ঢাকা    সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

নরসিংদী আদালতের শেরেস্থা থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি, আইনজীবীর সহকারী আটক



নরসিংদী আদালতের শেরেস্থা থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি, আইনজীবীর সহকারী আটক
নরসিংদীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের শেরেস্থা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় এক আইনজীবীর সহকারীকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে নথিসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরন করলে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরন করেন। চুরির ঘটনাটি ঘটে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের সেরেস্থার কক্ষে। এ ঘটনায় নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হয়।নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তির নাম ইমন মিয়া (২৯)। তিনি সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া গ্রামের মৃত ছাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে। ইমন মিয়া নরসিংদী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লাভনী আমিনের সহকারী হিসেবে কর্মরত। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি (রবিবার) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. গোলাম মাসুম জরুরি প্রয়োজনে সেরেস্তাখানায় থেকে এজলাসে যান। কাজ শেষে সেরেস্থায় ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, টেবিলের ওপর সংরক্ষিত শিশু-৫৫/২০১৯ নম্বর মামলার নথিটি নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও নথিটি না পাওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।পরবর্তীতে এজলাসে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আইনজীবীর সহকারী ইমন মিয়া এজলাসে প্রবেশ করে গোপনে ও কৌশলে নথিটি চুরি করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ১২ জানুয়ারি (সোমবার) বেঞ্চ সহকারী মো. গোলাম মাসুম বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ একটি মামলা রুজু করে যাহার নং ২৬(০১)২০২৬ ধারা ৩৮০/২০১/২০৪/১২০/৩৪ মুলে পাঁচ দিনে পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরন করলে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মুজ্ঞুর করে কারাগারে প্রেরন করেন। পুলিশ আরো জানায় মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ইমন মিয়াকে গ্রেফতার করে এবং চুরি হওয়া নথি উদ্ধার করে। অসৎ উদ্দেশ্যেই অভিযুক্ত এ কাজ করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।মামলার বাদী মো. গোলাম মাসুম জানান, ঘটনার দিন সকালে অভিযুক্ত ইমন মিয়া অন্য একটি মামলার আসামিপক্ষের হাজিরা কাগজ জমা দিতে সেরেস্থায় আসেন। সে সময় তিনি অন্য কাজে সেরেস্তাখানায় অবস্থান করায় সুযোগ বুঝে অভিযুক্ত টেবিলের ওপর রাখা গুরুত্বপূর্ণ নথিটি চুরি করে নিয়ে যান।

ভিশন বাংলা ২৪

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


নরসিংদী আদালতের শেরেস্থা থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি, আইনজীবীর সহকারী আটক

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
নরসিংদীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের শেরেস্থা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় এক আইনজীবীর সহকারীকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে নথিসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরন করলে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরন করেন। চুরির ঘটনাটি ঘটে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের সেরেস্থার কক্ষে। এ ঘটনায় নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হয়।নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তির নাম ইমন মিয়া (২৯)। তিনি সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া গ্রামের মৃত ছাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে। ইমন মিয়া নরসিংদী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লাভনী আমিনের সহকারী হিসেবে কর্মরত। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি (রবিবার) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. গোলাম মাসুম জরুরি প্রয়োজনে সেরেস্তাখানায় থেকে এজলাসে যান। কাজ শেষে সেরেস্থায় ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, টেবিলের ওপর সংরক্ষিত শিশু-৫৫/২০১৯ নম্বর মামলার নথিটি নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও নথিটি না পাওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।পরবর্তীতে এজলাসে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আইনজীবীর সহকারী ইমন মিয়া এজলাসে প্রবেশ করে গোপনে ও কৌশলে নথিটি চুরি করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ১২ জানুয়ারি (সোমবার) বেঞ্চ সহকারী মো. গোলাম মাসুম বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ একটি মামলা রুজু করে যাহার নং ২৬(০১)২০২৬ ধারা ৩৮০/২০১/২০৪/১২০/৩৪ মুলে পাঁচ দিনে পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরন করলে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মুজ্ঞুর করে কারাগারে প্রেরন করেন। পুলিশ আরো জানায় মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ইমন মিয়াকে গ্রেফতার করে এবং চুরি হওয়া নথি উদ্ধার করে। অসৎ উদ্দেশ্যেই অভিযুক্ত এ কাজ করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।মামলার বাদী মো. গোলাম মাসুম জানান, ঘটনার দিন সকালে অভিযুক্ত ইমন মিয়া অন্য একটি মামলার আসামিপক্ষের হাজিরা কাগজ জমা দিতে সেরেস্থায় আসেন। সে সময় তিনি অন্য কাজে সেরেস্তাখানায় অবস্থান করায় সুযোগ বুঝে অভিযুক্ত টেবিলের ওপর রাখা গুরুত্বপূর্ণ নথিটি চুরি করে নিয়ে যান।

ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত