কলকাতায় বাংলাদেশিদের মৃত্যু
৫ জনের পরিচয় মিলেছে, একই পরিবারের চারজন
ভারতের কলকাতায় একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের।
এতে জানানো হয়, ঘটনার পরপরই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। নিহত ও আহতদের তথ্য সংগ্রহ করেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, এখন পর্যন্ত এ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন মারা গিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
আরো পড়ুন
নাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযান
নাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযান
ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, উপ-হাইকমিশন থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। এছাড়া আহত ছয়জন বাংলাদেশিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশিদের বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। ইতোমধ্যেই উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্প লাইন চালু করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন
নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ২ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।
ওই হোটেলটিতে ২৫ জন বাংলাদেশি ছিলেন বলে জানা গেছে।
একাধিক গণমাধ্যম নিহত কভারতের কলকাতায় একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের।
এতে জানানো হয়, ঘটনার পরপরই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। নিহত ও আহতদের তথ্য সংগ্রহ করেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, এখন পর্যন্ত এ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন মারা গিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
আরো পড়ুন
নাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযান
নাগরিক সেবা নিশ্চিতে ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযান
ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, উপ-হাইকমিশন থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। এছাড়া আহত ছয়জন বাংলাদেশিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশিদের বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। ইতোমধ্যেই উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্প লাইন চালু করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন
নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ২ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।
ওই হোটেলটিতে ২৫ জন বাংলাদেশি ছিলেন বলে জানা গেছে।
একাধিক গণমাধ্যম নিহত কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেছে। তারা হলেন— শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত, আকরাম আলী, আহামেদ বাবু ও সন্দীপ পাসওয়ান। তাদের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী সন্দীপ পাসওয়ান ভারতের ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলায়। বাকি পাঁচজনের বাড়ি বাংলাদেশে। কজনের নাম প্রকাশ করেছে। তারা হলেন— শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত, আকরাম আলী, আহামেদ বাবু ও সন্দীপ পাসওয়ান। তাদের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী সন্দীপ পাসওয়ান ভারতের ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলায়। বাকি পাঁচজনের বাড়ি বাংলাদেশে।