছেন- কোটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অবমাননাকর এবং দূর্নীতি লালনকারী একটি বিষয়। এর বিরুদ্ধে বহুবার লিখেছি আমি। কোটার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানে ন্যায় এবং জীবিকার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এই সংগ্রামে এদেশের তরুন সমাজের জয় অনিবার্য বলে আমি বিশ্বাস করি।

সহিংসতা থেকে দুরে থাকুন, ঐক্য ধরে রাখুন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে রাখুন। এই আন্দোলন নিয়ে যেন কেউ বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে সেজন্য কৌশলী এবং সজাগ থাকুন।

তিনি আরো লিখেছেন- ১৯৭২ সালের সংবিধানে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা সম্পর্কে কিছু বলা নেই। এই সংবিধান প্রণীত হয়েছিল যে গণপরিষদে, সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চাকরিতে কোটা প্রদানের কথা উত্থাপিতই হয়নি।
গণপরিষদে কেবল সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের অধীনে নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান প্রসঙ্গে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় (বাংলাদেশ গণপরিষদের বিতর্ক, দ্বিতীয় খণ্ড, ১৯৭২, পৃষ্ঠা ৪৭০-১)।

সামাজিক নিরাপত্তার উদার ব্যাখ্যা করলে শুধুমাত্র পঙ্গু বা নিহত মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের জন্য চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ বৈধ হতে পারে, অন্যদের জন্য নয়। জনসংখ্যার অনুপাতে এই কোটা হতে পারে বড়জোর ১ শতা‌ংশ। বাকী ৯ শতাংশ হতে পারে নারী, প্রতিবন্ধী আর ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য।

কোটা কোনভাবেই মোট চাকরীর ১০ শতাংশের বেশী হোয়া উচিত না। উচিত না কোটা পুরন না হলে পদ শুন্য রেখে দেয়া। মুক্তিযোদ্ধারা এজাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের সম্মানিত করতে হবে অন্যভাবে। আমি দৃঢভাবে বিশ্বাস করি, ঢালা কোটা বরং অসম্মানিত করে তাদের।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com