ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিশন বাংলা ২৪

সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে বিএসইসি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ইন্স্যুরেন্স পিএলসির শেয়ার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কোম্পানিটির শেয়ারদর গত প্রায় ১৭ মাসে কয়েক গুণ বেড়েছে, অন্যদিকে কোম্পানির নিজস্ব বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ‘আনরিয়েলাইজড’ লোকসান। একই সঙ্গে শেয়ারদরের অস্বাভাবিক উত্থান নিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুসন্ধান সামনে এসেছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্সের সঙ্গে শেয়ারদরের এই উত্থানের সামঞ্জস্য কতটা? আর কোম্পানির নিজস্ব বিনিয়োগে লোকসানের বিষয়টিই বা কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে?

সাম্প্রতিক বাজারতথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল প্রায় ২৮ টাকা ৪০ পয়সা। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ তা বেড়ে ১২৮ টাকা ২০ পয়সায় ওঠে—প্রায় ১৭ মাসে বৃদ্ধি ৩৫১ শতাংশ। একই সময়ে কোম্পানির ২০২৬ সালের জুন শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ২৬ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বরের বাজারদর এনএভির প্রায় ৪ দশমিক ৯ গুণ।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোম্পানিটির শেয়ারদর বৃদ্ধির পেছনে এমন কোনো বড় মূল্যসংবেদনশীল ব্যবসায়িক ঘোষণা প্রকাশ্যে আসেনি, যা এই মাত্রার উত্থানকে এককভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে—এমন প্রশ্নও বাজার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এ কারণেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি বাড়ছে।

নিজস্ব বিনিয়োগেই বড় লোকসান

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে সিটি ইন্স্যুরেন্সের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এর বিপরীতে বিনিয়োগগুলোর বাজারমূল্য নেমে আসে প্রায় ১৫ কোটি ৬৩ লাখ ১১ হাজার টাকায়। ফলে আনরিয়েলাইজড লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ১৬ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, যা মোট বিনিয়োগের প্রায় ৫১ শতাংশ।

এর মধ্যে জেনেক্স ইনফোসিসের শেয়ারে প্রায় ৯০ লাখ ৭০ হাজার টাকা বা ৭৬ শতাংশ, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশে ৫১ শতাংশ এবং বসুন্ধরা পেপার মিলসের শেয়ারে ৬৭ শতাংশ আনরিয়েলাইজড লোকসানের তথ্য রয়েছে।

অর্থাৎ কোম্পানিটির নিজস্ব বিনিয়োগ কার্যক্রমেও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এসব লোকসান ‘আনরিয়েলাইজড’ হওয়ায় শেয়ার বিক্রি না করা পর্যন্ত এগুলো হিসাবভিত্তিক মূল্যহ্রাস; চূড়ান্ত নগদ লোকসান হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ।

তদন্তে বিএসইসি–ডিএসই

সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদরের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিষয়টি ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে এসেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএসইসির তদন্ত শেষ হয়ে enforcement পর্যায়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি ডিএসইও পৃথক অনুসন্ধান করেছে এবং সেখানে শেয়ার লেনদেনে কারসাজির গুরুতর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে এখনো কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা বিনিয়োগকারীকে শেয়ার কারসাজির জন্য চূড়ান্তভাবে দায়ী ঘোষণা করা হয়নি। ফলে তদন্তের তথ্যকে চূড়ান্ত অপরাধ প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহেদ ইমরান বলেন, অতিমূল্যায়িত অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ার সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের উপদেষ্টা মিজান উর রশীদও সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর বৃদ্ধির বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান।

কোম্পানির বক্তব্য মেলেনি

অভিযোগ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত তথ্যের বিষয়ে সিটি ইন্স্যুরেন্সের সচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান সরকার (ভারপ্রাপ্ত) এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আজিজুল হকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। ফোন ও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন প্রায় ৬৮ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানির নিজস্ব প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের মে মাসে স্পন্সর/পরিচালকদের হাতে ৩৬ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৭ দশমিক ০৪ শতাংশ শেয়ার ছিল; বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশ ছিল দশমিক ০১ শতাংশ।

এদিকে কোম্পানির ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং ২০২৬ সালের প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত রয়েছে। এসব প্রতিবেদনের আর্থিক তথ্য, বিনিয়োগ পোর্টফোলিও, সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেন এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত—সবকিছু মিলিয়ে আরও অনুসন্ধানের অবকাশ রয়েছে।

সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর কেন এত দ্রুত বেড়েছে, এই উত্থানের সঙ্গে কোম্পানির মৌলিক আর্থিক অবস্থার সম্পর্ক কতটা এবং শেয়ার লেনদেনে কোনো অনিয়ম বা কারসাজি হয়েছে কি না—নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্তেই এখন এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

ভিশন বাংলা ২৪

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে বিএসইসি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ইন্স্যুরেন্স পিএলসির শেয়ার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কোম্পানিটির শেয়ারদর গত প্রায় ১৭ মাসে কয়েক গুণ বেড়েছে, অন্যদিকে কোম্পানির নিজস্ব বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ‘আনরিয়েলাইজড’ লোকসান। একই সঙ্গে শেয়ারদরের অস্বাভাবিক উত্থান নিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুসন্ধান সামনে এসেছে।


বাজারসংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্সের সঙ্গে শেয়ারদরের এই উত্থানের সামঞ্জস্য কতটা? আর কোম্পানির নিজস্ব বিনিয়োগে লোকসানের বিষয়টিই বা কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে?


সাম্প্রতিক বাজারতথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল প্রায় ২৮ টাকা ৪০ পয়সা। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ তা বেড়ে ১২৮ টাকা ২০ পয়সায় ওঠে—প্রায় ১৭ মাসে বৃদ্ধি ৩৫১ শতাংশ। একই সময়ে কোম্পানির ২০২৬ সালের জুন শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ২৬ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বরের বাজারদর এনএভির প্রায় ৪ দশমিক ৯ গুণ।


আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোম্পানিটির শেয়ারদর বৃদ্ধির পেছনে এমন কোনো বড় মূল্যসংবেদনশীল ব্যবসায়িক ঘোষণা প্রকাশ্যে আসেনি, যা এই মাত্রার উত্থানকে এককভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে—এমন প্রশ্নও বাজার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এ কারণেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি বাড়ছে।


নিজস্ব বিনিয়োগেই বড় লোকসান


কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে সিটি ইন্স্যুরেন্সের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এর বিপরীতে বিনিয়োগগুলোর বাজারমূল্য নেমে আসে প্রায় ১৫ কোটি ৬৩ লাখ ১১ হাজার টাকায়। ফলে আনরিয়েলাইজড লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ১৬ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, যা মোট বিনিয়োগের প্রায় ৫১ শতাংশ।


এর মধ্যে জেনেক্স ইনফোসিসের শেয়ারে প্রায় ৯০ লাখ ৭০ হাজার টাকা বা ৭৬ শতাংশ, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশে ৫১ শতাংশ এবং বসুন্ধরা পেপার মিলসের শেয়ারে ৬৭ শতাংশ আনরিয়েলাইজড লোকসানের তথ্য রয়েছে।


অর্থাৎ কোম্পানিটির নিজস্ব বিনিয়োগ কার্যক্রমেও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এসব লোকসান ‘আনরিয়েলাইজড’ হওয়ায় শেয়ার বিক্রি না করা পর্যন্ত এগুলো হিসাবভিত্তিক মূল্যহ্রাস; চূড়ান্ত নগদ লোকসান হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ।


তদন্তে বিএসইসি–ডিএসই


সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদরের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিষয়টি ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে এসেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএসইসির তদন্ত শেষ হয়ে enforcement পর্যায়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি ডিএসইও পৃথক অনুসন্ধান করেছে এবং সেখানে শেয়ার লেনদেনে কারসাজির গুরুতর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে এখনো কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা বিনিয়োগকারীকে শেয়ার কারসাজির জন্য চূড়ান্তভাবে দায়ী ঘোষণা করা হয়নি। ফলে তদন্তের তথ্যকে চূড়ান্ত অপরাধ প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।


এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহেদ ইমরান বলেন, অতিমূল্যায়িত অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ার সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের উপদেষ্টা মিজান উর রশীদও সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর বৃদ্ধির বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান।


কোম্পানির বক্তব্য মেলেনি


অভিযোগ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত তথ্যের বিষয়ে সিটি ইন্স্যুরেন্সের সচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান সরকার (ভারপ্রাপ্ত) এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আজিজুল হকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। ফোন ও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন প্রায় ৬৮ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানির নিজস্ব প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের মে মাসে স্পন্সর/পরিচালকদের হাতে ৩৬ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৭ দশমিক ০৪ শতাংশ শেয়ার ছিল; বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশ ছিল দশমিক ০১ শতাংশ।


এদিকে কোম্পানির ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং ২০২৬ সালের প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত রয়েছে। এসব প্রতিবেদনের আর্থিক তথ্য, বিনিয়োগ পোর্টফোলিও, সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেন এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত—সবকিছু মিলিয়ে আরও অনুসন্ধানের অবকাশ রয়েছে।


সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর কেন এত দ্রুত বেড়েছে, এই উত্থানের সঙ্গে কোম্পানির মৌলিক আর্থিক অবস্থার সম্পর্ক কতটা এবং শেয়ার লেনদেনে কোনো অনিয়ম বা কারসাজি হয়েছে কি না—নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্তেই এখন এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।


ভিশন বাংলা ২৪

Advisory Editor: Syed Shajahan Saju, Adviser: Advocate Shajan Majumder, Chief Editor: Tuhin Bhuiyan, Executive Editor: S.M. Kamal, Managing Editor: Bayzid Bostami, Asst. Editor: Sahara Moon, Asst. Editor: Azgar Ali
কপিরাইট © ২০২৬ ভিশন বাংলা ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত