ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে জনসম্পৃক্ত করতে গণমাধ্যমের সহায়তা প্রয়োজন: ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে (ডিএসসিসি) আরও জনসম্পৃক্ত ও নাগরিকবান্ধব করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
তিনি বলেছেন, ঢাকাবাসীকে এই শহরকে নিজের শহর হিসেবে ভাবতে হবে। নগরবাসীর মধ্যে শহরের প্রতি মমত্ববোধ ও দায়িত্ববোধ তৈরি না হলে ঢাকার সার্বিক উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা কঠিন।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, “ঢাকাবাসীদের ঢাকাকে নিজের মনে করতে হবে। নইলে এই শহরের প্রতি দরদ তৈরি হবে না।” নগরবাসীর সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের সম্পর্ক আরও নিবিড় করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নাগরিকদের সম্পৃক্ততা ছাড়া একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, “আমি যদি মেয়র নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে ঢাকাবাসীদের জন্য আরও বেশি কিছু করতে পারব বলে আশা করছি। আপনারা এ ব্যাপারে পাশে থাকেন, আমিও আপনাদের পাশে থাকব।”
মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমের সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নগরবাসীর সমস্যা, নাগরিক সেবা, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন ও নাগরিকদের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করা সম্ভব বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।
সভায় বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নুরুদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, সহসভাপতি এবিএম রফিকুর রহমান, সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অনজন রহমান, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, জনকল্যাণ সম্পাদক নুরুন্নবী রবি এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য গ্যালমান শফি, লুৎফর রহমান, দেলোয়ার হোসেন বাদল ও কুশর ইয়াসির উপস্থিত ছিলেন।
বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নেতারা এ সময় ঢাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা, গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা এবং নগরবাসীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন।
মতবিনিময় সভায় ডিএসসিসির প্রশাসক ও সাংবাদিক নেতারা নগরবাসীর কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে একমত পোষণ করেন।