ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া

সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে এবারও সাধারণ ভোটাররা সরাসরি ভোট দিতে পারবেন না; সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করেন। ওই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।

সেসময় জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ভোটদানে বিরত ছিল। সব মিলিয়ে ৬০ জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। ৩৫০ আসনের সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য বাদে ১০টি দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। বিএনপির রয়েছে ২৪৭টি আসন, জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৮টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩টি আসন। এ ছাড়া কয়েকটি দলের একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন। স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন আটজন।

ইতোমধ্যে ১১ দলীয় জোট কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে। তার পক্ষে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। বিএনপিও তাদের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। তবে ক্ষমতাসীন বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণ না থাকায় সংসদে কোন দলের কতটি আসন রয়েছে, সেটিই ফল নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সংসদে বিএনপির ২৪৭টি আসন থাকায় দলটির দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। নির্বাচিত হলে তিনি হবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।

ভিশন বাংলা ২৪

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে এবারও সাধারণ ভোটাররা সরাসরি ভোট দিতে পারবেন না; সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করেন। ওই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।

সেসময় জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ভোটদানে বিরত ছিল। সব মিলিয়ে ৬০ জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। ৩৫০ আসনের সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য বাদে ১০টি দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। বিএনপির রয়েছে ২৪৭টি আসন, জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৮টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩টি আসন। এ ছাড়া কয়েকটি দলের একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন। স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন আটজন।

ইতোমধ্যে ১১ দলীয় জোট কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে। তার পক্ষে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। বিএনপিও তাদের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। তবে ক্ষমতাসীন বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণ না থাকায় সংসদে কোন দলের কতটি আসন রয়েছে, সেটিই ফল নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সংসদে বিএনপির ২৪৭টি আসন থাকায় দলটির দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। নির্বাচিত হলে তিনি হবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।


ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত