শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে
নামে বে-নামে অভিযোগ দিয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে হয়রানি
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় সদর ইউনিয়নের পাইকুড়া গ্রামের ৬ জন কৃষকের নাম ব্যবহার করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রোহল কুদ্দুছের বিরুদ্ধে দূনীতি দমন কমিশন বরাবর সহ কয়েক জায়গায় অভিযোগের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে । এই মিথ্যা অভিযোগে যাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে মকুল মিয়া,পিতা গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল হালিম পিতা সহিজ উদ্দিন গ্রাম জড়াকুড়া,সবুজ মিয়া পিতা আইজ উদ্দিন জড়াকুড়া,জৈয়মত আলী পিতা কফিল উদ্দিন গ্রাম বালিয়াচন্ডি,শাহাজাহান পিতা শাহাজামাল এদের নাম ব্যবহার করে অভিযোগটি দায়ের করা হয়। সরজমিনে এদর সাথে কথা বলে জানা যায় তারা কোন দূর্নীতির অভিযোগ এনে কৃষি ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে জড়িয়ে অভিযোগ দায়ের করেন নাই। আমাদের নাম ব্যবহার ও সাক্ষর জাল করে কে বা কারা অভিযোগটি দিয়েছে আমরা কেউ জানিনা । সঠিক তদন্ত করে ভূয়া ও নামে বেনামে আমাদের নাম ব্যবহার করার ফলে প্রতারকদের বিচার দাবি করছি বলে জানান ।এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্য ও যুবদল নেতা আসাদুজ্জামান বলেন এই গ্রামে অভিযোগ পত্রে যাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে তাদের কেউ অবগত নয় তারা জানেই না। হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে কর্মকর্তাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান ।এ ছাড়া উপসহকারী কর্মকর্তা রোহল কুদ্দস মাঠ পর্যায়ে কৃষকের সেবায় ও নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে কাজ করে আসছে ফলে অত্র গ্রামের কৃষকরা উপকৃত হচ্ছে। সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন বলেন বে নামে রোহলের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে অভিযোগকারীর কোন ব্যাক্তিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে তারা এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেনি বলে আমি জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রোহল কুদ্দস বলেন আমি নিয়মিত সরকারের অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছি আমাকে ও স্যারকে জড়িয়ে নামে বে নামে একটি অভিযোগ দিয়েছে। যাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানে না হয়রানির করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থর করার পায়তারা করছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন আমাকে জড়িয়ে যে অভিযোগটি পাওয়া গেছে তা মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক যাদের নামে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তারা ইতি মধ্যে লিখিত দিয়েছে কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেনি।