ঢাকা    মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

প্রত্যাশিত বড় জয়ই পেল পাকিস্তান



প্রত্যাশিত বড় জয়ই পেল পাকিস্তান
ভিশন বাংলা ডেস্ক: পরাশক্তি পাকিস্তানের মুখোমুখি পুঁচকে হংকং। এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচটির ফলটা যেন প্রত্যাশিতই-পাকিস্তান অনায়েসে জিতবে। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার দিবা-রাত্রির ম্যাচটি সেই প্রত্যাশিত চিত্রনাট্যই মঞ্চস্থ হলো। পুঁচকে হংকংকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে সহজ জয়ের এই রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিল বোলাররা। হংকংকে অলআউট করে দিয়েছিল মাত্র ১১৬ রানে। পাকদের বড় জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায় তখনই। ১১৭ রানের মামুলি টার্গেট টপকানোটা পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের জন্য এমন কি! তা মামুলি এই টার্গেটকে মামুলি বলেই প্রমাণ করেছে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার ইমাম-উল-হকের হাফসেঞ্চুরিতে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৩.৪ ওভারেই পৌঁছে গেছে লক্ষ্যে (১২০/২)। প্রতিপক্ষের রানের পাহাড়ে চাপা পড়ব না, এই ভাবনা থেকেই কিনা টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেন হংকং অধিনায়ক আংশুমান রাঠ। কিন্তু তাদের শুরুটা ভালো হয়নি। ফাহিম আশরাফ, শাদাব খানদের তোপের মুখে মাত্র ৪৪ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে কাঁপতে থাকে হংকং। এরপর কিনচিত শাহ ও আইজাজ খান মিলে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বটে। কিন্তু তাদের তাদের সেই চেষ্টা সফল হতে দেননি হাসান আলি, উসমান খানরা। শেষ পর্যন্ত তাই ৩৭.১ ওভারে ১১৬ রানেই থেমে গেছে হংকংয়ের ইনিংস। হংকংয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন আইজাজ খান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন কিনচিত শাহ। এছাড়া অধিনায়ক আংশুমান রাঠ ১৯ ও নিজাকাত খান করেছেন ১৩ রান। উইকেট প্রাপ্তি বিবেচনায় পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল তরুণ পেসার উসমান খান। তিনি ১৯ রানে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। স্পিনার শাদাব খান ও হাসান আলি নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। অন্য দুটি রানআউট। জয়ের লক্ষ্য তাড়ায় ইমাম-উল-হক ও ফখর জামান উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে ৪১ রান। ২৪ রান করে ফখর জামান ফিরে যাওয়ার পর ৩০ রান করে আউট হন বাবর আজমও। তবে একপ্রান্ত ঠিকই আগলে রাখেন ইমাম-উল-হক। ২২ বছর বয়সী তরুণ তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি। দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার সময় অপরাজিত ছিলেন কাটায় কাটায় ৫০ রানে। তার সঙ্গী নাদিম আহমেদ অপরাজিত ছিলেন ৯ রান করে। ২৬.২ ওভার বাকি থাকতেই ৮ উইকেটের জয়। সহজ জয়ে পাকিস্তান শিবিরে নিশ্চিতভাবেই স্বস্তির হাওয়া। একটু স্বস্তি হয়তো আছে হংকং শিবিরেও। অন্তত পাকিস্তানের দুটো উইকেট তো নিতে পেরেছে তারা। হংকং স্বস্তি যদি পেয়েই থাকে, তাহলে তার পুরো কৃতিত্বই পাবেন স্পিনার এহসান খান। পাকিস্তানের দুটো উইকেটই নিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী এই অফস্পিনার। ম্যাচসেরার পুরস্কারটি পেয়েছেন পাকিস্তানের পেসার উসমান খান।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


প্রত্যাশিত বড় জয়ই পেল পাকিস্তান

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

featured Image
ভিশন বাংলা ডেস্ক: পরাশক্তি পাকিস্তানের মুখোমুখি পুঁচকে হংকং। এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচটির ফলটা যেন প্রত্যাশিতই-পাকিস্তান অনায়েসে জিতবে। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার দিবা-রাত্রির ম্যাচটি সেই প্রত্যাশিত চিত্রনাট্যই মঞ্চস্থ হলো। পুঁচকে হংকংকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে সহজ জয়ের এই রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিল বোলাররা। হংকংকে অলআউট করে দিয়েছিল মাত্র ১১৬ রানে। পাকদের বড় জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায় তখনই। ১১৭ রানের মামুলি টার্গেট টপকানোটা পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের জন্য এমন কি! তা মামুলি এই টার্গেটকে মামুলি বলেই প্রমাণ করেছে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার ইমাম-উল-হকের হাফসেঞ্চুরিতে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৩.৪ ওভারেই পৌঁছে গেছে লক্ষ্যে (১২০/২)। প্রতিপক্ষের রানের পাহাড়ে চাপা পড়ব না, এই ভাবনা থেকেই কিনা টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেন হংকং অধিনায়ক আংশুমান রাঠ। কিন্তু তাদের শুরুটা ভালো হয়নি। ফাহিম আশরাফ, শাদাব খানদের তোপের মুখে মাত্র ৪৪ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে কাঁপতে থাকে হংকং। এরপর কিনচিত শাহ ও আইজাজ খান মিলে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বটে। কিন্তু তাদের তাদের সেই চেষ্টা সফল হতে দেননি হাসান আলি, উসমান খানরা। শেষ পর্যন্ত তাই ৩৭.১ ওভারে ১১৬ রানেই থেমে গেছে হংকংয়ের ইনিংস। হংকংয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন আইজাজ খান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন কিনচিত শাহ। এছাড়া অধিনায়ক আংশুমান রাঠ ১৯ ও নিজাকাত খান করেছেন ১৩ রান। উইকেট প্রাপ্তি বিবেচনায় পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল তরুণ পেসার উসমান খান। তিনি ১৯ রানে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। স্পিনার শাদাব খান ও হাসান আলি নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। অন্য দুটি রানআউট। জয়ের লক্ষ্য তাড়ায় ইমাম-উল-হক ও ফখর জামান উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে ৪১ রান। ২৪ রান করে ফখর জামান ফিরে যাওয়ার পর ৩০ রান করে আউট হন বাবর আজমও। তবে একপ্রান্ত ঠিকই আগলে রাখেন ইমাম-উল-হক। ২২ বছর বয়সী তরুণ তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি। দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার সময় অপরাজিত ছিলেন কাটায় কাটায় ৫০ রানে। তার সঙ্গী নাদিম আহমেদ অপরাজিত ছিলেন ৯ রান করে। ২৬.২ ওভার বাকি থাকতেই ৮ উইকেটের জয়। সহজ জয়ে পাকিস্তান শিবিরে নিশ্চিতভাবেই স্বস্তির হাওয়া। একটু স্বস্তি হয়তো আছে হংকং শিবিরেও। অন্তত পাকিস্তানের দুটো উইকেট তো নিতে পেরেছে তারা। হংকং স্বস্তি যদি পেয়েই থাকে, তাহলে তার পুরো কৃতিত্বই পাবেন স্পিনার এহসান খান। পাকিস্তানের দুটো উইকেটই নিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী এই অফস্পিনার। ম্যাচসেরার পুরস্কারটি পেয়েছেন পাকিস্তানের পেসার উসমান খান।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত