প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সংবাদ মাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে (ফাতেমা আমিন) এবং আমার মরহুম স্বামীকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশিত “প্রতারণা ও আত্মসাতের রাজত্ব: কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির…” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা এই ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মনগড়া ও চরম মানহানিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকাশিত সংবাদটিতে যেসকল মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছে, তার প্রকৃত সত্য নিচে তুলে ধরা হলো:
ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ: সংবাদে উল্লিখিত সকল জালিয়াতি, আত্মসাৎ ও মামলার বিবরণ সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও বানোয়াট। কোনো প্রকার সঠিক তথ্যপ্রমাণ ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে এই কুৎসা রটিয়েছে।
মরহুম স্বামীর মৃত্যু সংক্রান্ত অপপ্রচার: আমার মরহুম স্বামীর স্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে যেভাবে অলীক ও কুরুচিপূর্ণ গল্প সাজানো হয়েছে, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। পরিবারের সম্মতি ও চিকিৎসকের যথাযথ ডেথ সার্টিফিকেটসহ ধর্মীয় ও আইনি নিয়ম মেনেই তার দাফন সম্পন্ন হয়েছিল। এ বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পারিবারিক ও রাজনৈতিক ফায়দা লুটার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির নির্বাচন ও অভ্যন্তরীণ বিষয়: অ্যাপার্টমেন্ট মোটর ও ফান্ড সংক্রান্ত যে আর্থিক অনিয়মের কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কমিটির সাধারণ সদস্য ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি পরাজিত বা অসৎ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এই ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সেখানে কোনো বহিরাগত বা জালিয়াতির মাধ্যমে কাউকে পদ দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।
আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি: যাচাই-বাছাই ছাড়া এই ধরনের মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।সাংবাদিক ভাই ও বন্ধুদের মাঝে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের ফসয়দা লুটে নেওয়ার জন্য যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন,
আমরা সকল সংবাদ মাধ্যম ও পাঠক সমাজকে এই ধরনের সত্যহীন ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রচারে:
ফাতেমা আমিন
কাকরাইল, ঢাকা।