মালয়েশিয়ায় বিশ্ব উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস স্কুলের বাজিমাত
দুই শিক্ষার্থীর স্বর্ণজয়, বাংলাদেশের ২৩ দলের ঘরে ১৭ স্বর্ণ, ৬ রৌপ্য; ৫ বিশেষ পুরস্কারও।
বিশ্বমঞ্চে আবারও বাংলাদেশের তরুণ মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর। মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী (ডব্লিউআইসিই) ২০২৬-এর আন্তর্জাতিক পর্বে একের পর এক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। ড্রিমস অব বাংলাদেশের নেতৃত্বে অংশ নেওয়া দেশের ২৩টি দল অর্জন করেছে ১৭টি স্বর্ণপদক, ৬টি রৌপ্যপদক ও ৫টি বিশেষ পুরস্কার।
এই সাফল্যের গৌরবময় অংশীদার হয়েছেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই কৃতি শিক্ষার্থী আইমান শরীফ ইশরাক ও বিভিধা শরীফ ইরফানিকা। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাঁদের দল স্বর্ণপদক অর্জনের পাশাপাশি তাঁরা পেয়েছেন আন্তর্জাতিক সনদ।
আইমান শরীফ ইশরাক এইচএসসি-২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী। আর বিভিধা শরীফ ইরফানিকা প্রতিষ্ঠানটির নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অল্প বয়সেই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন মঞ্চে তাঁদের এই অর্জন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
কৃতি দুই শিক্ষার্থী বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন এবং বাংলাদেশ স্কাউট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রোভারের সহকারী লিডার ট্রেইনার ও কোষাধ্যক্ষ এবং সুহিলপুর আলহাজ্ব হারুন আল রশিদ কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফ জসীমের সন্তান।
মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ২৩টি দলের এমন সাফল্য দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, মেধা ও সম্ভাবনার শক্তিশালী প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও সাফল্যের পরিধিও তুলে ধরেছে এ অর্জন।
আইমান শরীফ ইশরাক ও বিভিধা শরীফ ইরফানিকার সাফল্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিবার আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দুই কৃতি শিক্ষার্থী ও তাঁদের দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, আমরা ভবিষ্যতে আরও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে কীভাবে এধরণের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি করা যায় তা নিয়ে কাজ করছি। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে এবং শীঘ্রই তাঁরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে একটি সেমিনার ও প্রদর্শনী আয়োজন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি এধরণের কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুনাম, সুখ্যাতি সমুন্নত রাখবে ইনশাআল্লাহ।